ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়েছে, চালক পলাতক


রোগী নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়েছে, চালক পলাতক

ঝালকাঠির নলছিটিতে রোগী নিয়ে ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে বরিশাল-ঝালকাঠি আঞ্চলিক মহাসড়কের রায়াপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠি সদর থেকে একটি বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে রোগীকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। রাস্তায় রায়াপুর এলাকায় পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ধারে থাকা একটি গাছে সজোরে ধাক্কা দিয়ে খাদে পড়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগী ও তার স্বজনদের উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে পাঠায়।

রোগীর ভাতিজা মতিন রহমান জানিয়েছেন, তার চাচা ফজলুল হক নিয়মিত চিকিৎসার জন্য ঝালকাঠি থেকে ঢাকার একটি হাসপাতালে যাতায়াত করে থাকেন। সোমবারেও তিনি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। দুর্ঘটনার ফলে তার একটি পা ভেঙে গেছে। বর্তমানে ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে অন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আহত ফজলুল হক ঝালকাঠি সদর উপজেলার পালবাড়ি এলাকার বাসিন্দা।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ বলেন, দুর্ঘটনার পর অ্যাম্বুলেন্সের চালক পালিয়ে গেছেন। অ্যাম্বুলেন্সটি উদ্ধারের কাজ অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনার পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ-ভি-যানে ৫ লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ, পরে পুড়িয়ে ধ্বংস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


অ-ভি-যানে ৫ লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ, পরে পুড়িয়ে ধ্বংস

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে উদ্ধারকৃত ৫ লাখ টাকার অবৈধ জালকে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

‘জবই বিল ও পার্শ্ববর্তী বিলসমূহে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’ এর আওতায় মান্দা ও উথরাইল বিলে মাছের প্রজনন এবং জীববৈচিত্র সংরক্ষণে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এ সময় প্রায় ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ২ হাজার মিটার বেড়জাল এবং ৭টি রিংজাল জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৫ লাখ টাকা।

জাল ধ্বংসের এই প্রক্রিয়ায় মান্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপংকর পাল, জেলা ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর মোজাফফর হোসেন, অফিস সহকারী জিয়াউল হকসহ মৎস্য দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ে পানিতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


ধামরাইয়ে পানিতে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

ঢাকার ধামরাই উপজেলায় গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে আলিফ (৭) নামে প্রথম শ্রেণির একটি শিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটে।

এই ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাজীপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায়। পরে, বিকেল ৫টার দিকে স্থানীয় লোকজন শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন।

মৃত আলিফ হাজীপুর পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা রাহিম হোসেনের ছেলে। রাহিম হোসেন একজন রাজমিস্ত্রির সহকারী (হেলপার)। আলিফের মা আয়েশা বেগম কর্মরত আছেন চাকরিতে। পরিবারের মধ্যে আলিফের একটি তিন বছর বয়সী ছোট বোন রয়েছে, যিনি ফারজানা নামে পরিচিত। আলিফ হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে গোসল করতে গিয়ে আলিফ নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর, বিকেল চারটার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে দ্রুত ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. আহমেদুল হক তিতাস বলেছেন, বিকেলে হাজীপুর গ্রামের ৭ বছরের একটি পানিতে ডুবে যাওয়া শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। শিশুটিকে যখন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়, তখন তার শরীরে প্রাণের কোনো লক্ষণ ছিল না। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রীর ইজ্জত রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


স্ত্রীর ইজ্জত রক্ষা করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্বামী

ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে নুর নবী হোসেন (৩০) নামে একজন দিনমজুর নিহত হন। তিনি ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ অভিযুক্ত মো. শাহ পরান যিনি ফয়সাল ও সাদ্দাম হোসেন নামেও পরিচিত, তাকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে। হত্যাকাণ্ডের সময় ব্যবহৃত ধারাল চাকুটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত নুর নবী হোসেনের পিতা আব্দুর রব, এবং মাতা আঞ্জু বেগম। নুর নবী হোসেনের গ্রামের বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মনসাদ বাড়ী এলাকায়। নদীভাঙনের কারণে তার পরিবার ঢাকা শহরে বসবাস শুরু করে। পরে, তিনি বিচ্ছিন্ন হয়ে ফেনীর মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে ভাসমান অবস্থায় বসবাস করতে থাকেন। পরে দাগনভূঞা উপজেলার মৃত বেলাল হোসেনের কন্যা বিবি ফাতেমার সাথে পরিচয়ের মাধ্যমে তার বিয়ে হয়। স্বামী-স্ত্রী দুজনে বোতল কুড়িয়ে বিক্রি এবং বিভিন্ন ধরনের দিনমজুরির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রাতের বেলা মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচেই তারা ঘুমাতেন।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, রবিবার (২৬ জুলাই) ভোরে আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে নুর নবী ও তার স্ত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। সেই সময় একই স্থানে বসবাসকারী শাহ পরান, যিনি ফয়সাল ও সাদ্দাম হোসেন নামেও পরিচিত, বিবি ফাতেমার শরীরে বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করেন। এই ঘটনাটি শুনে নুর নবীর ঘুম ভেঙে গেলে দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয় এবং পরে মারামারি শুরু করে।

