ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত নূর আলমের চিকিৎসা নিয়ে শঙ্কা


বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত নূর আলমের চিকিৎসা নিয়ে শঙ্কা

একসময় মানুষের ঘরে আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে কাজ করতেন তিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করাই ছিল তার পেশার মূল লক্ষ্য। কিন্তু সেই বিদ্যুৎই মুহূর্তের মধ্যে বদলে দিয়েছে মো. নূর আলমের জীবন। কর্মস্থলে এক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন তিনি।

আহত মো. নূর আলম ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর লাইনম্যান গ্রেড ১ হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। মে মাসের ২১ তারিখে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ এর সদর দপ্তরের উপকেন্দ্রে ৩৩ কেভি লাইনে কাজ করার সময় ভয়াবহ বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হন।

আরও পড়ুন: কমিউনিটি ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, বয়স ২৩ হলেই আবেদন করতে পারবেন

দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত নূর আলমকে চিকিৎসার জন্য ঢাকার বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রায় ৪০ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর তিনি কর্মস্থলে ফিরে আসেন। কিন্তু তার চিকিৎসা এখনও শেষ হয়নি। শরীরের পুড়ে যাওয়া অংশে এখনও জ্বালা-পোড়া রয়েছে।

নূর আলমের অভিযোগ, কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হলেও তিনি অফিস থেকে চিকিৎসার জন্য কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা পাননি। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ১২ দিনের ছুটি দেওয়া হলেও পরে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাকে জোনাল অফিসে বদলি করা হয়। এরপর আসে আরও বড় দুশ্চিন্তা।

চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ থেকে তাকে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে বদলি করা হয়েছে। চলমান চিকিৎসার মধ্যে দূরের কর্মস্থলে গিয়ে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।

নূর আলমের ভাষ্য, দুর্ঘটনার পর তার শরীর এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। পুড়ে যাওয়া স্থানে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এমন অবস্থায় নতুন কর্মস্থলে গিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হলে একদিকে যেমন চিকিৎসা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে শারীরিকভাবে তাকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হবে।

আরও পড়ুন: সপ্তাহে ২ দিন ছুটিসহ ওয়ার্ল্ড ভিশনে চাকরির আবেদন ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত

একজন বিদ্যুৎকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আহত হওয়ার পরও চিকিৎসা সহায়তা না পাওয়া এবং চিকিৎসা চলাকালীন দূরের কর্মস্থলে বদলি হওয়ায় হতাশ নূর আলম। তার এখন একটাই চাওয়া, মানবিক বিবেচনায় তাকে কিছুটা সময় দেওয়া হোক, যাতে তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পরিচালক (মানবসম্পদ) বরাবর লিখিত আবেদনও করেছেন নূর আলম।

ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ জেনারেল ম্যানেজার গোলাম কাউছার তালুকদার বলেন, "নূর আলম আহত হওয়ার পর তাকে ঢাকা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সেই চিকিৎসার খরচ আমরা সকলেই বহন করেছিলাম। তার বদলি আমার হাতে নেই। তখন যারা তাকে দিয়ে কাজ করিয়েছে শাস্তি হলে তাদের হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থামছেনা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দুর্নীতিবাজ চক্রের দৌরাত্ম্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ পি.এম


থামছেনা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দুর্নীতিবাজ চক্রের দৌরাত্ম্য

