ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই বাংলাদেশে


কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই বাংলাদেশে

কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই বাংলাদেশ সফরে আসছেন। তিনি ১১ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবেন। সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো কানাডা ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করা, যা শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত অংশীদারির মাধ্যমে সম্ভব হবে।

প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সারাই ঢাকা ও কক্সবাজারে কানাডার সহায়তায় বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করবেন। সফরের সময় কানাডার আন্তর্জাতিক সহায়তা কিভাবে বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নারী ও যুবসমাজের জন্য সুযোগ সম্প্রসারণে সহায়তা করছে, তা তুলে ধরা হবে।

এসব উদ্যোগ টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করছে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে কানাডা ৬.৩ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারেরও বেশি উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করেছে। এর মধ্যে ব্র্যাক ও আইসিডিডিআর,বি’র মতো বাংলাদেশভিত্তিক এনজিও/সংস্থার কার্যক্রমে কানাডার দীর্ঘকালীন সমর্থন উল্লেখযোগ্য। পরবর্তীতে এসব প্রতিষ্ঠান বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত ও সম্মানিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

দীর্ঘদিনের এই উন্নয়ন অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কানাডা বাংলাদেশে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করার সম্ভাবনা দেখছে।

২০২৫ সালে কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ৪ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার ছাড়িয়ে যাবে। সুশাসন, নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক কাঠামোর উন্নয়ন ও সংস্কার অব্যাহত থাকলে স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা বাড়বে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা তৈরি হবে এবং উভয় দেশের জন্য পারস্পরিক সমৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণের এই সময়ে কানাডার অংশীদারত্ব স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জেন্ডার সমতা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

কক্সবাজার সফরের সময় প্রতিমন্ত্রী সারাই রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন এবং চলমান সংকট মোকাবিলায় নিয়োজিত অংশীজনদের কাছ থেকে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হবেন।

২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় কানাডা ৬০০ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারেরও বেশি সহায়তা প্রদান করেছে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং বাংলাদেশের আশ্রয়দাতা জনগণের জন্য উল্লেখযোগ্য সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কানাডা মানবিক সহায়তার ক্ষেত্রে তার অঙ্গীকার অব্যাহত রাখবে এবং অভিন্ন সমৃদ্ধি, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করে যাবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল ও ক্যাম্পাস উৎসবে বাড়ছে গুলির আতংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০০ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল ও ক্যাম্পাস উৎসবে বাড়ছে গুলির আতংক

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুল ও কলেজের ফুটবল খেলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বার্ষিক উৎসবকে কেন্দ্র করে বন্দুক হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আনন্দ ও উল্লাসের পরিবেশে, গুলির শব্দ আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে। গত ১৮ বছরের মধ্যে ফুটবল খেলা ও বার্ষিক উৎসবের সাথে সম্পর্কিত অন্তত ৮৬টি গুলির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় ৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১৪৯ জন আহত হয়েছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। ২০০৮ সাল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুলির ঘটনা নিয়ে সংরক্ষিত তথ্য বিশ্লেষণ করে তারা জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরনের ঘটনা আরও বেড়েছে। ৮৬টি ঘটনার মধ্যে ৬৩টি ঘটেছে ২০২১ সাল থেকে।

২০২৪ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের টাস্কেগি বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনায় ১৮ বছর বয়সী এক তরুণ প্রাণ হারান। বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গুলিতে অন্তত ১৬ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষার্থী আমায়া ওয়েমোন।

ঘটনার সময় তিনি বন্ধুর সঙ্গে ক্যাম্পাসের একটি আবাসিক ভবনের বাইরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ছিলেন। ভিড়ের মধ্যে অস্বস্তি বোধ করায় তারা এক বন্ধুর বাসার বারান্দায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন। কিন্তু তার আগেই গুলির শব্দ শোনা যায়। প্রাণ বাঁচাতে গাড়ির নিচে আশ্রয় নিতে গিয়ে পায়ে আঘাত পান আমায়া।

তিনি বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উদ্‌যাপন আনন্দ, গর্ব ও প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা থাকার কথা ছিল। অথচ অচেনা একজন ক্যাম্পাসে এসে এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটিয়েছেন।"

সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের চলতি বছরে ফুটবল খেলা ও বার্ষিক উৎসবের সাথে সম্পর্কিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে অন্তত তিনটি গুলির ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। তবে গত সপ্তাহে জর্জিয়ার একটি উচ্চবিদ্যালয়ের বার্ষিক উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত উন্মুক্ত অনুষ্ঠানে যে ব্যাপক গুলির ঘটনা ঘটে, সেটি এই হিসাবের অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ, ঘটনাটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে ঘটেনি।

শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, নিরাপদে আনন্দ করার সুযোগ ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। তাদের মতে, ফুটবল খেলা বা উৎসব নিজে বন্দুক হামলার কারণ নয়। বরং এসব আয়োজনে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। আগে থেকে থাকা ব্যক্তিগত বিরোধ বা স্থানীয় সংঘাত সেখানে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্দুক সহিংসতাবিষয়ক অধ্যাপক সোনালি রাজন বলেন, "ফুটবল খেলা নিজেই বিপজ্জনক—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো তথ্য নেই। বরং রাতে আয়োজিত অনুষ্ঠান, মানুষের ভিড় এবং কখনো কখনো মদ্যপানের কারণে বিরোধের সূত্রপাত হতে পারে। সাধারণ কোনো বিবাদে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হলে তার পরিণতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে।"

গবেষকদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গুলির অধিকাংশ ঘটনাই আগে থেকে পরিকল্পিত হামলা নয়। ব্যক্তিগত বিরোধ, পারিবারিক সহিংসতা, অপরাধী চক্রের সংঘাত কিংবা ছোটখাটো অপরাধ থেকে এসব ঘটনা ঘটতে পারে। দারিদ্র্য, সাশ্রয়ী আবাসনের অভাব এবং বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যাও সামগ্রিক সহিংসতার সঙ্গে সম্পর্কিত।

নিউইয়র্কের ঐতিহাসিক কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বার্ষিক উৎসব ঘিরে গুলির ঘটনা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক। বন্দুক সহিংসতা প্রতিরোধ নিয়ে কাজ করা সংস্থা এভরিটাউনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলেজ পর্যায়ে বার্ষিক উৎসবের সপ্তাহে সংঘটিত গুলির ৮০ শতাংশের বেশি ঘটনা ঘটেছে ঐতিহাসিক কৃষ্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে।

সিএনএনের তথ্য বিশ্লেষণেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। ২০০৮ সাল থেকে বার্ষিক উৎসবের সাথে সংশ্লিষ্ট, তবে ফুটবল খেলার বাইরে সংঘটিত ১৪টি গুলির ঘটনার মধ্যে মাত্র একটি ছাড়া বাকি সবই ঘটেছে ঐতিহাসিক কৃষ্ণাঙ্গ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

টাস্কেগি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনার এক সপ্তাহ আগে উত্তর ক্যারোলাইনার শ ইউনিভার্সিটিতে গুলিতে একজন আহত হন। ২০২৪ সালের অক্টোবরের আগের মাসে নর্থ ক্যারোলাইনা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি, আরকানসাস বিশ্ববিদ্যালয়ের পাইন ব্লাফ শাখা এবং জর্জিয়ার আলবানি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে বার্ষিক উৎসব ঘিরে গুলির ঘটনায় একজন নিহত ও ১০ জন আহত হন।

২০২৩ সালের অক্টোবরে এক সপ্তাহের মধ্যে মেরিল্যান্ডের মরগান স্টেট ইউনিভার্সিটি ও বোয়ি স্টেট ইউনিভার্সিটির বার্ষিক উৎসবেও গুলির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে মরগান স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ২০২২ সালেও উৎসব ঘিরে গুলিতে একজন আহত হয়েছিলেন।

এভরিটাউনের গবেষণা উপপরিচালক মেগান ও’টুল বলেন, "শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমানা ও আশপাশের এলাকার মধ্যে সহিংসতার যোগসূত্র রয়েছে। তাই ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে আশপাশের এলাকার সহিংসতা মোকাবিলার দিকেও নজর দিতে হবে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় স্কুল পর্যায়ের ফুটবল খেলায় গুলির ঘটনা বেশি। সিএনএনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ফুটবল খেলার সাথে সংশ্লিষ্ট মাত্র চারটি গুলির ঘটনা শনাক্ত করা হয়েছে। বিপরীতে প্রাথমিক থেকে উচ্চবিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফুটবল খেলা ঘিরে এমন ঘটনার সংখ্যা প্রায় ৭০।

