ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফেলোশিপ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দিল গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়


ফেলোশিপ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দিল গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মাস্টার্স (থিসিস) ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য সংবর্ধনা ও চেক প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে রিসার্চ সেন্টারের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সোহেল হাসান।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সোহেল হাসান ৬৩ জন মাস্টার্স (থিসিস) ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর হাতে জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে মোট ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এসময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, "টাকার পরিমাণ সামান্য হলেও এর ইমপ্যাক্ট অনেক গভীর। এটা তাদের গবেষণা কর্মে উৎসাহিত করবে।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ফেলোশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মের মাধ্যমে দেশে এবং দেশের বাইরেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উজ্জ্বল করবে।

সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, "এই ফেলোশিপ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণায় উৎসাহী হতে সহায়তা করবে।"

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. শামসুল আরেফিন। সঞ্চালনা করেন ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মইনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি দেখা করেছেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৫ হাজার বস্তা ধান-চাল নিয়ে নদীতে ডুবল জাহাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


৫ হাজার বস্তা ধান-চাল নিয়ে নদীতে ডুবল জাহাজ

চাঁদপুরে মেঘনার ঘূর্ণিস্রোতে ৫ হাজার বস্তা ধান ও চালবাহী একটি কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে।

এ ঘটনায় মাঝিমাল্লাসহ ৫ জন শ্রমিক অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল চাঁদপুরের তিন নদীর মোহনায় উত্তাল মেঘনায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কার্গোতে থাকা ৫ জন শ্রমিক সাঁতরে নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন।

কার্গোর চালক এরশাদ মাঝি জানান, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পাবনা থেকে ৩ হাজার ৫০০ বস্তা চাল ও ১ হাজার ৫০০ বস্তা ধান নিয়ে কার্গো জাহাজটি রওনা দেয়। বুধবার সকাল ৭টায় চাঁদপুরের পুরানবাজার ঘাটের কাছে পৌঁছালে ত্রিমোহনার প্রচণ্ড ঘূর্ণিস্রোতের মুখে পড়ে কার্গোটি। এক পর্যায়ে ঘূর্ণিতে এটি উল্টে যায়। পরে উল্টে যাওয়া কার্গোটি ডাকাতিয়া নদীর পাড়ে ভেড়ানো হয়।

চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক ও চাউল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন পাটোয়ারী জানান, ডুবে যাওয়া চাল-ধান পুরানবাজারের ৭ জন ব্যবসায়ীর। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নৌপুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন ধরে পদ্মা-মেঘনা নদী উত্তাল রয়েছে। সকাল থেকে চাঁদপুরে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে সৃষ্ট ঘূর্ণিস্রোতের মধ্যে দিয়েই চাঁদপুরের পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মোহনা পাড়ি দিচ্ছে শত শত ছোট-বড় নৌযান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুত সমাধানের প্রতি সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুত সমাধানের প্রতি সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ : প্রধানমন্ত্রী

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’

আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সিরাজগঞ্জ-১ আসনের তারকা চিহ্নিত সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

মো. সেলিম রেজার প্রশ্নটি ছিল, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করতে কোনো পরিকল্পনা সরকারের আছে কিনা? থাকলে সেটা কী, এবং কবে নাগাদ এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হতে পারে?

এমন প্রশ্নের জন্য মো. সেলিম রেজাকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে গঠিত আমাদের এই সরকার রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুত সমাধানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’

বিগত দিনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার অবদান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইতোপূর্বে ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯২ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকার সফল কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে সেসময়ে উদ্ভূত রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করেছিলেন। তাঁদের সুযোগ্য দিকনির্দেশনায় সেই সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা দ্রুততম সময়ে নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করতে পেরেছিলো।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান সময়েও পূর্বের সেই নীতির আলোকেই আমরা টেকসই, শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানের পথ অনুসন্ধান করছি। বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার আশু সমাধানের লক্ষ্যে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সকল ফ্রন্টেই অত্যন্ত জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।’

রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক মানবিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করার লক্ষ্যে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এ প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইউএন এইচসিআর (UNHCR) ইউ এন ওমেন (UN Women) এবং ওয়ার্ড ফুড (World Food), Programme (WFP)-এর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পসমূহ পরিদর্শন করেন এবং মানবিক সহায়তা আরও কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।’

তিনি বলেন, ‘চলতি মাসের শুরুতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি সফরে বাংলাদেশে এসে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এই সফরের মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য তুরস্কের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর পাশাপাশি, গত সেপ্টেম্বরে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাতিসংঘে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতেও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বজনমতকে আরও কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণসমূহ বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার প্রতি বাংলাদেশ নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যেই নিহিত। আর তাই রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, টেকসই ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য মিয়ানমারে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ বৃদ্ধি অব্যাহত রাখার লক্ষে আমাদের কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দ্বিপাক্ষিক ফ্রন্টে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি সকল পক্ষের সাথে সম্ভাব্য যোগাযোগ স্থাপন ও আলোচনার বিষয়টি আমাদের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তাছাড়া মূলধারার কূটনীতির পাশাপাশি confidence building-এর ক্ষেত্রে অন্যান্য প্রক্রিয়া প্রয়োগের বিষয়টি আমাদের বিবেচনাধীন। একই সাথে প্রত্যাবাসনের মূল ভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাইকরণ বা ভ্যারিফিকেশনের কাজ নিয়মিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের তৃতীয় কোনো দেশে পুনর্বাসন বা প্রত্যাবাসনের কার্যক্রমও চলমান আছে।’

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন একটি অত্যন্ত জটিল, সংবেদনশীল এবং বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর সমাধানের গতিপ্রকৃতি অনেকাংশেই নির্ভর করে রাখাইন রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, আন্তর্জাতিক চাপ এবং সর্বোপরি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর।’

তিনি বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে একটি স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির মধ্যে একটি কার্যকর সংলাপের ক্ষেত্র তৈরি হওয়া গুরত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যে আমরা সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সাথে সংলাপ জোরদার করেছি। রোহিঙ্গাদের স্থায়ী, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।’

বর্তমান সরকার রোহিঙ্গা ক্যাম্পসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে ও মানবিক সংকট মোকাবেলায় অত্যন্ত সুচিন্তিত, বাস্তবধর্মী ও বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ক্যাম্পসমূহের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, স্বাগতিক কমিউনিটির সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক অক্ষুণ্ন রাখা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বয়ে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকগণের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটি’ অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।”

তিনি বলেন, “এর পাশাপাশি, ক্যাম্পসমূহে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদান ও তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া তরান্বিত করতে প্রয়োজনীয় কৌশলগত নীতিনির্ধারণ ও অধিকতর সমন্বয়ের লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স’ সার্বক্ষণিকভাবে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম তদারকি করছে।”

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বাস্তবসম্মত ও স্থায়ী সমাধানের মাধ্যমে এই বিপুল সংখ্যক বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে সসম্মানে স্বদেশে ফেরত পাঠাতে বর্তমান সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এর আগে বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লবণের দাম স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৩ পি.এম


লবণের দাম স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী

 সরকার লবণ চাষিদের জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে লবণ চাষে সহায়তা দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণসহ এসব উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জাতীয় সংসদে।

আজ বুধবার সংসদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিল্পমন্ত্রী এই তথ্য জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

শিল্পমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কক্সবাজারের ৩২ হাজার ৪১০ জন এবং চট্টগ্রামের ৭ হাজার ৭৪০ জনসহ মোট ৪০ হাজার ১৫০ জন লবণ চাষি ৬৭ হাজার ৭৫৭ একর জমিতে লবণ চাষ করে ১৯ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন লবণ উৎপাদন করেছেন।

তিনি জানান, উৎপাদন ব্যয় যাচাই করে মাঠপর্যায়ে লবণের ন্যূনতম মূল্য নির্ধারণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যাতে লবণ চাষিরা তাদের উৎপাদিত লবণের ন্যায্যমূল্য পান। শিল্পমন্ত্রী আরো বলেন, শিল্প খাতে ব্যবহারের জন্য লবণ আমদানির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণের মাধ্যমে সরকার লবণ আমদানি নিয়ন্ত্রণ করছে।

মন্ত্রী বলেন, সোডিয়াম সালফেট বা ডাইসোডিয়াম সালফেটের নামে যাতে সোডিয়াম ক্লোরাইড আমদানি করা না যায়, সেজন্য শুল্ক ছাড়ের আগে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, সরকার লবণের আমদানি শুল্কহার পর্যালোচনা করছে। এ ছাড়াও দেশীয়ভাবে উৎপাদিত লবণের গুণগত মান উন্নয়নে নিয়মিত চাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের ফলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বর্তমানে লবণ চাষিরা ভালো দাম পাচ্ছেন। বর্তমানে মাঠপর্যায়ে প্রতি মণ লবণের গড় মূল্য ৩৩৭ টাকা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২৭১ টাকা।

লবণ চাষিদের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে শিল্পমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) জামানতবিহীন ৫ শতাংশ সরল সুদে ‘লবণ চাষিদের জন্য বিশেষ ঋণ কর্মসূচি’ চালু করেছে। তিনি জানান, এ কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত ৬৭৭ জন লবণ চাষির মধ্যে ৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালার আওতায় তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রকৃত লবণ চাষিদের ৪ শতাংশ রেয়াতি সুদে ঋণ দেওয়া হচ্ছে, বলেও তিনি সংসদকে জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক বাজারে কমল সোনার দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


আন্তর্জাতিক বাজারে কমল সোনার দাম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাতিল হয়ে গেছে। এই ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ধস প্রাপ্ত হয়েছে। অন্যদিকে, তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা নতুন করে মুদ্রাস্ফীতি এবং সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি করেছে।

বাংলাদেশ সময় বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে স্পট মার্কেটে সোনার দাম প্রতিটা আউন্স ৪ হাজার ৪৯ দশমিক ৯২ ডলারে নেমে এসেছে, যা গত ২ জুলাইয়ের পরে সর্বনিম্ন। এছাড়া, আগামী আগস্ট মাসে সরবরাহযোগ্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৯ দশমিক ৮০ ডলারে বসেছে।

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বাতিলের ঘোষণার প্রেক্ষাপটে এক লাফে তেলের দাম ৬ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউবিএস-এর বিশ্লেষক জিওভানি স্তাউনুভো রয়টার্সকে বলেন, ‘তেলের দামের এই আকস্মিক লাফ নতুন করে মুদ্রাস্ফীতি তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এটি মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।’

স্বর্ণ সাধারণত মুদ্রাস্ফীতিজনিত ক্ষতি মোকাবিলার হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বৃদ্ধি করলে সুদবিহীন এই মূল্যবান ধাতুর ওপর চাপ সৃষ্টি হয়।

ট্রাডু ডট কমের সিনিয়র মার্কেট অ্যানালিস্ট নিকোস জাবোরাস বলেন, ‘ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনার কারণে এ বছর সোনা নিম্নমুখী হচ্ছে। ফলে আগামী সেশনগুলোতেও সোনার দাম চাপের মুখে থাকবে।’

সেখানে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। রুপার দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৮ দশমিক ৪৫ ডলারে গিয়ে পৌঁছেছে। অপরদিকে, প্ল্যাটিনামের দাম ৪ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫৭৪ দশমিক ০৩ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৪ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ২১৪ দশমিক ৯৬ ডলারে অবস্থিত।

এদিকে, দেশের বাজারে বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%