ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের উদ্যোগে

গফরগাঁওয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে


গফরগাঁওয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গফরগাঁও শাখা, ময়মনসিংহ শাখা, ভালুকা কৃষি শাখা, হালুয়াঘাট শাখা ও করিমগঞ্জ শাখার যৌথ উদ্যোগে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদযাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিনব্যাপী জানানো হয়েছিল উপজেলার শাঁখচুড়া উচ্চ বিদ্যালয়, আঠারোদানা (বহুমুখী) উচ্চ বিদ্যালয় ও আল জামিয়াতুল ইসলামীয়া দারুল উলুম মার্কাজ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গফরগাঁও শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইসহাকের সভাপতিত্বে এবং শাখা কর্মকর্তা মহিবুস সালেহীনের উপস্থাপনায় আলোচনা সভা, বৃক্ষ রোপণ ও বৃক্ষ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ময়মনসিংহ জোনাল হেড ও ময়মনসিংহ শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ হাবিবুর রহমান।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভালুকা এস এমই/ কৃষি শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মামুন, করিমগঞ্জ শাখা ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম এবং হালুয়াঘাট শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানের বক্তারা ইসলামী ও আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদানের পাশাপাশি দেশ ও জাতির উন্নয়নে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন পরিচালিত বিভিন্ন মানবিক ও কল্যাণমূলক কর্মসূচীর বর্ণনা প্রদান করেন।

জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন এবং জনসচেতন বৃদ্ধিতে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ভূয়সী প্রশংসা করেন উপস্থিত প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ।

সভাশেষে প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ এবং ঔষধি বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয় এবং বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবুজবাগে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৬ এম


সবুজবাগে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবকের মৃত্যু

রাজধানীর সবুজবাগে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মো. পলাশ (৩৪) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটে সবুজবাগ থানাধীন রাজারবাগ বাজার এলাকার পানির পাম্প সংলগ্ন একটি মুদি দোকানের সামনে।

গুরুতর আহত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত পলাশ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে সবুজবাগের মাদারটেক এলাকায় বসবাস করছিলেন। পেশায় তিনি একজন প্রাইভেটকার চালক হলেও গত কিছুদিন ধরে তিনি সেই কাজ বন্ধ রেখেছিলেন।

নিহতকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী হীরা জানান, রাত আনুমানিক ৮টার দিকে পলাশ রাজারবাগ বাজারের একটি মুদি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় রয়েল, সবুজ ও নাঈমসহ একদল দুর্বৃত্ত এসে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পলাশের দুই হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করে দেয় এবং বুক ও মাথায় গুরুতর জখম করে দ্রুত পালিয়ে যায়।

প্রতিবেশীরা রক্তাক্ত অবস্থায় পলাশকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবুজবাগ থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলার জয়যাত্রার নাবিকেরা দেশে ফিরেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ এম


বাংলার জয়যাত্রার নাবিকেরা দেশে ফিরেছেন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের মাঝে হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘদিন আটকা থাকা বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’-এর নাবিকেরা অবশেষে দেশে ফিরেছেন। এই জাহাজটির ক্যাপ্টেন মো. শফিকুল ইসলাম মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবাদ সম্মেলনে তাঁদের অবরুদ্ধ সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান থেকে তাঁদের বহনকারী উড়োজাহাজ বিকেলবেলা ঢাকায় অবতরণ করে।

সংবাদ সম্মেলনে ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা দ্বিতীয় জীবন পেয়েছি। দেশবাসী যাঁরা দোয়া করেছেন, মানসিক সমর্থন দিয়েছেন এবং নিয়মিত খোঁজখবর নিয়েছেন, তাঁদের সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।

তিনি উল্লেখ করেন, পারস্য উপসাগরে চার মাস অবরুদ্ধ থাকার সময়ে অনেক জাহাজের নাবিক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন এবং কেউ কেউ মৃত্যুবরণও করেন। অনেক জাহাজ খাবার ও পানির সংকটে পড়ে এবং কিছু জাহাজ প্রণালি পার হওয়ার সময় ডুবেও যায়।

ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশের সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারণে তাঁরা রাষ্ট্রীয় সম্পদসহ নিরাপদে ফিরতে সক্ষম হয়েছেন। যুদ্ধের সময় ক্ষেপণাস্ত্র জাহাজের ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল এবং আশপাশে জাহাজগুলো ডুবে যাচ্ছিল। তখন সরকার তাঁদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বললেও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার স্বার্থে তাঁরা জাহাজ ছেড়ে যাননি।

জেবেল আলী বন্দরে অবস্থানকালে এক রাতে পাশের বার্থে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার একটি ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, এতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে আগুন ধরে যায়। ছয়টি টাগবোট দিয়েও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ওই ট্যাংকারের ৪০টি ট্যাংকের যেকোনো একটি বিস্ফোরিত হলে আগুন তাঁদের জাহাজেও ছড়িয়ে পড়তে পারত।

জাহাজটির তৎকালীন কমান্ডিং অফিসার প্রণয় কৃষ্ণ সেন জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে স্যাটেলাইটভিত্তিক নেভিগেশন ব্যবস্থা কার্যকরী নয় হয়ে পড়ায় তাঁরা সম্পূর্ণ ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে জাহাজ পরিচালনা করতে বাধ্য হন। এছাড়া, এলাকায় মাইন থাকার কারণে সামান্য বিচ্যুতিতেও বিস্ফোরণের ঝুঁকি ছিল।

নাবিকেরা যখন বিমানবন্দরে পৌঁছালেন, তখন বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) কর্মকর্তারা ফুল দিয়ে তাঁদের স্বাগত জানিয়ে সম্মান দেখান। বিমানবন্দরের বাইরে অপেক্ষমাণ স্বজনদের সঙ্গে দেখা হলে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।

উল্লেখ্য, গত ২ ফেব্রুয়ারি ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে, কাতারের একটি বন্দরে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায়। কিন্তু পরের দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালালে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি দীর্ঘ সময় উপসাগর এলাকায় আটকা পড়ে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে ইসলামের যে বিষয়গুলো মানার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৬ এম


দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে ইসলামের যে বিষয়গুলো মানার নির্দেশ

বিবাহ হলো একটি বিশুদ্ধ ইবাদত, দায়িত্ব এবং আমানত। ইসলামের শরিয়ত অনুযায়ী, একজন মুসলিম পুরুষকে একই সময়ে সর্বাধিক চারজন স্ত্রী রাখা যায়, তবে এটি শর্তহীন নয়। পবিত্র কোরআন এবং সুন্নাহ একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার, দায়িত্ববোধ এবং প্রত্যেক স্ত্রীর অধিকার সঠিকভাবে আদায়ের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। সুতরাং, একজন মুসলিমের উচিত কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার পূর্বে নিজের ক্ষমতা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করা।

১. আর্থিক ও দাম্পত্য সক্ষমতা থাকতে হবে।

দ্বিতীয় বিয়ের আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আর্থিক এবং শারীরিক সক্ষমতা। প্রত্যেক স্ত্রীর ভরণপোষণ, বাসস্থান, চিকিৎসা এবং প্রয়োজনীয় ব্যয়ভার বহন করা স্বামীর দায়িত্ব। আল্লাহ তাআলা বলেন—

الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ وَبِمَا أَنْفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ

‘পুরুষরা নারীদের অভিভাবক, কারণ আল্লাহ তাদের একদলকে অন্যদলের ওপর মর্যাদা দিয়েছেন এবং তারা নিজেদের সম্পদ থেকে ব্যয় করে।’ (সুরা আন-নিসা: আয়াত ৩)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ

‘তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেককে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।’ (বুখারি ৮৯৩, মুসলিম ১৮২৯)

২. স্ত্রীদের মধ্যে ন্যায়বিচার করা অপরিহার্য।

একাধিক বিয়ের সবচেয়ে বড় শর্ত হলো ন্যায়বিচার করা। সময় বণ্টন, ভরণপোষণ, বাসস্থান এবং বাহ্যিক আচরণে কোনো স্ত্রীর প্রতি অবিচার করা বৈধ নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

مَنْ كَانَتْ لَهُ امْرَأَتَانِ فَمَالَ إِلَىٰ إِحْدَاهُمَا جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَشِقُّهُ مَائِلٌ

‘যার দুইজন স্ত্রী রয়েছে, কিন্তু সে একজনের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ে, কিয়ামতের দিন সে শরীরের এক পাশে হেলে পড়া অবস্থায় উপস্থিত হবে।’ (আবু দাউদ ২১৩৩, তিরমিজি ১১৪১)

৩. ন্যায়বিচারের আশঙ্কা থাকলে এক স্ত্রীই যথেষ্ট।

যদি কোনো ব্যক্তি দ্বিতীয় বিয়ে করলে উভয় স্ত্রীর প্রতি ন্যায়বিচার করার ক্ষমতা না রাখে, তবে তার জন্য এক স্ত্রীই যথেষ্ট হবে। আল্লাহ তাআলা বলেছেন—

فَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تَعْدِلُوا فَوَاحِدَةً

‘যদি আশঙ্কা কর যে তোমরা ন্যায়বিচার করতে পারবে না, তবে একজন স্ত্রীতেই সীমাবদ্ধ থাক।’ (সুরা আন-নিসা আয়াত ৩)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেছেন—

وَلَنْ تَسْتَطِيعُوا أَنْ تَعْدِلُوا بَيْنَ النِّسَاءِ وَلَوْ حَرَصْتُمْ

‘তোমরা যতই চেষ্টা কর না কেন, স্ত্রীদের প্রতি অন্তরের ভালোবাসায় পুরোপুরি সমতা আনতে কখনো সক্ষম হবে না।’ (সুরা আন-নিসা: আয়াত ১২৯)

তাফসিরবিদদের মতে, এখানে হৃদয়ের ভালোবাসার কথা বলা হয়েছে। তবে ভরণপোষণ, সময় ও অধিকার বণ্টনে সমতা বজায় রাখা অবশ্যই ফরজ।

৪. প্রত্যেক স্ত্রীর স্বতন্ত্র বাসস্থানের অধিকার রয়েছে।

ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী, যদি স্ত্রীরা স্বেচ্ছায় একসঙ্গে থাকতে রাজি না হয়, তাহলে প্রত্যেকের জন্য আলাদা ও নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করা স্বামীর দায়িত্ব। এতে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, সম্মান ও পারিবারিক অধিকার নিশ্চিত হয়।

৫. প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সততা ও উত্তম আচরণ।

দ্বিতীয় বিয়ের জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতি শরিয়তের শর্ত নয়। তবে প্রতারণা, গোপনীয়তা বা অযথা কষ্ট দিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা ইসলামের নৈতিকতার পরিপন্থী। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ، وَأَنَا خَيْرُكُمْ لِأَهْلِي

‘তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি তার পরিবারের কাছে সর্বোত্তম, সে সর্বোত্তম।’ (তিরমিজি ৩৮৯৫, ইবন মাজাহ ১৯৭৭)

৬. দায়িত্ববোধ ও আল্লাহভীতির সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

ইসলামে একাধিক বিয়ের অনুমতি শারীরিক ভোগবিলাসের জন্য নয়; বরং সামাজিক ও মানবিক প্রয়োজন, ন্যায়বিচার এবং দায়িত্ব পালনের সাথে সম্পর্কিত। তাই দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত আবেগ বা প্রবৃত্তির বশে নয়, বরং আল্লাহর ভয়, ন্যায়বোধ এবং আত্মসমালোচনার মাধ্যমে নিতে হবে।

৭. রাষ্ট্রীয় আইন মেনে চলাও দায়িত্ব।

ইসলামী শরিয়তের পাশাপাশি একজন নাগরিক হিসেবে দেশের আইন মানাও দায়িত্বের একটি অংশ। বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে সালিশি কাউন্সিলের অনুমোদন গ্রহণসহ নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। শরিয়তের বিধান পালনের পাশাপাশি প্রচলিত আইন মেনে চলা একজন দায়িত্বশীল মুসলিমের কর্তব্য।

ইসলাম একাধিক বিয়ের অনুমতি দিয়েছে, তবে তা কখনোই শর্তহীন নয়। আর্থিক সামর্থ্য, ন্যায়বিচার, দায়িত্ববোধ, পারিবারিক অধিকার রক্ষা এবং আল্লাহভীতি— এসব শর্ত পূরণ না হলে দ্বিতীয় বিয়ে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের জন্য কল্যাণের পরিবর্তে সংকটের কারণ হতে পারে। তাই একজন মুমিনের উচিত একাধিক বিয়েকে নিজের অধিকার হিসেবে না দেখে বরং এটা একটি মহান আমানত ও জবাবদিহির বিষয় হিসাবে বিবেচনা করা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪ হাজার ৮২১ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ এম


২০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪ হাজার ৮২১ কোটি টাকা

চলতি জুলাই মাসের প্রথম ২০ দিনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ এসেছে ২০১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২৪ হাজার ৮২১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা ১২৩ টাকা প্রতি ডলার ধরে হিসাব করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরিফ হোসেনের দেওয়া তথ্যমতে, সোমবার, ২০ জুলাই, সর্বশেষ প্রবাসী আয় এসেছে ৯২২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। গত বছরের জুলাই মাসের প্রথম ২০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সেই তুলনা অনুযায়ী, চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২৩ দশমিক ১০ শতাংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%