মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৪ পি.এম
দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছেন যে, চলতি সপ্তাহে জাপানে শুরু হতে যাওয়া এশিয়ান গেমসের আবাসন ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত সবচেয়ে খারাপ। তারা সতর্ক করেছেন যে, কক্ষের তীব্র সংকট বিদ্যমান।
দক্ষিণ কোরিয়ার বাস্কেটবল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিপিং কনটেইনারের আদলে তৈরি কেবিনের বিছানা এতটাই ছোট যে, খেলোয়াড়রা পুরোপুরি পা মেলে শুতে পারছেন না। অন্যদিকে, ফিলিপিন্সের কর্মকর্তাদের মধ্যে কেউ কেউ থাকার জন্য এয়ারবিএনবির আশ্রয় নিয়েছেন।
এবারের গেমসে খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে কোনো নির্দিষ্ট অ্যাথলেট ভিলেজ রাখা হয়নি। আয়োজকরা একটি ক্রুজ জাহাজ, অস্থায়ী কাঠের কেবিন এবং বিভিন্ন হোটেলের ওপর নির্ভর করছেন।
নাগোয়া শহর ও আইচি প্রিফেকচারে আয়োজিত এশিয়ান গেমস আনুষ্ঠানিকভাবে শনিবার শুরু হবে। তবে ফুটবল ও বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়া বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট জুং জে-ইয়ং এএফপিকে জানান, পুরুষ বাস্কেটবল দলের জন্য যে কেবিন বরাদ্দ করা হয়েছে, তা নিয়ে তিনি গভীর অসন্তুষ্ট।
তিনি বলেন, "আমার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলতে পারি, এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে খারাপ ব্যবস্থা। দুই মিটারের বেশি লম্বা খেলোয়াড়রা বিছানায় পা পর্যন্ত মেলে শুতে পারেন না। এটা কোনোভাবেই যুক্তিসংগত নয়।"
দক্ষিণ কোরিয়ার বাস্কেটবল দলের সদস্য বিয়ন জুন-হিয়ং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে তার কেবিনের চুইয়ে পড়া পানির কল এবং পানিতে ভেজা মেঝে দেখা যায়।
ভিডিওটির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, "দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।"
গেমস চলাকালীন দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় এসব কেবিনে প্রায় ২,০০০ খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা থাকার কথা রয়েছে।
কেবিনগুলোর অবস্থা নিয়ে ভারতীয় ক্রীড়া কর্মকর্তারাও উদ্বিগ্ন। তারা নিজেদের খেলোয়াড়দের সেখানে থাকার অভিজ্ঞতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সহায়তা করার জন্য একই ধরনের কেবিনের প্রতিরূপ তৈরি করেছেন।
ভাইস প্রেসিডেন্ট জুং অভিযোগ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্বেগের বিষয়ে আয়োজকরা কোনো সাড়া দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।
জুং বলেন, "আয়োজকরা এখনো কিছু বলেননি। আমরা খুবই উদ্বিগ্ন এবং এ বিষয়ে কী করা যায়, তা নিয়ে কোরিয়ান স্পোর্ট অ্যান্ড অলিম্পিক কমিটির সঙ্গে ব্যাপক আলোচনা করছি।"
গত সপ্তাহে নাগোয়ায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সময় কয়েক শ’ খেলোয়াড়কে তাদের আবাসন থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল।
আগামী কয়েক দিনেও আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
এশিয়ান গেমসে ১৭,০০০-এর বেশি খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার অংশগ্রহণের কথা রয়েছে, যা অলিম্পিক গেমসের তুলনায়ও বেশি।
স্থানীয় আয়োজকরা শুরুতে ১৫,০০০ জনের আশা করেছিলেন। তবে গত মাসে তারা বলেছিলেন, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো "জনবল বা বাজেট- কোনোটিই তাদের নেই।"
পরে এশিয়ান গেমসের আয়োজক সংস্থা অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া (ওসিএ) জানায়, প্রত্যেকের থাকার ব্যবস্থা করা হবে।
তারকা ক্রিকেটাররাও উন্নতমানের হোটেলের স্বল্পতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার অলিম্পিক কমিটির এক কর্মকর্তা জানান, গেমস শুরুর আর মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও আবাসন নিয়ে সমস্যা রয়েছে।
তিনি বলেন, "এই মুহূর্তে শুধু এশিয়ান গেমসে দক্ষিণ কোরিয়ার পুরো দলের জন্যই নয়, আইচি-নাগোয়া এলাকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের জন্যও গুরুতর আবাসন সংকট রয়েছে।"
"সমস্যার সমাধান করতে এবং এ ধরনের কোনো সমস্যা যাতে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।"
ফিলিপাইন অলিম্পিক কমিটির সভাপতি আব্রাহাম টোলেন্তিনো জানান, তার দেশের সব খেলোয়াড়ের জন্য কক্ষের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
তবে "কিছু কর্মকর্তা, যেমন কোচদের, বিভিন্ন হোটেল ও এয়ারবিএনবিতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।" ইতালির ক্রুজ জাহাজ কোস্টা সেরেনা মঙ্গলবার নাগোয়ায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। জাহাজটিতে ৪,০০০ থেকে ৫,০০০ খেলোয়াড় থাকবেন।
