বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৯ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন চলছে। এই বিশাল মঞ্চে, যেখানে ১৯৩টি দেশ অংশগ্রহণ করছে, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ মার্কিন টেক জায়ান্ট ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আলবানিজের অভিযোগ অনুসারে, ওপেনএআই-এর তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এজেন্ট জুন মাসে অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেয়ার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করেছিল। ওপেনএআই এই হ্যাকিংয়ের ঘটনা সরকারকে অবহিত করেছে চলতি মাসের শুরুতে।
তবে, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে যে এই এআই লঙ্ঘনের ঘটনায় কোনো ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত হয়নি। অস্ট্রেলিয়ান সিগন্যালস ডিরেক্টরেটের সহায়তায় তদন্ত চলছে, যাতে জানা যায় এই এজেন্ট কীভাবে সরকারের সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য তিনটি প্রতিষ্ঠানে অনুপ্রবেশ করেছে। প্রভাবিত হওয়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— অস্ট্রেলিয়ান ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার, ভিক্টোরিয়ান ডিপার্টমেন্ট অফ হেলথ, এবং নিউ সাউথ ওয়েলস ব্যুরো অফ ক্রাইম স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড রিসার্চ।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী এই পরিস্থিতিকে ‘স্পষ্টতই অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। আলবানিজ বলেন, তিনি ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টমানের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং এই ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ার চরম উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। একইসঙ্গে, কোম্পানির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে ঘটনাটি জানাতে অতিরিক্ত সময় নেওয়ার ঘটনায় তিনি তীব্র হতাশা প্রকাশ করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, গত ১০ সেপ্টেম্বরের আগে কোনো ধরনের নোটিফিকেশন পাওয়া যায়নি। এই নোটিফিকেশনটি একটি পাবলিক ইমেইল ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল, যা দিনে মাত্র একবার চেক করা হয়। ফলে ১১ সেপ্টেম্বরের আগে ইমেইলটি দেখা হয়নি। পরবর্তীতে ১৫ সেপ্টেম্বর সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়া বিষয়টি অস্ট্রেলিয়ান সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারে রিপোর্ট করে। এই নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ‘আইনি দিক’ খতিয়ে দেখতে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
যেভাবে ঘটেছিল হ্যাকিং
নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রিমিয়ার ক্রিস মিনস এবং ভিক্টোরিয়ার প্রিমিয়ার বেন ক্যারল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী আলবানিজ তাদের জানিয়েছেন যে ওপেনএআই-এর এই লঙ্ঘনের ঘটনাটি রাজ্যের ওয়েবসাইটগুলোকে প্রভাবিত করেছে।
উপ-প্রধানমন্ত্রী রিচার্ড মারলেস জানান, এআই এজেন্টটিকে স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা পরিসংখ্যান নিয়ে গবেষণার জন্য একটি ‘সাধারণ কাজ’ দেওয়া হয়েছিল। কাজ করতে গিয়ে এটি মেডিকেয়ার পোর্টালসহ অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলোতে প্রবেশ করে।
মারলেস বলেন, অন্যান্য সাইটগুলোর সঙ্গে এটি সাধারণ মানুষের মতো স্বাভাবিকভাবে কাজ করলেও সার্ভিসেস অস্ট্রেলিয়ার মেডিকেয়ার পোর্টালের ক্ষেত্রে তথ্য চেয়ে না পেয়ে এটি কার্যকরভাবে পোর্টালটি হ্যাক করে তথ্য হাতিয়ে নেয়। ওপেনএআই-এর মুখপাত্র ড্রু পুসারি জানিয়েছেন, কোম্পানিটি মডেলের অফলাইন কার্যকলাপ নিয়ে একটি বিস্তৃত পর্যালোচনা চালাচ্ছে এবং তদন্তে সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করেছে যে প্রাথমিক পর্যালোচনায় কোনো রোগীর রেকর্ড বা ব্যক্তিগত তথ্য অ্যাক্সেস করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তবে, ডিজিটাল রাইটস ওয়াচ এবং বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে এআই সুরক্ষার ক্ষেত্রে আরও কঠোর আইন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসের আবাসন ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না। খেলোয়াড়দের জন্য আবাসন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাপানের স্থানীয় বাসিন্দারাও। আয়োজকদের তৈরি আবাসন নিয়ে তাদের অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নাগোয়া টিভি টাওয়ারের নিকটবর্তী প্রোটোটাইপ কেবিন পরিদর্শন করার পর স্থানীয়রা এর নকশা নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। এই মডুলার কেবিনগুলো জাহাজের কনটেইনারের আদলে তৈরি করা হয়েছে এবং এর ভেতরের জায়গা নিয়ে মূল আপত্তি দেখা দিয়েছে।
৪৯ বছর বয়সী নার্স ওয়াদা রয়টার্সকে জানান, কেবিনের অভ্যন্তরীণ স্থানটি বেশ লম্বা ও সংকীর্ণ মনে হয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, যদি দুটি বিছানা থাকে, তাহলে জায়গাটি আরও সংকীর্ণ অনুভূত হবে। অন্যদিকে, বাসিন্দা আতসুকো সাসা মনে করেন, আবাসন ব্যবস্থার জন্য আয়োজকদের আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া উচিত ছিল।
আয়োজক কমিটি আইনাগোক সমালোচনার জবাবে জানিয়েছেন, ক্রীড়াবিদদের শারীরিক গঠনের বিষয়টি পরিকল্পনার সময় থেকেই মাথায় রাখা হয়েছে। বিছানার দৈর্ঘ্য বাড়ানোর সুবিধার্থে প্রতিটি কেবিনে একটি করে অটোমান রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আয়োজকদের দাবি, এর চেয়ে বড় কোনো কাঠামো ট্রাকে পরিবহন করা সম্ভব নয়। তাই বাজেট নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পরিবহন সুবিধার বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়ে এই কেবিনের নকশা করা হয়েছে।
আইচি-নাগোয়া এশিয়ান গেমসে প্রায় ১৭ হাজার ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তার আবাসনের জন্য হোটেল, কনটেইনার-স্টাইলের মডুলার কেবিন এবং একটি প্রমোদতরীর সমন্বয়ে আবাসন ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
সূত্র: রয়টার্স।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়ককে হকারমুক্ত ঘোষণা করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে, ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম উক্ত সড়কগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনের সময় ডিএসসিসি প্রশাসক স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হয়ে নর্থ সাউথ রোড পর্যন্ত মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না। তিনি সতর্ক করেন যে, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ বসলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, "আমরা বিভিন্ন হকার সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছি। তারা নিজেরাও স্বেচ্ছায় এসব মূল সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।" তিনি যোগ করেন, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় নগরবাসীকে ফুটপাত ও সড়কে স্বস্তি ফিরিয়ে দিতে চাওয়া হচ্ছে।
ডিএসসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন যে, কেবলমাত্র রমনা ভবন সংলগ্ন পূর্বপাশের ফুটপাতে সাধারণ মানুষের চলাচলের জায়গা রেখে নির্ধারিত জায়গায় নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধিত নির্দিষ্ট সংখ্যক হকার বসতে পারবেন। তিনি বলেন, "নির্ধারিত স্থান, সময়, সংখ্যা ও নিবন্ধনের বাইরে যত্রতত্র হকার বসে জনভোগান্তি তৈরির কোনো সুযোগ নেই।" নিয়মের ব্যত্যয় ঘটালে কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।
হকারদের নিবন্ধন ফি কমানোর দাবির বিষয়ে প্রশাসক জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনামা অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ডিএসসিসি প্রশাসক এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উপস্থিত থেকে পল্টন মোড় থেকে গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত মূল সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্তকরণ কার্যক্রম তদারকি করেন।
এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খয়বর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং হকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের অভিযোগে রেলওয়ে থানা পুলিশ পাঁচ যুবককে আটক করেছে। পুলিশের দাবি, আটককৃতরা বিভিন্ন ট্রেনে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের দক্ষিণ পাশে আউটার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদের নেতৃত্বে রেলওয়ে থানা পুলিশের একটি দল প্ল্যাটফর্ম ডিউটির পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় জনসম্মুখে গাঁজা সেবনের অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, আখাউড়া উপজেলার দেবগ্রাম এলাকার মো. সোহান (২১), একই এলাকার মো. সোহেল প্রকাশ রতন (২৫), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ইসলামপুর বড় বাকাইল এলাকার মো. আশিক মিয়া (২২), উত্তর শেখপুর এলাকার মো. শাকিল (২২) এবং শেরপুর (সগিরাপাড়া) এলাকার মো. পারভেজ (৩০)।
পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মো. সোহান ও মো. সোহেল প্রকাশ রতনকে এক বছর করে এবং মো. আশিক মিয়া, মো. শাকিল ও মো. পারভেজকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
আখাউড়া রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস জানান, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন ট্রেনে সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। রেলওয়ে স্টেশন ও এর আশপাশের এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) টানা তৃতীয় দিনের মতো শাটডাউন কর্মসূচি চলছে, যা সদ্য সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস, পরীক্ষা, গবেষণাগার এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ছয়টি বিভাগের বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা স্থগিত করা হয়েছে।
সকাল ৮টা থেকে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন। পরে তারা ফটকের পাশে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে জড়ো হন। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মানববন্ধন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলতে দেখা যায়।
পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী এজাজ মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানান, "অনেক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা চলছিল। এভাবে কর্মসূচি চলতে থাকলে সেশনজটের আশঙ্কা রয়েছে।" তবে তারা বিশ্বাস করেন যে, অধ্যাপক সায়েম উপাচার্য হিসেবে ফিরে এলে সেশনজট কমিয়ে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে সক্ষম হবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মঈনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, "আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকেরাও অংশ নিচ্ছেন। এ কারণে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।" আজ ছয়টি বিভাগে বিভিন্ন বর্ষ ও সেমিস্টারের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।
পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানান, "কোনো দৃশ্যমান কারণ ছাড়াই মাত্র ৫৬ দিনের মধ্যে অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।" তারা আবার উপাচার্য পদে পুনর্বহাল করার দাবি জানান এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, "তাদের দাবি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়। একজন উপাচার্যকে কেন এত অল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তন করা হলো, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা চান তারা।"
যেভাবে শুরু হয় আন্দোলন
গত সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদ থেকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে চুয়েটের নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর প্রতিবাদে ওই রাতেই শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরদিন মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে সর্বাত্মক শাটডাউন ও গণঅবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন তারা। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দিয়ে কর্মসূচি পালন করেন।
বুধবারও (২৩ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দিনের মতো শাটডাউন কর্মসূচি চলে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত শাটডাউন, গণঅবস্থানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