বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:৪৩ এম
নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর জনসাধারণের জন্য সহজ যোগাযোগযোগ্য এবং ভৌগোলিকভাবে যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উত্তরাঞ্চলে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হচ্ছে।
এই হরতালের কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে পড়েছে।
সড়কের বিভিন্ন স্থানে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে যাওয়ার কারণে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হরতাল পালন করছে নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদ।
হরতালের অংশ হিসেবে উপজেলার অন্তত ৮টি স্থানে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ মিছিল এবং টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে আন্দোলনকারীদের দ্বারা।
দাঁতমারা, বাগানবাজার ও নারায়ণহাট ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবরোধ সৃষ্টি হওয়ার ফলে ঢাকার সাথে খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
এতে সাধারণ যাত্রী এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
আন্দোলনকারী দলের সদস্যেরা বলছেন, “আমাদের দাবি একটাই— উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার সদর দপ্তর জনগণের সুবিধাজনক ও যৌক্তিক স্থানে স্থাপন করতে হবে।”
তারা আরও জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিকন ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানে ‘মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার’ পদে সরাসরি সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে।
পদের নাম: মেডিকেল ইনফরমেশন অফিসার।
পদসংখ্যা: অনির্ধারিত।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম।
অভিজ্ঞতা: উল্লেখ নেই।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে।
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
কর্মস্থল: যেকোনো জায়গায়।
বেতন: আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজ।
অন্যান্য সুবিধাসমূহ: ভ্রমণ/দৈনিক ভাতা, উৎসব বোনাস, মুনাফা বোনাস, অর্জিত ছুটি নগদায়ন করার সুযোগ, কর্মক্ষমতার ভিত্তিতে বিদেশ ভ্রমণের সুবিধা, পরবর্তী প্রজন্মের জন্য ভাতা, চিকিৎসা সুবিধা, মোটরসাইকেল ও মোবাইল ভাতা, বিক্রয় প্রণোদনা, প্রশিক্ষণ, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি এবং গ্রুপ জীবন বিমার সুযোগ পাওয়া যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান যুগকে তথ্য এবং প্রযুক্তির যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আজকের বিশ্বে যেকোনো প্রান্তের সংবাদ মুহূর্তের মধ্যে মানুষের কাছে পৌঁছে যায়। কিন্তু তথ্যের এই বিস্ফোরণের ফলে মিথ্যা, গুজব, অপপ্রচার, ভুয়া সংবাদ এবং বিভ্রান্তিকর প্রচারণাও বাড়তে শুরু করেছে। ফলে, মানুষ প্রায়ই বুঝতে পারে না, কোন তথ্যটি সত্য এবং কোনটি মিথ্যা।
এই বাস্তবতায় সত্যকে চিনে নেওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলাম এই বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে এবং সত্য অনুসন্ধানকে ঈমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করেছে।
ইসলামে সত্যের গুরুত্ব
সত্যবাদিতা একজন মুমিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ। আল্লাহ তাআলা বলেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো। (সুরা তাওবা:১১৯) এই আয়াত প্রমাণ করে যে, একজন মুসলমানের জন্য সত্যের পথে থাকা এবং সত্যবাদীদের সঙ্গ গ্রহণ করা অপরিহার্য।
কেন আজ সত্যকে চিনে নেওয়া কঠিন?