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস (জেটি) আনস্টাফিংয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সহকারী কমিশনার (এসি) ওমর কাউসার শুরু করেছেন বেপরোয়া ঘুষ বাণিজ্য। সেই ঘুষ নেওয়া সহযোগিতায় করছেন এমবিবি আনস্টাফিং, (আরও) সুমন কান্তি বিশ্বাস, চট্টগ্রাম বন্দরে পিসিটি সহ ৫টি আনস্টাফিং গেইট আছে, প্রতি গেইট থেকে সাপ্তাহে ১৫০০০০/লক্ষ টাকা করে আদায় করে, গোপন সূত্রে পাওয়া খবর ! এইজন্য প্রতি গেটের (আরও)এআরও)দেরকে চাপ প্রয়োগ করে, প্রতিটা কমার্শিয়াল পণ্য ছাড়যোগ্য করতে হলে, ওমর কাউসার এসি অনুমতি নিতে হবে, তাই বাধ্য হয়ে সিএনএফ কর্মচারীদের কে এসি ওমর ফারুকের অফিসে পাঠাতে হয়, সিএনএফ কর্মচারীরা যদি বলে স্যার সব পণ্য গেইট আনস্টাফিং স্যারদের দেখাইছি, এসি ওমর ফারুক বলেন আমি আগামীকাল দেখবো ইনডেন দেন ,ভালো করে দেখতে হবে, তখন ব্যবসায়িক কর্মচারীরা নিরুপায় হয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হয়, একজন সিপাহী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, এমবিবি আনস্টাফিং গেটের (আরও) সুমন কান্তি বিশ্বাস প্রতিদিন ওমর কাউসার এসির অফিস রুমে যাই, এবং দিকনির্দেশনা দিয়ে আসে, ঘুষ না পেলে সিএনএফ কর্মচারীদেরকে কিভাবে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে পণ্য আটকে রাখা যায়, একদিন যদি একটি কন্টেইনার আটকে থাকে ব্যবসায়ীদের অনেক টাকা বন্দরে ডেমারিজ দিতে হয়, সেই ভয়ে ঘুষের বিনিময় পণ্যছাড় করতে হয়, সিএনএফ কর্মচারীরা পণ্যছাড় করণে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে চরম হয়রানি করেছেন , তাই সিএনএফ কর্মচারীরা ঘুষ দিতে বাধ্য হয়, তিনি সিএন্ডএফ কর্মচারীদের ফাইল আটকে রাখছেন এবং পণ্য ছাড়করণে বিভিন্ন অজুহাতে চরম হয়রানি করছেন।

নিয়মতান্ত্রিক ব্যবসার পরিবেশ বিনষ্টকারী এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার কারণে সাধারণ ব্যবসায়ী ও সিএন্ডএফ কর্মচারীরা আজ চরম অতিষ্ঠ। ঘুষখোর ওমর কাউসার ও (আরও) সুমন কান্তি বিশ্বাস এর হাত থেকে দ্রুত মুক্তি এবং কাস্টম হাউস স্বচ্ছ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেনে
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি এবং সিএনএফ কর্মচারীরা।

ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি ও সিএনএফদের প্রতিবাদের পর এসি ওমর কাউসার, এবং রাজস্ব কর্মকর্তা সুমন কান্তি বিশ্বাস, নাকি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন! ঘুষ ও হয়রানির মাত্রা নাকি এখন দ্বিগুণ! সংবাদ প্রকাশের পর থেকে, সিএনএফ কর্মচারীদের সাথে, এসি ওমর কাউসার, ও রাজ্যকর্তা সুমন কান্তি বিশ্বাস, খুব বাজে ব্যবহার করছে, সুমন কান্তি বিশ্বাস, এমবিবি আনস্টাপিং গেইট, (আরও)সারাদিন সিএনএফ কর্মচারীদের কে বিভিন্ন রকম অজুহাত দেখিয়ে, রাত দশটা এগারোটার দিকে বলে, পণ্য আগামীকাল দেখাও ভালো করে দেখতে হবে, সিএনএফ প্রতিনিধি নিরুপায় হয়ে, ডাবল ঘুষ দিতে হয়, আগামীকাল হলেই বন্দর ডেমারিস দিতে হবে, ব্যবসায়িক ও সিএনএফ প্রতিনিধি, কথা হচ্ছে সারাদিন বসে থেকে সময় পার করে, রাত্রেবেলা এ অজুহাত দেই,

কাস্টম হাউস কি জনগণের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান, নাকি গুটিকয়েক দুর্নীতিবাজের সিন্ডিকেট? গণমাধ্যম ও সাধারণ ব্যবসায়ী ও সিএনএফদের তোয়াক্কা না করে এই চরম বেপরোয়া ভাব কিসের ইঙ্গিত দেয়? কাস্টমস কমিশনার, কি এই গুলো দেখে না, নাকি দেখেও চুপ থাকে, নাকি এই ওপেন সিক্রেট বাণিজ্যের পেছনে অন্য কারও ছত্রছায়া আছে?

