বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৬ পি.এম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ অনুদান প্রদান করবে সরকার। তবে, অনলাইন আবেদনে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বাজেট শাখা এ বিষয়ে পুনঃবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটির যাচাই ও সুপারিশ করা আবেদন আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পৌঁছাতে হবে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পরিচালন বাজেটের আওতায় বিশেষ অনুদান হিসেবে বরাদ্দ অর্থ বিতরণের জন্য গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাইগভ প্ল্যাটফর্মে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত প্রাপ্যতা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত সংখ্যক যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া প্রত্যন্ত, দুর্গম, উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওর ও অনগ্রসর এলাকার সম্ভাব্য যোগ্য প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ সীমিত ছিল। এই কারণে যোগ্য প্রার্থীরা যাতে অনুদান থেকে বঞ্চিত না হন, তাই ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে নতুনভাবে আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ, খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করা এবং পাঠাগার উন্নয়নের জন্য অনুদানের আবেদন করা যাবে। বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার কারণে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এছাড়া, সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা বিশেষ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনায় আক্রান্ত, দুস্থ, মেধাবী, এতিম, অদম্য মেধাবী ও দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায় ও অনগ্রসর সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীরা এখানে অগ্রাধিকার পাবেন। একইসঙ্গে উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওর ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুদানের জন্য আবেদন করতে হবে প্রতিষ্ঠানপ্রধান বা প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে নির্ধারিত ফরমে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান, প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। স্নাতক বা সমমান এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের আবেদন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ বা রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানপ্রধান, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক বা রেজিস্ট্রার আবেদনগুলো গ্রহণ করে প্রাথমিক যাচাইয়ের পর একত্র করবেন। পরবর্তীতে সেগুলো সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হবে। জেলা পর্যায়ের কমিটি আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করে সুপারিশ করবে। সুপারিশ করা তালিকা আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর পাওয়া কোনো আবেদন বিবেচনায় নেওয়া হবে না।
অনলাইনে ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে একই আবেদন যাতে দুইবার সুপারিশ না হয়, সেজন্য জেলা কমিটিকে আগে অনলাইনে সুপারিশ করা তালিকার সঙ্গে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাওয়া তালিকা সমন্বয় করে একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে হবে। পরে সেই তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠাতে হবে।
নির্ধারিত আবেদন ফরম মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিস এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইট থেকেও ফরম সংগ্রহ করা যাবে।
আবেদনের সঙ্গে যথাযথভাবে পূরণ করা ও প্রতিষ্ঠানপ্রধান কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত নির্ধারিত আবেদন ফরম, প্রত্যয়নপত্র এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের সুপারিশ দিতে হবে। দুরারোগ্য, জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের ক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের নিবন্ধিত চিকিৎসকের স্বাক্ষর করা প্রত্যয়নপত্র, চিকিৎসাপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে হবে। এসব রোগের মধ্যে রয়েছে ক্যানসার, হৃদরোগ, কিডনি ব্যাধি, হেপাটাইটিস, ডায়াবেটিস মেলিটাস, পক্ষাঘাত, বক্ষব্যাধি, কৃত্রিম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন এবং দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনা।
প্রতিবন্ধিতার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তার দেওয়া প্রতিবন্ধী সনদ দিতে হবে। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদের কপি এবং শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অধ্যয়নরত থাকার প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্বীকৃতির কপি, ইআইআইএন নম্বর এবং প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত তফসিলি ব্যাংক হিসাবের বিবরণ দিতে হবে। এর মধ্যে হিসাব নম্বর, শাখা, রাউটিং নম্বর, চেক বইয়ের পাতা ও ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি থাকতে হবে। শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের নিজ নামে পরিচালিত তফসিলি ব্যাংক হিসাবের হিসাব নম্বর, শাখা, রাউটিং নম্বর ও চেক বইয়ের পাতার কপিও দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, যারা ইতোমধ্যে অনলাইনে আবেদন করেছেন, তাদের আবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করার প্রয়োজন নেই। একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অনলাইন ও ম্যানুয়াল দুই পদ্ধতিতে আবেদন করলে দুই আবেদনই বাতিল হবে।
কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষক-কর্মচারী চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ দুইবার এ সুবিধা নিতে পারবেন। কোনো শিক্ষার্থী তার শিক্ষাজীবনে প্রতি তিন বছর পরপর আবেদন করতে পারবেন। একই সময়ে অন্য কোনো সরকারি অনুদান পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী এ অনুদানের জন্য যোগ্য হবেন না। তবে, শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার দেওয়া সাধারণ উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তি এ শর্তের আওতামুক্ত থাকবে।
যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে নির্মাণ, সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে অথবা ওই অর্থবছরে এমন প্রকল্প শেষ হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।
অনলাইন ও ম্যানুয়াল উভয় পদ্ধতিতে আবেদন করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে অনুদানের অর্থ প্রদান করা হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে তাদের বাবা বা মায়ের সঙ্গে যৌথ নামে এবং প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের নিজ নামে তফসিলি ব্যাংক হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।
