০৫:২৭ পি.এম
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় মালয়েশিয়া প্রবাসী এক ব্যক্তির বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে থাকা বিপুল সংখ্যক ককটেল বিস্ফোরিত হয়ে ট্যাংকের একটি অংশ উড়ে গেছে। এই বিস্ফোরণের ফলে আশেপাশের এলাকা ভয়াবহ আতঙ্কে ভরে উঠেছে। তবে আশ্চর্যজনকভাবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। একই এলাকায় এর আগেও একাধিকবার ককটেল উদ্ধার ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের চেরাগ আলী বেপারী কান্দি গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. আলী উজ্জামাল হাওলাদারের বাড়িতে এই বিস্ফোরণটি ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ বিকট শব্দের বিস্ফোরণের পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন এসে দেখেন যে, বাড়ির সেবটিক ট্যাংকটি বিস্ফোরণে ফেটে গেছে। এ সময় ট্যাংকের আশপাশে বিস্ফোরকসদৃশ বিভিন্ন সরঞ্জাম ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। বিস্ফোরণের সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জাজিরা থানার পুলিশ।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
স্থানীয়দের দাবি, গত দুই মাসের মধ্যে বিলাসপুর ও আশপাশের এলাকায় অন্তত আটটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। প্রতিবারই ককটেল উদ্ধার বা বিস্ফোরণের পর তদন্ত শুরু হলেও এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা মূল পরিকল্পনাকারীদের পুরোপুরি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে একই এলাকায় বারবার বিস্ফোরকসংক্রান্ত ঘটনা ঘটছে।
এ বিষয়ে ওসি মো. সালেহ উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিস্ফোরিত ককটেলগুলোর পূর্বে থেকেই সেখানে রাখা ছিল। বাড়ির মালিক প্রবাসে থাকায় কিভাবে অথবা কারা এসব ককটেল সেখানে রেখেছিল, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন