মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২২ পি.এম
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : নেপালের ত্রিশুলি উপত্যকায় হিমবাহসৃষ্ট বন্যার কারণে ২ হাজার ৫০০টিরও বেশি ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে। এই মারাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ২৬ আগস্ট তারিখে আঘাত হানে। এএফপি ইউরোপের কোপার্নিকাস পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই পরিসংখ্যান প্রদান করেছে।
কোপার্নিকাসের জরুরি ব্যবস্থাপনা পরিষেবার পর্যালোচনার ভিত্তিতে, সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি এলাকার মোট ভবনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করলে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার হার ১০টির মধ্যে সাতটিরও বেশি হয়ে যায়। এই পরিস্থিতি বন্যার ভয়াবহতা স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। প্রবল স্রোত উপত্যকার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছে।
প্যারিস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।
রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরে অবস্থিত তিমুরে, স্যাব্রুবেশি ও বিদুর শহরের কিছু অংশ এই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার অন্তর্ভুক্ত। দুর্যোগের আগে, এসব এলাকায় প্রায় ৬ হাজার মানুষ বসবাস করতেন। নেপালের তৃতীয় সর্বাধিক জনবহুল শহর ভরতপুরের আশপাশের এলাকার ছবিগুলো সোমবার সকালে পরীক্ষা করা হচ্ছিল। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, হিমালয়ের একটি বিশাল হিমবাহ ধসে পড়ার কারণে আকস্মিক এই বন্যার সৃষ্টি হয়েছে।
হিমবাহ থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার নিচে নেমে আসা পানির প্রবল স্রোত চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতের সীমান্তসংলগ্ন গিরং সীমান্ত চৌকি অতিক্রম করে নেপালে প্রবেশ করে। ছোট সীমান্ত শহর তিমুরে ও এর আশপাশের এলাকায় ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে।
দুর্যোগের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত স্যাব্রুবেশি এলাকায় প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভবন ধ্বংস হয়েছে। এই গ্রামটি বিখ্যাত লাংটাং ট্রেকের শুরুস্থান। হিন্দু তীর্থযাত্রীরাও নিয়মিতভাবে এই পথটি ব্যবহার করেন।
আরও ভাটিতে, নুওয়াকোট জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্র ও উদ্ধারকারী দলের ঘাঁটি বিদুরের আশপাশের নদী তীরবর্তী এলাকায় ১ হাজার ৮০০টিরও বেশি ভবন ধ্বংস হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতি পাঁচটি ভবনের মধ্যে তিনটি ধ্বংস হয়েছে। বন্যায় ঘরবাড়ির পাশাপাশি সড়ক ও সেতুও ধ্বংস হয়েছে। এই কারণে ত্রাণ পৌঁছানো এবং নিখোঁজদের সন্ধান চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ দল নারী টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ শুরু করেছে, যা বোলারদের অসাধারণ নৈপুণ্যের মাধ্যমে একটি জয় দিয়ে হয়েছে। গত রাতে ‘বি’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ নারী দল ইন্দোনেশিয়া নারী দলকে ৭১ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ পায় বাংলাদেশ। ওপেনার জুয়ারিয়া ফেরদৌস ২টি চারে ইনিংস শুরু করলেও ব্যক্তিগত ৮ রানে থেমে যান। প্রথম উইকেট পতনের পর ১৬ রানে ৪৪ বলে ৪০ রানের একটি জুটি গড়েন আরেক ওপেনার দিলারা আক্তার ও সোবহানা মোস্তারি। দিলারা ৪টি চারে ২৭ রানে বিদায় নেন।
অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি চার নম্বরে নেমে ১০ রানের বেশি করতে পারেননি। অধিনায়কের বিদায়ের পর সোবহানা ও স্বর্ণা আক্তার ১৯ বলে ২৩ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের রান ১শ পার করেন। সোবহানা ৪২ বলে ৪০ রান করেন, যেখানে ২টি চার ও ১টি ছক্কা ছিল। মিডল ও লোয়ার অর্ডারের চার ব্যাটার দুই অংকে পা রাখতে ব্যর্থ হলেও স্বর্ণা মারমুখী ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেন। বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৯ রানের সংগ্রহ পায়। স্বর্ণা ১৮ বলে অপরাজিত ৩১ রান করেন, যেখানে ৩টি চার ও ১টি ছক্কা ছিল। ইন্দোনেশিয়ার নি আরিয়ানি ৩ উইকেট নেন।
জবাবে, ইন্দোনেশিয়া ১৯ রানের সূচনার পর বাংলাদেশ বোলারদের তোপে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৭ দশমিক ৩ ওভারে ৫৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। দলের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে ওপেনার মারিয়া কোরাজন দুই অংক স্পর্শ করতে সক্ষম হন, সর্বোচ্চ ১২ রান করে।
বাংলাদেশের স্পিনার নাহিদা আক্তার ১৫ রানে ৩ উইকেট নেন এবং পেসার মারুফা আক্তার ৬ রানে ২ উইকেট দখল করেন। এছাড়া সানজিদা আক্তার মেঘলা ও ফাহিমা খাতুন ১টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন নাহিদা। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলংকার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রংপুর জেলার আটটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে সার ডিলার নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে মোট ৭৬টি সার ডিলার পদে নিয়োগের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।
গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’-এর নির্দেশনা অনুযায়ী এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনকারীদের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে আবেদন করার জন্য বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, রংপুর সদর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে পাঁচ জন, কাউনিয়ার ছয়টি ইউনিয়নে ছয় জন, গংগাচড়ার নয়টি ইউনিয়নে নয় জন, মিঠাপুকুরের ১৭টি ইউনিয়নে ১৭ জন, পীরগঞ্জের ১৫টি ইউনিয়নে ১৫ জন, পীরগাছার নয়টি ইউনিয়নে নয় জন, বদরগঞ্জের ১০টি ইউনিয়নে ১০ জন এবং তারাগঞ্জের পাঁচটি ইউনিয়নে পাঁচ জন সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে।
আবেদনকারীকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন বা উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। এ জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নাগরিকত্ব সনদ দাখিল করা আবশ্যক।
ডিলার হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে নিজ মালিকানায় অথবা ভাড়ায় ন্যূনতম ২৫ টন ধারণক্ষমতার গুদাম থাকা বাধ্যতামূলক।
এছাড়া, আবেদনকারীর কাছে কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার ব্যাংক সচ্ছলতার সনদ, ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রদত্ত হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স এবং টিআইএন থাকতে হবে।
আবেদনকারীর বয়স অবশ্যই ১৮ বছর বা তার বেশি হতে হবে। তদুপরি, তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং চলাচলে সক্ষম হতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কিছু অযোগ্যতার বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সার ডিলারশিপ বাতিল হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নতুন করে আবেদন করতে পারবেন না।
একইভাবে, ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি নির্ধারিত শর্ত পূরণ ছাড়া আবেদন করতে পারবেন না। তবে সাজা ভোগের দুই বছর পর আবেদন করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আবেদনকারীদের ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’-এর পরিশিষ্ট-১-এ দেওয়া নির্ধারিত নমুনা ফরম অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিপরীতে নীতিমালায় বর্ণিত সব শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন গ্রহণ করা হবে।
নতুন ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে সার সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল হবে এবং কৃষকদের কাছে প্রয়োজনীয় সময়ে সার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের বিমান চলাচল খাতের কর্মীরা কেনিয়ার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম দুই দিন অচল করে দেওয়ার ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন। মঙ্গলবার, এই তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
রোববার ও সোমবার, কর্মীরা ধীরগতিতে কাজ করার প্রতিবাদে কর্মসূচি পালন করায় রাজধানী নাইরোবিসহ পূর্ব আফ্রিকার বিভিন্ন বিমানবন্দরে হাজার হাজার যাত্রী আটকা পড়েন। বার্তা সংস্থা এএফপি নাইরোবি থেকে এই খবর জানিয়েছে।
নতুন যৌথ দরকষাকষি চুক্তি এবং স্বেচ্ছাসেবী কর্মী ব্যবহারের অবসানের দাবিতে বিমান চলাচল খাতের ইউনিয়নগুলোর ধারাবাহিক ধর্মঘট এবং কার্যক্রম বন্ধের হুমকির মধ্যে এটি ছিল সর্বশেষ ধর্মঘট।
কেনিয়া সিভিল এভিয়েশন অথরিটি এক বিবৃতিতে জানায়, যৌথ দরকষাকষি চুক্তি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। শিল্প বিরোধের কর্মসূচি থেকে উদ্ভূত কারণে কর্মীদের ‘হয়রানি না করার’ বিষয়েও একটি সমঝোতা গৃহীত হয়েছে।
নাইরোবির জোমো কেনিয়াত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (জেকেআইএ) একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এটি কেনিয়ার পর্যটন ব্যবসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জেলার রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও পূর্ণ সক্ষমতার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বিদ্যুৎ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা প্রদর্শন করে জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনছে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ১ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত মাত্র ২৫ দিনে কেন্দ্রটি প্রায় ৬৪ কোটি ৩৬ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট স্থাপিত ক্ষমতার এ কেন্দ্রটি উল্লিখিত সময়ে গড়ে এক হাজার ৭৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করেছে, যা বর্তমান চাহিদার নিরিখে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
