ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পুঁজিবাজারে বিদেশি লেনদেন ৮ মাসে ৩৭.৬% বৃদ্ধি


পুঁজিবাজারে বিদেশি লেনদেন ৮ মাসে ৩৭.৬% বৃদ্ধি

দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সংস্কার উদ্যোগ ও বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার ফলে ঘটছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই লেনদেনের পরিমাণ গত বছরের মোট লেনদেনের প্রায় ৯৪ শতাংশে পৌঁছেছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭০১ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৮ টাকা। গত বছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৯ টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ১৩ কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পেছনে বাজার সংস্কারের বিভিন্ন উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পুঁজিবাজারকে ফ্রন্টিয়ার মার্কেট থেকে এমার্জিং মার্কেটে উন্নীত করার প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক সূচক নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ, বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনার উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে জানান, বিদেশি লেনদেন বৃদ্ধির পেছনে ডিএসইর একক কোনো উদ্যোগ কাজ করছে না। বরং বাজারকে ফ্রন্টিয়ার থেকে এমার্জিং মার্কেটে উন্নীত করার প্রস্তুতি, এমএসসিআইসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের এনআইটিএ-সংক্রান্ত বিধি সহজ করা এবং টি+১ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় যাওয়ার উদ্যোগ—সব মিলিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা গেছে।

তিনি আরও বলেন, বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নন-রেসিডেন্ট ইনভেস্টরস টাকা অ্যাকাউন্ট বা এনআইটিএ ব্যবস্থার একটি জটিলতা সম্প্রতি সহজ করা হয়েছে। আগে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পর প্রতিটি লেনদেনের সময় এনআইটিএ হিসাবের মাধ্যমে অর্থের হিসাব করতে হতো। ডিএসইর পক্ষ থেকে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হলে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মটি সহজ করে।

নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেনের সময় আলাদাভাবে হিসাব না করে বিদেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশ থেকে অর্থ প্রত্যাবাসনের সময় প্রয়োজনীয় হিসাব সম্পন্ন করতে পারবেন। এতে বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

টি+১ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় যাওয়ার উদ্যোগও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। পুঁজিবাজারে পেশাদার ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের সম্মিলিত প্রভাবে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে বলে মনে করেন নুজহাত আনোয়ার।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

ডিএসই’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকেই বিদেশি লেনদেনে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা থাকলেও সামগ্রিক প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী। জানুয়ারিতে বিদেশি লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৭৭ কোটি ২৩ লাখ ৮৩ হাজার ৪৬৬ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৬৩ কোটি ২৭ লাখ ৮০ হাজার ৭৯৫ টাকা।

মার্চে লেনদেন কমে ২৭২ কোটি ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮০ টাকা এবং এপ্রিলে ১৭৫ কোটি ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬০ টাকায় নেমে আসে। তবে মে মাসে বিদেশি লেনদেনে বড় উত্থান ঘটে। ওই মাসে লেনদেন হয় ৮৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৭৭১ টাকা, যা চলতি বছরের প্রথম আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এরপর জুনে বিদেশি লেনদেন হয়েছে ৫৪০ কোটি ১৬ লাখ ৬১ হাজার ৪৭০ টাকা এবং জুলাইয়ে ৫২৩ কোটি ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৬৬ টাকা। আগস্টে তা কিছুটা কমে ৩১৮ কোটি ৫৭ লাখ ২৭ হাজার ৯৯১ টাকায় দাঁড়ায়।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের প্রথম আট মাসে বিদেশি লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৯ টাকা। ওই বছরের জানুয়ারিতে লেনদেন ছিল ১৮১ কোটি ৮১ লাখ ৫ হাজার ১০৫ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে ২৬৪ কোটি ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ২৬২ টাকা হলেও মার্চে কমে দাঁড়ায় ১৭১ কোটি ৯৬ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৭ টাকা।

আরও পড়ুন: কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রধান লক্ষ্য: ড. তিতুমীর

এপ্রিল ও মে মাসে লেনদেন আবার বাড়ে। এপ্রিলে ৪২৬ কোটি ৯৪ লাখ ১ হাজার ২৯৮ টাকা এবং মে মাসে ৫০৬ কোটি ৭৪ লাখ ১৯ হাজার ১৪২ টাকা লেনদেন হয়, যা ওই বছরের প্রথম আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। জুনে তা কমে ২৮৫ কোটি ৩০ লাখ ৭৭ হাজার ৬১৯ টাকা হলেও জুলাইয়ে বেড়ে ৪৯১ কোটি ৪৩ লাখ ৬৬ হাজার ২১৭ টাকা হয়। আগস্টে লেনদেন দাঁড়ায় ৩৭১ কোটি ৫৬ লাখ ৩ হাজার ৫৪৮ টাকা।

২০২৫ সালের পুরো বছরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন ছিল ৩ হাজার ৯২০ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ২১ টাকা। এর বিপরীতে চলতি বছরের প্রথম আট মাসেই লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭০১ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৮ টাকা, যা গত বছরের পুরো বছরের প্রায় ৯৪ শতাংশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অজুর পর যে দোয়া পড়লে জান্নাতের আট দরজা খোলার সুসংবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


অজুর পর যে দোয়া পড়লে জান্নাতের আট দরজা খোলার সুসংবাদ

পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতা ইসলামের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। একজন মুমিনের জীবনে শারীরিক এবং আত্মিক পবিত্রতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। নামাজ আদায় এবং কোরআন তিলাওয়াতসহ বিভিন্ন ইবাদতের জন্য অজু একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত হয়।

রাসুলুল্লাহ (সা.) অজুর পর একটি বিশেষ দোয়া পাঠের ফজিলত বর্ণনা করেছেন। হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করার পর কালিমায়ে শাহাদাত পাঠ করেন, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়ার সুসংবাদ রয়েছে। তিনি ইচ্ছামতো যেকোনো দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন।

