ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলা কিউআরে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক


বাংলা কিউআরে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বৃদ্ধির জন্য নতুন প্রণোদনার ঘোষণা করেছে।

ঘোষণার আওতায়, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের জন্য সংশ্লিষ্ট দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে।

এতে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান (লেনদেন সম্পন্নকারী প্রতিষ্ঠান) ০.১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২ টাকা পাবে এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান (গ্রাহকের হিসাব বা কার্ড প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান) ০.২০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৪ টাকা পাবে। উল্লেখ্য, এই অর্থ সরাসরি গ্রাহক বা বিক্রেতার কাছে পৌঁছাবে না।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ একটি সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলারে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি), পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (পিএসও) এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনার ভিত্তিতে, ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে প্রণোদনা প্রদান করা হবে। ২ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান ২ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান ৪ টাকা পাবে। একইভাবে, ১ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকুয়ারিং প্রতিষ্ঠান ১ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান ২ টাকা পাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই প্রণোদনার আওতায় থাকবে ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে অনবোর্ড করা ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্ট। এছাড়া, ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য সব মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্পন্ন হওয়া বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনও এই সুবিধার আওতায় আসবে।

এর আগে, গত ১০ আগস্ট জারি করা পিএসডি-২ সার্কুলার লেটারের অনুচ্ছেদ ২-এ বাংলা কিউআর লেনদেনের জন্য প্রণোদনার বিধান ছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ওই অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপন করে প্রণোদনার আওতা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

ফলে, এখন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারীদের পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্ট পয়েন্টেও বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনের ক্ষেত্রে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও হামলার মূল পরিকল্পনাকারী গ্রেপ্তার

রাজধানীর ইসিবি চত্বরে অবস্থিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে ভাঙচুর ও হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মূল পরিকল্পনাকারীসহ চারজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে হামলার মূল পরিকল্পনাকারী শাহরিয়ার, ভাসানটেক বস্তির মো. মামুন এবং মজুমদার মোড় এলাকার আসলাম ও মুন্না অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, স্টুডিওর জমির মালিক নিউ গিনি প্রপার্টিজ লিমিটেড এবং এলাকার অন্যান্য জমি মালিকদের মধ্যে বিরোধের কারণে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিউ গিনি প্রপার্টিজের কাছ থেকে একটি ফ্লোর ভাড়া নিয়ে সালমান মুক্তাদির স্টুডিও নির্মাণ করেছিলেন। হামলার সময় স্টুডিওটি ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করা হয়।

এর আগে, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতের দিকে দুই ট্রাকে লোকজন এসে হামলা চালিয়ে স্টুডিওটি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ করেছেন সালমান মুক্তাদির। রাত পৌনে ২টায় ব্রাউনফিশ স্টুডিওর ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে সালমান বলেন, "একটু আগে এখানে হামলা হয়েছে এবং পুরো স্টুডিও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।"

সালমান পরে অভিযোগ করেন যে, হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য সম্ভবত ভবনের মালিক ছিলেন এবং তার কাছে হয়তো চাঁদা দাবি করা হয়ে থাকতে পারে।

এ বিষয়ে ওসি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, নিউ গিনি প্রপার্টিজ ওই জমিতে একটি গেট তৈরি করে অন্যদের যাতায়াত আটকে দিয়েছিল। চলাচলে সমস্যা হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে গিয়েছিল। তিনি জানান, "আমরা ইতোমধ্যে মূল পরিকল্পনাকারীকে গ্রেপ্তার করেছি। বাকিদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যবিপ্রবিতে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


যবিপ্রবিতে পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতির চালু

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন রাখতে ‘কোডিং পদ্ধতি’ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই পদ্ধতির আওতায় উত্তরপত্রে শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বরের পরিবর্তে নির্দিষ্ট কোড ব্যবহার করা হবে। এর ফলে পরীক্ষকের কাছে শিক্ষার্থীর পরিচয় প্রকাশিত হবে না।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭তম একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে কোডিং পদ্ধতি অনুসরণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত পদ্ধতিতে পরীক্ষকের সঙ্গে কোনো শিক্ষার্থীর পূর্বপরিচয় বা ব্যক্তিগত পরিচিতি থাকলে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃতভাবে তার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কোডিং পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীর পরিচয় গোপন থাকায় এ ধরনের সম্ভাবনা এড়ানো সম্ভব হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, "শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম লক্ষ্য। একজন শিক্ষার্থীর পরিচয়ের চেয়ে তার উত্তরপত্রে প্রদর্শিত মেধা ও জ্ঞানই যেন মূল্যায়নের ভিত্তি হয়, সেটি নিশ্চিত করতে কোডিং পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।"

তিনি আরও জানান, কোডিং পদ্ধতি চালু হলে পরীক্ষক কোনো শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বর না জেনেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে পারবেন। এতে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন পাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতি আরও আস্থা অর্জন করবে। আসন্ন সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষাগুলো থেকেই ধাপে ধাপে এ পদ্ধতি কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও মূল্যায়নের মান আরও উন্নত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা ব্যবস্থাকে বিতর্ক ও সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখতে এবং কোনো শিক্ষার্থী যেন মূল্যায়নে বৈষম্যের শিকার হয়েছেন বলে মনে না করেন, সে বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীবান্ধব, আধুনিক ও জবাবদিহিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করছে। কোডিং পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে সেই কার্যক্রম আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, চারজন আরোহী নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