জুন মাসে কেন্দ্রটি ৮২ কোটি ৭৩ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছিল, যা গড়ে ১ হাজার ১৪৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সমতুল্য। মূলত উৎপাদন সক্ষমতা বজায় রাখার এ ধারা জাতীয় গ্রিডের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ কমাতে সরাসরি সহায়তা করছে এবং বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় একটি নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অপারেশনাল কার্যক্রমের গভীর পর্যালোচনায় দেখা গেছে, পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রেখে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন করাই বর্তমানে কেন্দ্রটির মূল চ্যালেঞ্জ।
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উপ-ব্যবস্থাপক খাঁন নোমান শিবলী বাসসকে জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করেই তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যেখানে পরিবেশগত সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। ভুক্তভোগী গ্রাহক ও সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের অভিযোগ ছিল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে, তবে রামপালের এ ধারাবাহিক উৎপাদন সেই আস্থার জায়গাটি পুনর্গঠন করছে।
বিদ্যুৎ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যদি কেন্দ্রটি একইভাবে পূর্ণ সক্ষমতায় তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে, তাহলে লোডশেডিং উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং শিল্পাঞ্চলসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা খাতগুলোতে বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। রুট ডাইনামিক্স এবং জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন সংশ্লিষ্টদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত যাতে কোনোভাবেই উৎপাদন ব্যাহত না হয়।
প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও জনবল ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বর্তমানে একটি নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
কেন্দ্রটির মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম বাসসকে জানিয়েছেন, বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি মূলত বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের দক্ষ হাতে পরিচালিত হচ্ছে। আগে ভারতীয় প্রকৌশলীরা যে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করেছিলেন, তা এখন দেশীয় প্রকৌশলীরা আত্মস্থ করেছেন এবং তারা দক্ষতার সাথে কেন্দ্রটির অপারেশনাল দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী আশ্বস্ত করেছেন যে, জাতীয় গ্রিডের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখা হবে এবং পরিবেশগত মানদণ্ড বজায় রেখে আগামী দিনেও কেন্দ্রটি তার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে।
তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রটির নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে, যাতে জাতীয় গ্রিডে কোনো যান্ত্রিক বা লজিস্টিক বিঘ্ন না ঘটে।
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের এ সফল পরিচালনা কেবল বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট নিরসনেই সহায়ক নয়, বরং এটি দীর্ঘমেয়াদে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি বড় বার্তা। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির সক্ষমতা ও দেশীয় প্রকৌশলীদের দক্ষতা প্রমাণ করে যে, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তির সুষ্ঠু ব্যবহার সম্ভব হলে বড় ধরনের জাতীয় সংকটেও সমাধান বের করা সম্ভব।
আগামী দিনগুলোতে বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ কমাতে এ কেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ধরে রাখা এবং রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়া আরও আধুনিকায়ন করা জরুরি। যদি রামপাল একইভাবে জাতীয় গ্রিডে শক্তির জোগান দিয়ে যায়, তবে দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মিটিয়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখা সহজতর হবে, যা সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