শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৫ পি.এম
ঢাকার সাতটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ১৪টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কাফরুল থানার সামনে একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সারা ঢাকাজুড়ে নড়েচড়ে বসেছে। বর্তমানে বিশেষ নজরদারির আওতায় মোটরসাইকেলগুলোতে তল্লাশি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও ঢাকার প্রবেশ ও বহির্গমন পথে ২০০'র বেশি অতিরিক্ত চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়েছি। শুক্রবার রাত থেকে যেসব ঘটনা ঘটেছে, ককটেল বিস্ফোরণ বা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। অনেক জায়গায় মামলা হয়েছে এবং কিছু মামলা প্রক্রিয়াধীন। কাফরুল থানায় একটা মামলা হয়েছে।"
নিয়াজ মেহেদী আরও জানান, "এর বাইরে আমরা ঢাকায় ২০০ এরও বেশি জায়গায় চেকপোস্টগুলো বসিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছি এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করছি। ঢাকার অভ্যন্তরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, ফ্লাইওভার, প্রবেশপথগুলোতে চেকপোস্ট কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি মোটরসাইকেলের প্রতি আমাদের বিশেষ নজরদারি থাকবে। অবৈধ মোটরসাইকেল যেন না চালিত হয় এবং এই নিয়ে কোনো নাশকতা বা এই ধরণের কর্মকাণ্ড যেন না করতে পারে সেক্ষেত্রে আমরা বিশেষ চেষ্টা করছি এবং লক্ষ্য রাখছি।"
তিনি আরও বলেন, "এর বাইরেও আমাদের নিয়মিত চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম চলমান। অপরাধীদের অপতৎপরতা রুখতে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।"
উল্লেখ্য, শুক্রবার দুপুর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত রাজধানীর সাতটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৪টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায় মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী, বাবুবাজার, বিটিভি ভবনের সামনে ও মগবাজার মোড়ে। এছাড়াও, কাফরুল থানার সামনে একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
একই দিন রাজধানীর ফার্মগেটে তেজগাঁও মসজিদ থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করে পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, তারা নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠন জেএমবির সদস্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) এর তিতাস-২৮ নং কূপ থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, "আমি দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই জ্বালানি খাতের সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে যে বড় ধরনের একটি ঘাটতি রয়েছে। আমরা যে পরিকল্পনা নিয়েছি ২০৩০ এর মধ্যে জ্বালানি অবকাঠামো বাড়ানোর যে পরিকল্পনা নিয়েছি, পরিকল্পনা মাফিক কাজ শেষ করতে পারলে আমরা আশা করি সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ঘাটতি সুন্দরভাবে পূরণ করতে পারবে। এতে শিল্প, বিদ্যুৎ, গৃহস্থালি খাত যে সমস্যায় নিপতিত হয়েছে তা স্থায়ীভাবে সমাধান হবে।"
চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি (CCDC) কর্তৃক খননকৃত ৩৬০১ মিটার গভীরতার এই কূপ থেকে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। মূসক ও আয়করসহ এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী এবং অতিথিবৃন্দ তিতাস-৩১ ও তিতাস-২৯ গভীর অনুসন্ধান কূপের খনন কাজ পরিদর্শন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, এমপি এবং জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক।
জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির ক্রমাগত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে "তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন" শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কূপসমূহ খননের জন্য সমন্বিত খনন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান CNPC Chuanqing Drilling Engineering Company Ltd. (CCDC), China- এর সঙ্গে গত ১০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সম্পাদিত চুক্তির আওতায় তিতাস ২৮ নং কূপের খনন কার্যক্রম ১৫-১২-২০২৫ তারিখে শুরু হয়ে ১৯-০৬-২০২৬ তারিখে সমাপ্ত করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে পাবলিক এনগেজমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (প্রফেশনাল এক্সচেঞ্জেস) পদে জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য আবেদন করার সময়সীমা আগামী ৫ অক্টোবর ২০২৬। সম্প্রতি ইউএস অ্যাম্বাসি ঢাকার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু গুণাবলী হলো সাংগঠনিক দক্ষতা, খুঁটিনাটি বিষয়ে মনোযোগ এবং পেশাগত এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের প্রতি আগ্রহ।
নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি সরকারের বিভিন্ন দপ্তর, সুশীল সমাজ, থিংকট্যাংক, পেশাজীবী সংগঠন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পেশাজীবীদের নিয়ে একাধিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করবেন। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে পেশাজীবীদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর কাজ করতে হবে।
পদের নাম: পাবলিক এনগেজমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট (প্রফেশনাল এক্সচেঞ্জেস)
আবেদনের শেষ তারিখ: ৫ অক্টোবর ২০২৬।
আগ্রহী প্রার্থীদের ইউএস এম্বাসি ঢাকার ওয়েবসাইটের চাকরি সংক্রান্ত পেজের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
