ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হিট ওয়েভে নিউ ইয়র্কে ৩ জন এবং নিউ জার্সিতে ২৫ জনের মৃত্যু


হিট ওয়েভে নিউ ইয়র্কে ৩ জন এবং নিউ জার্সিতে ২৫ জনের মৃত্যু

তীব্র দাবদাহে স্বস্তি পেতে শহরের ফোঁয়াড়ায় স্বস্তির খোঁজে এক পথচারী। ছবি: রয়টার্স

গত বুধবার শুরু হওয়া তাপপ্রবাহ শনিবার পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এ সময় কয়েকটি এলাকায় তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছে যায়।

ট্রাই-স্টেটজুড়ে ছড়িয়ে পড়া চার দিনের তীব্র তাপপ্রবাহে নিউইয়র্কে অসুস্থ হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিউ ইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত তিনজনই সপ্তাহান্তে নিজ নিজ বাড়িতে মারা যান।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়রের প্রেস সেক্রেটারি জো ক্যালভেলো এক বিবৃতিতে জানান, তাপ প্রবাহে প্রতিবছরই বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়। প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৫০০ নিউ ইয়র্কবাসী তাপজনিত অসুস্থতায় মারা যান।

তিনি আরও জানান, দাবদাহ মোকাবিলায় সিটি প্রশাসন পাঁচটি বরোতে শত শত কুলিং সেন্টার চালু করেছে। পাশাপাশি খোলা সুইমিং পুলগুলোর সময় বাড়ানো হয়েছে এবং বয়স্ক, গৃহহীন ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দিতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

আইউইটনেস নিউজ জানায়, গত বুধবার শুরু হওয়া তাপপ্রবাহ শনিবার পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এ সময় কয়েকটি এলাকায় তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে পৌঁছে যায়। আর্দ্রতার কারণে অনুভূত তাপমাত্রা ছিল আরও বেশি। রোববার থেকে তাপমাত্রা কমে ৮০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে নেমে এলে তাপপ্রবাহ থেকে স্বস্তির নি:শ্বাস ছাড়ে বাসিন্দারা।

এদিকে, নিউ জার্সি হেলথ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের তীব্র তাপপ্রবাহে স্টেইটজুড়ে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু চরম গরমের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে সম্পর্কিত বলে মনে করা হচ্ছে। মৃতদের বয়স মূলত ৩০-এর মাঝামাঝি থেকে ৮০-এর মধ্যে এবং ঘটনাগুলো ১০টি কাউন্টিতে ছড়িয়ে আছে। চূড়ান্ত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ৮৫টি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের মুহুর্মুহু হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২২ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ৮৫টি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের মুহুর্মুহু হামলা

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের হামলার প্রতীকী ছবি।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা আইআরজিসি বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলোর আশিটির বেশি লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে একযোগে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) তেহরান থেকে ঘোষণা করে বলা হয়েছে যে, মার্কিন বিমান হামলার জবাবে তাদের নৌ এবং বিমান বাহিনী যৌথভাবে এই বিশাল সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে।

আইআরজিসি এক জরুরি সামরিক বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, এই বিধ্বংসী হামলায় বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর বা ফিফথ ফ্লিটের প্রধান ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল-সালেম বিমানঘাঁটিকে সরাসরি নিশানা করা হয়েছে। তারা দাবি করেছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামোর মোট ৮৫টি নির্দিষ্ট স্পটে এই নিখুঁত আক্রমণ চালানো হয়েছে।

ইরানের সামরিক নীতিনির্ধারকেরা এই যৌথ অভিযানটিকে আমেরিকার যুদ্ধবিরতি এবং ইসলামাবাদ চুক্তি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে একটি ‘প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আজ বুধবার সকালের দিকে মার্কিন বিমানবাহিনী ইরানের হরমুজগান ও মাহশাহর এলাকার বেশ কয়েকটি উপকূলীয় সামরিক ঘাঁটি এবং অসামরিক স্টেশনের ওপর অবৈধ আকাশ হামলা চালানোর পর তেহরান এই পাল্টা পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

