ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন হুময়ুন কবির ও শামীম কায়সার


প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন হুময়ুন কবির ও শামীম কায়সার

বাংলাদেশ সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন আরও দুইজন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ গ্রহণ করেন। এর পরপরই নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শামীম কায়সার এমপি।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন শামীম কায়সার এমপি।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র বিষয়ে উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুনভাবে আরও চারজন সদস্য দ্বার আসন গ্রহণ করেন। তাদেরকেও শপথ পড়ান নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, রাশেদুজ্জামান মিল্লাত, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং বান্দরবান জেলা BNP-এর আহ্বায়ক সাচিং প্রু জেরি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাকে শপথ পাঠ করিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৩৭ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রীপরিদের সচিব নাসিমুল গনি। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান।

এরপর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান মন্ত্রীপরিদের সচিব নাসিমুল গনি।   

শপথে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ বা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের কর্তব্য বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব। আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য পোষণ করিব। আমি সংবিধানের রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তা বিধান করিব। আমি ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী না হইয়া সকলের প্রতি আইন অনুযায়ী যথাবিহীত আচরণ করিব।’

মুখে শপথ নেওয়া শেষে শপথ বইতে স্বাক্ষর করেন মির্জা ফখরুল। আর তা সত্যায়িত করেন স্পিকার।

এসময় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে দরবারে হলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড.আব্দুল মঈন খান, আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকা স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান, বর্তমান মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক ও সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও অনুষ্ঠানের অতিথির সারিতে ছিলেন।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয় গতকাল বৃহস্পতিবার। একাধিক প্রার্থী থাকায় ৩৫ বছর পর এবার রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান সংসদের ৩৪৯ জন সদস্যের মধ্যে ৩৪৩ জন এই নির্বাচনে ভোট দেন। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ২৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। বিপুল ব্যবধানে নির্বাচিত হওয়ার পরদিনই রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়ী প্রার্থী মির্জা ফখরুল।

দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নির্বাচিত হওয়ার আগে ৭৮ বছর বয়সী রাজনীতিক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ ছাড়া ২০১৬ সাল থেকে তিনি বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার আগে পাঁচ বছর ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। মির্জা ফখরুলই বিএনপির সবচেয়ে দীর্ঘকালীন মহাসচিব। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তাঁর নেতৃত্ব বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা যোগ করেছিল।

১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও জেলার কালীবাড়ি এলাকায় জন্ম মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের। ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার পর তিনি উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ঢাকা কলেজে পড়াশোনা করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ষাটের দশকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বামপন্থী ছাত্রসংগঠন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের (ইপিএসইউ) সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে গণ–অভ্যুত্থানের সময় তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ছিলেন।

সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় একজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। পরে তিনি ভারতে আশ্রয় নেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন মির্জা ফখরুল। ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। একই সময়ে সরকারি চাকরির অংশ হিসেবে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।

মূলধারার রাজনীতিতে যোগ দিতে ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে দেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। এর দুই বছর পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিজের জন্মস্থান উত্তরাঞ্চলের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে পৌর চেয়ারম্যান (বর্তমানে মেয়র পদ) নির্বাচিত হন তিনি। নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বিএনপিতে যোগ দেন মির্জা ফখরুল। প্রথমে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পরে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হন। দীর্ঘদিন দলের অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহসভাপতি ও পরে সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

২০০১ সালের নির্বাচনে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। ২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বগুড়ার একটি আসন থেকে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে মির্জা ফখরুল তখন সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে একটি শিশু নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে গিয়ে একটি শিশু নিখোঁজ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে টাঙ্গুয়ার হাওর হয়ে যাদুকাটা নদীতে ভ্রমণের পথে চলন্ত হাউসবোট থেকে পড়ে গেছে রুকাইয়া নুর (১০) নামে এক শিশু।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেল আড়াইটার সময় উপজেলার দক্ষিণকুল গোদারাঘাট এলাকার বৌলাই নদীতে এই ঘটনাটি ঘটেছে। নিখোঁজ হওয়া রুকাইয়া নুর ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার গল চামোট ২ নম্বর সড়ক এলাকার চিকিৎসক ডা. শাহনুর রহমানের কন্যা।