বাকি খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা হোটেলে থাকবেন। এর মধ্যে টোকিওর হোটেলও রয়েছে, যেখানে সাঁতার, ডাইভিং ও অশ্বারোহী ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উয়েফা ২০২৮ ও ২০২৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু ঘোষণা করেছে। ২০২৮ সালের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে জার্মানির মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়। অন্যদিকে, ২০২৯ সালের শিরোপার লড়াই হবে স্পেনের বার্সেলোনার সংস্কার করা ক্যাম্প ন্যুতে।
থেসালোনিকিতে মঙ্গলবার উয়েফার নির্বাহী কমিটির সভায় বিডিং প্রক্রিয়া শেষে এই দুটি ভেন্যু চূড়ান্ত করা হয়।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় এটি হবে চ্যাম্পিয়নস লিগের তৃতীয় ফাইনাল। এর আগে ২০১২ ও ২০২৫ সালে ইউরোপের ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখের মাঠটিতে।
অন্যদিকে, ক্যাম্প ন্যুতে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৯ সালে। দীর্ঘ বিরতির পর সংস্কার করা ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামটি আবারও ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চের সাক্ষী হতে চলেছে।
নারী চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের ভেন্যুও নির্ধারণ করেছে উয়েফা। ২০২৮ সালের ফাইনাল হবে ফ্রান্সের লিঁওর পার্ক অলিম্পিক লিঁওনে। এক বছর পর, ২০২৯ সালের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ওয়েলসের কার্ডিফের প্রিন্সিপালিটি স্টেডিয়ামে।
এর আগে ২০২৭ সালের পুরুষ চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের আয়োজক হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে স্পেনের মাদ্রিদের মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়াম। একই বছর নারী চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে পোল্যান্ডের ওয়ারশতে।
এদিকে, ইউরোপা লিগের ফাইনালের ভেন্যুও চূড়ান্ত করেছে উয়েফা। ২০২৮ সালের ফাইনাল হবে রোমানিয়ার বুখারেস্টের ন্যাশনাল অ্যারেনায়। ২০২৯ সালের ফাইনালের আয়োজক হিসেবে থাকছে সার্বিয়ার বেলগ্রেড ন্যাশনাল স্টেডিয়াম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মোজো সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের পাশে থাকাই মোজো-এর অন্যতম অঙ্গীকার। এই মানবিক দায়িত্বের ধারাবাহিকতায়, প্রতিবেশী দেশ নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের ১ নম্বর বেভারেজ ব্র্যান্ড মোজো।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভোতে কোশী ও ত্রিশূলী নদীতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় নেপালের বিভিন্ন অঞ্চল বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পাহাড়ি নদীর তীব্র স্রোতে ভেসে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, নিখোঁজ হয়েছেন বহু মানুষ। স্বজন ও ঘরবাড়ি হারিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।
প্রতিবেশী দেশের এই সংকটের খবর স্পর্শ করেছে বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে। মোজো বিশ্বাস করে, মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়াতে কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা বাধা হতে পারে না। এমন কঠিন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে থাকাকেই মোজো তার মানবিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে।
আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিপন্ন মানুষের জরুরি ত্রাণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমে সহায়তার লক্ষ্যে, ঢাকায় অবস্থিত নেপাল দূতাবাসে ৩৫ লাখ টাকার অনুদান প্রদান করেছে মোজো। নেপাল দূতাবাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়।
চেক হস্তান্তরকালে আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের প্রতিনিধিগণ বলেন, "স্বজন ও ঘরবাড়ি হারিয়ে যারা দিশেহারা, তাদের এই শূন্যতা পূরণ করার সাধ্য কারও নেই। কিন্তু এই কঠিন সময়ে আমরা নেপালের মানুষকে একা বোধ করতে দিতে চাই না। প্রতিবেশীর বিপদে পাশে থাকা কোনো সাহায্য নয়, এটি আমাদের দায়িত্ব।" মোজো ও বাংলাদেশের মানুষের একটাই প্রত্যাশা, নেপালের মানুষ যেন দ্রুত এই শোক কাটিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
মোজো ভবিষ্যতেও যেকোনো সংকট ও দুর্যোগে মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের উদ্দেশ্যে আগামী ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে সারাদেশে। এই সময়কালে ইলিশের পরিবহন, মজুত, বাজারজাত, কেনাবেচা এবং বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশ পরিবহণ, মজুদকরণ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় এবং বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে। নিষিদ্ধকালে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়ন করা হবে। এ সময়ে ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ভিজিএফ কর্মসূচির মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা প্রদান করবে।