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পানামায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, ভবন ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


পানামায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, ভবন ক্ষতিগ্রস্ত

মধ্য আমেরিকার দেশ পানামায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভবন ও স্থাপনার ক্ষতি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, কয়েকটি শহরে ভবন ধসে পড়েছে। ভূমিকম্পের পর রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ৩টার কিছু আগে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। বাংলাদেশ সময় তখন শনিবার রাত প্রায় ৩টা। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, দক্ষিণ-মধ্য পানামার পিতালোজা আরিবা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে ছিল ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল। এর কেন্দ্র ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১২ কিলোমিটার গভীরে।

ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের কম্পন অনুভব করেছেন প্রায় ৪৬ লাখ মানুষ। বিস্তৃত অঞ্চলে এর প্রভাব পড়েছে। উৎপত্তিস্থল অগভীর হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পানামার একাধিক শহরে ভবন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পেনোনোমে ও সোনাসহ কয়েকটি এলাকায় ভবন ধসে পড়তে দেখা যায়। যাচাই করা একটি ভিডিওতে পেনোনোমের একটি গির্জার এক পাশ ও একটি চূড়া ভেঙে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে। অন্য একটি ভিডিওতে স্থানীয় একটি হোটেল প্রায় পুরোপুরি ধসে পড়তে দেখা যায়।

এছাড়া, ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে থাকতে পারেন—এমন আশঙ্কায় এক ব্যক্তিকে ডাকাডাকি করতে দেখা গেছে আরেকটি ভিডিওতে। তবে ওই ঘটনায় কেউ আটকা পড়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেতরে কেউ আটকা পড়েছেন কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

ভূমিকম্পে দেশজুড়ে কতগুলো ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কত, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র নিরূপণের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

পানামার দক্ষিণাঞ্চলীয় হেরেরা প্রদেশের লাস মিনাস এলাকার বাসিন্দা রিকার্ডো ব্রাউন বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, ভূমিকম্পে তার প্রতিবেশীদের বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক বাড়িতে ফাটল দেখা দেওয়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

৭৪ বছর বয়সী ব্রাউন বলেন, ‘আমরা আতঙ্কিত। এখানে আমরা দুজন বয়স্ক মানুষ থাকি। বাড়িতে ফাটল ধরেছে। ভয় হচ্ছে, এটি আমাদের ওপর ধসে পড়তে পারে।’

এদিকে ভূমিকম্পের পর রাজধানী পানামা সিটির বিভিন্ন ভবন থেকে লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। উৎপত্তিস্থল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরের এই শহরেও শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। কম্পন থামার পর অনেককে ভবনে ফিরে না গিয়ে রাস্তায় ও আশপাশের পার্কে অবস্থান করতে দেখা যায়।

ভূমিকম্পের পর বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও ফ্লাইট চলাচল বন্ধের খবরও শিরোনামে উঠে এসেছে। তবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত পরিস্থিতি এবং কতক্ষণ বিমান চলাচল বন্ধ ছিল, সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাজমিন হত্যার বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৩ পি.এম


