বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৫৩ পি.এম
চিকিৎসা গ্রহণের সময় রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবেন—এটাই সকলের স্বাভাবিক প্রত্যাশা। তবে, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সময় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ অনিচ্ছাকৃত ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, স্বাস্থ্যসেবা নিতে যাওয়া প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় একজন কোনো না কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। অনিরাপদ স্বাস্থ্যসেবার কারণে বিশ্বে প্রতি বছর ৩০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটে। এই ক্ষতির অর্ধেকেরও বেশি প্রতিরোধযোগ্য বলেও জানানো হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে।
আজ ১৭ সেপ্টেম্বর ‘বিশ্ব রোগী সুরক্ষা দিবস’। ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষদের সিদ্ধান্তের পর থেকে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘অসংক্রামক রোগের নিরাপদ চিকিৎসা’ এবং স্লোগান ‘জীবনের জন্য নিরাপদ সেবা’। অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিরাপদ চিকিৎসা এবং জীবনভর নিরাপদ সেবা নিশ্চিত করার ওপর এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
হৃদরোগ, ক্যানসার, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় চিকিৎসা, পরীক্ষা, ওষুধ সেবন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মধ্যে থাকতে হয়। এই কারণে তাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সঙ্গে যোগাযোগের পরিমাণও বেশি হয়ে যায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দীর্ঘ ও জটিল চিকিৎসাপ্রক্রিয়ায় ভুল রোগ নির্ণয়, ওষুধ ব্যবহারে ভুল, সংক্রমণ, চিকিৎসার মধ্যে সমন্বয়হীনতা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতে বাধার কারণে রোগীরা ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। বিশ্বজুড়ে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭৪ শতাংশই অসংক্রামক রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।
রোগী সুরক্ষার ঝুঁকি হাসপাতালের শয্যায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রাথমিক ও বহির্বিভাগের চিকিৎসাতেও ভুল বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এসব ব্যবস্থায় চিকিৎসা নিতে যাওয়া প্রতি ১০ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ চারজন পর্যন্ত ক্ষতির শিকার হতে পারেন। এর একটি বড় অংশ প্রতিরোধযোগ্য।
ওষুধ ব্যবহারে ভুল, রোগ নির্ণয়ে ভুল, অনিরাপদ অস্ত্রোপচার, হাসপাতালে সংক্রমণ, রোগীর পরিচয় শনাক্তকরণে ভুল এবং অনিরাপদ রক্ত সঞ্চালন রোগী সুরক্ষার প্রধান ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বৈশ্বিক তথ্য অনুযায়ী, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে অনিরাপদ চিকিৎসার বোঝা আরও বেশি। শুধুমাত্র হাসপাতালেই এসব দেশে বছরে আনুমানিক ১৩ কোটি ৪০ লাখ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে। রোগী সুরক্ষাসংক্রান্ত ক্ষতির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশও এসব দেশে ঘটে বলে জানানো হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে।
রোগী সুরক্ষা শুধুমাত্র চিকিৎসকের ব্যক্তিগত সতর্কতার বিষয় নয়; এটি পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার মানের সঙ্গে সম্পর্কিত। নিরাপদ ওষুধ ব্যবস্থাপনা, নির্ভুল রোগ নির্ণয়, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ, চিকিৎসকদের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ, রোগীর তথ্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ এবং চিকিৎসাপ্রক্রিয়ায় রোগী ও স্বজনকে সম্পৃক্ত করা—এসব ব্যবস্থা জোরদার করলে চিকিৎসাজনিত ক্ষতি কমানো সম্ভব।
চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি নিরাপদ চিকিৎসা পাওয়াও রোগীর অধিকার। বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগের চিকিৎসায় পুরো চিকিৎসাযাত্রার প্রতিটি ধাপে রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮টি বিভাগের জন্য শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ৭ জন প্রভাষক এবং ১ জন সহকারী অধ্যাপক নিয়োগের জন্য নির্বাচন করা হবে। আবেদন করার শেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২৪ সেপ্টেম্বর।
চাকরির বিবরণ
১. পদের নাম: প্রভাষক, পরিসংখ্যান ও উপাত্তবিজ্ঞান বিভাগ
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
২. পদের নাম: প্রভাষক, ফার্মেসি বিভাগ
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০–৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৩. পদের নাম: প্রভাষক, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৪. পদের নাম: প্রভাষক, আর্কিটেকচার বিভাগ
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৫. পদের নাম: প্রভাষক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
৬. পদের নাম: সহকারী অধ্যাপক, সমাজকর্ম বিভাগ
