ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভুটান জন্মহার বাড়ানোর জন্য নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে


ভুটান জন্মহার বাড়ানোর জন্য নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে

 দেশের দ্রুত কমে যাওয়া জন্মহার এবং উন্নত সুযোগের খোঁজে তরুণদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতার কারণে জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলায় পরিবারগুলোকে সন্তান নিতে উৎসাহিত করতে নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে হিমালয়ের ছোট্ট দেশ ভুটান।

গত দশকের মধ্যে দেশটিতে বার্ষিক জন্মহার এক-চতুর্থাংশেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে। একই সময়ে দেশের তরুণরা বিদেশে চলে যাওয়ার প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ভুটান ব্রডকাস্টিং সার্ভিস জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে বারবার জনসংখ্যা হ্রাসকে ‘অস্তিত্বের সংকট’ বলে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

গত জুনে সরকার ‘থার্ড চাইল্ড প্লাস’ কর্মসূচি চালু করেছে।

কর্মসূচির ভূমিকায় তোবগে উল্লেখ করেছেন, ‘তথ্য-প্রমাণ স্পষ্ট যে ভুটানে প্রজনন হার বর্তমানে জনসংখ্যা ধরে রাখার প্রয়োজনীয় মাত্রার কাছাকাছি বা তারও নিচে নেমে গেছে।’

এই কর্মসূচির আওতায় তৃতীয় বা পরবর্তী প্রতিটি সন্তানের জন্য তিন বছর বয়স পর্যন্ত মাসে ১০৫ মার্কিন ডলার দেওয়া হবে।

৩৫ বছর বয়সী সরকারি কর্মকর্তা খান্দু ওয়াংমো এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও শুধুমাত্র নগদ অর্থ দিয়ে পরিবারগুলোকে সন্তান নিতে উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব হবে কি না, সে সম্পর্কে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘এটি একটি ভালো উদ্যোগ। কারণ এটি পরিবারগুলোকে তিন বা তার বেশি সন্তান নিতে উৎসাহিত করবে।’

তবে তিনি বলেন, ‘যদি সন্তান লালন-পালন, বাসস্থান এবং শিশুর দেখাশোনার ব্যয় বেশি হয়ে যায়, তাহলে শুধুমাত্র নগদ অর্থই অনেক প্রভাব ফেলতে পারবে না।’

ভারত এবং চীনের মাঝখানে অবস্থিত স্থলবেষ্টিত এই দেশের জনসংখ্যা ৮ লাখেরও কম। তাই বিষয়টি দেশটির জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

জাতিসংঘের হিসাব অনুসারে, ভুটানে প্রতি নারীর জন্য সন্তান জন্মদানের হার বর্তমানে প্রায় ১ দশমিক ৮-এ নেমে এসেছে। এটি জনসংখ্যা ধরে রাখার প্রয়োজনীয় মাত্রার নিচে রয়েছে। পাশাপাশি, ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের অনুপাত বর্তমানে প্রায় ৬ শতাংশ, যা ২০৫০ সালের মধ্যে ১৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চিফ হুইপের সঙ্গে ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


চিফ হুইপের সঙ্গে ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১২ জুলাই, ২০২৬ : ইউরোপীয় পার্টনারশিপ ফর ডেমোক্রেসি (ইপিডি)-এর একটি প্রতিনিধি দল আজ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সাথে তাঁর সংসদ ভবনের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন ইপিডি’র ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক থেইস বারম্যান এবং ইপিডি’র প্রকল্প পরিচালক, আনাস্তাসিয়া এস. উইবাওয়া।

সাক্ষাৎকালে তাঁরা বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা এবং সংসদকে আরও কার্যকর করার বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, গণতন্ত্রই একটি দেশের উন্নয়ন ও প্রগতির মূল ভিত্তি। গণতন্ত্রের যাত্রা যত সুদৃঢ় হবে, জনগণের অধিকার তত বেশি প্রতিষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রের সকল সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান আরও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও জানান, জাতীয় সংসদ হলো গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা, ডেপুটি স্পিকারসহ অধিকাংশ সংসদ সদস্যই প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তাই সংসদকে অধিকতর কার্যকর ও প্রাণবন্ত করতে সংবিধান, কার্যপ্রণালী বিধি এবং সংসদীয় রীতি-নীতি সম্পর্কে সংসদ সদস্যদের সম্যক জ্ঞান অর্জনের কোনো বিকল্প নেই।

