রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৪ পি.এম
নোয়াখালীতে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নিপীড়নের অভিযোগে জামায়াতের এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১১টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলা শরীফপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম খানপুর গ্রামের ফরাজী বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ফরাজী বাড়ির মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা অনুভব করায় সে বাবুনগর এলাকার হাসানহাট বাজারে আলমগীরের ওষুধের দোকানে যায়। আলমগীর ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করেন।
শিশুটির বাবার অভিযোগ, মাথাব্যথা ঝাড়ফুঁক করলে ভালো হয়ে যাবে বলে আলমগীর শিশুটিকে দোকানের পেছনের একটি কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে নিপীড়ন করা হয়। এ ঘটনার পর কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। পরে শিশুটি শরীরে ব্যথা অনুভব করলে পরিবারের সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে শিশুটি পরিবারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়।
শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, ২০২২ সাল পর্যন্ত আলমগীর জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলীয় কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শনিবার রাতে মামলা করেন। ওই মামলায় রাতেই আলমগীরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে আজ দুপুরে আলমগীরকে বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রধান ফটকের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত একজন কর্মীকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করেছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যক্রম ও তৎপরতার বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন জবি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় ওই ব্যক্তি সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন বলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দাবি করেন। বিষয়টি নজরে আসার পর তারা প্রতিবাদ জানান এবং পরে ওই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দাবি, আটক ব্যক্তি অতীতে স্থানীয় পর্যায়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে তার নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, "আমরা সকাল থেকে ছাত্রলীগের তৎপরতার বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলাম। এ সময় ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক কর্মী আমাদের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। বিষয়টি আমাদের নেতাকর্মীদের নজরে এলে আমরা এর প্রতিবাদ জানাই এবং তাকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করি। ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো ধরনের তৎপরতা মেনে নেওয়া হবে না।"
তিনি আরও বলেন, "আমাদের অবস্থান কোনো সাধারণ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নয়। যারা নিষিদ্ধ সংগঠনের পরিচয়ে ক্যাম্পাসে কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা করবে, তাদের বিষয়ে আমরা সতর্ক থাকব। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করব।"
কর্মসূচিতে উপস্থিত কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেদ বলেন, "ছাত্রলীগকে ক্যাম্পাসে কোনো ঠাঁই দেওয়া হবে না। ছাত্রলীগকে বিভিন্নভাবে সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাদের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কারা যুক্ত হয়ে তৎপরতার সুযোগ করে দিচ্ছে, সেটিও আমরা লক্ষ্য করছি।"
তিনি আরও বলেন, "ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় প্রস্তুত থাকবে। কোনো ধরনের তৎপরতা বা অরাজকতার সুযোগ দেওয়া হবে না। সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনগণের নিরাপত্তার জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সবসময় পাশে থাকবে।"
উল্লেখ্য, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের পূর্বঘোষিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন জবি ছাত্রদল ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। একই দিন জবিতে ছাত্রলীগের তৎপরতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচির খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে নিহত স্কুলশিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজার পূর্বে কান্নায় ভেঙে পড়েন অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার, যিনি বলেন, "আমার একটাই ছেলে। ওর কোনো আচরণে আপনারা দুঃখ পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন।"
এ সময় উপস্থিত মুসল্লি ও শুভানুধ্যায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি অশ্রুসজল কণ্ঠে বলেন, "আমার একটাই ছেলে। কুমিল্লার আকাশের নিচে ও আপনাদের ভালোবাসায় বড় হয়েছিল। বাবা হিসেবে আজ আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। ওর কোনো আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে মাফ করে দেবেন। ওর জন্য দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন ওকে বেহেশত নসিব করেন।"
কুবি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিহত কিশোরের স্বজন এবং স্থানীয় বাসিন্দারা অংশগ্রহণ করেন। জানাজাকে কেন্দ্র করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয় এবং গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রথম জানাজা শেষে অপ্রতিমের মরদেহ দ্বিতীয় জানাজার জন্য কুমিল্লার গন্ধমতী এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলে অপ্রতিম শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ তল্লাশির পর নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ গেট সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা এলাকা থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নে একটি কুঠিবাড়ি, যা প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো, বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এটি ক্যাসপার সাহেবের কুঠিবাড়ি হিসেবে পরিচিত। এই স্থাপনা প্রায় সোয়া ৯ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে জমিদারি পরিচালনা, খাজনা আদায়, বিচারকার্য ও সোয়া হাতের জুতা দিয়ে শাস্তির ইতিহাস জড়িয়ে আছে। তবে সংরক্ষণের অভাবে এর বিভিন্ন স্থাপনা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, আঠারো শতকের গোড়ার দিকে ইংরেজ জমিদার এডওয়ার্ড প্যারি ক্যাসপার এখানে কুঠিবাড়ি নির্মাণ করেন। কথিত আছে, সাপলেজায় আসার পর স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তি ফরাজউল্লাহ তাকে জমি উপহার দেন। পরে সেখানে ক্যাসপারের জমিদারি সম্প্রসারিত হয়।
