বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪২ পি.এম
চার দশক ধরে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন তিনি। সহকর্মী থেকে শুরু করে তৃণমূলের অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে উঠেছে তার আত্মিক সম্পর্ক। অবসরে গেলেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৯ নম্বর কড়ইয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ সহকারী জাহানারা বেগম, দীর্ঘ ৪০ বছরের কর্মজীবনের ইতি টেনে।
কর্মজীবনের শেষ দিনটি ছিল একেবারেই অন্যরকম। আনুষ্ঠানিক বিদায়ের পাশাপাশি সহকর্মীদের ভালোবাসায় ফুলে ফুলে সাজানো হয়েছিল একটি গাড়ি। সেই গাড়িতে করেই কর্মস্থল থেকে তাকে বিদায় জানানো হয়। দীর্ঘদিনের সহকর্মীকে বিদায় দিতে গিয়ে অনেকের চোখেমুখে ছিল আবেগ ও স্মৃতির ছাপ।
বুধবার দুপুরে ৯ নম্বর কড়ইয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জাহানারা বেগমকে সম্মাননা ক্রেস্ট ও বিশেষ উপহার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চাঁদপুর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক মোস্তফা কামাল।
ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক সমীর চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে এবং উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নাছিম আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কচুয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মফিজুর রহমান, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম সওদাগর, নলুয়া বাজার ব্যবসায়ী ওয়াসিম, কচুয়া উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক সমীরন চন্দ্র সরকার।
এ সময় পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হোসাইন আহমেদ, শাহাদাত, নাছিমা, ইউসুফ আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে জাহানারা বেগম ৩/গ ইউনিট, সাহেদাপুর, দৌলতপুর, নলুয়া ও কহলথুরী এলাকায় পরিবার কল্যাণ কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করেছেন। তৃণমূল পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।
বিদায় অনুষ্ঠানে বক্তারা তার কর্মজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরে বলেন, তৃণমূল মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণসেবা নিশ্চিত করতে পরিবার কল্যাণ সহকারীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে জাহানারা বেগম সহকর্মী ও সেবাগ্রহীতাদের কাছে যে আস্থা তৈরি করেছেন, তা সহজে ভোলার নয়।
বিদায় সংবর্ধনার আগে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি মোস্তফা কামালসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সৌজন্যে আয়োজন করেন SACMO নাছিম আহমেদ, FPI সমীর রায় এবং পরিবার কল্যাণ সহকারী নাছিমা, ফাতেমা জুরিয়া, আনজুমান আরা ও খাদিজা পাবিলা।
চার দশকের কর্মজীবন শেষে বিদায়ের মুহূর্তে ফুলেল ভালোবাসা, সম্মাননা আর সহকর্মীদের আবেগঘন শুভেচ্ছায় সিক্ত হন জাহানারা বেগম। কর্মস্থল থেকে ফুলে সাজানো গাড়িতে তার বিদায়ের দৃশ্যটি উপস্থিত সবার মাঝে তৈরি করে এক আবেগঘন ও স্মরণীয় মুহূর্ত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের উদ্বোধন আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর জাপানের নাগোয়া শহরে হতে যাচ্ছে। তবে প্রবল বৃষ্টির কারণে ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ নারী দলের সামনে সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ম্যাচ না খেলেই।
বাংলাদেশের মেয়েরা সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে অংশগ্রহণ করবে। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকবে চীন। বাংলাদেশ ও চীনের ম্যাচটি জাপানের স্থানীয় সময় অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৯ টায় অনুষ্ঠিত হবে।
যদি বৃষ্টির কারণে ম্যাচ আয়োজন সম্ভব না হয়, তাহলে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে মাঠের ক্রিকেটে না খেলেই কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ী হবে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
বর্তমানে নাগোয়াতে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ম্যাচের পূর্বে বৃষ্টির কারণে বাংলাদেশের মেয়েরা পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন করতে পারেননি। যদি ২০ ওভারের ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব না হয়, তাহলে আম্পায়াররা সুপার ওভারে ম্যাচ আয়োজনের চেষ্টা করবেন।
এটি সম্ভব না হলে, র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার কারণে বাংলাদেশকে কোয়ার্টার ফাইনালে জয়ী ঘোষণা করা হবে। কারণ আইসিসির বর্তমান টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং অনুযায়ী বাংলাদেশ ১০ নম্বরে এবং চীন ৩৭ নম্বরে অবস্থান করছে। বাংলাদেশের মূল পরীক্ষাটি হবে সেমিফাইনালে, যেখানে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ ভারত।
ভারত গত আসরের চ্যাম্পিয়ন এবং সোনাজয়ী দল। সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ দল ভারতের কাছে পরাজিত হয়েছিল। তাই সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ পাবে বাংলাদেশের জ্যোতিরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র ভারতসহ ১০টি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে। এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য রাশিয়া ও ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করা। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে একটি বিল গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত ধাপ অতিক্রম করেছে এই বিষয়ে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ শীর্ষক প্রস্তাবিত বিলটির ওপর মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে চূড়ান্ত ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিলটি পাসের প্রাথমিক প্রক্রিয়া সংক্রান্ত প্রস্তাব ২১৪-২১১ ভোটে অনুমোদিত হয়। সিনেটে পূর্বে ৮৬-১১ ব্যবধানে পাস হওয়া আইনটি প্রতিনিধি পরিষদে চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা স্বাক্ষর করে আইনি রূপ দেবেন।
মার্কিন আইনপ্রণেতাদের জমা দেওয়া একটি সংশোধনীতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাশিয়ার তেল বা জ্বালানি পণ্য ক্রয় অব্যাহত রাখায় সম্ভাব্য এই মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া ১০টি দেশ হলো—ভারত, চীন, তুরস্ক, আজারবাইজান, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, কাজাখস্তান ও কিরগিজস্তান। ওয়াশিংটনের মূল উদ্দেশ্য হলো রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বাণিজ্য ও রাজস্ব আদায় সংকুচিত করে ইউক্রেন যুদ্ধে তাদের অর্থের যোগান পুরোপুরি বন্ধ করা।
এই বিলে রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান ও তাদের বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে তেল বহনে ব্যবহৃত গোপন ‘ছায়া বহর’ (শ্যাডো ফ্লিট)-এর ওপর কঠোর নজরদারি ও শাস্তির সিদ্ধান্ত রাখা হয়েছে। মার্কিন নীতিপ্রণেতারা মনে করছেন, ভারতসহ এশিয়ার শীর্ষ ক্রেতারা সরাসরি নিষেধাজ্ঞা এড়াতে বিকল্প উপায়ে তেল আমদানি চালু রাখায় এবার মিত্রদের ওপরও শুল্কের অস্ত্র ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
তবে হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য গ্রেগরি মিকস এই শুল্ক বিলের বিরুদ্ধে তীব্র আপত্তি তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই বিলটি পাস হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে শুল্ক চাপানোর অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা দেবে, যা শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটনের বৈশ্বিক জোট ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ধস নামাতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ফেলানী হলের শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের আধুনিকীকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শহীদ ফেলানী হলের নিচ তলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সহ আধুনিকায়ন করা রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী।
উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী উল্লেখ করেন, "শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে আমরা বদ্ধপরিকর। শহীদ ফেলানী হলের বিভিন্ন সমস্যা আমরা ধাপে ধাপে সমাধান করছি। গরমের দিনে বা পরীক্ষার সামনে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন, সেজন্য এসি রুম ও পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।"
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান এবং শহীদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোছা. সিফাত রুমানা সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও হলের সহকারী প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরে চুরি এবং ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক ঘটনার সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শহরজুড়ে সিসি ক্যামেরা বসানো হলেও, নিয়মিত তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেগুলো কার্যকরী অবস্থায় নেই। থানা পুলিশ জানাচ্ছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং সিসি ক্যামেরা পুনঃস্থাপনের জন্য পরিকল্পনা রয়েছে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা, বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বৃহত্তম উপজেলা। এর প্রশাসনিক কেন্দ্র এবং প্রধান শহরাঞ্চল হলো মঠবাড়িয়া পৌর শহর। প্রতিদিন বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রাম থেকে হাজার হাজার মানুষ শহরে আসেন নানা প্রয়োজনে।
বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধী শনাক্তে ২০২৪ সালে পুলিশ এবং পৌরসভা পুরো শহরকে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়। শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বেশ কিছু সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এসব ক্যামেরার মাধ্যমে শহরের সার্বিক পরিস্থিতি পুলিশ মনিটরিং সেল থেকে পর্যবেক্ষণ করা হতো।
কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পৌর শহরের অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা বিকল হয়ে যায় অথবা খোয়া যায়। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও পয়েন্টগুলোতে কার্যত নজরদারি বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে অপরাধীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। পাড়া-মহল্লা থেকে বসতবাড়ি— প্রায়ই ঘটছে চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধের ঘটনা। ব্যক্তিগত উদ্যোগে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরার ফুটেজে কিছু অপরাধী শনাক্ত হলেও, অধিকাংশই ধরা পড়ছে না। ফলে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং পৌরবাসী নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মন্তব্য করেছেন যে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং পৌরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঠবাড়িয়া পৌর শহরকে দ্রুত আবার সিসি ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে। এতে চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য সহজ হবে।
এ বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা অমল কৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন, পৌর শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসার জন্য তারা পরিকল্পনা করছেন, যাতে অপরাধ কমে আসে।
পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, তার জানা মতে, মঠবাড়িয়া পৌর শহরে আগে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সেগুলো চুরি হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে শহরে ক্যামেরা নেই। তিনি আরও জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি সভায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং পুরো জেলাকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