বিস্তারিত জানতে এখানে দেখুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার কর্তৃক সরকারি কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন এই বেতন স্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলে গণ্য করা হবে। এর ফলে, ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন বকেয়া হিসেবে সরকারি কর্মচারীরা পাবেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) নতুন বেতন স্কেলের গেজেট প্রকাশিত হয়। এর পূর্বে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়।
গেজেট অনুযায়ী, নতুন বেতন স্কেল সম্পূর্ণরূপে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বেতন বৃদ্ধির হার আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন বেতন স্কেলে নির্ধারিত বেতন এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত বা প্রাপ্য বর্তমান বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ৫০ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত প্রদান করা হবে।
পরবর্তী ধাপে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত ওই পার্থক্যের ৭০ শতাংশ ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ৭৫ শতাংশ ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের প্রদান করা হবে।
এরপর ১ জুলাই ২০২৭ থেকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি বা ইনক্রিমেন্টসহ মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।
নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হলেও গেজেট প্রকাশ হয়েছে সেপ্টেম্বরে। ফলে, ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা তৈরি হবে।
গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বেতন কর্মচারীরা বকেয়া হিসেবে প্রাপ্য হবেন। তবে, এ সময়ে নতুন বেতন স্কেলের সঙ্গে সমন্বয় করে যে অর্থ পরিশোধ করা হবে, সেখান থেকে আগে পাওয়া বিশেষ সুবিধার অর্থ সমন্বয় করা হবে।
নতুন পে-স্কেলের আওতায় পেনশনভোগীদের জন্যও ধাপে ধাপে বর্ধিত সুবিধা দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
২০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্ব বিদ্যমান নিট পেনশনের ক্ষেত্রে নতুন বেতন স্কেল অনুযায়ী নিট পেনশন বৃদ্ধির ৪০ শতাংশ ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেওয়া হবে। আর ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিদ্যমান নিট পেনশনের ক্ষেত্রে বৃদ্ধির ৫০ শতাংশ প্রদান করা হবে।
২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে এই হার যথাক্রমে ৭০ শতাংশ ও ৭৫ শতাংশ হবে। ১ জুলাই ২০২৭ থেকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী পূর্ণ হারে নিট পেনশন প্রদান করা হবে।
অবসরপ্রাপ্ত ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীরাও ১ জুলাই ২০২৬ থেকে গেজেট প্রকাশের তারিখ পর্যন্ত সময়ের নিট পেনশন বকেয়া হিসেবে পাবেন।
নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলেও অন্যান্য ভাতা তাৎক্ষণিকভাবে নতুন হারে প্রদান করা হবে না। উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতাসহ অন্যান্য সব ভাতা ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে হারে প্রাপ্য ছিল, সেই হারেই ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত প্রদান করা হবে।
২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন স্কেলে নির্ধারিত হারে ভাতাদি প্রদান করা হবে।
জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকেই বিশেষ সুবিধা বিলুপ্ত হয়েছে বলে গণ্য হবে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে গেজেট জারির তারিখ পর্যন্ত যেসব কর্মচারী বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন, তা নতুন পে-স্কেলের আওতায় প্রাপ্য বকেয়া বেতন থেকে সমন্বয় করা হবে।
তবে, ১ জুলাই ২০২৬ তারিখে যারা অবসর-উত্তর ছুটিতে ছিলেন, তারা অবসর-উত্তর ছুটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে হারে বিশেষ সুবিধা পেতেন, সেই হারেই তা পাবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন যে, যদি অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা কার্যকরভাবে চালু করা হয়, তাহলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বৃদ্ধি পাবে।
তিনি শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে এই মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান বলেন, এনএসডিএ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে চাহিদা বৃদ্ধির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। যদিও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, তবে যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। এর ফলে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তরুণ প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছে না।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনএসডিএ’র গভর্নিং বডিকে অল্প সময়ের মধ্যে একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হবে।
তিনি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় এনএসডিএ’র প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও কার্যাবলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এছাড়া জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা বিশ্লেষণ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সময় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, এনএসডিএ’র নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