অসম্পূর্ণ, ত্রুটিপূর্ণ, ভুল তথ্যযুক্ত বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে। আবেদন বা সুপারিশকে অনুদান পাওয়ার অধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হবে না। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাওয়া আবেদনগুলোও অনলাইন আবেদনের মতো একই যোগ্যতা, শর্ত ও অগ্রাধিকার অনুসরণ করে জেলা পর্যায়ের কমিটি যাচাই-বাছাই করবে। বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া শর্ত ভঙ্গ হলে বা অসৎ উপায় অবলম্বন করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের আবেদনকারীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে। একইভাবে স্নাতক ও তদূর্ধ্ব বা সমমান পর্যায়ের সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও রেজিস্ট্রারদের আবেদনকারীদের সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের নোটিশ বোর্ড ও ওয়েবসাইটসহ অন্যান্য মাধ্যমে বিশেষ অনুদানসংক্রান্ত পুনঃবিজ্ঞপ্তিটি ব্যাপকভাবে প্রচারের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির পর, মহানগর, আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার রুটে চলাচলকারী বাস এবং মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি পরিবহন মালিকদের সঙ্গে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যৌথ বৈঠকের পর সরকার কর্তৃক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে গৃহীত হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন জারির পর, বাস-মিনিবাসের ভাড়া পুনর্নির্ধারণের ফলে বিভিন্ন রুটের ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এই তালিকা প্রকাশ করে।
নতুন করে পুনর্নির্ধারিত ভাড়ার ভিত্তিতে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী বাসের ক্ষেত্রে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া, আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সার পরিবর্তে ২ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) আওতাধীন নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ ও ঢাকা জেলা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরের মিনিবাসের ভাড়া কিলোমিটারে ২ টাকা ৪৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৬০ পয়সা করা হয়েছে।
তবে, কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া বৃদ্ধির পরও ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের সর্বনিম্ন ভাড়া অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। আগের মতোই, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে চলাচলকারী বাসের সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা এবং মিনিবাসের সর্বনিম্ন ভাড়া ৮ টাকা বহাল থাকবে।
দূরপাল্লায় সব রুটের নতুন নির্ধারিত বাসভাড়া দেখতে ক্লিক করুন এখানে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ঢাকা বিভাগের আওতাধীন রুট ৫১ ও ৪০ আসন বিশিষ্ট বাসের পুনঃনির্ধারিত ভাড়ার তালিকা প্রকাশ করা হয়। দেখতে ক্লিক করুন এখানে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে সেরা ২৪ এর মধ্যে ২২তম হয়ে সেমিফাইনালে প্রবেশ করেছেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান।
১০০ মিটার স্প্রিন্টের জন্য মোট ছয়টি হিট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান ছিলেন পঞ্চম হিটে, যেখানে অংশগ্রহণ করেছিলেন মোট সাত জন দৌড়বিদ।
দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুততম মানব হিসেবে পরিচিত মালদ্বীপের হাসান সাঈদও ছিলেন একই পঞ্চম হিটে। এই হিটে ইমরান ছিলেন পাঁচ নম্বর লেনে। প্রতি হিটের প্রথম তিন জন সেমিফাইনালে উন্নীত হয়েছেন। এছাড়া, ছয়টি হিটের শীর্ষ ছয় টাইমিংধারীও সেমিফাইনালের টিকিট পেয়েছেন।
বাংলাদেশের দ্রুততম মানব ইমরান ১০.৪৯ সেকেন্ড টাইমিং করে তার হিটে ছয় জনের মধ্যে চতুর্থ অবস্থান অর্জন করেছেন। এই হিটে তৃতীয় স্থানে থাকা তাইপের অ্যাথলেট ১০.৩৮ সেকেন্ড টাইমিং করেছেন।
ইমরানের ক্যারিয়ার সেরা টাইমিং ১০.১১ সেকেন্ড, এবং মৌসুমের সেরা টাইমিং ১০.২৪ সেকেন্ড। তবে, তিনি এই টাইমিংগুলোর কোনোটিই করতে পারেননি।
যদিও ইমরান তার সেরা টাইমিং করতে পারেননি, তবুও তিনি এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে উঠতে সক্ষম হয়েছেন। প্রতি হিটের সেরা তিনের বাইরের ছয় জন সেরা টাইমিংধারীদের মধ্যে ইমরান রয়েছেন। ১০.২২ সেকেন্ডে তার অবস্থান ২২ তম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জন্য প্রাথমিকভাবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন প্রদান করেছে। এই অনুমোদিত ব্যাংকগুলোর জন্য লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
অনুমোদন পাওয়া চারটি ডিজিটাল ব্যাংক হলো— বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট-রবি ডিজিটাল ব্যাংক, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য পূর্বে মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে। এই আবেদনের মধ্যে থেকে প্রাথমিকভাবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আবেদন করা ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে— ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।
ডিজিটাল ব্যাংকের মাধ্যমে শাখাভিত্তিক প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের বাইরে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় গ্রাহকদের জন্য হিসাব খোলা, লেনদেনসহ বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রদান করার সুযোগ থাকবে।
এর আগে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালের অক্টোবরে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি নামে দুটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তীতে সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত দুটি প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স স্থগিত করে।
নতুন করে চারটি প্রতিষ্ঠানের জন্য এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলো।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: সার্ভিস এক্সপার্ট
বিভাগ: ফ্যান
লোকবল নিয়োগ: ১০ জন
যোগ্যতা: ফ্যান সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সার্ভিস এক্সপার্ট
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: কমপক্ষে ১৮ বছর
কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায়
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
প্রার্থীদের জন্য অন্যান্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে: টি/এ, মোবাইল বিল, ভ্রমণ ভাতা, পারফরম্যান্স বোনাস, লভ্যাংশ বা মুনাফার অংশ, চিকিৎসা ভাতা, বছরে ২টি উৎসব বোনাস এবং প্রতি বছর ইনক্রিমেন্ট।
আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