থেইস বারম্যান বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে একটি ইতিবাচক গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিদ্যমান। সংসদ সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় সংসদকে আরও কার্যকর করতে ইপিডি প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করতে আগ্রহী। তিনি চিফ হুইপের দৃশ্যমান ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন, যা বর্তমান সংসদকে অধিকতর কার্যকর ও গতিশীল করার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরের স্মৃতিস্তম্ভ স্থানান্তরের পুরোনো ঘটনায় অপপ্রচার শনাক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরের স্মৃতিস্তম্ভ স্থানান্তরের পুরোনো ঘটনায় অপপ্রচার শনাক্ত

বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভ স্থানান্তরের পুরোনো ঘটনায় বিএনপি-কে জড়িয়ে অপপ্রচার শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, বিএনপি-কে জড়িয়ে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভ স্থানান্তরের পুরোনো ঘটনায় অপপ্রচার শনাক্ত করা হয়েছে।

বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগকে অস্বীকার করে বিএনপির শাসনামলে ইচ্ছাকৃতভাবে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলা হয়েছেÑ এমন দাবি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়েছে।

তবে অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই দাবিটি মিথ্যা এবং এটি বিএনপির শাসনামলের ঘটনা নয়।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঢাকা-সিলেট করিডোর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের কারণে নরসিংদীর রায়পুরায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরনগর স্মৃতিস্তম্ভটি সাময়িকভাবে ভেঙে রাস্তার কাজ শেষে আবার নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদ রানার মাধ্যমে এবং গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মরণে স্থানান্তরিত নান্দনিক স্মৃতি ম্যুরাল গত ২ জুন উদ্বোধন করা হয়েছে।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে।

'বাংলাফ্যাক্ট' প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি'র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনস্বার্থ এবং দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করেই আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ পি.এম


জনস্বার্থ এবং দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করেই আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনস্বার্থ এবং দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে একটি নতুন প্রোগ্রাম গ্রহণ করা হবে।

তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করে আইএমএফের কোনো প্রোগ্রামে অংশ নেবে না সরকার।’

আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আইএমএফের অর্থায়ন পাওয়া নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণ এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থ সংরক্ষণই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

তিনি বলেন, জনগণের অর্থনৈতিক স্বার্থ নিশ্চিত করে এমন একটি নতুন কর্মসূচির দিকেই সরকার এগোচ্ছে। যে কর্মসূচিতেই যাওয়া হোক না কেন, সেখানে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ শতভাগ সংরক্ষিত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের নেওয়া আইএমএফ-এর আগের প্রোগ্রামটি ছিল সম্পূর্ণ জনস্বার্থবিরোধী। সেই কর্মসূচিতে এমন অনেকগুলো শর্ত ছিল, যা একটি গণতান্ত্রিক এবং নির্বাচিত সরকারের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। এই কারণেই বর্তমান সরকার পূর্বের প্রোগ্রাম থেকে বেরিয়ে এসেছে।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী দেশের চলমান রাজনীতি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতার বিষয়ে সরকারের অবস্থান ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

এসময় তিনি বলেন, আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান ভিসা নীতির সংশোধন প্রয়োজন। ভিসা নীতিকে আরো সহজ এবং আধুনিক করা হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভিসা নীতির আধুনিকায়নের ফলে দেশে বিদেশি পর্যটকের আগমন বাড়বে, বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আরো সহজে বিনিয়োগ করতে পারবেন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতি আস্থা ও গ্রহণযোগ্যতা আরো সুদৃঢ় হবে।

ব্রিফিং চলাকালে অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এবং প্রবীণ রাজনীতিবিদ ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন একজন সৎ, দক্ষ এবং নিষ্ঠাবান রাজনীতিবিদ। জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে তিনি অত্যন্ত সততা এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বাণিজ্যমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০১ পি.এম


ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে বাণিজ্যমন্ত্রীর শোক প্রকাশ

জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

আজ রোববার এক শোকবার্তায় মন্ত্রী বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত।

তিনি বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, প্রথিতযশা আইনজীবী এবং দেশপ্রেমিক ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ এবং দেশের সাংবিধানিক ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

শোকবার্তায় বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন প্রজ্ঞা, সততা ও দায়িত্বশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দেশ ও জনগণের কল্যাণে যে অবদান রেখে গেছেন, তা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আজ ভোরে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৯৫ বছর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%