ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্যোগের সময়ে রাঙামাটিতে ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার নির্দেশ: প্রতিমন্ত্রী


দুর্যোগের সময়ে রাঙামাটিতে ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার নির্দেশ: প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, রাঙামাটিতে চলমান দুর্যোগ পরিস্থিতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছ থেকে বিভিন্ন এনজিওর ঋণের কিস্তি আদায় সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে আগামী মাসে এসব ঋণের ওপর অতিরিক্ত সুদ আরোপ না হওয়ার বিষয়টিও নজরে রাখা হবে।

রোববার (১২ জুলাই) রাতে অনুষ্ঠিত রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ করে দিতেই আপাতত এনজিওর ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেবল কিস্তি আদায় স্থগিত নয়, পরবর্তী মাসে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ওপর অতিরিক্ত সুদের চাপ সৃষ্টি না হয় সেই বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরও জানান, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটিতে সড়ক, বিদ্যুৎ, কৃষি, মৎস্যসহ নানা খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে পুনর্বাসন কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। রাঙামাটিসহ পার্বত্য অঞ্চলের পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন ও দুর্ভোগ লাঘবে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করবে। এই সময় তিনি সকলকে ধৈর্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবিলার আহ্বান জানান।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী ও রাঙামাটি আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব, জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জেলার সার্বিক বন্যা ও পাহাড়ধস পরিস্থিতি এবং ক্ষয়ক্ষতির তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এটি ছাড়াও এর আগে প্রতিমন্ত্রী রাঙামাটি শহরের ওমদা মিয়া হিল পৌর জুনিয়র হাইস্কুল আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে আশ্রয় নেওয়া দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষাকালে নিরাপদ ভ্রমণে মেনে চলতে হবে যেসব নিয়ম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ পি.এম


বর্ষাকালে নিরাপদ ভ্রমণে মেনে চলতে হবে যেসব নিয়ম

বর্ষাকালে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার আনন্দ সত্যিই আলাদা। তবে এই মৌসুমে ভ্রমণের সময় নিরাপত্তার বিষয়ে বাড়তি সচেতন থাকা জরুরি। সামান্য অসাবধানতাও বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই যেখানেই ঘুরতে যান, নিচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করুন।

ভ্রমণের প্রস্তুতি

> যাত্রার পরিকল্পনা করার আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে নিন। যদি ভারী বৃষ্টি, বন্যা, ভূমিধস বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে তাহলে ভ্রমণ পিছিয়ে দেওয়াই ভালো।

> রেইনকোট বা ছাতার পাশাপাশি সঙ্গে অতিরিক্ত শুকনা কাপড় রাখুন। দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন পোশাক নির্বাচন করলে বেশি সুবিধা হবে।

> প্যারাসিটামলসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ অবশ্যই ব্যাগে রাখুন।

> রাতে থাকার জায়গায় মশারি আছে কি না, আগে থেকেই নিশ্চিত করুন। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে মশা তাড়ানোর ক্রিম বা মসকিউটো রিপেলেন্ট সঙ্গে রাখতে হবে।

পাহাড় ও জলপ্রপাত ভ্রমণে

> পাহাড়ি বা পাথুরে পথে চলার জন্য ভালো গ্রিপযুক্ত জুতা পরুন যা পানিতে ব্যবহার উপযোগী।

> দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গেলে স্থানীয় অভিজ্ঞ গাইডের সহায়তা নিন এবং তাঁর নির্দেশনা মেনে চলুন।

> বর্ষাকালে জলপ্রপাতের আশপাশের পাথর ও ঢাল অত্যন্ত পিচ্ছিল হয়। তাই ঢাল বেয়ে ওপরে ওঠার চেষ্টা করবেন না।

> জলপ্রপাতের নিচের পানির কূপ দেখতে নিরাপদ মনে হলেও সেখানে গভীরতা বা তীব্র স্রোত থাকতে পারে।

> সাঁতার না জানলে কোনোভাবেই পানিতে নামবেন না।

> বর্ষায় পাহাড়ি এলাকায় জোঁক পাওয়া স্বাভাবিক। সম্ভব হলে প্যান্ট বা পায়জামার নিচের অংশ মোজার ভেতরে গুঁজে রাখুন। যদিও ঝিরিপথে হাঁটার সময় এটি সবসময় সম্ভব নাও হতে পারে।

> শরীরে জোঁক লেগে গেলে টান দিয়ে ছাড়ানোর চেষ্টা করবেন না। শক্ত কাগজের সাহায্যে ধীরে আলাদা করুন।

সমুদ্র-সৈকতে গেলে

> সমুদ্রে নামার আগে জোয়ার-ভাটার অবস্থা এবং সর্বশেষ আবহাওয়ার তথ্য জেনে নিন।

> সৈকতে যেখানে লাল পতাকা টাঙানো থাকে, সেই এলাকায় কখনো গোসল বা সাঁতার কাটবেন না।

> সাঁতার না জানলে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করুন এবং লাইফগার্ডের দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

হাওর ভ্রমণে

> হাওর এলাকায় যাওয়ার আগে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা ও সতর্কবার্তা সম্পর্কে জেনে নিন।

> হাউসবোটে পর্যাপ্ত সংখ্যক লাইফ জ্যাকেট রয়েছে কি না, যাত্রার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন।

বর্ষার ভ্রমণকে আনন্দদায়ক ও ঝুঁকিমুক্ত রাখতে সামান্য সতর্কতাই হতে পারে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদ চত্বরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪২ পি.এম


সংসদ চত্বরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকার

স্বজন, দীর্ঘদিনের সহকর্মী, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং সর্বস্তরের মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে নির্ধারিত স্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক স্পিকার ও বাংলাদেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার।

যেথায় সংসদ ভবনের প্রাঙ্গণে তিনি বহু বছর সংসদ পরিচালনা করেছেন, সেই অঙ্গনেই চিরনিদ্রায় শায়িত হওয়ায় সেখানে উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের টানেলে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে তাকে সমাহিত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় দপ্তরের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি, বিরোধী দলের নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, আইনজীবী, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শুভানুধ্যায়ী এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ তার জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।

জানাজার আগে ও পরে প্রিয় এই রাজনীতিকের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত মানুষের চোখে ছিল অশ্রু এবং কণ্ঠে ছিল মাগফিরাতের দোয়া। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সংসদীয় জীবনের সহকর্মীরা স্মরণ করেন তার প্রজ্ঞা, সৌজন্য, বিনয় ও গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল অঙ্গীকারের কথা।

দোয়া ও অশ্রুসিক্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দেশের এই বর্ষীয়ান রাজনীতিক, প্রথিতযশা আইনজ্ঞ ও সংসদীয় গণতন্ত্রের এক নিবেদিতপ্রাণ অভিভাবকের শেষ যাত্রার আনুষ্ঠানিকতা। তার বিদায়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও সংসদীয় পরিবেশে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান জানাজার অংশগ্রহণ ও তার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

মরহুম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন রাষ্ট্রপতির পক্ষে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব এএসএম বাহাউদ্দিন, জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, বিএনপির পক্ষে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপবৃন্দ এবং সংসদ সচিবালয়ের পক্ষে সচিব ব্যারিস্টার গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

উল্লেখ্য, মরহুম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার আজ ১২ জুলাই ভোরে, রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে বিজিবির ৪৮ ঘণ্টার অভিযানে উদ্ধার ৪ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ পি.এম


বান্দরবানে বিজিবির ৪৮ ঘণ্টার অভিযানে উদ্ধার ৪ শিক্ষার্থী

বান্দরবানের থানচির দুর্গম থুইসাপাড়া এলাকায় ৪৮ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আটকা পড়ে থাকা ৪ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৪ জুলাই বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম পর্যটনকেন্দ্র অমিয়াখুম ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ৪ জন শিক্ষার্থী থুইসাপাড়া এলাকায় যান। কিন্তু পরবর্তীতে ৭ জুলাই থেকে টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদীপথ অচল হয়ে পড়লে তারা সেখানে আটকা পড়ে।

বিজিবি জানায়, সংবাদ পাওয়ার পরপরই বিজিবির বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি) এর অধীনস্থ জিন্নাপাড়া ক্যাম্প থেকে বিজিবির একটি আভিযানিক দল থুইসাপাড়ায় পৌঁছে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। বিজিবি সদস্যরা তাদের সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন এবং স্থানীয় কারবারির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ অবস্থান, থাকা-খাওয়া ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করেন। একইসঙ্গে জিন্নাপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে তাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদীপথে থানচিতে ফিরে আসা তখন সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়ে পড়ে।

এরপর শনিবার (১১ জুলাই) উদ্ধার অভিযান শুরু করে বিজিবি। জিন্নাপাড়া ক্যাম্পের সদস্যরা বিকল্প পাহাড়ি পথে পায়ে হেঁটে থুইসাপাড়া, জিন্নাপাড়া, হালিরামপাড়া ও নিকোলাসপাড়া অতিক্রম করে অংসাউপাড়ায় পৌঁছান। যাত্রা পথে একাধিক পাহাড়ধস, ফুলে ওঠা ঝিরি, প্রবল স্রোত ও টানা বৃষ্টির কারণে সেদিন সীমান্ত সড়ক পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। অংসাউপাড়ায় শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রাতযাপনের ব্যবস্থা করা হয়।

রোববার (১২ জুলাই) অংসাউপাড়া বিজিবি ক্যাম্প থেকে আরেকটি দল চার শিক্ষার্থীকে নিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা পায়ে হেঁটে দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে সীমান্ত সড়কসংলগ্ন নেপিউপাড়া বিওপিতে পৌঁছে। পরে বিজিবির গাড়িতে করে তাদের নিরাপদে থানচিতে ফিরিয়ে আনা হয়।

উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন- ঢাকার সূত্রাপুর থানার বাসিন্দা মো. মারুফ উদ্দিন, আবু হুরায়রা জাদিম ও তামিম রায়হান সৌরভ এবং শ্যামপুর থানার বাসিন্দা মাহাদি আল মাহবুব। তামিম রায়হান সৌরভ নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী। অন্য তিনজন এসএসসি পাস করে কলেজে ভর্তি হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন।

উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, থুইসাপাড়ায় আটকা পড়ার পর থেকেই বিজিবি তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি থাকা-খাওয়া ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়েছে। পরে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে নিরাপদে উদ্ধার করে থানচিতে ফিরিয়ে আনে।

বিজিবির বান্দরবান সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও বিজিবির দায়িত্ব। যেকোনো দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা দিতে বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বন্যায় সাপের কামড়ে ৭৫ জন আ ক্রা ন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ পি.এম


চট্টগ্রামে বন্যায় সাপের কামড়ে ৭৫ জন আ ক্রা ন্ত

চট্টগ্রামে বন্যায় বর্তমানে সাপের কামড়ে মোট ৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া একই সময় ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আরও ২০ থেকে ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

রোববার (১২ জুলাই) এ বিষয়ে তথ্য নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান, বন্যাদুর্গত এলাকায় স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষ মেডিকেল টিম কাজ করছে।

এই মেডিকেল দল দুর্গত এলাকায় গিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করছে। বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো বিষয় হলো, প্লাবিত এলাকায় যদি কোনো গর্ভবতী নারী অথবা অসুস্থ শিশু থাকে, তাহলে তাদের নৌকায় করে হাসপাতালে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বন্যার কারণে আশ্রয়কেন্দ্র এবং বসতবাড়িতে সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় সাপের কামড়ের ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত যে ৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে সাপে কাটার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, একই সময়ে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে ২০ থেকে ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও তিনি উল্লেখ করেছেন যে পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক স্তরে পৌঁছায়নি, তবে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর দূষিত পানি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং স্যানিটেশন সমস্যার কারণে পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা যে রয়েছে তা তিনি জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%