এসব ঘটনায় কখনো খেলোয়াড় ও দর্শকদের প্রাণ বাঁচাতে দৌড়াতে দেখা গেছে, কখনো শিক্ষার্থীরা গ্যালারির আসনের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। মাঠে থাকা খেলোয়াড়েরাও গুলি থেকে বাঁচতে নিচু হয়ে পড়েছেন।

গবেষক ডেভিড রিডম্যানের মতে, বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল প্রতিযোগিতায় সাধারণত নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকে। কিন্তু অনেক উচ্চবিদ্যালয়ের খেলায় গুলির ঘটনা ঘটে গাড়ি রাখার জায়গায়। ফলে মাঠের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলেও আশপাশের এলাকায় হামলার ঝুঁকি থেকে যায়।

শুধু ফুটবল নয়, শীতকালে বাস্কেটবল খেলাকে কেন্দ্র করেও গুলির ঘটনা ঘটেছে। ২০০৮ সাল থেকে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বাস্কেটবল খেলা সংশ্লিষ্ট অন্তত ৩৪টি গুলির ঘটনা শনাক্ত করেছে সিএনএন। এসব ঘটনায় অন্তত নয়জন নিহত এবং ৪৫ জন আহত হয়েছেন।

এছাড়া ২০২৪ সালের অক্টোবরের এক শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে তরুণদের ফুটবল খেলা ঘিরে তিনটি পৃথক গুলির ঘটনায় দুজন নিহত ও দুজন আহত হন। ২০০৮ সাল থেকে তরুণদের ফুটবল আয়োজন ঘিরে অন্তত ১০টি গুলির ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। স্থানীয় পুলিশ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া আয়োজকদের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও কার্যকর প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রয়োজন। পাশাপাশি সহিংসতার মূল কারণগুলো মোকাবিলা এবং বিপজ্জনক ব্যক্তিদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র পৌঁছানো ঠেকাতে কার্যকর নীতিমালা দরকার।

ডেভিড রিডম্যান মনে করেন, বড় পেশাদার ফুটবল সংস্থাগুলো চাইলে স্থানীয় পুলিশ, স্কুল ও তরুণদের ক্রীড়া আয়োজকদের সহায়তায় নিরাপত্তাবিষয়ক নির্দেশিকা তৈরি করতে পারে।

টাস্কেগি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আমায়া ওয়েমোনের মতে, সহিংসতা ঘটার পরই কেবল বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়; অথচ স্বাভাবিক সময়ে, কোনো ঘটনা ঘটার আগেই প্রতিরোধের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

বর্তমানে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করছেন আমায়া। ভবিষ্যতে আইনজীবী হওয়ার ইচ্ছা তার। ২০২৫ সালের বার্ষিক উৎসবে তিনি অংশ নেননি; হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি জননীতি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। তবে এ বছরের উৎসবে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

সূত্র: সিএনএন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বড় পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০১ পি.এম


ফায়ার সার্ভিসের বদলি নীতিমালায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বড় পরিবর্তন

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পদায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে নতুন নীতিমালা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নতুন নীতিমালার আওতায়, একই কর্মস্থলে একটানা তিন বছরের বেশি চাকরি করলে কর্মচারীরা বদলির জন্য যোগ্য হবেন। তবে প্রশাসনিক কারণে বদলির ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

গত ৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অগ্নি-১ শাখা থেকে ‘অগ্নি নির্বাপণ ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তরের কর্মচারীগণের বদলি ও পদায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে।

এই নীতিমালায় স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। নীতিমালাটি অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নতুন নীতিমালায় ২০২৩ সালের বদলি ও পদায়ন নীতিমালা (সংশোধিত ২০২৪) বাতিল করা হয়েছে। অধিদপ্তরের অস্থায়ী ও স্থায়ী পদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি অন্যত্র প্রেষণ বা লিয়েনে নিয়োজিত কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও এর শর্ত প্রযোজ্য হবে।

তবে উন্নয়ন প্রকল্পে চুক্তিভিত্তিক, আউটসোর্সিং বা দৈনিক হাজিরাভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে এই নীতিমালার শর্ত মানার বাধ্যবাধকতা থাকবে না।

নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, পঞ্চম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মচারীদের বদলি ও পদায়ন মন্ত্রণালয় নিষ্পত্তি করবে। ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই দায়িত্ব পালন করবে অধিদপ্তর। বদলির আবেদন বিবেচনায় জ্যেষ্ঠতা, শৃঙ্খলা ও দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

১২তম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কোনো কর্মচারীকে নিজ জেলায় বদলি বা পদায়ন করা যাবে না। তবে ১৩তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের নিজ উপজেলা বাদে নিজ জেলার মধ্যে স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি দপ্তর বা স্টেশনে পদায়ন করা যাবে।

নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে, নিজ বিভাগের অন্য জেলায় এবং সেখানে সম্ভব না হলে পার্শ্ববর্তী বিভাগের স্থায়ী ঠিকানার কাছাকাছি দপ্তর বা স্টেশনে বদলি করা যাবে।

একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি কর্মরত থাকলে সাধারণভাবে কর্মচারীরা বদলিযোগ্য হবেন। এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এবং হাওর, দ্বীপ ও চর উপজেলায় স্থায়ী অধিবাসী নন, এমন কর্মচারীদের ক্ষেত্রে চাকরির মেয়াদ দুই বছরের বেশি হলে বদলি বা পদায়নের বিধান রাখা হয়েছে। তবে প্রশাসনিক কারণে বদলির ক্ষেত্রে এসব মেয়াদসংক্রান্ত শর্ত প্রযোজ্য হবে না।

স্টেশন অফিসার বা সমমানের পদ থেকে তদূর্ধ্ব পদের কর্মচারীদের নিজ জেলায় বদলি বা পদায়ন করা যাবে না। তবে মহানগর বা সিটি করপোরেশন এলাকায় পদায়নের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য হবে না। এ ক্ষেত্রে সমগ্র চাকরিজীবনে একজন কর্মচারীকে সর্বোচ্চ দুইবার এ ধরনের বদলি বা পদায়ন করা যাবে।

জনস্বার্থে বদলির ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় যেকোনো দপ্তর বা স্টেশনে কর্মচারীকে বদলি বা পদায়ন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ বদলির শর্ত প্রযোজ্য হবে না। তবে প্রশাসনিক কারণে বদলি করা হলে তিন বছরের মধ্যে বদলি বা পারস্পরিক বদলির জন্য আবেদন করা যাবে না।

নিজস্ব স্বার্থে বদলির ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। স্বামী-স্ত্রী দুজন চাকরিজীবী হলে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই কর্মস্থলে বা কাছাকাছি জেলা কিংবা উপজেলায় পদায়নের বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে।

কর্মচারী নিজে অথবা তার বাবা-মা, স্বামী-স্ত্রী কিংবা সন্তানের দুরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে চিকিৎসার সুবিধার্থে উপযুক্ত স্থানে বদলি বা পদায়নেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

অবসরোত্তর ছুটি শুরু হতে ১৩ মাসের কম সময় বাকি থাকলে জনস্বার্থ বা প্রশাসনিক প্রয়োজনে অত্যাবশ্যক না হলে কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্মচারী দায়িত্ব পালনে অনুপযুক্ত বা অক্ষম বিবেচিত না হলে আবেদন ছাড়া অন্য কর্মস্থলে বদলি করা যাবে না।

পেনশন-সংক্রান্ত সুবিধার জন্য অবসরোত্তর ছুটি শুরুর ১৩ মাস আগে নিজ জেলা বা আবেদিত জেলায় বদলির সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে জনস্বার্থ ব্যাহত হওয়ার বা প্রশাসনিক অসুবিধা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকলে এসব সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।

মানবিক বা অন্য কোনো কারণে বদলি বা পদায়নের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য মহাপরিচালকের কাছে সমগ্র চাকরিজীবনে অবসর ব্যতীত সর্বোচ্চ দুইবার আবেদন করা যাবে।

একই পদে কর্মরত দুজন কর্মচারীর সন্তোষজনক চাকরির রেকর্ড ও উভয়ের সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকলে পারস্পরিক বদলির সুযোগ থাকবে। এ ক্ষেত্রে সাধারণ বদলি ও পদায়নের শর্তও অনুসরণ করতে হবে।

নবনিযুক্ত কর্মচারীদের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে জনবলস্বল্পতাসম্পন্ন বিভাগে পদায়নের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান রয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মচারীদের পদায়নের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে কর্মক্ষেত্র পরিবর্তন করতে হবে। অন্যদিকে, লিয়েন, প্রেষণ বা শিক্ষাছুটি শেষে অধিদপ্তরে যোগদান করলে পূর্বের কর্মস্থল ছাড়া অন্যত্র পদায়ন করতে হবে। শিক্ষাছুটি থেকে ফেরা কর্মচারীদের অর্জিত জ্ঞান ও প্রশিক্ষণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মস্থলে পদায়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

অধিদপ্তরের সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতা, বিশেষায়িত ইউনিট পরিচালনা এবং অপারেশনাল ও দাপ্তরিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে কোনো কর্মচারীকে এক বছরের জন্য সংযুক্ত করা যাবে।

জনস্বার্থে কর্তৃপক্ষ এ মেয়াদ আরও সর্বোচ্চ এক বছর বাড়াতে পারবে। তবে প্রশাসনিক শৃঙ্খলাজনিত কারণে বদলি হওয়া কর্মচারীকে তিন বছরের মধ্যে অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ বা দক্ষতা উন্নয়নের উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কোনো সংযুক্তি দেওয়া যাবে না।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, বদলি ও পদায়নের প্রস্তাব অধিদপ্তরের পরিচালকের (প্রশাসন ও অর্থ) মাধ্যমে মহাপরিচালকের কাছে উপস্থাপন করতে হবে।

নীতিমালা বাস্তবায়নে কোনো অসুবিধা দেখা দিলে বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার ৩২ রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে বাস চলবে শৃঙ্খলা ফেরাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০১ পি.এম


ঢাকার ৩২ রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি পদ্ধতিতে বাস চলবে শৃঙ্খলা ফেরাতে

রাজধানী ঢাকার গণপরিবহণে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার ৩২টি রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রাথমিকভাবে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে দুটি রুটে এই ব্যবস্থা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, দুই মাসের মধ্যে ৩২টি রুটের ফ্র্যাঞ্চাইজি নির্ধারণ এবং ছয় মাসের মধ্যে পুরো কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় বাস রুট পুনর্বিন্যাস, কোম্পানিভিত্তিক পরিবহণ পরিচালনা, নির্দিষ্ট বাস স্টপেজ নির্মাণ, ই-টিকিটিং চালু এবং পুরোনো বাসের মান উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

উপস্থিত তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় অনুমোদিত ৪১৮টি বাস রুটের মধ্যে বর্তমানে ৯৮টি সচল রয়েছে। এই রুটগুলোতে বিভিন্ন কোম্পানির পাশাপাশি ব্যক্তিমালিকানাধীন বাসও চলাচল করছে। ছোট ছোট রুট এবং একাধিক রুটের মধ্যে পুনরাবৃত্তির কারণে যাত্রী ওঠানো নিয়ে বাসগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিদ্যমান রুটগুলো সমন্বয় করে ৩২টি রুটে রূপান্তরের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত রুটের প্রায় ৭০ শতাংশ বর্তমান রুটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি রুটে নির্দিষ্ট একটি কোম্পানির বাস চলবে। বাসের ফিটনেস, চালকদের আচরণ, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পরিবহণ আইন মেনে চলার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কোম্পানির ওপর থাকবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাস পরিচালনায় জবাবদিহি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করার জন্য নির্দিষ্ট স্টপেজ নির্মাণ ও সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজের বিবরণসহ স্টপেজের তালিকা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে পাঠানো হবে।

তিন মাসের মধ্যে এসব স্টপেজের নির্মাণ ও সংস্কার কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে সেখানে ছাউনি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হবে।

এছাড়া, বাসে কাউন্টারভিত্তিক টিকিটের পাশাপাশি ই-টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করা এবং প্রতিটি বাসে জিপিএস ট্র্যাকার স্থাপন বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে বাসের চলাচল পর্যবেক্ষণ ও যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের আশা করা হচ্ছে।

সভায় রাজধানীর ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ ও জরাজীর্ণ বাসের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। এসব বাসের যান্ত্রিক মেরামত ও ডেন্টিং-পেইন্টিংয়ের জন্য মালিকদের দুই মাস সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মেরামত না হলে সংশ্লিষ্ট বাস চলাচল করতে পারবে না এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, বিভিন্ন মামলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জব্দ করা প্রায় ৩৬ হাজার যানবাহন ডাম্পিং স্টেশনে পড়ে রয়েছে। এসব যানবাহন দ্রুত নিলাম বা অন্য আইনি প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন রুটে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ করপোরেশনের (বিআরটিসি) বৈদ্যুতিক বাস চালুর বিষয়টিও সভায় গুরুত্ব পেয়েছে। প্রাথমিকভাবে রাজধানীর আটটি রুটে এসব বাস চালানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ঢাকা পরিবহণ সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), বিআরটিসি ও বাস মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে রুট চূড়ান্ত করা হবে।

সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ছয় মাসের সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক বিভাগে জমা দিতে বলা হয়েছে। ২০২৭ সালের ১৫ এপ্রিলের মধ্যে এসব উদ্যোগের দৃশ্যমান ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক হত্যাকাণ্ডে দুই মামলা; মাঞ্জিওনির বিচার নিয়ে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


এক হত্যাকাণ্ডে দুই মামলা; মাঞ্জিওনির বিচার নিয়ে বিতর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যবিমা প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী ব্রায়ান থম্পসনকে হত্যার মামলায় লুইজি মাঞ্জিওনির বিচার নিউইয়র্কের অঙ্গরাজ্য আদালতে চালানোর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেছেন সরকারি আইনজীবীরা। তাদের বক্তব্য, হত্যাকাণ্ড এবং এর পরবর্তী হয়রানির অপরাধ দুটি ভিন্ন। সুতরাং, একই অপরাধে দুবার বিচারের নিষেধাজ্ঞা এই মামলায় প্রযোজ্য নয়।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আদালতে জমা দেওয়া নথিতে ম্যানহাটনের সরকারি আইনজীবীরা উল্লেখ করেন, মাঞ্জিওনি গত আগস্টে কেন্দ্রীয় সরকারের করা অনুসরণ করে হয়রানির দুটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছেন। তবে তারা যুক্তি দেন যে, ওই অভিযোগের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের আইনি সংজ্ঞা ও উদ্দেশ্যের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান। তাই অঙ্গরাজ্যের হত্যা ও অস্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগে তার বিচার চলতে পারে।

অন্যদিকে, মাঞ্জিওনির আইনজীবীরা অঙ্গরাজ্যের হত্যা ও অস্ত্রসংক্রান্ত অভিযোগ বাতিলের জন্য আবেদন করেছেন। তাদের যুক্তি হলো, একই ঘটনার জন্য দুবার বিচার করা আইনসম্মত নয়। গত আগস্টে মাঞ্জিওনি স্বীকার করেন যে, ব্রায়ান থম্পসনকে গুলি করার উদ্দেশ্যে তিনি নিউইয়র্কে গিয়েছিলেন।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পেনসিলভানিয়ার আলটুনা শহরের একটি ম্যাকডোনাল্ডসের রেস্তোরাঁ থেকে মাঞ্জিওনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। কর্তৃপক্ষের দাবি, তার ব্যাগে পাওয়া ত্রিমাত্রিক মুদ্রণপ্রযুক্তিতে তৈরি একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং একটি নোটবুকের লেখা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার যোগসূত্রের ইঙ্গিত দেয়।

এই ঘটনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে অসন্তোষের কারণে মাঞ্জিওনির প্রতি কিছু মানুষের সমর্থনও দেখা গেছে।

আগস্টে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মামলায় অনুসরণ করে হয়রানির দুটি অভিযোগে দোষ স্বীকার করার পর, তার আইনজীবীরা অঙ্গরাজ্যের মামলার বড় অংশ বাতিলের আবেদন করেন। এ কারণে আইনি লড়াই চলায় অঙ্গরাজ্যের বিচার কার্যত পিছিয়ে যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, অঙ্গরাজ্যের বিচার সেপ্টেম্বরে এবং কেন্দ্রীয় বিচার ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়ার কথা ছিল।

সরকারি আইনজীবীরা আরও জানিয়েছেন, অঙ্গরাজ্যের কোনো অভিযোগ বাতিল করা হলেও তা যেন স্থায়ীভাবে বাতিল না হয়। তারা ভবিষ্যতে কেন্দ্রীয় মামলায় তার দোষ স্বীকারের সিদ্ধান্ত আপিলে বাতিল হলে নতুন করে অভিযোগ আনার সুযোগ রাখতে চান।

সূত্র: সিএনএন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%