শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:০৮ পি.এম
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন করতে আগ্রহী ব্যক্তিরা আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন জমা দিতে পারবেন।
পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট রিলেশনশিপ ম্যানেজার (আপ টু এসইও)।
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি।
অভিজ্ঞতা: প্রার্থীদের জন্য কমপক্ষে ৩ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে কাজ করতে হবে।
প্রার্থীর ধরন: নারী এবং পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।
বয়সসীমা: বয়সের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সীমা উল্লেখ করা হয়নি।
কর্মস্থল: চট্টগ্রাম শহরে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করার জন্য এখানে ক্লিক লিঙ্কে ক্লিক করতে পারেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে এক বাবা বিষপান করেছেন, যার ফলে তিন সন্তানও মৃত্যুবরণ করেছে। বিষক্রিয়ার কারণে গুরুতর অবস্থায় থাকা বাবা বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাদক ও জুয়ায় আসক্ত বাবা শরাফত আলী নিজের সন্তানদের খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ান। এরপর তিনি নিজেও বিষপান করেন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে প্রতিবেশী ও স্বজনরা তিন শিশুকে এবং বাবাকে উদ্ধার করে প্রথমে নিকটস্থ বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিনের কাছে নিয়ে যান এবং পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
মৃত তিন শিশুর মধ্যে রয়েছে, মেয়ে মাওয়া (১০) এবং দুই ছেলে তামিম (৭) ও শামিম (২)।
তাহিরপুর সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফৌজিয়া জানান, ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘটনা রাত ১টা বা দেড়টার দিকে ঘটেছে। পরে সকাল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে তিন সন্তান ও বাবাকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর দেখা যায়, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তিনটি শিশু মারা গেছে। বাবাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেশী ও আত্মীয় রনু মিয়া বলেন, শরাফত মিয়ার স্ত্রী সৌদি আরবে প্রবাসী। ঘটনার দিন তিনি তিন শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় বড়ছড়া বাজারে যান। বাড়ি ফেরার পথে তিনি বিরিয়ানি নিয়ে আসেন। ধারণা করা হচ্ছে, বিরিয়ানির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তা সন্তানদের খাইয়ে নিজেও খান। তিনি আরও জানান, শরাফত জুয়ায় ও মাদকে আসক্ত।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, তিন শিশুর মরদেহ বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতির পর মরদেহগুলো সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আশপাশে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শরাফত মিয়া জুয়ায় ও মাদকে আসক্ত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে অপ্রতিম (১৩) মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়ে গেছে।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে শিশুটির কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।
অপ্রতিম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার এই ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জিডি সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে হেঁটে বের হয় অপ্রতিম। এরপর সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তাকে উদ্ধারে পুলিশসহ স্বজনরা তৎপর রয়েছে।
অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেকে আমি খুঁজে পাচ্ছি না। ওর নাম অপ্রতিম। বয়স ১৩, ক্লাস সেভেনে পড়ে। হারানোর সময় পরনের পাঞ্জাবি ছিল গায়ে। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাতজোড় করছি, আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি।’
সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, ‘অপ্রতিমকে খুঁজতে কাজ করছে পুলিশ। তার সর্বশেষ অবস্থানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার সিসিটিভি নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’
অপ্রতিমের সন্ধান পেলে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার ০১৭১৯-৬২৫৬৯০ অথবা মা ড. নাহিদা বেগমের ০১৯৭৪-৮৮৮৬৬৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উত্তর আন্দামান সাগর ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে লঘুচাপের সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই লঘুচাপ ঘনীভূত হতে পারে, যার ফলে আগামী ৫ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে আগামীকাল রোববার সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
এছাড়া মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণও হতে পারে। এই দিনে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
পরবর্তী বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সময়ে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজারের দানবাক্সের টাকা গণনা আবার শুরু হয়েছে। সর্বশেষ ১৫ আগস্ট টাকা গণনার পর ৩৪ দিন পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে মাজারের দানবাক্স (ডেগচি) থেকে টাকা তুলে দরগাহ মসজিদের বারান্দায় গণনা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
গণনার সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুন, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ। এ ছাড়া মাদরাসার শিক্ষার্থীরা, মাজার কমিটির সদস্যবৃন্দ ও জেলা প্রশাসনের কর্মচারীরাও এই গণনায় অংশগ্রহণ করেন।
এর আগে, গত ২২ জুন মাজারের প্রায় ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্সের টাকা গণনা করা হয়েছিল। সেদিন মাজারের চারটি এবং জেলা প্রশাসনের স্থাপন করা চারটি দানবাক্স ডাবল লক অবস্থায় খোলা হয়। এসব দানবাক্স থেকে নগদ ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ৭ আনা স্বর্ণালঙ্কার ও ২টি সৌদি রিয়ালও পাওয়া যায়।
পরে জেলা প্রশাসনের ফান্ড থেকে সাবেক জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম আরও ৫ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। এতে মোট অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। এই অর্থ হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর নামে সোনালী ব্যাংকের করপোরেট শাখায় জমা দেওয়া হয়।
এর ১৮ দিন পর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হলে ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা পাওয়া যায়। এ সময় ১৩৫ সৌদি রিয়াল, ২ হাজার ৫৩২ ভারতীয় রুপি, ৫৪ দশমিক ২ দিরহাম, ১ দিনার ৪৫০ পয়সা ওমানি মুদ্রা, ৪ হাজার ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া, ২০ মার্কিন ডলার, ২০ হংকং ডলার, ২০ ইউরো, ১০ সিঙ্গাপুর ডলার, ২২ কাতারি রিয়াল, ৬ মালয়েশিয়ান রিংগিত ও ৬০ পাকিস্তানি রুপি উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া দানবাক্স থেকে ৯ গ্রাম সোনা, ১০ গ্রাম সোনাসদৃশ বস্তু এবং ৩৯ দশমিক ৪ গ্রাম রূপাও উদ্ধার করা হয়।
সর্বশেষ ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় দানবাক্স খোলা হলে ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা পাওয়া যায়। একই সঙ্গে সোনা, রূপাসহ বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও উদ্ধার করা হয়।
৩৪ দিন পর শনিবার আবারও দানবাক্সের টাকা গণনা শুরু হওয়ায় এবার কত অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী পাওয়া যাবে, তা গণনা শেষে জানা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