০৯:৪২ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান ১৩ জুলাই বরিশালের গৌরনদীতে সফরে আসেন। ওইদিন সকাল দশটায় তিনি গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের বাটাজোর-সরিকল পুনঃখননকৃত খালের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে অনুষ্ঠানের স্থলে উপস্থিত উপজেলা ও পৌর বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে করমর্দন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে করমর্দনের সময় উপস্থিত নেতারা নিজেদের পরিচয় দিতে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দনের সময় গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু নিজের পরিচয় প্রদান করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী তাকে চিনে ফেলেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী মিন্টুর কাঁধে হাত রেখে কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বদিউজ্জামান মিন্টু বলেন, আমাদের বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও তথ্যমন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন ভাইয়ের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী এবং ফ্যামিলি কার্ড সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
আসল ঘটনাটি ১৩ জুলাই সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীর অনুষ্ঠানস্থলে সংঘটিত হয়। আমি সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে আসার পর আমাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। করমর্দনের সময় আমি যখন আমার পরিচয় দিই, তখন প্রধানমন্ত্রী আমাকে চিনে ফেলেন। পরে তিনি তার এক হাত আমার কাঁধে রেখে কথা বলেন।
মিন্টু আরও জানান যে, ২০০৩ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খনন করা গৌরনদী উপজেলার কুতুবপুর স্বনির্ভর খাল পুনঃখনন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীণ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।
বর্তমানে তিনি বরিশাল জেলার প্রবেশদ্বার গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উদ্ধৃত অংশে বলা হয়েছে যে, বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, পতিত সরকারের বিগত ১৭ বছরে হামলা-মামলা ও শত অত্যাচারের পরেও বদিউজ্জামান মিন্টু রাজপথে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে বলিষ্ট ভূমিকা পালন করেছেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
বরিশাল জেলাজুড়ে বদিউজ্জামান মিন্টুর রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে যে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সাথে যুক্ত। ছাত্র জীবনে ছাত্রদলের বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত হন তিনি।
এমনকি, ২০০৯ সালে তিনি গৌরনদী উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ও একই বছর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বদিউজ্জামান মিন্টুকে গৌরনদী পৌরসভার মেয়র হিসেবে দেখতে চান দলীয় নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের ভোটাররা।
বদিউজ্জামান মিন্টু বলেন, 'মানুষের অকুন্ঠ ভালবাসার প্রতিদান হিসেবে আমি জনগণের দাবি পৌঁছে দিবো।' তিনি বিশ্বাস করেন যে, দলের নীতি নির্ধারকরা জনগণের ভালবাসার সঠিক মূল্যায়ন করবেন।
আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন