সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৪ পি.এম
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ঘটেছে আটটি গরু চুরির ঘটনা, যেখানে গোয়ালঘরের তালা ভেঙে গরুগুলো চুরি করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের ছেলে মো. জাহিদ হাসান অভিযোগ করেছেন যে, রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত দুইটার পরে যেকোনো সময় এই চুরির ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খুটিগাছা গ্রামের কৃষক হায়দার আলীর গোয়ালঘরে গরুগুলো রাখা ছিল। গত রাতে দুর্বৃত্তরা প্রথমে তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে এবং পরে আটটি গরু নিয়ে পালিয়ে যায়।
সকালে হায়দার আলী গোয়ালঘরে গিয়ে গরু না পেয়ে বিষয়টি বুঝতে পারেন। পরে আশপাশের এলাকায় খোঁজ করেও তিনি গরুগুলোর কোনো সন্ধান পাননি।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হায়দার আলী জানিয়েছেন, গরুগুলো তার পরিবারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ ছিল। আটটি গরু একসঙ্গে চুরি হয়ে যাওয়ার ফলে তিনি আর্থিকভাবে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, রাতের আঁধারে সংঘবদ্ধ চোরের দল এ ঘটনা ঘটাতে পারে। তারা গরু চুরির ঘটনা ঠেকাতে পাহারা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাম জাফর জানিয়েছেন, পুলিশ চুরি যাওয়া গরু উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে চেষ্টা চালাচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত মাসে উপজেলার তিন কৃষকের মোট ১০টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সহপাঠী ও বান্ধবীর বাবার বিরুদ্ধে। হত্যার পর শিশুটির মরদেহ গুম করতে নিজ বসতঘরের মেঝেতে গর্ত করে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত জামিলুল ইসলাম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মাদারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা।
পুলিশ জানায়, নিহত শিশুটি মাদারগঞ্জের একটি বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অভিযুক্ত জামিলুল ইসলামের মেয়ে একই স্কুলে পড়ত। বান্ধবী হওয়ায় শিশুটি প্রায়ই জামিলুলের বাড়িতে খেলতে যেত।
বৃহস্পতিবার সকালে জামিলুলের স্ত্রী তার বোনের বাড়িতে গেলে তিনি বাড়িতে একাই ছিলেন। এ সময় শিশুটি ওই বাড়িতে গেলে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে জামিলুল শিশুটিকে ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গুম করতে বসতঘরের মেঝেতে গর্ত খুঁড়ে সেখানে শিশুটিকে পুঁতে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শিশুটি স্কুলের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মা স্কুলে গিয়ে জানতে পারেন, মেয়েটি সেদিন স্কুলে যায়নি। এরপর তার স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আশপাশের পুকুর ও নালাতেও তল্লাশি চালানো হয়। তবে শিশুটির সন্ধান না পাওয়ায় ওই দিনই মাদারগঞ্জ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন পরিবারের সদস্যরা।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে উপজেলার সিধুলী ইউনিয়নের চর লোটাবর গ্রামে জামিলুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। বসতঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জামিলুল ইসলাম ও তার স্ত্রীকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।
রোববার এ ঘটনায় মাদারগঞ্জ মডেল থানায় পেনাল কোডের ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় মামলা করা হয়। পরে আসামিদের আদালতে পাঠানো হলে জামিলুল ইসলাম ঘটনার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মর্মান্তিক এ ঘটনায় শিশুটির পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শিশুটির মামা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "এটা মেনে নেওয়ার মতো না। কী মেনে নেবো বলেন? আল্লাহ গো, এর বিচার কি হবে? এর বিচার সর্বোচ্চ কী করবেন আপনারা? ফাঁসির রায় দেবেন সর্বোচ্চ? কিন্তু ফাঁসি আপনারা দেবেন না।"
তিনি আরও বলেন, "কিছুদিন আগে আরেকটা ঘটনা ঘটছে। দুইটা ফাঁসি, দুইটা খুনের আসামি খালি রায় হয়েছে, কোনো ফাঁসি এখনো কার্যকর হয়নি।"
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজন ও এলাকাবাসী এ হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়া ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে পোল্যান্ড সীমান্তের নিকটবর্তী একটি রেলে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এই ভয়াবহ হামলার কিছুক্ষণ আগে, একই রেলপথ ব্যবহার করে পোল্যান্ডের দিকে গিয়েছিলেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এবং ইউরোপের একাধিক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা। তবে এই ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে ইয়াহোদিন এলাকায় একটি যাত্রীবাহী ট্রেনকে লক্ষ্য করে রুশ ড্রোনটি আঘাত হানে। হামলার পূর্বে দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে সব যাত্রীকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে হামলায় ট্রেনটির ইঞ্জিন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগদান শেষে ফেরার পথে বরিস জনসন এবং যুক্তরাজ্যের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জোনাথন পাওয়েলসহ বেশ কয়েকজন পশ্চিমা কর্মকর্তা এই রুটটি ব্যবহার করেছিলেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে সংস্থা ‘উক্রজালিজনিতসিয়া’ দাবি করেছে, মূলত ওই কূটনৈতিক ট্রেনটিই রুশ ড্রোনের প্রধান লক্ষ্যবস্তু ছিল।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, সম্ভাব্য হামলার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কূটনৈতিক সফরকারী বিশেষ ট্রেনটির সময়সূচি আগেই এগিয়ে আনা হয়েছিল। ফলে সেটি নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশন ত্যাগ করে। এ ছাড়া হামলার স্থানটিতে থাকা অন্য একটি ট্রেনে সফররত অবস্থায় ছিলেন মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সাবেক প্রধান ডেভিড পেট্রাউস।