কানাডায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, চারজন আরোহী নিহত

কানাডার কুইবেক প্রদেশে একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ভয়াবহ আগুনের মধ্যে চারজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটার দিকে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

কানাডিয়ান পুলিশ এবং বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কুইবেকের সেন্ট-ব্রিজিড-ডি-ইবারভিল এলাকার ১০ নম্বর মহাসড়কের পাশে ‘র‍্যাং ডেস ইকোসের’ নিকটে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়ে সঙ্গে সঙ্গেই আগুন ধরে যায়। জরুরি সেবাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে হেলিকপ্টারে থাকা চারজন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

নিহতদের নাম ও পরিচয় স্থানীয় প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ ও পরিস্থিতি উদঘাটনের জন্য কুইবেক পুলিশের ‘মেজর ক্রাইমস ইউনিট’ (গুরুতর অপরাধ তদন্ত বিভাগ) তদন্ত শুরু করেছে। এ ছাড়া কানাডার ‘ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড’ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঘটনাস্থলে একটি উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ তদন্ত দল পাঠাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মশার উপদ্রব, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ১ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৮ পি.এম


নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মশার উপদ্রব, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ১ শিক্ষার্থী

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) শিক্ষার্থীরা মশার উপদ্রবে ভীষণভাবে বিরক্ত হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থান, বিশেষ করে আবাসিক হলগুলোতে মশার উৎপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম সাকিব গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে এবং রক্তে প্লেটলেটের মাত্রাও কমে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আবাসিক হলগুলোর আশপাশে নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ না হওয়া এবং বিভিন্ন স্থানে খোলা ড্রেনে পানি জমে থাকার কারণে সেখানে মশার প্রজননক্ষেত্র তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পচনশীল আবর্জনা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, বিকেলের পর আবাসিক হল, রিডিং রুম, ডরমিটরি, দোকানপাট, ক্যাফেটেরিয়া ও কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির আশপাশে মশার উৎপাত উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এতে তাদের পড়াশোনা ও স্বাভাবিক চলাফেরায় বিঘ্ন ঘটছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্রোহী হলের একজন আবাসিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, "আমাদের হলে মশার উপদ্রব গুরুতর। সন্ধ্যা ও রাতে মশার আক্রমণ ব্যাপক আকার ধারণ করে। তাই কয়েল বা মশারি ছাড়া পড়াশোনা করা কিংবা ঘুমানো কষ্টকর। মাঝে মাঝে কয়েল জ্বালিয়েও কোনো কাজ হয় না। বিশেষ করে নিচের তলার কক্ষগুলোতে থাকা শিক্ষার্থীরা বেশি সমস্যায় পড়ছেন। হলের চারপাশের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও জমে থাকা ময়লা-আবর্জনাই এর অন্যতম কারণ। এ বিষয়ে হল প্রশাসনের উদ্যোগ নেই বললেই চলে।"

শিউলিমালা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা বলেছেন, "শিউলিমালা হলে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিক ও অসহনীয় হয়ে উঠেছে। সন্ধ্যার পর রুম ও রিডিং রুমে মশার উৎপাত এতটাই বেড়ে যায় যে কয়েল জ্বালিয়ে বা মশারি টাঙানো ছাড়া পড়াশোনা করা কঠিন। এতে পড়াশোনা ও ঘুমের ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটছে। ওয়াশরুম ও বেসিনেও মশার বিচরণ বেশি। হলের নিচের খোলা ড্রেন ও চারপাশের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ মশার বংশবিস্তারের অন্যতম কারণ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মশকনিধন স্প্রে এবং হলের চারপাশ পরিষ্কার রাখা জরুরি।"

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের অতিরিক্ত চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আবুল খায়ের মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানিয়েছেন, "কয়েকজন শিক্ষার্থীর মধ্যে ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাদের বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু সংক্রমণ রোধে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। ঘুমানোর সময় নিয়মিত মশারি ব্যবহার করতে হবে এবং বাসাবাড়ি বা ক্যাম্পাসের টবসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। কেউ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত না হয়ে পর্যাপ্ত তরল খাবার গ্রহণ করতে হবে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, "সম্প্রতি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং একজন আক্রান্ত হওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করছে। প্রায় দুই মাস আগে শুধু শিউলিমালা হলে ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধন করা হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সরঞ্জাম না থাকা এবং পৌরসভার বিভিন্ন জটিলতার কারণে অন্যান্য হলে ওষুধ ছিটানো সম্ভব হয়নি।"

তিনি আরও জানিয়েছেন, "শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুততম সময়ে বাকি হলগুলোতে সমন্বিতভাবে মশকনিধন কার্যক্রম চালুর লক্ষ্যে পৌরসভাকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।"

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মশকনিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলের আশপাশের ড্রেন, জমে থাকা পানি ও ময়লা-আবর্জনা দ্রুত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। অন্যথায় মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%