ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তরুণী এরিন প্যাটারসনের তৈরি ‘হাজব্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন’ ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল আলোচনা


তরুণী এরিন প্যাটারসনের তৈরি ‘হাজব্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন’ ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্রের এক তরুণী বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজতে একটি নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন। তিনি পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন কিংবা ডেটিং অ্যাপের পরিবর্তে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী খুঁজতে তিন পাতার একটি গুগল ফর্ম তৈরি করেছেন। এই ফর্মটির নামকরণ করা হয়েছে ‘হাজব্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন’। ইতোমধ্যে এই ফর্মে জমা পড়েছে ২৪১টি আবেদন!

৩৬ বছর বয়সী এরিন প্যাটারসন, যিনি নর্থ ক্যারোলিনার শার্লটের বাসিন্দা, বেশ কিছুদিন ধরে জীবনসঙ্গী খুঁজছিলেন। বিভিন্ন প্রচেষ্টার পরেও মনের মতো কাউকে না পেয়ে তিনি প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে এই অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

এরিনের তৈরি গুগল ফর্মে সম্ভাব্য পাত্রদের কাছে নাম, বয়স, ফোন নম্বর ও পেশার মতো মৌলিক তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, জীবনযাপন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, বিয়ে, পরিবার ও সন্তান নেওয়ার বিষয়ে তাদের চিন্তাভাবনা জানতে চাওয়া হয়েছে। এমনকি ফর্মে একটি প্রশ্ন রাখা হয়েছে, যদি তারা কোনো একটি বিষয় নিয়ে টানা কয়েক ঘণ্টা আলোচনা করতে চান, তাহলে তারা কী নিয়ে আলোচনা করতে আগ্রহী।

আরও পড়ুন: পূজার ছুটিতে প্রকৃতির অপরূপ দ্বীপ চর হেয়ার ঘুরে আসুন

সম্ভাব্য জীবনসঙ্গী নির্বাচনে এরিন নিজের পছন্দের বিষয়গুলোও স্পষ্ট করেছেন। তার শর্ত অনুযায়ী, পাত্রকে অবিবাহিত হতে হবে, বয়স ২৮ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং খ্রিস্টান হতে হবে। বিয়ের পর সংসার করার পাশাপাশি সন্তান নেওয়ার ইচ্ছাও থাকতে হবে তার।

এরিন এমন একজন জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, যিনি সুদর্শন, বুদ্ধিমান, দয়ালু, বিশ্বস্ত ও উদার। তিনি পছন্দের মানুষের সঙ্গে কফি কিংবা ডিনারে সময় কাটানো এবং দীর্ঘ কথোপকথনে আগ্রহী কাউকেই খুঁজছেন। অর্থাৎ, তার মূল লক্ষ্য হল বিয়ে করে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়া, নিছক ডেটিং নয়।

এই অভিনব উদ্যোগটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গেছে, গুগল ফর্মে এখন পর্যন্ত ২৪১টি আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া, এরিনের কাছে সরাসরি প্রায় ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০টি বার্তাও এসেছে।

কিছু মানুষ তার উদ্যোগকে সাহসী ও বাস্তবসম্মত বলে প্রশংসা করছেন, আবার কেউ বিষয়টিকে মজার ছলে দেখছেন। কিছু মানুষ নিজেদের জীবনসঙ্গী খোঁজার ক্ষেত্রে এমন পদ্ধতি ব্যবহারের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ার লালন আখড়াবাড়িতে সাধু-গুরু ও লালন অনুসারীদের মিলনমেলা শেষ হচ্ছে আজ

প্রচলিত বিয়ের বায়োডাটার পরিবর্তে গুগল ফর্মে আবেদন নেওয়ার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগে এরিন প্যাটারসন এখন আলোচনায় রয়েছেন। প্রযুক্তির এই ব্যবহার জীবনসঙ্গী খোঁজার ক্ষেত্রে তাকে কতটা সাহায্য করবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যান্টাসি কিংডম, বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬-এ ‘শ্রেষ্ঠ এমিউজমেন্ট পার্ক’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


ফ্যান্টাসি কিংডম, বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬-এ ‘শ্রেষ্ঠ এমিউজমেন্ট পার্ক’

বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬-এ ‘শ্রেষ্ঠ এমিউজমেন্ট পার্ক’ হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম, যা দেশের পর্যটন খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়েছে।

৩ অক্টোবর ২০২৬, বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ১৬ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগকে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার প্রদান করা হয়। এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব এম রাশেদুজ্জামান মিল্লাত এমপি-এর হাত থেকে ‘শ্রেষ্ঠ এমিউজমেন্ট পার্ক’ ক্যাটাগরিতে ফ্যান্টাসি কিংডমের পুরস্কার গ্রহণ করেন কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের চিফ মার্কেটিং অফিসার জনাব অনুপ কুমার সরকার।

