১২:৪০ এম
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাঁতশিল্পের উন্নয়ন নিয়ে প্রান্তিক থাতিদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। যা তাঁদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও পরামর্শের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ করার ব্যাপারে সহায়ক হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আজ শনিবার, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাঐতারা গ্রামে তাঁত শিল্পীদের সঙ্গে আয়োজিত উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সভায় তাঁত শিল্পের উন্নয়ন, তাঁদের সমস্যা, ঋণ সুবিধা, কাঁচামালের মূল্য এবং বাজারজাতকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমন্ত্রিত তাঁতিরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাঁতিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাঁদের বাস্তব সমস্যা জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। কারণ প্রান্তিক তাঁতিদের মতামতের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও নীতি নির্ধারণ করা সহজ হবে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
তিনি আরো বলেন, সিরাজগঞ্জ বাংলাদেশের তাঁতশিল্পের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এই অঞ্চলের তাঁতশিল্পের রয়েছে দীর্ঘ ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা। হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করে তাঁতশিল্পকে আরও শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
সিরাজগঞ্জ সদর, উল্লাপাড়া, শাহজাদপুর ও বেলকুচি এলাকায় ইতোমধ্যে প্রায় ৬৫ কোটি টাকা ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সহজ শর্তে ৪ শতাংশ সুদে এই ঋণ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও বেশি প্রকৃত টিহাতিকে ঋণ সুবিধার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সিরাজগঞ্জে নবনির্মিত তাঁত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও বেসিক সেন্টারের মাধ্যমে শুধু প্রশিক্ষণ প্রদান নয়, সাথে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটাইল প্রতিষ্ঠান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে কাজ শেখার এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, তাঁতি সমিতির নেতৃবৃন্দ এবং সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার তাঁতি ও শ্রমিকরা।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন