রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৭ পি.এম
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ বেল্লাল প্যাদা (৪১) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বরিশাল বন্দর থানার এসআই রুনু সরদার তাকে আটক করেন। এই ঘটনার পর শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেল্লাল প্যাদাকে একমাত্র আসামি করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া বেল্লাল প্যাদা রানিরহাট এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে তার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মেয়েটি নদীর ঘাটে গোসল করতে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টা পরে মেয়েটি বাড়িতে ফিরে এসে গোপনাঙ্গে ব্যথার কথা জানায়। পরিবারের সদস্যরা জানতে চাইলে শিশুটি অভিযোগ করে, গোসলের সময় বেল্লাল প্যাদা তাকে ফুঁসলিয়ে নৌকায় করে নদীর ওপারে একটি ইটভাটায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয় এবং পরে গোসল করিয়ে ২০ টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর শিশুটির বাবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ শিশুটির বাড়িতে গিয়ে তার বক্তব্য নেয় এবং কথিত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থল বরিশাল সদর উপজেলার আওতাধীন হওয়ায় বিষয়টি বন্দর থানা পুলিশকে জানানো হয়। পরে এসআই রুনু সরদার অভিযান চালিয়ে বেল্লাল প্যাদাকে আটক করেন। এদিকে, স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন যে বেল্লাল প্যাদার বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, একাধিক অভিযোগ ওঠার পরও বেল্লালের আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
স্থানীয়রা জানান, অতীতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এলাকাবাসী তাকে হাতেনাতে আটক করে হলতা বাজারে নিয়ে যায়। সেখানে তার মাথার চুল কামিয়ে জুতার মালা পড়িয়ে বাজারে ঘোরানো হয়েছিল। এছাড়া নারীদেরকে কু-দৃষ্টিতে দেখা, ধর্ষণচেষ্টা এবং এক ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগের কথাও স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। তবে এসব পুরোনো অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পৃথক মামলা বা আদালতের নথি পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নারীদের প্রতি অসদাচরণ ও নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বারবার আলোচনায় আসা বেল্লাল এবার একজন বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুকে লক্ষ্য করে ভয়াবহ অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। এতে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "একটি বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশু নিজের নিরাপত্তার বিষয়টি ঠিকমতো বুঝতেই পারে না। এমন একটি শিশুকে যদি কেউ ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে থাকে, তাহলে তার কোনোভাবেই ছাড় পাওয়া উচিত নয়।" তাদের দাবি, বেল্লালের বিরুদ্ধে অতীতেও নানা অভিযোগের কথা শুনেছি। এবার যে অভিযোগ উঠেছে, সেটি অত্যন্ত গুরুতর। পুলিশ দ্রুত তদন্ত শেষ করে আদালতের মাধ্যমে দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করুক। ভবিষ্যতে যেন কোনো অপরাধী এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাঈল হোসেন বলেন, শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বেল্লাল প্যাদা নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা উদঘাটন করে প্রকৃত অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং দোষ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গুর বিস্তার রোধের জন্য সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে দেশব্যাপী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ডেঙ্গু পরিস্থিতি ও করণীয় নির্ধারণের সভায় তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি সংস্থার ওপর নির্ভরশীল না হয়ে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তিনি বাড়িঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা এবং মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে না দেওয়ার বিষয়ে জনগণকে আরও সচেতন করার তাগিদ দেন।
পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি বিএনসিসি, রোভার স্কাউট ও রেড ক্রিসেন্ট কর্মীদের সম্পৃক্ত করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, এসব স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ জনগণকে যুক্ত করে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে।
সভায় উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসাসুবিধা ও রোগী ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীদের ব্যবহারের জন্য মশারি সরবরাহের বিষয়টি আলোচনায় আসে, যাতে আক্রান্ত রোগীকে কামড়ানো মশার মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমানো যায়।
সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাঠে এর প্রতিফলন থাকতে হবে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।
এ সময় সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে শিক্ষা ছুটি নিয়ে বিদেশে গিয়ে ফিরতে ব্যর্থ হয়েছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ২৩ জন শিক্ষক। বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান না করার পাশাপাশি, তারা ছুটির সময়কালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেতন-ভাতার অর্থও ফেরত দেননি। এই শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট পাওনার পরিমাণ ৩ কোটি ৫ লাখ টাকা দাঁড়িয়েছে। তথ্য অধিকার আইনে যবিপ্রবির শিক্ষকদের শিক্ষা ছুটিসংক্রান্ত তথ্য জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য প্রকাশ করে।
কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৪ জন শিক্ষক শিক্ষা ছুটিতে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে অধিকাংশ শিক্ষক মাস্টার্স, পিএইচডি এবং পোস্টডক্টরাল গবেষণার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে গেছেন। তবে, ২৩ জন শিক্ষকের শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হলেও তারা এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেননি। এই শিক্ষকদের মধ্যে সিএসই ও এমবি বিভাগের চারজন, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, ফার্মেসি ও ইএসটি বিভাগের দুজন এবং আইপিই, সিএইচই, পিএমই, ইইই, বিএমই, জিইবিটি, এআইএস ও এনএফটি বিভাগের ১ জন করে শিক্ষক রয়েছেন।
এ বিষয়ে যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দিন মন্তব্য করেন, যারা শিক্ষা ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যোগদান করেননি, তাদেরকে কয়েক দফায় চিঠি ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। যদি তারা সন্তোষজনক কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তীতে রিজেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান জানান, শিক্ষকদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা অর্থ ফেরত পাওয়ার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এসব শিক্ষক রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় উভয়ের জন্য ক্ষতির কারণ হচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, শিক্ষা ছুটি শেষে শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান না করায় আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি বিভাগগুলোতে শিক্ষক সংকট তৈরি হচ্ছে। তাই যারা দীর্ঘ সময় ধরে যোগদান করছেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশে ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশি নাগরিকদের বার্ষিক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সীমা ১২ হাজার ডলার থেকে ১৮ হাজার ডলারে উন্নীত করেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এই সংশোধনী প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা বিদ্যমান ভ্রমণ-সুবিধাকে সংশোধন করে। এর ফলে, অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো এখন থেকে প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বছরে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ডলার অথবা এর সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় করতে পারবে। এই পরিমাণের মধ্যে, প্রতি ভ্রমণে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার ডলার নগদে এবং বাকি অর্থ কার্ডের মাধ্যমে খরচ করার সুযোগ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্রমণের প্রয়োজন এবং বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে। তবে, ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য ৯ হাজার ডলার ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর মাইজদী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে মো. মোসলিম (১২) নামে এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে, যা ভুল চিকিৎসার কারণে হয়েছে।
এই ঘটনা ঘটেছে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে।
নিহত মোসলিম লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের মাহফুজুর রহমানের ছেলে। অভিযুক্ত প্যারামেডিকস আবুল হোসেন নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট হাজীবাড়ির মৃত আবুল কালামের ছেলে এবং তিনি দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কমলনগরের চরবসু গ্রামে বাড়ির পাশে খেলাধুলার সময় হঠাৎ লাঠির একটি অংশ মোসলিমের বাম চোখে লাগে। এরপর তার বাবা-মা তাকে সিএনজিযোগে নোয়াখালীর মাইজদী শহরের দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।
অভিযোগ রয়েছে যে, হাসপাতালে কর্তব্যরত প্যারামেডিকস আবুল হোসেন শিশুটির চোখে অ্যানেসথেশিয়া দেন। অ্যানেসথেশিয়া দেওয়ার পর মোসলিম বমি করতে শুরু করলে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা মোসলিমকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্যারামেডিকস এবং দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল হোসেন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, "চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় লোকাল অ্যানেসথেশিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকের মতে, এ ধরনের অ্যানেসথেশিয়ার কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা নেই।"
নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী জানান, মৃত অবস্থায় শিশুটিকে তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। মরদেহ মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি সুধারাম থানার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নিহতের স্বজনেরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। মরদেহ নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল লক্ষ্মীপুরের কমলনগর এলাকায় হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, নিহতের স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পরপরই তিনি দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিহতের স্বজনদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা এবং শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে জানা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