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা (গ্রেড-৬)
৭. পদের নাম: প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
পদসংখ্যা: ১
বেতন স্কেল ও গ্রেড: ২২,০০০-৫৩,০৬০ টাকা (গ্রেড-৯)
আবেদন করার প্রক্রিয়া: আবেদনপত্র এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ‘রেজিস্ট্রার, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজাপুর, পাবনা-৬৬০০’ ঠিকানায় ডাকযোগে পাঠাতে হবে।
আবেদন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইটে অনুযায়ী নির্ধারিত ফরম্যাটে আবেদন করতে হবে।
আবেদন ফি: ৬০০ টাকা
আবেদনের শেষ তারিখ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে নকল বৈদ্যুতিক তার তৈরির অভিযোগে একটি কারখানায় অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত এই অভিযানে ২ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করেছে। এ সময় নকল তার তৈরির জন্য ব্যবহৃত সরঞ্জাম, কাঁচামাল এবং প্রস্তুতকৃত বৈদ্যুতিক তার জব্দ করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু হাসান।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এসআরবি-১০-এর সহকারী পরিচালক তাপস সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের একটি কারখানায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নকল বৈদ্যুতিক তার তৈরির সরঞ্জাম, কাঁচামাল ও প্রস্তুতকৃত তার জব্দ করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারখানার ব্যবসায়ী মো. মানিক (৩৬) কে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এসআরবির এই কর্মকর্তা বলেন, নকল বৈদ্যুতিক পণ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাতের কারণে শিপু মিয়া (২৭) নামের এক নৌযান শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে এই দুর্ঘটনাটি মাটিয়ান হাওরের মধ্যবর্তী স্থানে ঘটে।
নিহত শিপু মিয়া বালিজুরী গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে।
পুলিশ এবং নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শিপু মিয়া ইঞ্জিনচালিত নৌযানের মাধ্যমে তাহিরপুর উপজেলার বাগলি শুল্কস্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়লা ও চুনাপাথর পরিবহন করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি এবং একই গ্রামের প্রতিবেশী ইঞ্জিনচালক মোজ্জামিল হক বাগলি থেকে ময়মনসিংহের চারঘাটে চুনাপাথর নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে রওনা হন। পথে মাটিয়ান হাওরে বৃষ্টির সঙ্গে হঠাৎ বজ্রপাত হলে নৌযানের সুকানীর দায়িত্বে থাকা শিপু মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে ইঞ্জিনচালক মোজাম্মিল হক আহত শিপু মিয়াকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শিপুর মিয়ার চাচাতো ভাই এবং সুনামগঞ্জ জেলা ট্রলার বাল্কহেড নৌ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিপু ও মোজাম্মিলের আজ বাগলী থেকে চুনাপাথর নিয়ে ময়মনসিংহের চারঘাটে যাওয়ার কথা ছিল। সকালে বাড়ি থেকে নৌকা নিয়ে তারা মাটিয়ান হাওর দিয়ে বাগলী যাচ্ছিল। হঠাৎ বজ্রপাত হলে নৌকার সুকানীর দায়িত্বে থাকা শিপু গুরুতর আহত হন এবং তার শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এলোমেলোভাবে চলতে থাকলে ইঞ্জিনচালক মোজাম্মিল বিষয়টি টের পান। পরে শিপুকে নিয়ে সে তাহিরপুর হাসপাতালে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাতের শিকার হয়ে একজন নৌযান শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রচলিত পদ্ধতিতে একটি বড় পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর বাদ দিয়ে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে আরটিভি অনলাইনকে এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।
উপাচার্য জানিয়েছেন, কোডিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২৮ তারিখের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এই প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। তিনি এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন।
এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ল অ্যান্ড ল্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগীয় সভাপতি নিয়োগের বিষয়ে দাবি জানাতে গেলে উপাচার্য তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘তোমরা যৌক্তিক দাবি নিয়ে আসো। অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমের যে-কোনো সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসবে, আমি সমাধান করব। আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য কল্যাণকর সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রোল লেখার নিয়ম তুলে দিয়ে কোডিং সিস্টেম চালু করা হচ্ছে।’
পরীক্ষার খাতায় রোল নম্বরের পরিবর্তে কোডিং সিস্টেম চালুর এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন ইবি শিক্ষার্থীরা। তাদের মতে, এর ফলে খাতা মূল্যায়নে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন থাকবে এবং মূল্যায়নে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