তাজমিন হত্যার বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন হত্যার মামলার প্রধান আসামি, অটোরিকশাচালক সুমনকে গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয়েছে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন। পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা অটোরিকশার মাধ্যমে গাড়ির মালিককে শনাক্ত করে। পরে ওই মালিকের তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সুমনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান। তিনি জানান, গ্রেপ্তার সুমনকে কুমিল্লায় আনা হচ্ছে। তদন্তের অংশ হিসেবে জানতে হবে, তিনি একাই এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, নাকি অন্য কেউও এর সঙ্গে জড়িত ছিল।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাছাড়া, তাজমিনের মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ডে একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তথ্যও পাওয়া গেছে।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা অটোরিকশার নিবন্ধনের সূত্র ধরে এর মালিককে শনাক্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তিনি জানান, অটোরিকশাটি ভাড়ায় চালাতেন সুমন। এরপর তার অবস্থান শনাক্ত করে চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুমনের বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায়। তিনি কয়েক বছর আগে বিয়ে করে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার জয়নগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস শুরু করেন। তবে পারিবারিক বিরোধের কারণে প্রায় এক মাস আগে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে তিনি সেখানে ফেরেননি।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ অক্টোবর বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় তাজমিন। পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিল, বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যাচ্ছে। পরে তার মোবাইল ফোনের কললিস্ট বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানতে পারে, ওই দিন সে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গিয়েছিল। পরদিন ৫ অক্টোবর কুমিল্লায় ফিরে আবার কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়।

জানা গেছে, ৭ অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজার থেকে রওনা হয়ে রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নূরজাহান হোটেলের সামনে নামে তাজমিন। সিসিটিভি ফুটেজে তাকে একটি গাড়ি থেকে একা নামতে দেখা যায়। পরে আশপাশের বিভিন্ন ক্যামেরার ফুটেজে মোবাইল ফোন হাতে ও কাঁধে ব্যাগ নিয়ে তাকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তাকে সড়কের দিকে চলে যেতে দেখা গেলেও এরপর তার চলাচল সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার মতো কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি।

আইফোন উদ্ধার করার পর ফোনটির কললিস্টসহ অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করছে পুলিশ। তাজমিনের সঙ্গে কারা যোগাযোগ করেছিল এবং হত্যাকাণ্ডে আর কারা জড়িত, তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মরদেহ উদ্ধারের পর তাজমিনের বাবা সাংবাদিকদের জানান, বুধবার গভীর রাতে মুঠোফোনে বার্তা ও লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে তাকে আটকে রাখার কথা জানায় তাজমিন। একই সঙ্গে তাকে উদ্ধারের অনুরোধও করে। তবে ওই সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরে মেয়ের পাঠানো বার্তা দেখে লাইভ লোকেশন অনুসরণ করে সেখানে গিয়ে মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পারেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, তদন্ত শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ পি.এম


ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, তদন্ত শুরু

ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দুটি ককটেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়েছে, অন্যটি উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোম ডিসপোজাল ইউনিট।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর, রাত ২টা ৩০ মিনিটে সাংবাদিকদের কাছে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান এসব তথ্য তুলে ধরেন।

তিনি জানান, মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি দুটি ককটেল নিক্ষেপ করেন। এর মধ্যে একটি বিস্ফোরিত হয়, অপরটি উদ্ধার করে ডিএমপির বোম ডিসপোজাল ইউনিট। খবর পেয়ে তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করে।

ডিসি ইবনে মিজান আরও জানান, উদ্ধার করা বস্তুতে স্প্লিন্টার পাওয়া যায়নি। এটি সাধারণ পটকাজাতীয় বিস্ফোরক উপাদানের মতো ছিল বলে জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় এই ঘটনার পর পুলিশের নিরাপত্তা-ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ডিসি ইবনে মিজান বলেন, দুর্বৃত্তরা মূল সড়ক এড়িয়ে লিংক রোড দিয়ে এসে ককটেল নিক্ষেপ করে চলে যায়। মূল সড়ককেন্দ্রিক নিরাপত্তা-ব্যবস্থা থাকলেও তারা বিকল্প পথ ব্যবহার করেছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%