স্থানীয়রা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রুকাইয়া নুরসহ প্রায় ২০ জন পর্যটক ‘সাফিনা এ লাক্সারী ওয়াটার ভিলা’ নামক একটি হাউসবোটে করে মধ্যনগর থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরসহ তাহিরপুরের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ঘুরতে যান। শুক্রবার দুপুরে হাউসবোটটি টাঙ্গুয়ার হাওর হয়ে যাদুকাটা নদীর দিকে যাত্রা করে।

পথে দক্ষিণকুল গোদারাঘাট এলাকায় বৌলাই নদীতে এসে চলন্ত হাউসবোট থেকে হঠাৎ করে পানিতে পড়ে যায় শিশু রুকাইয়া। এর পর হাউসবোটে থাকা পর্যটক এবং সংশ্লিষ্ট সবাই নদীতে বিভিন্নভাবে খোঁজাখুঁজি করেন, কিন্তু তার সন্ধান তাঁরা পাননি।

হাউসবোটে থাকা পর্যটক সাজ্জাদ হোসেন সিয়াম বলেন, মধ্যনগর থেকে টাঙ্গুয়ার হাওর হয়ে হাউসবোটটি যাদুকাটার দিকে যাচ্ছিল। পথে বিকেল আড়াইটার দিকে শিশুটি নদীতে পড়ে যায়। এরপর বোটে সবাই তাকে খুঁজতে চেষ্টা করেন, কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে বিকেল ৪টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তারা নৌযান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে বৌলাই নদীর বিভিন্ন স্থানে নিখোঁজ শিশুটির সন্ধানে কাজ করছেন।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, দুপুর আড়াইটার সময় শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়েছি। পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে। পরে সুনামগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। শিশুটিকে উদ্ধারের অভিযান চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে নতুন সচিব নিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩২ পি.এম


রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে নতুন সচিব নিয়োগ

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে নতুন সচিব নিয়োগ দিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ শাখা-১ থেকে শুক্রবার (২১ আগস্ট) জারি করা একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরীকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) এ জে এম সালাহউদ্দিন নাগরীকে রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের জনবিভাগের সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. বরমান হোসেন রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনটি স্বাক্ষর করেছেন। জারি করা এই আদেশ জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী কলেজ উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক বলে মন্তব্য করেন ভূমিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


রাজশাহী কলেজ উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক বলে মন্তব্য করেন ভূমিমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু রাজশাহী কলেজকে উত্তরাঞ্চলের শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারক-বাহক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) হেয়ার রোডে ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজের ১৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে একটি প্রস্তুতি সভার প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ১৫০ বছর উদযাপন এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করবে। এটি হবে ঐক্য, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের উৎসব।

বক্তৃতায় তিনি দীর্ঘ ১৫০ বছরের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস এবং ঐতিহ্যের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানে গঠিত বহু প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বের উল্লেখ করেন। তিনি দেশ-বিদেশে বসবাসরত সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীর প্রতি নিবন্ধনের মাধ্যমে এই বিশাল আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। প্রয়োজনে, মহাদেশভিত্তিক অ্যালামনাই নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে এই ঐতিহাসিক মিলনমেলাকে স্মরণীয় করে রাখতে হবে বলেও তিনি জানান।

তিনি আরও বলেন, কলেজের দেড়শত বর্ষ উদযাপন আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় করে রাখতে একটি স্মারক ভাস্কর্য তৈরি করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস কেবল বাংলাদেশের নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সমানভাবে সম্মানিত। তাই দেড়শত বর্ষ উদযাপন হবে রাজশাহী কলেজ পরিবারের সব প্রজন্মের একটি মহামিলনের উৎসব।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, সরকারের সহযোগিতায় রাজশাহী কলেজে আধুনিক বহুতল একাডেমিক ভবন ও অত্যাধুনিক অডিটোরিয়াম নির্মাণ, ছাত্র ও ছাত্রীদের জন্য নতুন আবাসন এবং ঐতিহাসিক খেলার মাঠের উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শফিকুল হক মিলন, দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ সুইট এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব এস. এম. জহুরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বর্তমান ও সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, কলেজের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুধীজন এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%