১১:০০ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইরানে।此次 লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রতিরক্ষা ও ক্ষেপণাস্ত্র মজুদের মতো সামরিক স্থাপনা। মার্কিন সেনাবাহিনী এমনটাই জানিয়েছে। খবর এসেছে আনাদোলু এজেন্সির সহযোগিতায়।
হরমুজ প্রণালি ঘিরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে তীব্র লড়াই চলছে ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে। এই লড়াইয়ে প্রতিদিন পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে। এতে ইরানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটছে এবং হতাহতদের সংখ্যাও বাড়ছে।
মার্কিন হামলাগুলো মূলত হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী দক্ষিণ ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছে। অপরদিকে, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা দেশগুলোকে লক্ষ্যমাত্রা করে হামলা চালাচ্ছে। পাশাপাশি, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের নির্দেশনা না মানা জাহাজগুলোর ওপরও হামলা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
আজ বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, তারা ইরানের গ্রেটার টুনব দ্বীপে উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র-সংক্রান্ত স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করেছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরও দুর্বল করা।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানায়, হামলাটি শুরু হয় স্থানীয় সকাল ৬টা থেকে এবং এটি প্রায় ৯০ মিনিট ধরে চলে। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে হামলাটি শেষ হয়।
সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়, এই অভিযানের সময় অত্যন্ত নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে গ্রেটার টুনব দ্বীপে অবস্থিত উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সংরক্ষণাগার এবং ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এসব হামলার ফলে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে হামলা চালানোর ইরানের সক্ষমতা আরও কমে গেছে। তবে, এ হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন