মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৩৭ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের সদস্য ইলহান ওমরের ওয়াশিংটন ডিসির বাসভবনে অভিযান পরিচালনা করেছেন দেশটির অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার (আইসিই) তদন্তকারীরা।
১২ অক্টোবর সোমবার ভোরে অনুষ্ঠিত এই অভিযানের সঙ্গে তার শৈশবকালীন অভিবাসন সংক্রান্ত নথিপত্রের বিষয়ে চলমান তদন্তের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের মাধ্যমে জানা যায় যে, তদন্তকারীরা ইলহান ওমরের প্রয়াত বাবার দ্বারা পূরণ করা নথিপত্রগুলো পর্যালোচনা করছেন। নথিতে মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং অভিবাসন জালিয়াতির সম্ভাব্য দিকগুলোও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
এদিকে, ইলহান ওমরের কার্যালয় এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা এক বিবৃতিতে জানায়, তিনি কোনো অন্যায় করেননি। অভিযানের ঘটনাকে তারা ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যবস্তু করতে কেন্দ্রীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ব্যবহারের নজিরবিহীন পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোমবার (১২ অক্টোবর) দেওয়া এক পোস্টে ইলহান ওমর জানান, ‘আমি ভালো আছি’ এবং ‘আমাকে চুপ করানো যাবে না।’
তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিশানা করতেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। তার দাবি, গত ১০ বছর ধরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচারের মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করে আসছেন। সাম্প্রতিক অভিযানটি সেই রাজনৈতিক ভীতি প্রদর্শনের আরেকটি ধাপ।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার অপরাধ তদন্ত বিভাগ এই তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছে। দেশটির বিচার বিভাগও তদন্তে সহায়তা করছে।
বিচার বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাদের কাছ থেকে পাওয়া তল্লাশি পরোয়ানার ভিত্তিতে তদন্তকারীরা অভিযান পরিচালনা করেছেন। এটি একটি চলমান কেন্দ্রীয় ফৌজদারি তদন্তের অংশ।
তদন্ত সম্পর্কে অবগত সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ এই তল্লাশির বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে অবগত ছিলেন। বিচার বিভাগের জনস্বার্থ ও সরকারি কর্মকর্তাদের সততা-সংক্রান্ত বিভাগও বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ দিয়েছে।
অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থার তদন্ত বিভাগ অভিবাসন নথি জালিয়াতি, পরিচয় জালিয়াতি এবং অভিবাসন-সুবিধা পেতে প্রতারণার মতো কেন্দ্রীয় অপরাধের তদন্ত করতে পারে। বহিষ্কারকেন্দ্রিক অভিযানের বাইরে, এ বিভাগের বিশেষ তদন্তকারীরা ফৌজদারি তদন্ত পরিচালনা এবং আদালতের পরোয়ানা কার্যকর করেন।
ইলহান ওমরের বাড়িতে অভিযানের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফরিস, দলের হুইপ ক্যাথরিন ক্লার্ক এবং ককাসের চেয়ারম্যান পিট আগুইলার।
তারা এক যৌথ বিবৃতিতে অভিযানের ঘটনাকে গভীরভাবে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তাদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারকে অন্যায়ভাবে ব্যবহারের অভিযোগ নিয়ে এ ঘটনা গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
ইলহান ওমর মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য থেকে নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের সমালোচনার লক্ষ্যবস্তু। তবে সোমবারের (১২ অক্টোবর) অভিযানের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, অভিযানের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। ইলহান ওমরকে ‘ভয়াবহ ব্যক্তি’ বলে মন্তব্য করে তিনি বিষয়টি বিচার বিভাগের ওপর ছেড়ে দেন।
এর আগে, গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টম হোম্যান জানিয়েছিলেন, ইলহান ওমরকে ঘিরে একটি ফৌজদারি তদন্ত চলমান রয়েছে। সে সময় ওমর বলেছিলেন, তদন্তের বিষয়ে তাকে কেউ যোগাযোগ করেনি।
তবে এখন পর্যন্ত তদন্তে ওঠা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে—এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দেশজুড়ে বিশেষ তদারকি অভিযান পরিচালনা করেছে, যা মূলত ফল, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য কারসাজি, অতিরিক্ত দাম আদায় ও সরবরাহে অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা মহানগরসহ ৪২টি জেলায় পরিচালিত এই অভিযানে ভোক্তা অধিকারবিরোধী বিভিন্ন অনিয়মের জন্য ১২০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ৮ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নিত্যপণ্যের বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে, সরবরাহব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে এবং ভোক্তাদের ন্যায্যমূল্যে পণ্য কেনার সুযোগ নিশ্চিত করতেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অধিদপ্তরের ৫৬টি টিম একযোগে দেশের বিভিন্ন এলাকার পাইকারি ও খুচরা বাজারে তদারকি কার্যক্রম চালায়।
অভিযান চলাকালে ফল, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বিক্রয়মূল্য, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার, মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং ওজন ও পরিমাপের যথার্থতা যাচাই করা হয়। ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয় অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি, অতিরিক্ত দাম আদায় এবং পণ্যের সরবরাহে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি থেকে বিরত থাকতে।
বিশেষ করে ফলের বাজারে ভোক্তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পচা বা নষ্ট ফল ভালো ফলের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি এবং ফলে ক্ষতিকর রাসায়নিক বা অননুমোদিত পদার্থ ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। ন্যায্য ও যৌক্তিক মূল্যে ফল বিক্রি এবং পণ্যের মান বজায় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অযৌক্তিক মজুত কিংবা পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। প্রতিটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের যথাযথ ভাউচার সংরক্ষণ এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে, অধিদপ্তর বাজারে কেনাকাটার ক্ষেত্রে ভোক্তাদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে। পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই, সঠিক ওজন বুঝে নেওয়া এবং মোড়কজাত পণ্যের সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কেনাকাটার রশিদ সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
যদি ভোক্তারা পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত মূল্য আদায়, ওজনে কারচুপি, ভেজাল কিংবা অন্য কোনো প্রতারণার শিকার হন, তাহলে তারা জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১-এ অভিযোগ জানাতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি প্রতিরোধ এবং স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী এ ধরনের তদারকি ও আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কিছু প্রবাসী বাংলাদেশি। তারা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে জানতে চান কেন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন, যেখানে হত্যা, গ্রেপ্তার ও গণতন্ত্র ধ্বংসের অভিযোগ রয়েছে।
এটি ঘটেছে সোমবার (১২ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিমানবন্দর চত্বরে হুইলচেয়ারে বসা অবস্থায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দিকে এগিয়ে এসে কিছু ব্যক্তি উচ্চস্বরে স্লোগান দিচ্ছেন এবং ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। ভিডিওতে শোনা যায়, তারা তাকে উদ্দেশ্য করে ‘ইউ আর আ টেররিস্ট’ এবং ‘হোয়াই ইউ কাম হিয়ার’ বলে চিৎকার করছেন।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন যে, তিনি দেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করেছেন এবং তার দেশ ও দেশের পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান তোলেন। ভিডিওতে একজন ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, "আপনি আমার দেশে হাজার হাজার পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছেন। কেন এখানে এসেছেন?"
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, কঠোর নিরাপত্তা ও সহযোগীদের বেষ্টনীতে ড. ইউনূস শান্তভাবে পরিস্থিতি অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, যখন বিক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা তাকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের তির্যক মন্তব্য ও প্রতিবাদ করছেন।
এ সময় ড. ইউনূস ও তার সঙ্গে থাকা লামিয়া মোর্শেদ দ্রুত বিমানবন্দরের ভেতরে চলে যান।
তবে ভিডিওতে দেখা ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার বিস্তারিত বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ড. ইউনূসের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানায়, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। গতকাল এই দাম ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।
এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকায় বিক্রি হবে।
বাজুস জানায়, শুক্রবার সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ বছরের মধ্যে দেশের বাজারে সোনার দাম ১২২ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ দফা দাম বৃদ্ধি এবং ৬২ দফা দাম কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম তিন দিন বন্ধ থাকবে।
এ তথ্য জানানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর (মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার) বন্ধ থাকবে। তবে, আগামী ১৭ অক্টোবর শনিবার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের দাপ্তরিক কার্যক্রম চলমান থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