ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন মাইলফলক, দ্রুত ও উন্নত সেবায় সমঝোতা স্মারক


ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন মাইলফলক, দ্রুত ও উন্নত সেবায় সমঝোতা স্মারক

 দেশে ক্যান্সার চিকিৎসার সেবা আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে, রোগীর সেবার মানোন্নয়ন ও পরিধি বাড়ানো উদ্দেশ্যে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্স (আইএনএমপি) এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে, আজ সোমবার। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন এবং আইএনএমপি, এইআরআই-এর পরিচালক মো. সেলিম রেজা সমঝোতা স্মারক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্যান্সার রোগীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, রেডিয়েশন অনকোলজি সেবা, মেডিকেল ফিজিক্স, গুণমান নিশ্চিতকরণ (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স), গবেষণা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নিয়ে যৌথ সহযোগিতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে এই স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক চুক্তিতে। স্মারক অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে, বর্তমানে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সারাদেশ থেকে আসা রোগীদের একটি দীর্ঘ সিরিয়ালে বা অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকতে হয়, যা অনেক সময় চিকিৎসার কার্যকারিতাকে ব্যাহত করে। রোগীদের এই দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে এবং দ্রুততম সময়ে সেবা নিশ্চিত করতে এই দুটি প্রতিষ্ঠান একসাথে কাজ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই চুক্তির ফলে উভয় প্রতিষ্ঠান একত্রিত হয়ে রোগীরা এখন থেকে কোনো রকমের দীর্ঘসূত্রতা ছাড়াই উন্নত প্রযুক্তির নিউক্লিয়ার মেডিসিন, নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং নিবিড় থেরাপিউটিক সেবা পেতে সক্ষম হবেন। এই সমঝোতা স্মারক দেশের সামগ্রিক ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় একটি যুগান্তকারী এবং ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলেও উভয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড.মঈনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফার্মের মুরগি খাওয়া কতটা স্বাস্থ্যকর? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩১ এম


ফার্মের মুরগি খাওয়া কতটা স্বাস্থ্যকর? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

দেশের অধিকাংশ পরিবারের প্রোটিনের চাহিদা পূরণের জন্য সবচেয়ে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী খাবারের মধ্যে একটি হলো ফার্মের মুরগি বা ব্রয়লার মুরগি। যদিও দীর্ঘদিন ধরেই অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে—ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর? ব্রয়লার মুরগি সম্পর্কে নানা ধরনের প্রচলিত ধারণা থাকলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি নিজে ক্ষতিকর নয়। বরং নিরাপদ উৎপাদন, সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রান্না করে ব্রয়লার মুরগি উচ্চমানের প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অন্যতম উৎস হতে পারে। এ বিষয়ে চিকিৎসক ডা. সাহানাজ মন্তব্য করেন, ব্রয়লার মুরগি নিজে কোনোভাবেই ক্ষতিকর নয়। এতে উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন বি-৬, নিয়াসিন (ভিটামিন বি-৩), ফসফরাস, সেলেনিয়াম ও জিংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তিনি জানান, ব্রয়লার মুরগির নিরাপদ হওয়া নির্ভর করে কীভাবে এটি পালন করা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের নিয়ম মানা হয়েছে কি না এবং জবাই ও সংরক্ষণের সময় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি না—এসব বিষয়ের ওপর। ডা. সাহানাজ আরো বলেন, কিছু খামারে রোগ প্রতিরোধ বা চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। তবে নির্ধারিত নিয়ম না মেনে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা কিংবা জবাইয়ের আগে প্রয়োজনীয় বিরতি না মানলে মাংসে ওষুধের অবশিষ্টাংশ থেকে যেতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকি বাড়তে পারে। ব্রয়লার মুরগিকে দ্রুত বড় করতে হরমোন ব্যবহার করা হয়—এমন ধারণা নিয়েও বক্তব্য ব্যক্ত করেন তিনি। তার মতে, এ দাবির পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। আধুনিক ব্রয়লার মুরগির দ্রুত বৃদ্ধি মূলত হচ্ছে উন্নত জাত, সুষম খাদ্য এবং উন্নত খামার ব্যবস্থাপনার ফল। তিনি আরো বলেন, খামারে স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে, কিংবা জবাই ও সংরক্ষণের সময় অসতর্কতা থাকলে সালমোনেলা ও ক্যাম্পিলোব্যাক্টারের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মাংসে থাকতে পারে। সুতরাং ব্রয়লার মুরগির মাংস অবশ্যই ভালোভাবে সিদ্ধ বা রান্না করে খাওয়া উচিত। ডা. সাহানাজের মতে, চামড়াবিহীন ব্রয়লার মুরগির মাংস পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত খাওয়া স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তিনি বলেন, দেশি ও ব্রয়লার—দু ধরনের মুরগিই ভালো প্রোটিনের উৎস। দেশি মুরগির স্বাদ ও গঠন ভিন্ন হলেও পুষ্টিগুণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। মূল বিষয় হলো নিরাপদ উৎপাদন, ভালো মান এবং স্বাস্থ্যসম্মত রান্না। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ব্রয়লার মুরগি কেনা ও খাওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে—বিশ্বস্ত দোকান বা অনুমোদিত খামার থেকে মুরগি কেনা, দুর্গন্ধযুক্ত বা অস্বাভাবিক রঙের মাংস এড়িয়ে চলা, কাঁচা ও রান্না করা মাংস আলাদা রাখা এবং মাংস সম্পূর্ণ সিদ্ধ করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলাবদ্ধতার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চসিক : মেয়র ডা. শাহাদাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪১ এম


জলাবদ্ধতার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চসিক : মেয়র ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম, ১৪ জুলাই, ২০২৬ : চট্টগ্রাম নগরে সাম্প্রতিক রেকর্ড বৃষ্টির কারণে নগরের যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, সেইসব স্থানের জলাবদ্ধতার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করার উদ্দেশ্যে স্থায়ী সমাধানে কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

এই প্রক্রিয়ার জন্য নগরীর জলাবদ্ধতা প্রবণ এলাকার স্থানগুলো সরেজমিনে আগামীতে পরিদর্শন করতে এবং সমস্যা নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন চসিকের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

আজ মঙ্গলবার আগ্রাবাদ চৌমুহনীস্থ চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কার্যালয় এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সাম্প্রতিক রেকর্ড করা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির কারণ অনুসন্ধানে মেয়র ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তাদের সাথে দ্বীপ পরিদর্শন করেন।

এসময় মেয়র ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমানকে এ এলাকার জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনের উদ্দেশ্যে করণীয় নির্ধারণ করে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশ দেন।

মেয়র বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতা ছাড়া জলাবদ্ধতার সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাই তিনি সকলকে ড্রেন, নালা এবং খালে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য না ফেলতে আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি জানান, দেওয়ানহাট আগ্রাবাদ এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য নাসির খাল ছড়া এবং লালমিয়া খাল ছড়াসহ গুরুত্বপূর্ণ জলপ্রবাহগুলো দ্রুত পরিষ্কার করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মেয়র আরও আশা প্রকাশ করেন যে, এসব খাল ও ছড়ার স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা গেলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার পরিমাণ অনেকাংশে কমে আসবে।

পরিদর্শনকালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তারা, সাবেক কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মদ খান, নারী নেত্রী ফাতেমা বাদশা এবং চসিকের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৃত স্বামীকে স্ত্রী গোসল করাতে পারেন কি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৪ এম


মৃত স্বামীকে স্ত্রী গোসল করাতে পারেন কি?

স্বামী এবং স্ত্রীর যেকোনো একজন মৃত্যুবরণ করলে অন্যজন কি তার গোসল দিতে পারবেন—এ প্রশ্নটি অনেকেই করেন। এই বিধানের বিষয়ে ফিকহবিদদের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য রয়েছে। কুরআন, হাদিস এবং সাহাবায়ে কেরামের আমলের আলোকে এ বিষয়ে কী নির্দেশনা জানা যায়, তা জানা প্রতিটি মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মৃত স্বামীকে কি স্ত্রী গোসল করাতে পারবেন- এমন প্রশ্নে অধিকাংশ ফকিহের মত হচ্ছে, স্বামী মারা গেলে স্ত্রী তাকে গোসল করাতে পারেন।

এর কারণ হলো, স্বামীর মৃত্যুর পরেও স্ত্রী ইদ্দত পালন করেন এবং এই সময়ে বৈবাহিক সম্পর্কের কিছু বিধান বহাল থাকে। সুতরাং, তিনি স্বামীর মুখ দেখতে, তাকে স্পর্শ করতে এবং প্রয়োজনীয় শরয়ি বিধান অনুযায়ী গোসল করাতে পারেন।

সাহাবায়ে কেরামের আমল

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আবু বকর (রহ.) বর্ণনা করেছেন— হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর ইন্তেকালের পর তার স্ত্রী আসমা বিনতে উমাইস (রা.) তাকে গোসল করিয়েছিলেন। (মুআত্তা ইমাম মুহাম্মাদ ৩০৩)