এর আগে আমেরিকার সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছিল যে, তাদের নিখুঁত যুদ্ধাস্ত্রের সাহায্যে ইরানের আশিটির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে বিমান হামলা সম্পন্ন করা হয়েছে। মার্কিন সেন্টকমের সেই আশিটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পর পরই ইরান তাদের পাল্টা জবাব দিতে বাহরাইন ও কুয়েতে আমেরিকার ৮৫টি সামরিক স্পটকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি করে।

আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে আমেরিকার এই আকস্মিক বিমান হামলাকে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতার চলমান রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠানের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত বলে অভিযোগ করেছে। ইরানি সামরিক কর্তৃপক্ষ জানায়, ওয়াশিংটন মূলত এই ধরনের উগ্র সামরিক হামলা চালিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে ইরানের ওই ‘ঐতিহাসিক ঘটনা’ বা শোকমিছিলের গুরুত্বকে আড়াল করার একটি ব্যর্থ অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ৪৩ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


চট্টগ্রামে ৪৩ বছরের রেকর্ড বৃষ্টি

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হয়েছে। বন্দরনগরী চট্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামে ৩৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা গত ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এটি একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা, কারণ এর আগে ১৯৮৩ সালের ৫ জুলাই সেখানে সর্বোচ্চ ৪০৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছিল।

টানা ও অতিভারি বর্ষণের কারণে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। নগরীর নিচু এলাকা থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান সড়ক পর্যন্ত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। পাহাড়ধসের আশঙ্কায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। নগরবাসী দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং তাদের দুর্ভোগ কমাতে জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধার ও নিষ্কাশন কার্যক্রম পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম ছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় বান্দরবানে ১৭৬, সীতাকুণ্ডে ১৭০, পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ১০৬, নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১৪৩ এবং কক্সবাজারের টেকনাফে ৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে রাজধানী ঢাকা, যেখানে ৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিতে কাজীপাড়া, মিরপুর, পল্লবী, নিউমার্কেট, আজিমপুর, পুরান ঢাকা সহ অধিকাংশ এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে, নগরজুড়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রাজধানীবাসীকে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের কোথাও ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি পড়লে তাকে ভারি এবং ৮৮ মিলিমিটার বা তার বেশি পড়লে তাকে অতিভারি বৃষ্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।

মঙ্গলবার আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত সতর্কবার্তায় জানানো হয়, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোথাও কোথাও অস্থায়ী জলাবদ্ধতা এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে।

নিম্নচাপের প্রভাব কেটে গেলেও উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেটরি টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, দেশের আকাশে মৌসুমের দ্বিতীয় ও একটি শক্তিশाली পূর্ণাঙ্গ মৌসুমি বৃষ্টিবলয় প্রবেশ করেছে। এটি ১৩ জুলাই পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে।

এই বৃষ্টিবলয়ের সময়ে কালবৈশাখী বা শিলাবৃষ্টির শঙ্কা না থাকলেও দমনকা বাতাস ও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অতিভারি বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল ও পাহাড়ধসের সর্বোচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে ভারতীয় ভূখণ্ডে ভারি বৃষ্টির কারণে আসাম ও মেঘালয় থেকে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পাহাড়ি ঢল নামতে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালিতে নতুন হামলা, তেলবাহী ট্যাংকারে রহস্যময় আঘাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


হরমুজ প্রণালিতে নতুন হামলা, তেলবাহী ট্যাংকারে রহস্যময় আঘাত

পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় একটি বাণিজ্যিক তেলবাহী ট্যাংকারে অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইল (বস্তু) আঘাত হেনেছে। এই ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের ৭ জুলাই মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, যা জাহাজ নজরদারি সংস্থার ইউকে মেরিটাইমস ট্রেড অপারেশন্স দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনের নিরাপত্তা তথ্য সমন্বয়কারী সংস্থাটি জানিয়েছে যে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে নিয়মিত চলাচলের সময় ঘটনাটি ঘটেছিল। এটি গত ২৪ ঘণ্টায় তেলবাহী ট্যাংকারে আঘাতের দ্বিতীয় ঘটনা। এর পূর্বে মঙ্গলবার ভোরে একটি গ্যাস বহনকারী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা ঘটেছিল।

ইউকেএমটিওর প্রাথমিক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আঘাতে ট্যাংকারটির মূল কাঠামোর একটি নির্দিষ্ট অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, জাহাজের মূল তেল সংরক্ষণ কাঠামো অক্ষত রয়েছে এবং কোথাও ভেঙে যায়নি।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ঘটনার জেরে জাহাজের কোনো নাবিক হতাহত হননি। পাশাপাশি আশপাশের সমুদ্রে তেল ছড়ানো বা রাসায়নিক দূষণের মতো কোনো তাৎক্ষণিক পরিবেশগত ক্ষতিরও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

প্রজেক্টাইলটি কোথা থেকে এসেছে বা ঠিক কী ধরনের ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি পরিবহন রুটে অতীতেও বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ ঘটনাটি সেই প্রেক্ষাপটে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইউকেএমটিও জানিয়েছে, তাদের প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর এলাকায় চলাচলকারী আন্তর্জাতিক জাহাজগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাডার নজরদারি জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কোনো নৌযান বা অস্বাভাবিক গতিবিধি দেখা গেলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষকে জানাতে বলা হয়েছে।

এর আগে আজ মঙ্গলবার ভোরে হরমুজ প্রণালীর ওমান উপকূলে চলাচল করার সময় একটি ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয় বলে জানায় ইউকেএমটিও। সংস্থাটি আরও জানায়, প্রণালীতে ওমানের লিমার কাছে ট্যাংকারটিতে হামলা হয়। ট্যাংকারটি যখন প্রণালি থেকে বেরিয়ে দক্ষিণে ওমান উপসাগরের দিকে যাচ্ছিল, তখন এর বাঁ পাশে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্রটি।

সংস্থাটি জানিয়েছে, হতাহত বা পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির তদন্ত করছে। ইরানি টেলিভিশন জানায়, 'সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায়' প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী ট্যাংকারটি হামলার শিকার হয়। তবে তেহরান সরাসরি হামলার দায় স্বীকার করেনি।

দুই মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে অ্যাক্সিওস দাবি করে, ইরানের সেনাবাহিনী প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ওপর অন্তত দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। একজন কর্মকর্তা জানান, আরও একটি জাহাজে হামলা হয়েছে এবং উভয় জাহাজেরই উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে; তবে কেউ হতাহত হয়নি।

তবে বিষয়টি ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছের তেহরানভিত্তিক বিশ্লেষক হোসেইন রোইভারান। তিনি আল-জাজিরাকে বলেন, ইরানি বাহিনী যেখানে মাইন অপসারণ অভিযান চালাচ্ছিল, ট্যাংকারটি সেই এলাকায় ঢুকে পড়ায় এটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়ে থাকতে পারে।

রোইভারান আরও বলেন, 'ওমানের কাছাকাছি এলাকা সম্ভবত মাইনে পূর্ণ। এমনও হতে পারে, জাহাজগুলো এমন দিকে যাচ্ছিল যেখানে ইরানি দলগুলো মাইন অপসারণ করছিল, আর জাহাজের চলাচল সেই দলগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।'

তেহরান বারবার বলে আসছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে কেবল তাদের অনুমোদিত পথই নিরাপদ। ওমান উপকূলঘেঁষা বিকল্প পথ ব্যবহারকারী অন্যান্য জাহাজেও হামলার সন্দেহভাজন হিসেবে দেশটির নাম উঠে এসেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৩ নম্বর স-তর্ক সংকেত দেশের সব সমুদ্র বন্দরগুলোতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৩ পি.এম


৩ নম্বর স-তর্ক সংকেত দেশের সব সমুদ্র বন্দরগুলোতে

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কারণে বাংলাদেশের সব সমুদ্র বন্দরের জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই নির্দেশনা বুধবার (৮ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিশেষ সতর্কবার্তায় জানায়।

সেই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, পূর্ব মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় স্থিতিশীল সুষ্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে যেতে পারে এবং ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। লঘুচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য সৃষ্টি হয়েছে।

এই কারণে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়া অফিস চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দিয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে জরুরি নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%