নুর নবী যখন অভিযুক্তকে ঘুষি মারলেন, তখন শাহ পরান তার সাথে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে নুর নবীর পেটের দুই পাশে ছুরিকাঘাত করেন। এর ফলে নুর নবী গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

স্থানীয়দের সহায়তায়, তাঁকে প্রথমে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তবে ঢাকা যাওয়ার পথে ফেনী পৌরসভার হাজারী রোড এলাকায় নুর নবীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আবার ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে ২৬ জুলাই সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বিবি ফাতেমা বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি সোমবার (২৭ জুলাই) ফেনী মডেল থানার মামলা নম্বর-৫৫ হিসেবে পেনাল কোডের ৩০২ ধারায় রুজু করা হয়।

মামলা দায়েরের পর, পুলিশ সুপার ফেনীর সার্বিক নির্দেশনায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সোনাগাজী সার্কেল) এবং দাগনভূঞা থানা পুলিশের সহায়তায় ফেনী মডেল থানার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। পরে সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দাগনভূঞা থানার এলাকা থেকে পলাতক শাহ পরান, যিনি ফয়সাল ও সাদ্দাম হোসেন নামেও পরিচিত, তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেন এবং দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারাল চাকু উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি ও মাদকসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মা মাজারে ফেলে গেছেন, হাসপাতালে ছটফট করছে সাত মাসের শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৫ পি.এম


মা মাজারে ফেলে গেছেন, হাসপাতালে ছটফট করছে সাত মাসের শিশু

একটি শিশুর জন্য যে বয়সটি হল মায়ের বুকের উষ্ণতা, মমতার স্পর্শ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের, সে বয়সেই আজ সাত মাসের একটি শিশু হাসপাতালের একটি শয্যায় নির্বাক অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ছোট দুটি হাত নেড়ে, কান্নাভেজা চোখে যেন সে খুঁজে ফিরছে তার মাকে। কিন্তু যে তার মা, সেই মানুষটি তাকে ফেলে চলে গেছেন, এই অভিযোগে সবার মন ভারী হয়ে উঠেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার খরমপুর কেল্লা বাবা (রহ.) মাজার প্রাঙ্গণে হৃদয়বিদারক এ ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্র থেকে এ তথ্য জানা যায় যে, গত ২৩ জুলাই মাজার প্রাঙ্গণে একটি সাত মাস বয়সী ছেলে শিশুকে অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন। পরে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা বিভাগকে জানানো হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা নরুল ইসলাম চৌধুরী গিয়ে শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

শিশুটিকে পরে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসক এবং নার্সদের তত্ত্বাবধানে শিশুটির চিকিৎসা চলছে। তার শারীরিক অবস্থা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এ ঘটনার ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। একটি শিশুকে এভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় রেখে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও বেদনার সঞ্চার হয়েছে। অনেকেই শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন।

এদিকে, এই নির্মম ঘটনার মধ্যেও মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা প্রশাসন, সমাজসেবা বিভাগ এবং হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা। তারা শিশুটির নিরাপদ আশ্রয় এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করে মানবিক দায়িত্ব পালন করেছেন।

হাসপাতালের দায়িত্বরত নার্সরা জানায় যে, শিশুটিকে দত্তক নিতে ইতোমধ্যে অনেকে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বাসিন্দা ফাতেমা বেগম বলেন, "খবর পাওয়ার পরেই হাসপাতালে এসে হাজির হয়েছি। আমার একটি ছেলে আছে। এ শিশুটিকে দত্তক নিতে চাই।" তিনি জানান যে দুই দিন ধরে তিনি হাসপাতালে আসছেন এবং শিশুটির খবর রাখছেন ও তার সঙ্গেই সময় কাটাচ্ছেন।

আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স সানজিদা মাহমুদ বলেন, "শিশুটি বর্তমানে আমাদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। নিয়মিত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা মনিটর করা হচ্ছে।" তিনি বলেন, "অনেকেই শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তবে এ বিষয়ে সরকার নির্ধারিত আইন ও সমাজসেবা বিভাগের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা দরকার।"

আখাউড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, "খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির দায়িত্ব গ্রহণ করি। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সমাজসেবা বিভাগের তত্ত্বাবধানে শিশুটির সার্বিক বিষয় দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

ইউএনও তাপসী রাবেয়া বলেন, "খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। আমরা হাসপাতালে গিয়ে শিশুটির খোঁজ নিয়েছি এবং তার সার্বিক বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%