তাবেঈদের মতামত

প্রখ্যাত তাবেঈ ও ফকিহ সুফিয়ান সাওরি (রহ.) বলেন— স্বামীর ইন্তেকালের পর স্ত্রী তাকে গোসল দিতে পারবেন। কারণ তিনি এখনও স্বামীর ইদ্দতের মধ্যে আছেন। (মুসান্নাফ আবদুর রাজ্জাক ৬১১৯)

তবে মৃত স্ত্রীকে স্বামী গোসল করাতে পারবেন কি না, এই প্রশ্নে ইসলামী আইনবিদদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মত

ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর মতে, স্ত্রীর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেজন্য স্বামীর জন্য মৃত স্ত্রীকে গোসল করানো জায়েজ নয়।

অন্যান্য ইমামদের মতামত

অন্যদিকে, ইমাম মালিক, ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমদ (রহ.)-সহ বহু আলেমের মতে, স্ত্রী জীবদ্দশার মতো মৃত্যুর পরও স্বামীর জন্য মাহরাম হয়ে থাকেন। এজন্য স্বামী চাইলে মৃত স্ত্রীকে গোসল করাতে পারেন।

এই মতের দলিল

আলেমরা এ মতের পক্ষে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল উল্লেখ করেছেন।

১. হজরত আলী (রা.)-এর আমল

বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে, হজরত আলী (রা.) তার স্ত্রী ফাতিমা (রা.)-এর মৃত্যুর পর তাকে গোসল করিয়েছিলেন।

২. হজরত আয়েশা (রা.)-কে উদ্দেশ্য করে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বক্তব্য—

"তুমি যদি আমার আগে মৃত্যুবরণ কর, তাহলে আমি নিজেই তোমাকে গোসল করাতাম এবং কাফন পরিয়ে দিতাম।" (ইবনে মাজাহ ১৪৬৫)

এই হাদিসকে অনেক ফকিহ স্বামীর জন্য মৃত স্ত্রীকে গোসল করানোর বৈধতার অন্যতম দলিল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মৃত স্ত্রীকে স্বামী গোসল করাতে পারবেন কি না—এ বিষয়ে যেহেতু ফকিহদের মধ্যে মতপার্থক্য বিদ্যমান, তাই প্রত্যেক মুসলিমের উচিত নিজের অনুসৃত মাজহাব বা নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ অনুযায়ী আমল করা। আর মৃত স্বামীকে স্ত্রী গোসল করাতে পারবেন—এই বিষয়ে সাহাবায়ে কেরামের আমল এবং বহু ফকিহের মতামত রয়েছে।

ইসলাম মৃত ব্যক্তির সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী তাকে গোসল করাতে পারবেন— এই বিষয়ে সাহাবায়ে কেরামের আমল ও ফকিহদের বক্তব্য পাওয়া যায়। অন্যদিকে, মৃত স্ত্রীকে স্বামী গোসল করানোর বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তাই এ ধরনের বিষয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে কুরআন-সুন্নাহ, ফিকহের নির্ভরযোগ্য মতামত এবং অভিজ্ঞ আলেমদের দিকনির্দেশনা অনুসরণ করাই সর্বোত্তম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরা সীমান্তে ৩৪ লাখ ৫৬ হাজার ৩০০ টাকার মোবাইল পার্টস জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ এম


সাতক্ষীরা সীমান্তে ৩৪ লাখ ৫৬ হাজার ৩০০ টাকার মোবাইল পার্টস জব্দ

সাতক্ষীরা, ১৪ জুলাই, ২০২৬ : বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর চোরাচালান বিরোধী অভিযানে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ (পার্টস) জব্দ করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার এসব মালামাল জব্দ করা হয় সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া উপজেলার ভোমরা, কালিয়ানী ও কাঁকডাঙ্গা বিওপির আওতাধীন বিভিন্ন সীমান্ত থেকে।

জব্দকৃত ভারতীয় মালামালের সর্বমোট মূল্য ৩৪ লাখ ৫৬ হাজার ৩০০ টাকা।

বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফলমোড় নামক স্থান থেকে এবং কালিয়ানী বিওপির আভিযানিক দল একই উপজেলার বড় পুকুর নামক স্থান থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।

এছাড়াও কাঁকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুটি বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার ভাদিয়ালী ও রাজ্জাকের মোড় নামক স্থান থেকে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ জব্দ করে।

তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%