ঘটনার দায় স্বীকার করে মস্কো জানিয়েছে, তারা পশ্চিম ইউক্রেনের সামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ ‘রেল অবকাঠামো’ লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে। তবে ন্যাটোভুক্ত দেশ পোল্যান্ডের একেবারেই নিকটে সংঘটিত এই হামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে সীমান্ত উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে বংশী নদী থেকে নগ্ন অবস্থায় একটি অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের দেপাশাই নোয়াপাড়া খেলার মাঠের কাছে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে দেপাশাই নোয়াপাড়া খেলার মাঠের পাশে বংশী নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখা যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। তারা তাৎক্ষণিকভাবে ধামরাই থানার পুলিশকে খবর দেন, এবং পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। কয়েকদিন পানিতে থাকার কারণে মরদেহটিতে পচন ধরে অর্ধগলিত হয়ে পড়ায় প্রাথমিকভাবে নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান জানান, মরদেহের পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কাজ করছে। তবে মরদেহটি অর্ধগলিত থাকায় পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুমিনদের জীবনে দোয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। হাদিসে দোয়াকে ইবাদতের মগজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহর কাছে বান্দার চাওয়া-পাওয়া, বিপদ থেকে মুক্তি কিংবা কল্যাণের আকাঙ্ক্ষা সবকিছুই দোয়ার মাধ্যমে প্রকাশ পায়। তাই মুসলমানদের দোয়া করার প্রতি উৎসাহিত করা হয়েছে।
তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে, "দোয়া করি, কিন্তু কবুল হয় না কেন?" ইসলামী শরিয়তে দোয়া কবুল হওয়ার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। সেগুলো হলো-
১. নিষ্ঠার সঙ্গে দোয়া না করা
দোয়ার সময় আল্লাহর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস ও আন্তরিকতা থাকা অপরিহার্য। শিরক থেকে বিরত থেকে নিজের অক্ষমতা ও দুর্বলতা স্বীকার করে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে চাইতে হবে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, "তোমরা একনিষ্ঠচিত্তে দোয়া করো।" (সুরা গাফির: ১৪)
২. তওবা না করা
মানুষ ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নয়। নিজের অন্যায় স্বীকার করে আন্তরিকভাবে তওবা করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া দোয়া কবুলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কোরআনে হজরত মুসা (আ.) এর তওবা এবং হজরত নুহ (আ.) এর ক্ষমা প্রার্থনার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। (সুরা কাসাস: ১৬, সুরা নুহ: ১০-১২)
৩. আল্লাহর আনুগত্যে ত্রুটি থাকা
আল্লাহর অবাধ্যতা ও আনুগত্যে গাফিলতি বান্দার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। কোরআনে নবী-রাসুলদের আল্লাহর প্রতি বিনীতভাবে ফিরে আসা এবং তাঁর আনুগত্যের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। (সুরা আম্বিয়া: ৮৯-৯০)
৪. বিনম্রচিত্তে দোয়া না করা
দোয়ার সময় মনকে আল্লাহর দিকে নিবিষ্ট রাখতে হবে। বিক্ষিপ্ত মন নিয়ে কিংবা দোয়ার প্রতি যথাযথ মনোযোগ না দিয়ে দোয়া করা থেকে বিরত থাকা উচিত। হাদিসে দোয়ার ক্ষেত্রে আন্তরিকতা ও মনোযোগের গুরুত্ব এসেছে। (সহিহ মুসলিম: ২৭২২)
৫. নিজের অভাব ও দুর্বলতা প্রকাশ না করা
দোয়া মূলত সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে বান্দার নিজের অসহায়ত্ব ও প্রয়োজনের কথা তুলে ধরা। তাই বিনয়ের সঙ্গে, মিনতি করে এবং নিচু স্বরে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা উচিত। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে বিনীতভাবে ও গোপনে ডাকো।" (সুরা আরাফ: ৫৫)
৬. খাদ্য, পানীয় ও পোশাক হালাল না হওয়া
দোয়া কবুলের ক্ষেত্রে হালাল উপার্জন ও হালাল জীবনযাপনের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। সহিহ মুসলিমের একটি হাদিসে এমন এক ব্যক্তির কথা এসেছে, যে সফর করে ধূলিমলিন অবস্থায় আকাশের দিকে দুই হাত তুলে, "হে আমার প্রতিপালক" বলে দোয়া করছে। অথচ তার খাদ্য, পানীয় ও পোশাক হারাম এবং তার শরীর হারাম দিয়ে গঠিত। এরপর রাসুল (সা.) প্রশ্ন করেছেন, "এমন ব্যক্তির দোয়া কীভাবে কবুল হবে?" (সহিহ মুসলিম: ১০১৫)
এ ছাড়া গুনাহের কাজে দোয়া করা, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার জন্য দোয়া করা এবং দোয়া কবুলে তাড়াহুড়ো করাও পরিহার করতে বলা হয়েছে। রাসুল (সা.) এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। (সহিহ মুসলিম: ২৭৪৫)
তাহলে দোয়া করার পাশাপাশি নিজের আমল, উপার্জন, খাদ্য-পানীয় ও জীবনযাপনের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে আন্তরিকভাবে দোয়া করতে হবে এবং কবুলে বিলম্ব হলে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