ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র‍্যাবের ওপর হামলা: শফিক বাহিনীর প্রধান রাজধানী থেকে গ্রেফতার


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র‍্যাবের ওপর হামলা: শফিক বাহিনীর প্রধান রাজধানী থেকে গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে র‍্যাবের উপর হামলার ঘটনায় দস্যু শফিক বাহিনীর প্রধান শফিককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি ১৫ মামলার আসামি।

রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে র‍্যাব-৯ ও র‍্যাব-১০ এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে শফিককে গ্রেফতার করেন।

এই বিষয়ে র‍্যাব-৯ সিপিসি-১ এর অধিনায়ক মো. নুরুন্নবী জানান, গত ১১ মে বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া র‍্যাব-৯ সিপিসি-১ এর চার সদস্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে বাঞ্ছারামপুরে যাচ্ছিলেন। সেই সময় নবীনগর উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে, ডাকাত শফিক বাহিনী ওঁৎ পেতে থাকা শফিকসহ তার সাগরেদরা র‍্যাবের ওপর অতর্কিতে সশস্ত্র হামলা চালায়। হামলার সময় শফিক ডাকাত তাদের ৩ ঘণ্টা ধরে আটক রেখে নির্যাতন করে। পরে তারা নির্যাতনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ঘটনার খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে অতিরিক্ত র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে গ্রামবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করেন এবং নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চার গোয়েন্দা সদস্যের মধ্যে তিনজন গুরুতরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে কনস্টেবল মালেকের মাথায়, হাবিলদার রাশেদের ডান হাতে এবং কনস্টেবল কাজলের বাম হাতে আঘাত লাগে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হামলার পর র‍্যাব রাতভর অভিযান চালিয়ে মোট ৯ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে। তবে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার শফিক প্রতিবারই পালিয়ে যায়। প্রায় দুই মাস পর একটি বিকাশ একাউন্টের সূত্র ধরে র‍্যাব-৯ এর সদস্যরা শফিক ডাকাতের অবস্থান জানার পর, রাত সাড়ে ১২টার দিকে র‍্যাব-৯ ও র‍্যাব-১০ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে কামরাঙ্গীরচর এলাকার আউলাহাটির রিয়াজ উদ্দিনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।

র‍্যাব জানায়, আগে নবীনগর থানা পুলিশ ও র‍্যাবের উপর হামলা, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ব্যবসা, হত্যা, ধর্ষণ এবং পর্ণোগ্রাফিসহ শফিকের বিরুদ্ধে ১৫টিরও অধিক মামলা রয়েছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি, ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২০ পি.এম


ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি, ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা

এক হাতে ছাতা, অন্য হাতে কলম নিয়ে পরীক্ষার খাতা সামনে রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। এ অবরোধক ও দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১৩ জুলাই) একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে প্রকৃত পরিস্থিতি ফুটে ওঠে।

সম্প্রতি চিকনিকান্দি ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে টানা বৃষ্টির মধ্যে শিক্ষার্থীরা ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। কিছু শিক্ষার্থী এক হাতে ছাতা ধরে অন্য হাতে লিখছেন, আবার কারও বেঞ্চ ও পরীক্ষার খাতা বৃষ্টির পানিতে ভিজে যাচ্ছে। এই অস্বাভাবিক দৃশ্য দেখে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, চিকনিকান্দি ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসাটি ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮১ সালে এই প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হলেও সেই কাজটি এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় ভবনটি বর্তমানে প্রায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

ভবনের ছাদে অসংখ্য ফাটল সৃষ্টি হয়েছে, ফলে বৃষ্টি হলেই সেখান দিয়ে পানি ঢুকে পড়ছে শ্রেণিকক্ষে। অনেক জায়গায় পলেস্তরা খসে পড়ছে, দরজা-জানালাও নষ্ট হয়ে গেছে। তবুও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনেই পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান ও পরীক্ষা গ্রহণ করতে হচ্ছে।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল শেখ মুগ্ধ জানান, ‘প্রবল বৃষ্টির মধ্যে আমাদের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। ছাদ দিয়ে পানি পড়ছে এবং বেঞ্চ ও পরীক্ষার খাতা ভিজে যাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিচ্ছি।’

আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ভবনটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে স্বাভাবিক সময়ে ক্লাস করা কঠিন। বৃষ্টির সময় পানি পড়ার পাশাপাশি মাঝে মাঝে পলেস্তরাও খসে পড়ে। ক্লাস করতে হলে সব সময় দুর্ঘটনার ভয় থাকে।’

মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মো. ইয়াহিয়া খান জানিয়েছেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। অথচ তাদের জন্য নিরাপদ ও শিক্ষা-বান্ধব পরিবেশ নেই। টানা বৃষ্টিতে শিক্ষার্থীরা ছাতা মাথায় দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। ভবনের অব্যবস্থাপনার কারণে পাঠদান ও পরীক্ষার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. নজির আহমেদ জানিয়েছেন, ‘আমরা অত্যন্ত বিব্রতকর ও অসহায় পরিস্থিতিতে রয়েছি। এই বিষয়ে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ হলেই দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।’

এদিকে, প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নতুন বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলমান থাকলেও কাজের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। ধীরগতির কারণে কবে নাগাদ ভবনটি ব্যবহার উপযোগী হবে, সেই সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা।

তবে এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, ‘বিষয়টি আজই আমাদের নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা জানুন

খেজুরকে প্রাকৃতিক সুপারফুড হিসেবে অভিহিত করা হয়। পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুর এমন একটি খাবার, যা সকালে খালি পেটে খেলে অনেক ধরনের উপকার পাওয়া যায়। এই ফল প্রাকৃতিক চিনি, ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ, শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগানোর পাশাপাশি হজম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞগণের মতে, নিয়মিত পরিমাণে খেজুর খেলে শরীরের দুর্বলতা কমে যায় এবং সারাদিনের কাজের শক্তি পাওয়া যায়। বিশেষ করে রোজা রাখা বা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর খেজুর খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আসুন এবার খালি পেটে খেজুর খাওয়ার উপকারিতাগুলি জেনে নেওয়া যাক।

দ্রুত শক্তি জোগায়। খেজুরে প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের উপস্থিতি শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে। সকালে খালি পেটে ২-৩টি খেজুর খেলে ক্লান্তি কমে যায় এবং সারাদিন সতেজ অনুভূতি বজায় থাকে।

হজমশক্তি উন্নত করে। খেজুরে প্রচুর খাদ্যআঁশ রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক। সকালে খালি পেটে খাওয়ার ফলে অন্ত্রের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে। খেজুরে আয়রনের পরিমাণ উন্নত হওয়ায়, এটি রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। যাদের শরীরে হিমোগ্লোবিন কম, তাদের নিয়মিত খেজুর খাওয়া উচিত।

হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। খেজুর পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ, যা হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সহায়ক। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্যও করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। খেজুরের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শর body'śর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। ফলে মৌসুমি সর্দি, কাশি বা দুর্বলতার ঝুঁকি কিছুটা কমবে।

হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক। খেজুরে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান থাকায়, এটি হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

যেভাবে খেতে হবে। সাধারণত সকালে ২ থেকে ৪টি খেজুর খাবার জন্য ভালো। তবে ডায়াবেটিস বা রক্তে শর্করার সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।

এছাড়াও রাতে কয়েকটি খেজুর পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। কেউ কেউ আবার দুধ, ওটস বা বাদামের সঙ্গেও খেয়ে থাকেন।

যাহোক, পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত খেজুর খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী হলেও, অতিরিক্ত খেলে ওজন বৃদ্ধি বা রক্তে শর্করা বাড়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসের দোরগোড়ায় মার্টিনেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩০ পি.এম


ইতিহাসের দোরগোড়ায় মার্টিনেজ

আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন। তিনি বিশ্বকাপের মঞ্চে গোলকিপার হিসেবে কীর্তি গড়ার অপেক্ষায় আছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামলেই ৪৪ বছরের পুরোনো সেই ইতিহাস নতুনভাবে লিখবেন মার্টিনেজ।

কোয়াটার-ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমে ১৯৭৮ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি উবালদো ফিল্লোলের ১৩ ম্যাচের রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন মার্টিনেজ। যদি আটলান্টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে একাদশে জায়গা পান, তাহলে তিনি হয়ে যাবেন বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা একক গোলকিপার।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপ এবং চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপ মিলিয়ে এমিলিয়ানোর বয়স ৩৩ বছর। বর্তমানে পর্যন্ত তিনি ১৩টি ম্যাচ খেলেছেন। ফিল্লোলও ঠিক ১৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন- ১৯৭৪, ১৯৭৮ এবং ১৯৮২ বিশ্বকাপ মিলিয়ে। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল, তবে এখন তা এককভাবে নিজের করে নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন মার্টিনেজ।

এই পর্যায়ে পৌঁছানোর পথে তিনি একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন করেছেন। আর্জেন্টিনার আরেক বিশ্বকাপ ফাইনালিস্ট গোলকিপার সার্জিও রোমেরোকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। রোমেরো ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে ১২টি ম্যাচ খেলেছেন। এরপর ফিল্লোলের পাশে জায়গা করে নেন মার্টিনেজ এবং এখন তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোলকিপারদের তালিকায় পরবর্তীতে আছেন নেরি পুম্পিদো, যিনি ১৯৮৬ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপে মিলিয়ে ৯ ম্যাচ খেলেছেন। সার্জিও গোইকোচিয়া এবং আন্তোনিও রোমার নামের পাশে ৬টি করে ম্যাচ রয়েছে। রবার্তো আবোন্দানৎসিয়েরি ও দানিয়েল কার্নেভালি খেলেছেন ৫টি করে ম্যাচ।

মোট মিলিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার হয়ে এখন পর্যন্ত ১৯ জন গোলকিপার মাঠে নেমেছেন। তবে ফিল্লোল এবং মার্টিনেজের উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেননি আর কেউ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাপে কামড়ালে এই ভুলগুলোই ডেকে আনতে পারে নিশ্চিত মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


সাপে কামড়ালে এই ভুলগুলোই ডেকে আনতে পারে নিশ্চিত মৃত্যু

বাংলাদেশে প্রতি বছর অনেক মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হয়ে থাকেন। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল ও চরাঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাপের বিষের চেয়েও অনেক সময় ভুল প্রাথমিক চিকিৎসা, কুসংস্কার এবং আতঙ্ক রোগীর জীবনকে বেশি ঝুঁকির মধ্যে ফেলে।

সাপে কামড়ানোর পর কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত এবং কোন ভুলগুলো একেবারেই না করার উপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত— তা জানা অত্যন্ত জরুরি।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সাপে কামড়ানোর পর কোনোভাবেই ওঝা, গুণীন বা ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। বৈজ্ঞানিকভাবে ঝাড়ফুঁক বা মন্ত্র পড়ার মাধ্যমে সাপের বিষ বের করে ফেলা সম্ভব নয়। এতে মূল্যবান সময় নষ্ট হয় এবং রোগীর অবস্থা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

অনেক রোগী কামড়ের স্থানে ব্লেড বা ছুরি দিয়ে কেটে রক্ত বের করার চেষ্টা করেন। চিকিৎসকদের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। কারণ, এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।

একইভাবে, মুখ দিয়ে বিষ চুষে বের করার চেষ্টা করাও সম্পূর্ণ ভুল। কারণ, যে ব্যক্তি বিষ চুষছেন, যদি তাঁর মুখে বা মাড়িতে ক্ষুদ্র কোনো ক্ষত থাকে তবে বিষ তাঁর শরীরে প্রবেশ করতে পারে।

আক্রান্ত স্থানের ওপরে দড়ি, তার বা কাপড় দিয়ে খুব শক্ত করে বেঁধে দেওয়ার ব্যাপারেও সতর্ক থাকতে হবে। অতিরিক্ত চাপের কারণে ওই অঙ্গে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এমনকি গুরুতর ক্ষেত্রে অঙ্গ নষ্ট হওয়ারও আশঙ্কা থাকে।

ক্ষতস্থানে বরফ দেওয়া, আগুনের ছ্যাঁকা করা কিংবা পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গানেট, চুন বা ভেষজ লতাপাতা বাটা লাগানোও উচিত নয়।

চিকিৎসকদের মতে, সাপে কামড়ানোর পর রোগীর আতঙ্ক কমানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ভয় ও উদ্বেগে হৃদস্পন্দন বেড়ে গেলে শরীরে বিষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই রোগীকে আশ্বস্ত করা দরকার যেন অধিকাংশ সাপই বিষহীন এবং দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কার্যকর চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব।

যদি পায়ে সাপ কামড়ায়, তাহলে রোগীকে হাঁটতে দেওয়া যাবে না। আক্রান্ত হাত বা পা যতটা সম্ভব স্থির রাখতে হবে। প্রয়োজনে কাঠের টুকরা বা শক্ত স্কেল দিয়ে কাপড়ের সাহায্যে আলতোভাবে বেঁধে অঙ্গটি স্থির রাখা যেতে পারে, যেমন হাড় ভাঙলে করা হয়।

সাপে কামড়ানোর পর আক্রান্ত স্থানে দ্রুত ফোলা দেখা দিতে পারে। তাই হাত বা পায়ে থাকা আংটি, ঘড়ি, চুড়ি, টাইট জুতা বা মোজা দ্রুত খুলে ফেলতে হবে, যাতে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি না হয়।

যদি পরিষ্কার পানি থাকে, তাহলে ক্ষতস্থান আলতোভাবে ধুয়ে নেওয়া যেতে পারে। তবে কোনোভাবেই ঘসাঘষি করা যাবে না।

সম্ভব হলে নিরাপদ দূরত্ব থেকে সাপটির রং, আকার বা বৈশিষ্ট্য মনে রাখার চেষ্টা করুন বা ছবি তুলে রাখুন। এতে চিকিৎসকদের বিষাক্ত সাপ শনাক্ত করতে সুবিধা হবে। তবে সাপ ধরার চেষ্টা করা কিংবা এর পেছনে সময় নষ্ট করা বিপজ্জনক।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রোগীকে কোনো প্রকার বিলম্ব না করে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে হবে। সাপের বিষের কার্যকর চিকিৎসা হলো অ্যান্টিভেনম, যা সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

চিকিৎসকরা বলছেন, সাপে কামড়ানোর পর প্রথম এক ঘণ্টাকে ‘গোল্ডেন আওয়ার’ বলা হয়ে থাকে। এই সময়ের মধ্যে সঠিক সিদ্ধান্ত ও দ্রুত চিকিৎসা একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%