ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক


হাবিপ্রবির ১৬ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক

দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ১৬ জন শিক্ষার্থীকে প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ এর জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৯ এর জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কৃষি অনুষদের মোছাঃ অন্যনা খাতুন, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আল জান্নাতুন নুর, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের নুসরাত আফরিন শিল্পা, ভেটেরিনারি এন্ড এ্যানিমেল সায়েন্স অনুষদের সুজানা দঙ্গল, ফিশারিজ অনুষদের ফারজানা খানম, গণিত বিভাগের রিশাত হোসাইন, অর্থনীতি বিভাগের বাবর আহমেদ এবং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আফরোজা সুলতানা।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০১৯ এর পাশাপাশি ২০২০ সালের জন্য মনোনীত একমাত্র শিক্ষার্থী হলেন ভেটেরিনারি এন্ড এ্যানিমেল সায়েন্স অনুষদের জাকিরুল হাসান জিহাদ।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক-২০২১ এর জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা হলেন কৃষি অনুষদের মবিতা টাঙ্গিন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সালমা খাতুন, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের মোঃ রাকিবুল হাসান, ফিশারিজ অনুষদের কে.এম. তৌফিক হাসান, গণিত বিভাগের মোহাম্মদ শাহজাহান, অর্থনীতি বিভাগের নাজমিন আরা এবং ফুড এন্ড প্রসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আনিকা তাহসিন।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক—২০১৯, ২০২০ এবং ২০২১ এর জন্য এবারে সারাদেশ থেকে ৪৬৯ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কৃতি ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে এবং ভালো ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার প্রবর্তিত হয়েছে। ২০০৫ সালে ইউজিসি এটি চালু করে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিভিন্ন অনুষদে সর্বোচ্চ নম্বর বা সিজিপিএ অর্জনকারী সেরা শিক্ষার্থী বা প্রথম স্থান অধিকারীরা এই পদক লাভ করেন।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে চাঞ্চল্যকর কৃষক হত্যা মামলায় তিন ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


ময়মনসিংহে চাঞ্চল্যকর কৃষক হত্যা মামলায় তিন ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড, ১০ জনের যাবজ্জীবন

ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমি নিয়ে পূর্ব শত্রুতার কারণে কৃষক শফিকুল ইসলাম সবি হত্যা মামলায় আদালত তিন ভাইকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মোজাম্মেল হক স্বপন, আপন মিয়া এবং রিপন মিয়া।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন আবু বকর সিদ্দিক, কাঞ্চন মিয়া, রুবেল, পারভেজ, মোফাজ্জল হোসেন, কাশিদ, আল-আমিন, সুমন মিয়া, নয়ন মিয়া এবং আসাদুল। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১০ জনের উপর ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে, যা অনাদায়ে তাদের আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে পরিণত হবে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহের প্রথম অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সামছুদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।

ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ১৩ আসামির মধ্যে ১১ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পলাতক আসামিদের মধ্যে একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এবং অপরজন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, নান্দাইল উপজেলার চর ভোলামরির হযরত আরীর ছেলে কৃষক শফিকুল ইসলাম সবির সঙ্গে অভিযুক্তদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি চর ভেলামারী চৌরাস্তা খেয়াঘাট এলাকায় একটি কাপড়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে সবিকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে নান্দাইল থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ১০/১২ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা ও আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করে তাদের উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করে।

তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রিপন মিয়া এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসাদুল পলাতক রয়েছেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন আনোয়ার আজিজ টুটুল এবং আসামিপক্ষে এ.কে.এম. আমানউল্লাহ বাদল মামলাটি পরিচালনা করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ ও পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে বাণিজ্যমন্ত্রীর জোর প্রচেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ ও পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে বাণিজ্যমন্ত্রীর জোর প্রচেষ্টা

বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এ বিষয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আনিস মাত্তারের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, "বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশের আমদানি প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে বাংলাদেশ দেশটিতে মাত্র প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে।" তিনি আরও বলেন, "এই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানো প্রয়োজন।"

তিনি উল্লেখ করেন, "যদি বাজারে প্রবেশের বাধা দূর করা যায়, তাহলে দুই দেশের বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি করা সম্ভব।"

বৈঠকে পিটিএ, সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ), জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতি এবং বাংলাদেশি আলু, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের ইন্দোনেশিয়ার বাজারে প্রবেশের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য উৎপাদন হচ্ছে এবং এসব পণ্য বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশে রপ্তানি করা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ইন্দোনেশিয়ার বাজারে এসব পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ওষুধ নিবন্ধনসহ প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর জন্য দেশটির সহযোগিতা চান তিনি।

এ সময় জাকার্তায় বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য নিয়ে একটি ‘সোলো এক্সিবিশন’ আয়োজনের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রদর্শনী আয়োজনে সহযোগিতার আশ্বাসও দেন তিনি।

পিটিএ আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ

দুই দেশের মধ্যে পিটিএ নিয়ে চার দফা আলোচনা হলেও তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে ২০২৩ সাল থেকে আলোচনা থমকে আছে।

ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "দুই দেশের টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পে প্রতিযোগিতা থাকলেও সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।"

আগামী ১৪ থেকে ১৮ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনীর সময় দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের প্রস্তাব দেন তিনি। বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও একটি প্রতিনিধিদলকে ওই প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণও জানান তিনি।

জ্বালানি ও কৃষিপণ্য নিয়ে আলোচনা

বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি পারতামিনাকে বাংলাদেশের সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) টার্মিনাল পরিচালনার প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশি আলু রপ্তানির ক্ষেত্রে পরীক্ষাগার ও নিবন্ধনসংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে দুই দেশের পরীক্ষার ফলাফলের পারস্পরিক স্বীকৃতির প্রস্তাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আলু রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হলেও এসব জটিলতার কারণে তা এগোয়নি।

বৈঠকে হালাল পণ্যের বাণিজ্য বাড়াতে হালাল সনদ ও মানের পারস্পরিক স্বীকৃতি নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সরকার-টু-সরকার সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়েও কথা হয়।

বৈঠকে দুই পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করে।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতিসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীর নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, দৈনিক উঠতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


নোয়াখালীর নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, দৈনিক উঠতে পারে ৭ মিলিয়ন ঘনফুট

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে ‘সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ’ খনন সম্পন্ন হওয়ার পর গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। বর্তমানে কূপটিতে ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) চলছে। পরীক্ষার ফলাফল আসার পর গ্যাসের মজুদ এবং উত্তোলনযোগ্য পরিমাণ সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়টি জানায়। উল্লেখ্য, গত ২৮ জুলাই কূপটির খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।

বাপেক্স সূত্রে জানা গেছে যে, ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতির মাধ্যমে এমডব্লিউডি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কূপটি ১ হাজার ৫৭৮ মিটার গভীরতায় খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৪২০ থেকে ১ হাজার ৪৬০ মিটার গভীরতায় গ্যাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

সুন্দলপুর-৪ মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপ খনন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, আগামী দুই থেকে তিন দিন ডিএসটি পরীক্ষা চলবে। এরপর কূপটিতে মোট গ্যাসের মজুদ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রপতি: মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


রাষ্ট্রপতি: মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে, রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকালে, হাবিপ্রবি উপাচার্য রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছে। পাশাপাশি, অবকাঠামোগত উন্নয়নে ৬০০ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দের বিষয়টিও রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

উপাচার্য শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রীদের আবাসন সংকটসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি এসব সমস্যা সমাধানে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন এবং তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে, হাবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং হাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রার উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%