একসময় পৌষ মাসের শেষভাগে কুঠিবাড়িতে পুণ্যাহ উৎসব অনুষ্ঠিত হতো। এই সময় খাজনা আদায়ের পাশাপাশি জাদু প্রদর্শনী, লোকগান, যাত্রা ও নিমাই সন্ন্যাস পালার আয়োজন করা হতো। এসব অনুষ্ঠান দেখতে আশপাশের এলাকা থেকে অনেক মানুষ আসতেন। খাজনা বকেয়া রাখা বা অন্য অপরাধের জন্য প্রজাদের শাস্তি দেওয়ার কথাও স্থানীয়দের মুখে শোনা যায়। কথিত আছে, সোয়া হাত মাপের একজোড়া জুতা দিয়ে অপরাধী প্রজাদের পেটানো হতো।
কুঠিবাড়ির মূল ভবনটি ব্রিটিশ স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত। চৌকোণাকৃতির ১৮টি খিলানের ওপর নির্মিত ভবনটি দোতলা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এর সঙ্গে আরও কয়েকটি স্থাপনা ও একটি বড় পুকুর ছিল। স্থানীয়দের দাবি, ভবনের ওপরের তলায় ক্যাসপারের ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী ও তৈজসপত্র রাখা হতো।
কুঠিবাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে আছে শিলারগঞ্জ নামটিও। স্থানীয়দের ভাষ্য, ব্রিটিশ আমলের জমিদার শিলার সাহেবের নাম থেকে এলাকার নাম হয়েছিল শিলারগঞ্জ। তার ছেলে এডওয়ার্ড প্যারি ক্যাসপার এখানে কুঠিবাড়ি নির্মাণ করেন। পরে এলাকার নাম সাপলেজা হলেও ডাকঘরের নাম পরিবর্তন হয়নি। এখনো শিলারগঞ্জ পোস্ট অফিস নামটি চালু আছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নায়েব, পাইক-পেয়াদাদের থাকার জন্য আলাদা ভবন ছিল। একটি দ্বিতল ভবনের নিচতলায় অফিসে বসে খাজনা আদায় ও বিচারকার্য পরিচালনা করা হতো। ক্যাসপারের একটি বড় বোট ছিল বলেও তারা জানান। শীত মৌসুমে তৎকালীন চন্দ্রদ্বীপ, বর্তমান বরিশাল, থেকে তিনি ওই বোটে করে কুঠিবাড়িতে আসতেন।
শীতকালে থাকার কারণে ভবনটি উষ্ণ রাখার বিশেষ ব্যবস্থা ছিল বলেও স্থানীয়দের দাবি। তাদের ভাষ্য, মূল ভবনের নিচের চার কোণে কয়লার আগুন জ্বালানোর ব্যবস্থা ছিল। তবে কুঠিবাড়ির ইতিহাস নিয়ে বিস্তারিত লিখিত তথ্য পাওয়া যায় না। ফলে ক্যাসপারের ব্যক্তিজীবন, জমিদারি ও ভবন নির্মাণের নানা বিষয় এখনো অনেকটাই অজানা। স্থানীয়দের কাছে থাকা ক্যাসপারের ব্যবহৃত দুটি তরবারিসহ কিছু পুরোনো তৈজসপত্রও এখন আর পাওয়া যায় না।
বর্তমানে কুঠিবাড়ির তিনটি ভবনই সংস্কারের অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শানবাঁধানো ঘাটসহ পুকুরটিরও আগের জৌলুশ নেই।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি মালিকানায় গেলেও স্থাপনাটি সংরক্ষণে তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, অল্প কিছু বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছিল। তা দিয়ে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বরাদ্দ পাওয়া গেলে আরও ভালোভাবে সংস্কার করা হবে, যাতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ এখানে আসতে পারেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, কুঠিবাড়িটি মঠবাড়িয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে দ্রুত স্থাপনাটি সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। তা না হলে সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যেতে পারে দুই শতকের পুরোনো এই নিদর্শন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হঠাৎ করে বিশাল একটি দলে আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে গিয়েছেন, যা ইহুদিদের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব ‘ইয়ম কিপ্পুর’কে সামনে রেখে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি কয়েকজন মন্ত্রী এবং হাজার হাজার ইসরায়েলি নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমের পশ্চিম দেয়াল প্রাঙ্গণে প্রার্থনায় অংশ নেন। খবরটি আনাদোলু এজেন্সি প্রকাশ করেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে নেতানিয়াহুর সেখানে যাওয়ার বিষয়টি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম গভর্নরেট নিশ্চিত করেছে, যেখানে কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে তিনি প্রবেশ করেন।
গভর্নরেটের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পুরোনো শহরের ওয়াদি স্ট্রিটের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক ইসরায়েলি নিয়ে নেতানিয়াহু পশ্চিম দেয়াল প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। যদিও তিনি মূল মসজিদে প্রবেশ করেননি, তথাপি আল-আকসার প্রবেশপথ ‘বাব আল-রহমা’ সংলগ্ন এলাকায় ইসরায়েলিরা অবস্থান নেয়। একই সময়ে সাধারণ ফিলিস্তিনিরাও আল-আকসায় নামাজ আদায় ও বাজারের কাজে উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ইয়ম কিপ্পুর এবং পরবর্তীতে সুক্কোটসহ একাধিক ইহুদি উৎসব উপলক্ষে দখলদারদের যেকোনো পরিকল্পনা ব্যর্থ করতে ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা মসজিদে অবস্থান নেওয়ার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। ইসলামিক ওয়াকফ প্রশাসন জানিয়েছে, বিতর্কিত এই পশ্চিম দেয়াল মূলত মুসলিমদের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এদিকে, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে ইসরায়েলি পুলিশের নিরাপত্তায় অন্তত ১০০ জন ইসরায়েলি একতরফাভাবে আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ধর্মীয় আচার পালন করেছে। ২০০৩ সাল থেকে ইসরায়েলি পুলিশি পাহারায় ফিলিস্তিনিদের বাধা এড়িয়ে এভাবে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো জেরুজালেম অঞ্চলে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