বর্তমান সময়ে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য চিহ্নিত করা কঠিন হওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। ১. তথ্যের অতিবিস্তার। ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে প্রতিদিন অসংখ্য তথ্য মানুষের সামনে আসে। তবে, সব তথ্য নির্ভরযোগ্য নয়। অনেক ভুয়া তথ্যও সত্যের মতো উপস্থাপন করা হয়।
২. গুজব ও অপপ্রচার। রাজনৈতিক, সামাজিক কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থে অনেক সময় ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়। এসব গুজব সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে।
৩. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিপফেক প্রযুক্তি। বর্তমানে এমন ছবি, ভিডিও এবং অডিও তৈরি করা সম্ভব হয়েছে, যা দেখতে বা শুনতে একেবারে বাস্তব মনে হয়। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য সত্যতা যাচাই করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
৪. ব্যক্তিগত পক্ষপাত। অনেক মানুষ নিজের মতাদর্শ বা পছন্দের সঙ্গে অবৈধ তথ্য মিল থাকলে কোন তথ্য যাচাই না করেই বিশ্বাস করে ফেলে। এর ফলে, সত্য আড়াল হয়ে যায়।
ইসলাম তথ্য যাচাইয়ের শিক্ষা দেয়
আল্লাহ তাআলা বলেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِنْ جَاءَكُمْ فَاسِقٌ بِنَبَأٍ فَتَبَيَّنُوا হে মুমিনগণ! যদি কোনো অবাধ্য ব্যক্তি তোমাদের কাছে কোনো সংবাদ নিয়ে আসে, তবে তা যাচাই করে নাও। (সুরা হুজুরাত:৬) এই আয়াত বর্তমান যুগের জন্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। কোন তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস করা কিংবা প্রচার করা ইসলামের শিক্ষা নয়।
মিথ্যার ভয়াবহ পরিণতি
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
عَلَيْكُمْ بِالصِّدْقِ، فَإِنَّ الصِّدْقَ يَهْدِي إِلَى الْبِرِّ، وَإِنَّ الْبِرَّ يَهْدِي إِلَى الْجَنَّةِ، وَإِيَّاكُمْ وَالْكَذِبَ، فَإِنَّ الْكَذِبَ يَهْدِي إِلَى الْفُجُورِ، وَإِنَّ الْفُجُورَ يَهْدِي إِلَى النَّارِ সত্যবাদিতা নেকির দিকে নিয়ে যায় এবং নেকি জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। আর মিথ্যা পাপের পথে নিয়ে যায় এবং পাপ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। (সহিহ বুখারি: ৬০৯৪, সহিহ মুসলিম:২৬০৭) এই হাদিসে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, মিথ্যার পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
যাচাই ছাড়া সংবাদ প্রচারের নিষেধাজ্ঞা
রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
كَفَى بِالْمَرْءِ كَذِبًا أَنْ يُحَدِّثَ بِكُلِّ مَا سَمِعَ মানুষের মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে তাই বলে বেড়ায়। (সহিহ মুসলিম:৫) আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো সংবাদ শেয়ার করার আগে এই হাদিসটি বিশেষভাবে মনে রাখা উচিত।
সত্যকে চেনার উপায়
সত্যকে চিনতে হলে কিছু নীতি অনুসরণ করা জরুরি। ১. নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা। ২. একাধিক বিশ্বস্ত সূত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা। ৩. আবেগের পরিবর্তে প্রমাণ ও যুক্তিকে গুরুত্ব দেওয়া। ৪. কোরআন ও সহিহ সুন্নাহকে মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করা। ৫. বিজ্ঞ আলেম ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া। ৬. আল্লাহর কাছে সত্য উপলব্ধির জন্য দোয়া করা।
সত্য গোপন করার নিষেধাজ্ঞা
আল্লাহ তাআলা বলেন, وَلَا تَلْبِسُوا الْحَقَّ بِالْبَاطِلِ وَتَكْتُمُوا الْحَقَّ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ তোমরা সত্যকে মিথ্যার সঙ্গে মিশিয়ে দিও না এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করো না। (সুরা বাকারা:৪২) এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, শুধু মিথ্যা বলা নয়, সত্য গোপন করাও গুরুতর অপরাধ।
বর্তমান সমাজে আমাদের দায়িত্ব
একজন সচেতন মুসলমান হিসেবে আমাদের উচিত। ১. যাচাই না করে কোনো সংবাদ বিশ্বাস না করা। ২. গুজব ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকা। ৩. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা। ৪. সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়া। ৫. সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই সত্যবাদিতার শিক্ষা দেওয়া। ৬. মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
সত্যকে চিনে নেওয়া আজ কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। কোরআন, সহিহ সুন্নাহ, নির্ভরযোগ্য জ্ঞান এবং তথ্য যাচাইয়ের অভ্যাস একজন মানুষকে সত্যের পথে পরিচালিত করতে পারে। একজন মুমিনের দায়িত্ব হলো সত্যকে অনুসরণ করা, মিথ্যা থেকে দূরে থাকা এবং সমাজে সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য সচেষ্ট থাকা। কারণ সত্য চিরস্থায়ী, আর মিথ্যা ক্ষণস্থায়ী।
আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ ۚ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا বলুন, সত্য এসেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল। (সুরা ইসরা:৮১)
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার টেকিবাড়ি চানপুর এলাকায় একটি কবরস্থান থেকে ৯টি কঙ্কাল চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে কবর খোঁড়া অবস্থায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এর আগে বুধবার (১৫ জুলাই) রাতের কোনো এক সময় উপজেলায় টেকিবাড়ি চানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সহ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে কবরস্থানের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা যখন কবরস্থানের আগাছা পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখতে পায়, তখন তাদের চোখের সামনে উন্মোচিত হয় ৯টি কবরের মাটি খোঁড়া। ভেতরে কঙ্কালগুলি নেই। এ খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো মানুষ ছুটে আসে কবরস্থানে। পরে এলাকাবাসী ফাঁকা কবরগুলো মাটি দিয়ে ভরাট করে দেয়।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম পিপিএম বার জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে এবং জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অনলাইন প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভুয়া পরিচয়ে বার্তা পাঠানো, এককালীন গোপন নম্বর হাতিয়ে নেওয়া, ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করা কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করার মতো বিভিন্ন কৌশলে প্রতারকরা সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছে। জনপ্রিয় বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপও বর্তমানে প্রতারকদের অন্যতম লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে। তবে কিছু সহজ নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনুসরণ করলে এই ঝুঁকিগুলো অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।
প্রথমে, অচেনা নম্বরের কল বন্ধ রাখার ব্যবস্থা নিন। অপরিচিত নম্বর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে কল এলে বিরক্তি অনুভবের পাশাপাশি প্রতারণার ঝুঁকিও থাকছে। সেজন্য, অচেনা নম্বরের কল নীরব রাখার সুবিধাটি চালু করলে সেই নম্বরের কল আর আপনার ফোনে বাজবে না। তবে কলের তথ্য তালিকায় দেখা যাবে।
দ্বিতীয়ত, অচেনা নম্বরের তথ্য যাচাই করার চেষ্টা করুন। অপরিচিত নম্বর থেকে যখনই বার্তা আসে, সেটি আপনার পরিচিত তালিকায় আছে কি না, সাধারণ কোন গ্রুপে যুক্ত আছে কি না কিংবা এটি নতুন নম্বর কি না—এসব তথ্য দেখে নম্বরটির বিশ্বাসযোগ্যতা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যায়।
তৃতীয়ত, স্ক্রিন শেয়ার করার আগে সতর্কতা অবলম্বন করুন। ভিডিও কলে স্ক্রিন শেয়ার করার সুযোগ নিয়ে সক্রিয় প্রতারকরা অনেক সময় ব্যাংকিং তথ্য বা ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাই অপরিচিত কারও অনুরোধে কখনোই স্ক্রিন শেয়ার করা উচিত নয়।
চতুর্থত, নতুন যন্ত্রে সংযোগের সতর্কবার্তার প্রতি গুরুত্ব দিন। আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ হোয়াটসঅ্যাপ অন্য যন্ত্রে চালু করার চেষ্টা করলে এর জন্য সতর্কবার্তা আসে। সেই ধরনের বার্তা পেলে যদি আপনি নিজে অনুরোধ না করে থাকেন তবে সঙ্গে সঙ্গে তা বাতিল করুন।
পঞ্চমত, দুই ধাপের নিরাপত্তা চালু করুন। হোয়াটসঅ্যাপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হলো দুই ধাপের যাচাই। এটি চালু থাকলে এককালীন গোপন নম্বরের পাশাপাশি অতিরিক্ত ছয় সংখ্যার গোপন নম্বর প্রদান করতে হয়। ফলে অন্য কেউ সহজে আপনার হিসাবে প্রবেশ করতে পারে না।
নিরাপদ থাকার জন্য আরও কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। কখনোই এককালীন গোপন নম্বর বা যাচাই নম্বর অন্য কোনো ব্যক্তির সঙ্গে ভাগ করবেন না। অপরিচিত নম্বর থেকে আসা সন্দেহজনক সংযোগে প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকুন। ব্যাংক বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ে কেউ ভিডিও কল বা স্ক্রিন শেয়ার করার অনুরোধ করলে সতর্ক থাকুন। পাশাপাশি নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপ আপডেট করলে সর্বশেষ নিরাপত্তা সুবিধাগুলো ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাত্র কয়েক মিনিট সময় নিয়ে এসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করলেই ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংক হিসাব এবং হোয়াটসঅ্যাপ হিসাবকে সাইবার প্রতারকদের হাত থেকে অনেকটাই সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