ফ্যান্টাসি কিংডম দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিনোদন ও পর্যটন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পরিবারকেন্দ্রিক বিনোদন, বিভিন্ন আকর্ষণীয় রাইড, অবকাশযাপনের সুযোগ এবং দর্শনার্থীদের জন্য আনন্দময় অভিজ্ঞতা তৈরির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন বিকাশে অবদান রেখে চলেছে।

এই জাতীয় স্বীকৃতি ফ্যান্টাসি কিংডমের দীর্ঘ পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এটি প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং ফ্যান্টাসি কিংডমের প্রতি আস্থাশীল অসংখ্য দর্শনার্থীর জন্যও একটি গর্বের বিষয়।

ফ্যান্টাসি কিংডম কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই অর্জন দেশের বিনোদন ও পর্যটন শিল্পে আরও উন্নত সেবা, নতুনত্ব এবং দর্শনার্থীবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণে নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতেও দর্শনার্থীদের জন্য মানসম্মত ও আনন্দময় বিনোদনের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে অবদান রাখার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬-এর এই সম্মাননা ফ্যান্টাসি কিংডমের জন্য শুধু একটি পুরস্কার নয়; এটি দেশের বিনোদন ও পর্যটন খাতে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাতায়াত করলে ৪০ দিনের ইবাদত নষ্ট হয় না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাতায়াত করলে ৪০ দিনের ইবাদত নষ্ট হয় না

মসজিদে নামাজ আদায়ের সময় কখনো কখনো নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাতায়াত করার প্রয়োজন হতে পারে। যদি সামনে সুতরা থাকে, তবে তার বাইরে দিয়ে যাতায়াত করা সম্ভব। কিন্তু সুতরা না থাকলে কোথা দিয়ে যাওয়া যাবে এবং নামাজির সামনে দিয়ে গেলে কী শাস্তি—এ বিষয়ে অনেকের মধ্যে বিভিন্ন ধারণা বিদ্যমান।

বিশেষ করে, একটি প্রচলিত কথা হলো, নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাতায়াত করলে নাকি ৪০ দিনের ইবাদত নষ্ট হয়ে যায়। বিভিন্ন মসজিদের দেয়ালেও কখনো কখনো এমন কথা লেখা দেখা যায়। তবে কোরআন ও হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, বিষয়টি আসলে এমন নয়।

নামাজির সামনে দিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা রয়েছে। নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা থেকে বিরত থাকতে হাদিসে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

আবু নাজর (রহ.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
لَوْ يَعْلَمُ الْمَارُّ بَيْنَ يَدَيِ الْمُصَلِّي مَاذَا عَلَيْهِ لَكَانَ أَنْ يَقِفَ أَرْبَعِينَ خَيْرًا لَهُ مِنْ أَنْ يَمُرَّ بَيْنَ يَدَيْهِ
অর্থ: ‘নামাজির সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী যদি জানত, এতে তার কী পরিণতি রয়েছে, তাহলে তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করার চেয়ে ৪০ সময় দাঁড়িয়ে থাকাকেই সে উত্তম মনে করত।’

বর্ণনাকারী আবুন নাজর (রহ.) বলেন, ‘আমি জানি না, তিনি ৪০ দিন, ৪০ মাস নাকি ৪০ বছর বলেছেন।’

—সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৭০১

অর্থাৎ, হাদিসে ৪০-এর কথা বলা হলেও এটি ৪০ দিন, ৪০ মাস বা ৪০ বছর—কোনটি বোঝানো হয়েছে, তা নির্দিষ্ট নয়।

তাহলে কি ৪০ দিনের ইবাদত নষ্ট হয়? নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রম করা অবশ্যই গুরুতর নিষেধের বিষয়। তবে এ কারণে ৪০ দিনের ইবাদত নষ্ট হয়ে যায়—এমন কোনো বক্তব্য কোরআন বা নির্ভরযোগ্য হাদিসে নেই।

হাদিসে ৪০-এর কথা এসেছে অতিক্রমের ভয়াবহতা বোঝাতে; এটিকে ৪০ দিনের ইবাদত নষ্ট হওয়ার অর্থে নেওয়া ঠিক নয়।

নামাজের সামনে সুতরা রাখার নিয়ম

নামাজ আদায়কারীর জন্য সামনে সুতরা রাখা উত্তম। সুতরা হলো এমন কোনো বস্তু, যা নামাজির সামনে সীমারেখা হিসেবে থাকে। বল্লম, লাঠি, চেয়ার, টুল বা এ ধরনের কোনো বস্তু সুতরা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

আওন ইবনে আবু জুহাইফা (রহ.) তাঁর বাবার সূত্রে বর্ণনা করেন—
‘একবার দুপুরে আমাদের সামনে আল্লাহর রাসুল (সা.) এলেন। তাঁকে অজুর পানি দেওয়া হলো। তিনি অজু করে আমাদের নিয়ে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করলেন। তাঁর সামনে একটি বল্লম ছিল। এর বাইরে দিয়ে নারী ও গাধা চলাচল করছিল।’

—সহিহ বুখারি, হাদিস ৪৬৯

এ হাদিস থেকে নামাজের সময় সামনে সুতরা রাখার বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

সুতরা না থাকলে কী করবেন?

নামাজির সামনে সুতরা না থাকলে তার একেবারে সামনে দিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। তবে মসজিদ অনেক বড় ও প্রশস্ত হলে এবং প্রয়োজন দেখা দিলে নামাজির সামনে থেকে দূরে, কয়েক কাতার সামনে দিয়ে যাতায়াতের সুযোগ রয়েছে—ফিকহের কিছু গ্রন্থে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

আরেক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
إِذَا وَضَعَ أَحَدُكُمْ بَيْنَ يَدَيْهِ مِثْلَ مُؤَخِّرَةِ الرَّحْلِ فَلْيُصَلِّ، وَلَا يُبَالِي مَنْ مَرَّ وَرَاءَ ذَلِكَ
অর্থ: ‘তোমাদের কেউ যখন নিজের সামনে উটের পিঠের কাষ্ঠাসনের পেছনের অংশের মতো কিছু রাখে, তখন সে নামাজ আদায় করবে এবং এর বাইরে দিয়ে কেউ অতিক্রম করলে তাতে কোনো অসুবিধা নেই।’

—সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস ৯৪০

সামনে থাকলে কীভাবে সরে যাবেন?

নামাজির একেবারে সামনে অবস্থান করার প্রয়োজন হলে সরাসরি সামনে দিয়ে না গিয়ে ডানে বা বামে সরে যাওয়া যায়। কারণ, সামনে থেকে সরে যাওয়া অতিক্রম করার মতো নয়।

আয়েশা (রা.) বলেন—

‘আমি নবী (সা.)-কে নামাজ পড়তে দেখেছি। আমি তাঁর ও কিবলার মাঝখানে খাটে শুয়ে থাকতাম। কোনো কোনো সময় আমার বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হতো। কিন্তু তাঁর সামনে দিয়ে যেতে আমি অপছন্দ করতাম। তাই আমি চুপিসারে সরে যেতাম।’

—সহিহ বুখারি, হাদিস ৫১১

সুতরাং, মসজিদে নামাজরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে অযথা যাতায়াত না করাই উচিত। একই সঙ্গে নামাজ আদায়কারীরও সম্ভব হলে সামনে সুতরা রাখা উচিত।

সবশেষে মনে রাখা দরকার, নামাজির সামনে দিয়ে যাওয়া গুরুতরভাবে নিষেধ করা হলেও এতে ৪০ দিনের ইবাদত নষ্ট হয়ে যায়—এমন কথা কোরআন-হাদিসে নেই। হাদিসে ‘৪০’ সংখ্যাটি এসেছে এ কাজের ভয়াবহতা বোঝাতে; ৪০ দিনের ইবাদত নষ্ট হওয়ার নির্দিষ্ট বিধান হিসেবে নয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন বেতন স্কেলে বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশে ১০টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ পি.এম


নতুন বেতন স্কেলে বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশে ১০টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশে ১৩ ও ১৬ গ্রেডের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। মোট ১০টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন করার শেষ তারিখ ২৫ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে।

চাকরির বিবরণ

১. পদের নাম: স্টেনোগ্রাফার কাম-কম্পিউটার অপারেটর

পদসংখ্যা: ৭

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২৪,০০০-৫৮,০০০ টাকা (গ্রেড-১৩)

২. পদের নাম: কম্পিউটার অপারেটর

পদসংখ্যা: ২

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২৪,০০০-৫৮,০০০ টাকা (গ্রেড-১৩)

৩. পদের নাম: ক্যাশিয়ার

পদসংখ্যা: ১

বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২১,৯০০-৫২,৯০০ টাকা (গ্রেড-১৬)

আবেদনের নিয়ম: ওয়েবসাইটের এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা

আবেদনপত্র পূরণ ও আবেদন ফি জমাদানের জন্য শুরু হবে ১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ১০টা থেকে; আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ও সময় ২৫ অক্টোবর ২০২৬, বিকালে ৪টা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানিকগঞ্জের ৫টি দর্শনীয় স্থান যা চোখ জুড়াবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


মানিকগঞ্জের ৫টি দর্শনীয় স্থান যা চোখ জুড়াবে

বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় নানা ধরনের দর্শনীয় স্থান বিদ্যমান। কিছু স্থানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখা যায়, আবার অন্যদিকে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ঢাকার নিকটবর্তী অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ৬৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মানিকগঞ্জও এমন একটি জেলা। ঐতিহাসিক স্থাপনা, জমিদারবাড়ি এবং বিনোদন কেন্দ্রের কারণে ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে জেলাটি বিশেষভাবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

