০৪:৫৩ পি.এম
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় পৈতৃক জমিজমা নিয়ে বিরোধের কারণে ঘটিত প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন সম্রাট আকন্দ পাপ্পা (৩৮) নামে স্থানীয় এক জামায়াত নেতা। তিনি গত ৪ জুলাই (শনিবার) রাতে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় প্রাণ হারান।
নিহত সম্রাট ছিলেন দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতি। তার গ্রামের নাম ভেলুরচক, এবং তিনি রফিকুল ইসলামের পুত্র।
জানা গেছে, গত ২৫ জুন দুপুরে পৈতৃক জমির পরিমাপ নিয়ে সম্রাটের এবং তার চাচা আব্দুল করিমের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর আব্দুল করিম ১৫ থেকে ২০ জন দেশীয় অস্ত্রধারী জনতার সঙ্গে নিয়ে সম্রাট এবং তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালান। এই হামলায় সম্রাট, তার বাবা রফিকুল ইসলাম এবং মা জোসনা বেগম গুরুতরভাবে আহত হন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সম্রাট ও তার বাবা-মায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সম্রাটের অবস্থা আরও খারাপ হওয়ায় তাকে ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনার পর গত ২৮ জুন, সম্রাটের মাতা আব্দুল করিমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুপচাঁচিয়া থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর ১ জুলাই (বুধবার) দিবাগত রাতে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর গ্রাম থেকে প্রধান অভিযুক্ত আব্দুল করিম ও তার স্ত্রী মিথিলা আক্তারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের সহ-সভাপতি সম্রাট আকন্দ পাপ্পার মৃত্যু নিশ্চিত করে দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজমিলুর রহমান বলেন, "আহতের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।" মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাচেষ্টা মামলাটি এখন একটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান জোরদার প্রক্রিয়া চলছে।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন