ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কলকাতা থেকে দেশে ফিরল সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের মরদেহ


কলকাতা থেকে দেশে ফিরল সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রোটনের মরদেহ

ভারতের কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণকারী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ঢাকায় জানাজা শেষে মরদেহটি চট্টগ্রামের রাউজানে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে।

রোববার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের মাধ্যমে রোটনের মরদেহ দেশে আনা হয়। এ বিষয়ে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান তথ্য প্রদান করেছেন। মরদেহটি গ্রহণ করেন রোটনের স্ত্রী আরেফা সুলতানা।

এর আগে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে রোটন মারা যান। তার স্ত্রী জানিয়েছেন, রোটন ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুর ছয় দিন আগে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। চিকিৎসার জন্য তিনি দুই বছরের বেশি সময় ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন।

ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন শেষে রোটন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ২০২১ সালে তাকে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে টাঙ্গাইলের ছাত্রদল নেতা মিজানুর রহমানের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরার পথে টাঙ্গাইলের ছাত্রদল নেতা মিজানুর রহমানের প্রাণহানি

টাঙ্গাইলের মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মিজানুর রহমান প্রামাণিক (২২) মধুপুর পৌরসভার নয়াপাড়া এলাকার বাদশা প্রামাণিকের ছেলে এবং পৌর ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে শ্বশুরবাড়ি কুড়ালিয়া থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে মধুপুরে ফিরছিলেন মিজান। পথে ইউএনওর বাসভবনের সামনের সড়কের একটি উঁচু অংশে (স্পিড ব্রেকার) ধাক্কা লেগে তিনি মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়েন। এতে তার মাথার এক পাশে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে রোববার (১১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মিজানকে দাফন করা হয়।

এদিকে মিজানের মৃত্যুতে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

এ ছাড়া মধুপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিনসহ উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকার জাতির স্বার্থে সমন্বিত বন্দর কৌশল তৈরি করছে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


সরকার জাতির স্বার্থে সমন্বিত বন্দর কৌশল তৈরি করছে: নৌপরিবহনমন্ত্রী

জাতির বৃহত্তর স্বার্থ, অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসারকে সামনে রেখে ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজি বা জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বড় অংশ সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর ও স্থলবন্দর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত। সুতরাং, বন্দর ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়, দক্ষতা ও কার্যকর কৌশল নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সেমিনারে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া, বাংলাদেশে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস তাকাহাশি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন বন্দরের চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সংস্থা বা মন্ত্রণালয়ের কর্তৃত্ব ও দায়িত্বকে খাটো করে দেখা যাবে না। বরং সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বন্দর কর্তৃপক্ষ, সরকারি সংস্থা, ব্যবসায়ী, আমদানি-রপ্তানিকারক এবং বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে দেশের বৃহত্তর অর্থনৈতিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশের জন্য একটি সমন্বিত বন্দর ব্যবস্থাপনা কৌশল অনেক আগেই প্রণয়ন করা প্রয়োজন ছিল। অর্থনীতি ও বাণিজ্যের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো, পরিচালনব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা জরুরি হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিনের এই প্রয়োজন পূরণে সরকার এখন জাতীয় বন্দর কৌশল চূড়ান্ত করার দিকে এগোচ্ছে।

তিনি জানান, এ উদ্যোগে জাইকা ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা সহযোগিতা করছেন। বাংলাদেশের উন্নয়ন অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা জাপান সরকারের সহযোগী সংস্থা জাইকা এবার বন্দর কৌশল প্রণয়নেও পাশে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতামত ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে একটি কার্যকর কৌশলপত্র তৈরি করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তার ভাষ্য, জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া। কোনো মন্ত্রণালয় বা সংস্থার নিজস্ব কর্তৃত্ব, দায়িত্ব কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক অবস্থান যেন সমন্বিত উদ্যোগের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তবে এর অর্থ কোনো কর্তৃপক্ষের আইনগত দায়িত্ব বা কার্যক্রমের পরিধি উপেক্ষা করা নয়। বরং বিদ্যমান দায়িত্ব ও কাঠামোর মধ্যে থেকেই পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের সমুদ্রবন্দর, নদীবন্দর ও স্থলবন্দর পৃথক পৃথক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এসব বন্দরের কার্যক্রমের সঙ্গে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), কাস্টমস এবং আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নে সব পক্ষের মতামত নেওয়া প্রয়োজন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের স্বার্থকে এককভাবে প্রাধান্য দিয়ে কৌশলপত্র তৈরি করা হলে তা কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জনের পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। বন্দর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত সব প্রতিষ্ঠান ও অংশীজনের দায়িত্ব, প্রয়োজন ও স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের কাজ হবে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা, ভবিষ্যৎ বাণিজ্যের সম্ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার আলোকে কার্যকর সুপারিশ তুলে ধরা।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন বন্দরের কনটেইনার পরিচালনা ও টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগকে আরও কার্যকর করতে হলে বন্দর পরিচালনা, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে।

আন্তর্জাতিক বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা বাড়ছে।

ডিপি ওয়ার্ল্ড, ডেনমার্কের এপি মোলার এবং সিঙ্গাপুরের পিএসএ-সংশ্লিষ্ট উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের বন্দরগুলোর দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে এ ধরনের উদ্যোগের সুফল পেতে হলে সমন্বিত নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন।

মন্ত্রী বলেন, বন্দর ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়লে শুধু আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমই সহজ হবে না, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বন্দরকেন্দ্রিক পরিবহন, সরবরাহব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উদ্যোক্তাদের কার্যক্রম আরও গতিশীল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। ফলে জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নে দেশের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও আমদানি-রপ্তানিকারকদের প্রয়োজন ও স্বার্থ যথাযথভাবে বিবেচনায় নিতে হবে।

তিনি বলেন, বন্দরের উন্নয়নকে কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। টার্মিনাল পরিচালনা, কনটেইনার হ্যান্ডলিং, পণ্য খালাস, পরিবহন সংযোগ, কাস্টমস কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট সেবাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করে বন্দর ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উপযোগী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা সম্ভব হবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে মনে রাখতে হবে, এটি কেবল একটি মন্ত্রণালয় বা কোনো নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিষয় নয়। দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য এ কৌশলের গুরুত্ব অনেক বেশি। তাই ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক বা সংকীর্ণ স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি এ উদ্যোগে অংশগ্রহণকারী দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং জাইকার প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়নের কাজে সংশ্লিষ্টদের মেধা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সর্বোত্তম ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর ও সমন্বিত জাতীয় বন্দর কৌশল প্রণয়ন করা সম্ভব হবে। এ কৌশল দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার এবং জাতীয় অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বন্দরগুলোর রয়েছে দীর্ঘ ঐতিহাসিক ঐতিহ্য। বহু বছর ধরে এসব বন্দরকে কেন্দ্র করে নৌযান চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে। সময়ের সঙ্গে পৃথিবী এগিয়েছে, বাংলাদেশও এগিয়েছে। দেশের বন্দর অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পরিধি বেড়েছে। এখন সময়ের চাহিদা অনুযায়ী বন্দর ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত ও কার্যকর করার।

তিনি বলেন, দেশের বন্দরগুলোকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে হলে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সমাধান বের করতে হবে। শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন করলেই হবে না, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বৃদ্ধি, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।

সেমিনারে নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া, বাংলাদেশে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস তাকাহাশি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন বন্দরের চেয়ারম্যান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মঠবাড়িয়ায় ট্রলি ব্যাগে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার, যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


মঠবাড়িয়ায় ট্রলি ব্যাগে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার, যুবক গ্রেপ্তার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে একটি ট্রলি ব্যাগ থেকে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় সুভ সাচকী (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপরদিকে, অলিউর রহমান (৪৯) নামে আরেক ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) মঠবাড়িয়া থানা-পুলিশের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পিরোজপুরের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে মঠবাড়িয়া থানা-পুলিশের একটি দল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১০ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চালিতাবুনিয়া গ্রামের একটি বসতঘরে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সময় ঘরের একটি ট্রলি ব্যাগের ভেতর থেকে তিনটি প্যাকেটে রাখা ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় সুভ সাচকীকে গ্রেপ্তার করা হলেও অলিউর রহমান পালিয়ে যান।

এ ঘটনায় মঠবাড়িয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী আরটিভিকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সুভ সাচকীকে চার কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাকে রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তির পর গুরুতর অভিযোগ তুললেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


মুক্তির পর গুরুতর অভিযোগ তুললেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে চলছে ধরপাকড়ের অভিযান। জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি গতকাল পুলিশের হাতে আটক হন। রাতে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি ভিডিওবার্তায় রাঠি দাবি করেন, তাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল।

তিনি তার পোস্টের ক্যাপশনে লেখেন, "আমাকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি, আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল।"

কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, শনিবার রাত ৩টার সময় রাঠিকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর কেন্দ্রীয় বিহার সোসাইটির তার বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

ভিডিওবার্তায় রাঠি একটি পাসপোর্ট প্রদর্শন করেন, যা তিনি দাবি করেন তার ভারতীয় পাসপোর্ট। তিনি বলেন, তিনি একজন বিদেশি নাগরিক, যিনি বিক্ষোভে অংশ নিতে চেয়েছিলেন—এমন খবরের সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, "আমি একজন ভারতীয় নাগরিক এবং একজন সাধারণ নাগরিকের যে অধিকার রয়েছে, আমারও সেই একই অধিকার রয়েছে।"

তিনি অভিযোগ করেন, শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে, যখন তিনি ঘুমাচ্ছিলেন, তখন তার মা দরজা খুলেছিলেন, কারণ বাইরে বেশ কয়েকজন লোক ঘোরাফেরা করছিল। তার দাবি, তারা পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন না, বরং সাধারণ পোশাকে থাকা লোকজন ছিলেন। তিনি বলেন, প্রায় ২০ জন হঠাৎ করে বাড়ির ভেতরে ঢুকে পড়ে।

তিনি বলেন, "আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই এই লোকেরা আক্ষরিক অর্থে আমাকে অপহরণ করে। আমি এখানে অপহরণ শব্দটি ব্যবহার করছি, কারণ এটি কোনো গ্রেপ্তার নয়।"

তিনি আরও বলেন, "যদি আমি বিক্ষোভে যেতাম, তাহলে আমাকে আটক করা হতো।" তার অভিযোগ, নেমপ্লেট ছাড়া কিছু ‘গুণ্ডাকে’ পাঠানো হয়েছিল তাকে ‘অপহরণ’ করার জন্য।

তিনি বলেন, "তারা আমাকে সোজাসুজি টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়। মানে, একটু কল্পনা করে দেখুন, একজন অপরাধীকে যেভাবে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা আমাকে শোবার ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে। সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামিয়ে নিয়ে যায়। এখানে আমি গুরুতরভাবে আহত হয়েছি। আমার সারা শরীরে এ ধরনের ক্ষত রয়েছে।"

রাঠি আরও অভিযোগ করেন যে তাকে তার আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, "আপনারা কি এমন কোনো গণতান্ত্রিক দেশের কথা শুনেছেন, যেখানে একজন সাধারণ নাগরিক কোনো আইন ভাঙেননি, যিনি শুধু সত্যের পক্ষে এবং দেশের কল্যাণের জন্য নিজের কণ্ঠস্বর তুলেছেন, যিনি একটি উন্নত নির্বাচন কমিশনের দাবি জানিয়েছেন, তাকে তার নিজের বাড়ির শোবার ঘর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়, অপহরণ করা হয়, তার বাবা-মাকে মারধর করা হয় এবং তারপর এভাবে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়?"

তিনি পরিস্থিতিটিকে একটি ‘অনানুষ্ঠানিক জরুরি অবস্থা’ বলে অভিহিত করেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ‘দেশকে একনায়কতন্ত্রে পরিণত করার’ অভিযোগ তোলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%