০৫:৫৪ পি.এম
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন জানিয়েছেন যে, পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা আমাদের কাছে মজুত রয়েছে এবং তা সঠিক সময়ে দুর্গতদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১২ জুলাই) রাতের দিকে রাঙামাটি শহরের লোকনাথ মন্দির আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই কথা জানান। এই সময় তিনি আশ্রয়গ্রহণকারীদের মধ্যে রাতের খাবার বিতরণ করেন এবং যেকোনো দুর্যোগে সরকারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব এবং জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
স্বাগতিক সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেকোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের প্রধান দায়িত্ব। আমরা পরিস্থিতি অত্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। রাঙামাটির জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে আমরা আপাতত পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম হয়েছি। এই দুর্যোগের পরে আমরা পাহাড়ধস ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সমাধানের জন্য কার্জ শুরু করব।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান যে, পর্যাপ্ত সরকারি সহায়তা আমাদের কাছে মজুত রয়েছে এবং তা সঠিক সময়ে দুর্গতদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান বলেন, আমি বন্যাদুর্গত উপজেলাগুলোতে যাচ্ছি এবং ত্রাণ বিতরণ করছি। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ রয়েছে। আমরা সেগুলো যথাসময়ে পৌঁছে দিচ্ছি।
রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নের বন্যাদুর্গতরা ত্রাণ সহায়তা না পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে আমি সেখানে আমাদের লোক পাঠিয়েছি। আমি নিজেও যাব। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা শিগগিরই সেখানে ত্রাণ বিতরণ করব।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন