শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৬ পি.এম
সিটি ব্যাংক পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন করতে ইচ্ছুক প্রার্থীরা আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন জমা দিতে পারবেন।
পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার
বিভাগ: ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন্স ক্লায়েন্ট কাভারেজ
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি
অন্যান্য যোগ্যতা: ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে ট্রেড ফাইন্যান্স বা বাণিজ্য অর্থায়ন সংক্রান্ত কার্যক্রমে দক্ষতা থাকা আবশ্যক।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ থেকে ৬ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: ২৬ থেকে ৩৫ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উত্তর আন্দামান সাগরের থাইল্যান্ড উপকূলের নিকটে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এটি আজ সন্ধ্যার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এবং শক্তি বৃদ্ধি পেলে এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে ‘অর্ণব’, যা বাংলাদেশ কর্তৃক দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্রে নিউজ-১৮ বাংলা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২১ বা ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই ঘূর্ণাবর্তটি আরও শক্তিশালী হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। পরে, এটি অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা উপকূলের দিকে অগ্রসর হতে পারে।
আইএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ থেকে আগামী সোমবার পর্যন্ত উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় বজ্রপাত এবং দমকা হাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে ওড়িশা, তেলেঙ্গানা, ছত্তিশগড় এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।
এদিকে, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত এবং মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে একটানা বৃষ্টি হচ্ছে। সৌরাষ্ট্র থেকে বঙ্গোপসাগর এবং সিকিম থেকে উত্তর ওড়িশা পর্যন্ত বিস্তৃত অক্ষরেখার কারণে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
আজ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টি এবং দমকা হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার হতে পারে।
বৃষ্টির কারণে পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলায় আজ পর্যন্ত হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ অপেক্ষার পর, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন আজ শনিবার জারি হতে পারে। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) প্রজ্ঞাপন ছাপার কাজ শুরু হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ প্রজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার রাতেও বিজি প্রেসে প্রজ্ঞাপনের ছাপার কাজ চলছিল। সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবারই নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হতে পারে।
গত ৩১ আগস্ট, মন্ত্রিসভায় সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এক সপ্তাহের মধ্যে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন। তবে অনুমোদনের প্রায় তিন সপ্তাহ পর নতুন এই বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর্যায়ে এসেছে।
এর আগে, গত ৩১ আগস্ট নতুন কাঠামোর খসড়ার আংশিক অংশ অর্থ বিভাগ থেকে ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরে বাকি অংশও পাঠানো হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষ হওয়ার পর গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী, বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। প্রথম থেকে ১১তম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ এসব গ্রেডে আগের তুলনায় মূল বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী, এই গ্রেডে মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা হয়েছে। আর প্রথম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন পে স্কেল একসঙ্গে নয়, মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন বেতন কাঠামো চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। অর্থাৎ জুলাই মাসকে কার্যকারিতার তারিখ ধরে কর্মকর্তা কর্মচারীরা নতুন পে স্কেলের সুবিধা পাবেন।
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর জন্য সরকারের বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা।
এর আগে, ২০২৫ সালে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে ‘জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫’ গঠন করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। কমিশন গত ২২ জানুয়ারি সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ভাতা ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।
কমিশনের সুপারিশে বিদ্যমান সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ধাপ ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ ছাড়া বৈশাখী ভাতার হার ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছিল। পাশাপাশি ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত যাতায়াত ভাতায় ব্যাপক সংস্কারের প্রস্তাব ছিল।
পরে চলতি বছরের ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশ আমলে নিয়ে নতুন বেতন কাঠামোর অনুমোদন দেওয়া হয়।
এখন প্রজ্ঞাপনের ছাপার কাজ শেষ করে আনুষ্ঠানিক প্রকাশের অপেক্ষা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুরের পরই নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সকালে ঘুম থেকে উঠে শরীর ভালো অনুভব হচ্ছে না। জ্বর, দুর্বলতা অথবা অন্য কোনো অসুস্থতা রয়েছে। তবুও সামনে গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে, অফিসে যেতে হবে। এই অবস্থায় অনেকেই ছুটি নেওয়ার পরিবর্তে কাজে চলে যান। কিছু মানুষ অসুস্থ শরীর নিয়েই বাড়ি থেকে কাজ করেন।
বিশেষজ্ঞরা অসুস্থ অবস্থায় কাজ করার এই প্রবণতাকে ‘অসুস্থ অবস্থায় কাজ করা’ হিসেবে চিহ্নিত করেন। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ থেকে অর্ধেক মানুষ অসুস্থ থাকলেও কাজ করেন। এর পেছনে ব্যক্তির মানসিকতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি কর্মক্ষেত্রের পরিবেশও একটি বড় ভূমিকা পালন করে।
কম বয়সীরা অসুস্থতার ছুটি কম নেন
অনেকে মনে করেন, তরুণ প্রজন্ম সামান্য অসুস্থ হলেই ছুটি নিয়ে নেয়। তবে গবেষণার তথ্য ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ১৬ থেকে ২৪ বছর বয়সীরা গড়ে ২ দশমিক ৪ দিন অসুস্থতার কারণে কাজে অনুপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে ৫০ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা গড়ে ৬ দশমিক ২ দিন। অর্থাৎ বয়স বাড়ার সঙ্গে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিতির হারও বৃদ্ধি পায়।
ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানী অধ্যাপক স্যার ক্যারি কুপারের মতে, এর পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। তরুণরা অনেক সময় এমন চাকরিতে নিয়োজিত হন, যেখানে চাকরির নিরাপত্তা তুলনামূলক কম। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা ও বিভিন্ন ধরনের জটিলতা, যা বয়স বাড়ার সঙ্গে বেশি দেখা যায়, সেগুলোও তরুণদের মধ্যে তুলনামূলক কম।
তবে তিনি মনে করেন, তরুণদের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে নিজেদের সুস্থতা নিয়ে প্রত্যাশা বেশি। আগের প্রজন্ম হয়তো অনেক কিছু সহ্য করে কাজ চালিয়ে যেত। কিন্তু সেটি স্বাস্থ্যকর আচরণ নয়। বিশেষ করে মানসিক সুস্থতাকেও নিজের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের অংশ হিসেবে দেখার প্রবণতা তরুণদের মধ্যে বেশি। তাই অসুস্থ হলে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে বিশ্রাম নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তারা তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দেন।
অসুস্থ অবস্থায় কাজে যাওয়ার পেছনে কী থাকে? একজন ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায়ও কাজে যাচ্ছেন কি না, তার পেছনে ব্যক্তিগত মানসিকতারও একটি বড় ভূমিকা রয়েছে।
কিছু মানুষের কাছে কাজ শুধুমাত্র জীবিকা নয়, বরং তাদের পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কর্মমনোবিজ্ঞানে একে কাজের প্রতি অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা হিসেবে দেখা হয়। এ ধরনের মানুষের কাছে কাজ থেকে একদিন দূরে থাকাও মনে হতে পারে, যেন নিজের পরিচয়ের একটি অংশ থেকে সাময়িকভাবে দূরে সরে যাওয়া।
মনোবিজ্ঞানী অড্রে ট্যাংয়ের মতে, এ ধরনের মানুষের কাজে উপস্থিত থাকার প্রবল ইচ্ছা থাকে। চিকিৎসা, নার্সিং ও শিক্ষকতার মতো সেবামূলক পেশায় এই প্রবণতা বিশেষভাবে দেখা যায়।
কিছু মানুষ এমনও মনে করেন, অসুস্থতার কারণে ছুটি নেওয়ার চেয়ে কোনো দুর্ঘটনা বা শারীরিক সমস্যার কারণে কাজে যেতে না পারার একটি স্পষ্ট কারণ থাকা যেন বেশি গ্রহণযোগ্য।
অলস ভাবার ভয়েও ছুটি নেন না অনেকে। অসুস্থ হয়েও কাজে যাওয়ার আরেকটি কারণ হলো, অন্যরা কী ভাববে—এই ভয়।
অনেকে মনে করেন, অসুস্থতার কথা বলে ছুটি নিলে সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতনরা তাকে দুর্বল, অলস কিংবা দায়িত্বজ্ঞানহীন মনে করতে পারেন। কর্মজীবনের শুরুতে থাকা তরুণদের মধ্যে এই ভয় আরও বেশি কাজ করতে পারে। নতুন কর্মীরা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের সম্পর্কে খারাপ ধারণা তৈরি হোক, তা চান না। ফলে শরীর খারাপ হলেও দায়িত্ব পালন করে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
কর্মক্ষেত্রের পরিবেশও দায়ী
শুধু ব্যক্তির মানসিকতাই নয়, কর্মক্ষেত্রের পরিবেশও অসুস্থ অবস্থায় কাজে যাওয়ার প্রবণতা বাড়াতে পারে। মনোবিজ্ঞানী তারা কুইন-সিরিলোর মতে, কোনো কর্মস্থলে কর্মীর সংখ্যা কম থাকলে কিংবা অসুস্থ কর্মীর বিকল্প ব্যবস্থা না থাকলে একজন কর্মী ছুটি নিতে অপরাধবোধে ভুগতে পারেন।
কারণ তিনি জানেন, তার অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত কাজ সহকর্মীদের ওপর গিয়ে পড়বে। কর্মক্ষেত্রে যদি স্বাস্থ্য ও সুস্থতার চেয়ে শুধু কাজের পরিমাণ ও উৎপাদনশীলতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে কর্মীদের মধ্যে অপরাধবোধ ও লজ্জাবোধ তৈরি হতে পারে। এমন পরিবেশে অসুস্থ হলেও কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়।
অসুস্থ হলেও কাজ করাকে যদি পুরস্কৃত করা হয়, তাহলে কোনো কর্মী অসুস্থ অবস্থায়ও অফিসে এলে যদি তাকে প্রশংসা করা হয়, তাহলে অন্য কর্মীরাও সেই আচরণ অনুসরণ করতে শুরু করতে পারেন। ধীরে ধীরে কর্মীদের মধ্যে এমন একটি ধারণা তৈরি হয়—অসুস্থ হলেও কাজ চালিয়ে যাওয়াই দায়িত্বশীলতার পরিচয়।
ফলে বিশ্রামের প্রয়োজন থাকলেও অনেকে কাজে উপস্থিত থাকেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন কর্মপরিবেশে অসুস্থ অবস্থায় কাজ করার প্রবণতা দ্রুত স্বাভাবিক আচরণে পরিণত হতে পারে। অর্থাৎ, অসুস্থ হয়ে ছুটি নেওয়ার জন্য শুধু একজন কর্মীর ব্যক্তিগত মানসিকতাই দায়ী নয়। তিনি যে কর্মপরিবেশে কাজ করেন, সেখানকার সংস্কৃতি, সহকর্মীদের ওপর কাজের চাপ এবং কর্তৃপক্ষের আচরণও তার সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।
সূত্র: বিবিসি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি জনবল নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
বিভাগ: স্মল বিজনেস ইউনিট।
পদের নাম: হেড অব এসএমই।
পদসংখ্যা: ১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক পাস।
অভিজ্ঞতা: প্রার্থীদের জন্য কমপক্ষে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে।
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)।
বয়সসীমা: এখানে বয়সসীমার উল্লেখ নেই।
কর্মস্থল: ঢাকা।
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