অজুর পর পড়ার দোয়া

উচ্চারণ: আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।

অর্থ: আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বান্দা ও রাসুল।

দোয়াটির সঙ্গে কিছু বর্ণনায় আরও পড়া হয়েছে, উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাজআলনি মিনাত তাওয়াবিনা ওয়াজআলনি মিনাল মুতাতাহহিরিন।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমাকে তাওবাকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন এবং পবিত্রতা অর্জনকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

হাদিসের বর্ণনা

হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু করার পর এই দোয়া পাঠ করবে, তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেওয়া হবে। সে ইচ্ছামতো যেকোনো দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।

সূত্র: সহিহ মুসলিম, হাদিস নম্বর ২৩৪; জামে তিরমিজি, হাদিস নম্বর ৫৫।

অতএব, অজু সম্পন্ন করার পর এই দোয়া পাঠ করা একজন মুসলিমের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। নিয়মিতভাবে এই আমলটি করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর কাছে পবিত্রতা এবং জান্নাত লাভের আশা করা সম্ভব।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে ৫৪ কর্মকর্তার মাঠে নামা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে ৫৪ কর্মকর্তার মাঠে নামা

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে হাসপাতাল পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের জন্য স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা দায়িত্ব পেয়েছেন।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এসব কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ, বিশেষায়িত, জেনারেল, জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন জেলা ও বিভাগের হাসপাতাল তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিছু কর্মকর্তাকে একটি জেলার পাশাপাশি অন্য জেলার হাসপাতালের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের আওতাধীন জেলা, উপজেলা ও হাসপাতালের জনবল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল প্রধানের সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

তাদের হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা নিয়মিত তদারকি করতে হবে। উপস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য ও প্রতিবেদনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হবে।

এছাড়া, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে টিকাদান কর্মসূচি, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা রাখতে বলা হয়েছে।

অফিস আদেশে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা ও পুষ্টি কার্যক্রমসহ জনস্বাস্থ্যসেবা সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্ভাবনী ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়মিত জেলা, উপজেলা ও হাসপাতাল পরিদর্শন করতে হবে। পরিদর্শনের সময় পাওয়া সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রতিটি পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত শাখায় পাঠাতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি পরিদর্শন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

অফিস আদেশের তালিকায় দেখা যায়, অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশাসন, উন্নয়ন, বিশ্বস্বাস্থ্য, হাসপাতাল, জনস্বাস্থ্য, আর্থিক ও অডিট, বাজেট ও নার্সিংসহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় হাসপাতাল ও বিভাগভিত্তিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের জন্য পৃথক তদারক কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে।

যুগ্মসচিব ও উপসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতালগুলোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাদের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালের পাশাপাশি অনেক ক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালও তদারকি করা।

আদেশ অনুযায়ী, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসন ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। পরিদর্শনের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করাই এ ব্যবস্থার অন্যতম উদ্দেশ্য।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়মিত দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে পালন করতে হবে। আদেশটি জারির তারিখ থেকে কার্যকর হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের এ উদ্যোগের ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্র, জনবল উপস্থিতি, চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহার, অবকাঠামোগত সমস্যা ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পথও সুগম হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে গ্রেপ্তার শারজিল ইমাম ৭ দিনের জামিনে মুক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে গ্রেপ্তার শারজিল ইমাম ৭ দিনের জামিনে মুক্ত

২০২০ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে উত্তর-পূর্ব দিল্লির দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মামলায় কারাগারে বন্দী শারজিল ইমাম সাত দিনের অন্তর্বর্তী জামিনে তিহার কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এই সাময়িক জামিন দিল্লির একটি আদালত তাকে প্রদান করেছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) থেকে শুরু করে আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত তার জামিন কার্যকর থাকবে। এই জামিনের উদ্দেশ্য হলো দিল্লি ও বিহারে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া তার দুই চাচাতো ভাইয়ের বিয়েতে অংশগ্রহণ করা।

কারকারদুমা আদালত শারজিলকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাকে আবার কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাকে পুনরায় কারাগারে ফিরতে হবে।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় শারজিলের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা চলমান রয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে তিনি আইনি প্রক্রিয়ার সময় কারাগারে অবস্থান করছেন।

এর আগে ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট একই মামলায় শারজিল ইমামের নিয়মিত জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। একই সঙ্গে মামলার আরেক আসামি উমর খালিদের নিয়মিত জামিনের আবেদনও নাকচ করা হয়।

সুতরাং, সাত দিনের এই অন্তর্বর্তী জামিন শারজিলের জন্য সাময়িক স্বস্তি প্রদান করলেও মামলার আইনি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ১০ অক্টোবর জামিনের মেয়াদ শেষ হলে তাকে আবার তিহার কারাগারে ফিরে যেতে হবে।

উল্লেখ্য, শারজিল ইমাম একজন শিক্ষার্থী এবং ছাত্র আন্দোলনকারী। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতায় তিনি সক্রিয়ভাবে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন। ২০১৯ সালের শেষের দিকে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনবিরোধী আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি ওই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সূত্র: মিল্লাত টাইমস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


খুলনায় পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা

খুলনার দিঘলিয়াতে মো. নাসিমুল গনি নামে পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ) এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ফরমাইশখানা এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় নাসিম বাড়ির সামনে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। হঠাৎ করে একটি মোটরসাইকেলে করে দুইজন ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়। তারা দোকানে ঢুকে নাসিমকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা দ্রুত এসে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবির সিদ্দিকী শুভ্র জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে নিহত নাসিমের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অ্যাসল্টসহ মোট ৮টি মামলা রয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক পর্যালোচনায় তার পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি (জনযুদ্ধ)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%