মানিকগঞ্জে ভ্রমণের সময় যে স্থানগুলো দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাঁচটি স্থান হলো—

বালিয়াটি জমিদার বাড়ি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় অবস্থিত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে পরিচিত। প্রায় ১৬ হাজার ৫৫৪ বর্গমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই জমিদার বাড়িতে রয়েছে কারুকার্য খচিত সাতটি দালান।

কালের পরিবর্তনে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এর নির্মাণশৈলী এখনও দর্শকদের আকর্ষণ করে।

ঢাকার গুলিস্তান থেকে পাটুরিয়া-মানিকগঞ্জগামী বাসে প্রায় দুই ঘণ্টায় কালামপুর পৌঁছানো সম্ভব। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা বা সাটুরিয়ার বাসে করে আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টার মধ্যে বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে পৌঁছানো যায়।

এছাড়া গাবতলী-আমিনবাজার থেকে সরাসরি সাটুরিয়ার বাস পাওয়া যায়। সাটুরিয়া থেকে ব্যাটারিচালিত ভ্যানগাড়িতে মাত্র পাঁচ মিনিটেই বালিয়াটি জমিদার বাড়িতে পৌঁছানো সম্ভব। বঙ্গবাজার থেকেও সাটুরিয়ার সরাসরি বাস পাওয়া যায়।

তেওতা জমিদার বাড়ি

শিবালয় উপজেলার যমুনা নদীর তীরে সবুজে ঘেরা তেওতা গ্রামে অবস্থিত তেওতা জমিদার বাড়ি দেশের পুরাকীর্তির অন্যতম। এই স্থাপনাটি এখনও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

জমিদার বাড়ির আঙিনায় রয়েছে নবরত্ন মঠ, যা জমিদার শ্যামশংকর রায় নির্মাণ করেছিলেন। এক সময় অনেক দূর থেকে এই মঠটি দেখা যেত।

ঢাকা থেকে বাসে আরিচা ঘাটে গিয়ে সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তেওতা গ্রামে যাওয়া সম্ভব। চাইলে নদীপথেও সেখানে পৌঁছানো যায়।

বেতিলা জমিদার বাড়ি

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা গ্রামে অবস্থিত বেতিলা জমিদার বাড়ির নির্মাণকাল ও নির্মাণের পদ্ধতি সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় না। তবে এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন জনশ্রুতি প্রচলিত রয়েছে।

একটি জনশ্রুতি অনুযায়ী, সত্য বাবু নামে এক বণিক যাতায়াতের সুবিধার জন্য এখানে বাড়িটি নির্মাণ করেন। পরে তার বসতবাড়িই লোকমুখে বেতিলা জমিদার বাড়ি নামে পরিচিতি পায়। স্থানীয়দের আরেকটি দাবি হলো, কলকাতার বণিক জ্যোতি বাবু ছিলেন এই জমিদার বাড়ির পূর্বপুরুষ।

মত্ত মঠ

মানিকগঞ্জ জেলা সদরে নিটোল দিঘির পাড়ে প্রায় আড়াইশ বছর আগে নির্মিত হয়েছে মত্ত মঠ। প্রায় ১৫ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত এই মঠের উচ্চতা প্রায় ২০০ ফুট।

মঠটি নির্মাণের জন্য ইরাক থেকে কারিগর আনা হয়েছিল বলে জানা যায়। প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, মানিকগঞ্জের পটল গ্রামের হেমসেন নামে এক অত্যাচারী জমিদার তার বাবার শেষকৃত্য সম্পন্ন করার পর এখানে মঠটি নির্মাণ করেন।

নাহার গার্ডেন

গ্রামীণ ও নিরিবিলি পরিবেশে পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর জন্য সাটুরিয়া উপজেলার কামতা গ্রামের নাহার গার্ডেনে যাওয়া যেতে পারে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গোলড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান।

নাহার গার্ডেনে ছোট-বড় মিলিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় তিন হাজার পাখি রয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য এখানে রয়েছে নয়টি উট, একটি উটপাখি এবং আটটি ময়ূর। শিশুদের জন্য এখানে একটি বড় শিশু পার্কও রয়েছে।

এছাড়া এখানে রয়েছে ছোট-বড় চারটি পুকুর এবং টাইটানিকের আদলে তৈরি একটি জাহাজ।

নাহার গার্ডেনে প্রবেশমূল্য ২০ টাকা। এখানে সাতটি বনভোজনের স্থানও রয়েছে। লোকসংখ্যা ও সময়ের ওপর ভিত্তি করে এসব স্থান ৬ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভাড়া নেওয়া যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%