সভাপতির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, "ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।" বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, "প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধের সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড এবং মৎস্য বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।" প্রয়োজনে হটস্পটগুলোতে অতিরিক্ত নৌযান ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
তিনি অবৈধভাবে ধরা মাছ বাজারজাত বন্ধে বরফকল, আড়ত এবং বাজারেও নজরদারি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। চাঁদপুর মোহনাসহ ইলিশের প্রজননক্ষেত্রে অবৈধ জাল অপসারণের জন্য কঠোর অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন। "কোনো অবস্থাতেই নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা বা বাজারজাত করার সুযোগ দেওয়া যাবে না," বলেন তিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, "মা ইলিশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে আগামী মৌসুমে ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়বে।"
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে। কোথায় দুর্বলতা বা কার্যক্রমে কি ঘাটতি রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি অবৈধ জাল বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, "নিষিদ্ধ জাল উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।" সরকারের পাশাপাশি জেলে প্রতিনিধিদেরও এসব জাল না কেনার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, "নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে সরকার জেলেদের প্রণোদনা দিচ্ছে।" এই সহায়তা প্রকৃত জেলেদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছানোর জন্য তদারকি বাড়ানো হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "ইলিশের উৎপাদন কমায় বিদেশ থেকে মাছ আমদানি করতে হচ্ছে- এটি উদ্বেগের বিষয়।" কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা চিহ্নিত করে সবাইকে নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ইলিশকে জাতীয় সম্পদ ও জিআই পণ্য হিসেবে রক্ষা এবং উৎপাদন বাড়াতে আগামী দিনে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসকবৃন্দ, র্যাব, কোস্ট গার্ড, বিমানবাহিনী, নৌ পুলিশ ও বিজিবির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিসহ জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৩নং বিতারা ইউনিয়নের বিতারা দক্ষিণপাড়া ও খলাগাঁও সরকারবাড়ি সংলগ্ন পূর্ব খালের উপর দীর্ঘ সময় ধরে কোনো ব্রিজের অভাব রয়েছে। শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এই ব্রিজের অভাবে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। খালের ওপর স্থায়ী সেতু না থাকার কারণে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতকারী শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বেড়ে গেছে। এক সময় খালের ওপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও সেটি ভেঙে যাওয়ার ফলে দুর্ভোগ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থীকে সরাসরি পথের পরিবর্তে প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবের জন্য খালের উপর নতুন বাঁশের সাঁকো নির্মাণের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন কচুয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিতারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারী।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি বাঁশের সাঁকো নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
স্থানীয়রা জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে খালের ওপর একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। ব্রিজের অভাবে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কৃষক, নারী, বয়স্ক ও সাধারণ পথচারীদেরও ঝুঁকি নিয়ে খাল পার হতে হয়।
ছাত্রদল নেতা মো. দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারী বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ চলাচলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের প্রায় তিন কিলোমিটার ঘুরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়। আপাতত তাদের চলাচলের কষ্ট কিছুটা লাঘব করতে বাঁশের সাঁকো নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা করেছি। তবে এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি।"
তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বাঁশের সাঁকোটি আপাতত চলাচলের দুর্ভোগ কমালেও স্থায়ী সমাধানের জন্য খালের উপর দ্রুত একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হবে। এতে শিক্ষার্থীসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