১১:১২ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে র্যাবের উপর হামলার ঘটনায় দস্যু শফিক বাহিনীর প্রধান শফিককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি ১৫ মামলার আসামি।
রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে র্যাব-৯ ও র্যাব-১০ এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে শফিককে গ্রেফতার করেন।
এই বিষয়ে র্যাব-৯ সিপিসি-১ এর অধিনায়ক মো. নুরুন্নবী জানান, গত ১১ মে বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া র্যাব-৯ সিপিসি-১ এর চার সদস্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে বাঞ্ছারামপুরে যাচ্ছিলেন। সেই সময় নবীনগর উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে, ডাকাত শফিক বাহিনী ওঁৎ পেতে থাকা শফিকসহ তার সাগরেদরা র্যাবের ওপর অতর্কিতে সশস্ত্র হামলা চালায়। হামলার সময় শফিক ডাকাত তাদের ৩ ঘণ্টা ধরে আটক রেখে নির্যাতন করে। পরে তারা নির্যাতনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ঘটনার খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে অতিরিক্ত র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে গ্রামবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করেন এবং নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চার গোয়েন্দা সদস্যের মধ্যে তিনজন গুরুতরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে কনস্টেবল মালেকের মাথায়, হাবিলদার রাশেদের ডান হাতে এবং কনস্টেবল কাজলের বাম হাতে আঘাত লাগে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হামলার পর র্যাব রাতভর অভিযান চালিয়ে মোট ৯ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে। তবে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার শফিক প্রতিবারই পালিয়ে যায়। প্রায় দুই মাস পর একটি বিকাশ একাউন্টের সূত্র ধরে র্যাব-৯ এর সদস্যরা শফিক ডাকাতের অবস্থান জানার পর, রাত সাড়ে ১২টার দিকে র্যাব-৯ ও র্যাব-১০ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে কামরাঙ্গীরচর এলাকার আউলাহাটির রিয়াজ উদ্দিনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।
র্যাব জানায়, আগে নবীনগর থানা পুলিশ ও র্যাবের উপর হামলা, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ব্যবসা, হত্যা, ধর্ষণ এবং পর্ণোগ্রাফিসহ শফিকের বিরুদ্ধে ১৫টিরও অধিক মামলা রয়েছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন