০৭:১১ পি.এম
জয়পুরহাট পৌর শহরের সাগরপাড়া এলাকায় পারিবারিক কলহের কারণে লুৎফর রহমান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তার ছেলে নাইম ইসলাম ইয়ামিনকে (২০) শ্বাসরোধে হত্যা করার। ঘটনা ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত বাবা পলাতক অবস্থায় রয়েছেন। তবে পুলিশ নিহতের সৎ মা বানু খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাইমের গ্রামের বাড়ি নীলফামারী জেলায়। তিনি জয়পুরহাট শহরের সাগরপাড়া এলাকায় বাবা ও সৎ মায়ের সঙ্গে একটি ভাড়া বাসায় অবস্থান করতেন। সম্প্রতি তিনি কিস্তিতে একটি স্মার্টফোন কিনেছিলেন। গত ২৯ জুলাই, সেই ফোনের কিস্তির টাকা পরিশোধের বিষয়ে বাবার সঙ্গে তার গম্ভীর বাগ্বিতণ্ডা হয়। ওই সময় লুৎফর রহমান তাকে মারধর করেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
পারিবারিক এই বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার রাতের কোনও এক সময়, লুৎফর রহমান তার ছেলে নাইমকে শ্বাসরোধে হত্যা করার অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছেন। পরে তিনি মরদেহটি ঘরের ভেতর রেখে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যান।
শুক্রবার দুপুরে প্রতিবেশীরা বিষয়টি শনাক্ত করে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘরের তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, পারিবারিক কলহ ও কিস্তির টাকা নিয়ে বিরোধের কারণে বাবাই ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন, এই ধারণা প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বাবা লুৎফর রহমান পলাতক। তবে পুলিশ, নিহতের সৎ মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতিসহ আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন