ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিরামপুরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন


বিরামপুরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়া ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

বিরামপুর পৌরসভা এলাকার বড় মাঠে এই ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারী ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

আরও পড়ুন: শূন্য রান করেও ম্যাচের নায়ক ম্যাক্স ফিল্ড, খেললেন ১৩২ বল

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

এ সময় বিরামপুর বড় মাঠে অতিথি, খেলোয়াড় ও দর্শকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, "এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ের ফুটবল খেলোয়াড় তৈরি হবে।"

তিনি খেলাধুলার মাধ্যমে আগামী দিনের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: রিয়ালের জয় ছাপিয়ে গুলারের লাল কার্ড বিতর্ক

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, "খেলাধুলার মাঝে ব্যস্ত থাকলে, নিজেকে উৎফুল্ল মনে হয়। আমি নিজে একজন খেলোয়াড় ছিলাম।"

তিনি আরও বলেন, "খেলাধুলার মানুষ হয়ে আমি আজ এই জায়গায় এসেছি। আমি আজকের খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলবো, আপনারা ভালো করে খেলাধুলা করেন, দেখবেন ভবিষ্যৎ আপনাদের সঠিক জায়গায় পৌঁছে দেবে।"

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলালসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: সালমান আগার সেঞ্চুরিতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে পাকিস্তানের জয়

সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত এ ফুটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফেরদৌস রহমানের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

দিনাজপুর-৬ নির্বাচনী এলাকার বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর ও ঘোড়াঘাট উপজেলা থেকে মোট ২৬টি দল এ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে স্টিল কারখানায় ফার্নেসের আগুনে ৩ জনের মৃত্যু, আহত একজন হাসপাতালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


চট্টগ্রামে স্টিল কারখানায় ফার্নেসের আগুনে ৩ জনের মৃত্যু, আহত একজন হাসপাতালে

চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের ফারম্যাক স্টিল লিমিটেড কারখানায় ফার্নেসের ত্রুটির ফলে গলিত লোহা ছিটকে দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে, যার মধ্যে একজন চীনা প্রকৌশলীও রয়েছেন। এই দুঃখজনক ঘটনা ২৮ সেপ্টেম্বর সংঘটিত হয়, যেখানে চারজন দগ্ধ হন। অপর একজন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে চীনা প্রকৌশলী জেংলিং হং (৫৩), শ্রমিক শরিফুল ইসলাম (২৭) এবং মনির হোসেন (২৭) অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। শরিফুল ইসলাম ও জেংলিং হং ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ছিলেন, অন্যদিকে মনির হোসেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

শরিফুল ইসলাম গত ১ অক্টোবর সকালে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা যান। একই দিন রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু ঘটে মনির হোসেনের। সর্বশেষ, ২ অক্টোবর সকালে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে মৃত্যুবরণ করেন চীনা প্রকৌশলী জেংলিং হং।

নিহত শরিফুল খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার আমতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা ছিলেন এবং তার দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। আহত জুয়েল (৩৬) বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তবে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে।

এদিকে, শরিফুলের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে, যদিও বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। শনিবার সন্ধ্যায় জোরারগঞ্জ থানায় নিহতের স্বজন ও কারখানার চীনা-বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

শরিফুলের চাচা মনির হোসেন জানিয়েছেন, তারা মামলা করতে চান না, বরং পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।

জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম বলেন, দুর্ঘটনায় দগ্ধ চারজনের মধ্যে তিনজন মারা গেছেন, যার মধ্যে চীনা প্রকৌশলীও রয়েছেন। কারখানার প্রতিনিধি ও নিহতের স্বজনেরা থানায় এসেছেন এবং তাদের আইনি বিষয় জানানো হয়েছে। যদিও পরিবার মামলা না করলেও পুলিশ আইন অনুযায়ী মামলা করতে পারে। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

কারখানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি বয়লার দুর্ঘটনা নয়। ফার্নেসের ত্রুটির কারণে চুল্লি থেকে গলিত লোহা ছিটকে পড়ার ফলেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবসরের পর শান্তিতে থাকার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেরা ১০ সাশ্রয়ী অঙ্গরাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৪ পি.এম


অবসরের পর শান্তিতে থাকার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সেরা ১০ সাশ্রয়ী অঙ্গরাজ্য

অবসরের পর অনেকেই সঞ্চয়ের অর্থ দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করতে চান। এজন্য কম আবাসন খরচ, তুলনামূলকভাবে কম জীবনযাত্রার ব্যয় এবং করের সুবিধা রয়েছে—এমন অঙ্গরাজ্যে বসবাসের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন অবসরপ্রাপ্তরা। সম্প্রতি একটি নতুন গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য বিশ্লেষণ করে অবসরপ্রাপ্তদের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী ১০টি অঙ্গরাজ্যের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রিটায়ারমেন্ট লিভিং আবাসন খরচ, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং করের সুবিধা—এই তিনটি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে তালিকাটি তৈরি করেছে। মূলত অবসরের পর কোথায় সঞ্চয়ের অর্থ তুলনামূলক বেশি কাজে লাগবে, সেটিই ছিল গবেষণার অন্যতম লক্ষ্য।

তালিকায় অবসরপ্রাপ্তদের জন্য সবচেয়ে সাশ্রয়ী অঙ্গরাজ্য হিসেবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া। আগের বছরের তুলনায় ১৭ ধাপ এগিয়ে এবার শীর্ষে উঠেছে রাজ্যটি।

আবাসন খরচ ও সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয়—দুই ক্ষেত্রেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া এগিয়ে রয়েছে। সেখানে এক শয়নকক্ষের একটি বাসার মাসিক ভাড়া গড়ে ৬৪৩ ডলার। একজনের মাসিক মুদিখানা খরচ প্রায় ২০৫ ডলার, যা যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মিসিসিপি। টানা দ্বিতীয় বছর এই অবস্থান ধরে রেখেছে রাজ্যটি। ২০২৬ সালের মার্চে সেখানে বাড়ি বিক্রির মধ্যম মূল্য ছিল ২ লাখ ৬০ হাজার ৪৩০ ডলার, যা যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তৃতীয় সর্বনিম্ন। সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয়ের দিক থেকেও মিসিসিপি চতুর্থ সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে।

তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আলাবামা। তুলনামূলক কম জীবনযাত্রার ব্যয়ের কারণে অবসরপ্রাপ্তদের জন্য সাশ্রয়ী রাজ্যের তালিকায় এটি শীর্ষে রয়েছে।

সাশ্রয়ী ১০ অঙ্গরাজ্যের তালিকায় এরপর রয়েছে ওকলাহোমা, আরকানসাস, কেনটাকি, মিসৌরি, লুইজিয়ানা, ইন্ডিয়ানা ও কানসাস।

কম খরচের অঙ্গরাজ্যে চলে যাওয়ার প্রবণতা নিয়ে কথা বলেছেন আর্থিক পরিকল্পনাবিদ জোডি ডি’আগোস্তিনি। নিউ জার্সির বাসিন্দা এই আর্থিক পরিকল্পনাবিদ জানান, অবসরের পর অনেকেই নিউ জার্সির মতো রাজ্য থেকে তুলনামূলক করবান্ধব অঙ্গরাজ্যে যাওয়ার কথা ভাবছেন। এতে অবসরকালীন আয় আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা এবং করের চাপ কমানো সম্ভব হতে পারে।

তবে অবসরজীবনের খরচ সব অঙ্গরাজ্যে এক নয়। তালিকার বিপরীত প্রান্তে রয়েছে ক্যালিফোর্নিয়া, হাওয়াই ও ওয়াশিংটন। গবেষণায় এই তিন অঙ্গরাজ্যকে অবসরপ্রাপ্তদের জন্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ায় জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বড় বিষয় হয়ে উঠেছে। সান দিয়েগোর আবাসন ব্যবসার প্রতিনিধি ক্রিস্টিনা কুয়েসাদা জানান, সেখানে অবসরপ্রাপ্তরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী আবাসন ও জীবনযাত্রার খরচ নতুন করে বিবেচনা করছেন।

তার মতে, কেউ কেউ পুরোপুরি কম খরচের এলাকায় চলে যাওয়ার কথা ভাবছেন। আবার যারা বর্তমান এলাকাতেই থাকতে চান, তাদের অনেকে ছোট বাসায় উঠছেন, একই অঞ্চলের তুলনামূলক সাশ্রয়ী এলাকায় যাচ্ছেন অথবা দীর্ঘদিনের বাড়ির মালিকানা থেকে পাওয়া সম্পদের মূল্য কাজে লাগিয়ে খরচ সামলানোর চেষ্টা করছেন।

গবেষণাটি বলছে, অবসরের আগে শুধু বাড়ির দাম বা ভাড়ার বিষয়টি বিবেচনা করলেই হবে না। দৈনন্দিন জীবনযাত্রার ব্যয়, করব্যবস্থা ও আবাসন খরচ—সবকিছু মিলিয়েই অবসরজীবনের সামগ্রিক আর্থিক চাপ নির্ধারিত হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের শিক্ষা ও কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানালেন ত্রাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৫ পি.এম


শিশুদের শিক্ষা ও কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা জানালেন ত্রাণমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা এবং সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, বিনামূল্যে বই ও পোশাক প্রদানসহ সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ চলছে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে লালমনিরহাট জেলা পরিষদে সদর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নিজের সময়ের প্রাথমিক শিক্ষার পরিবেশের সঙ্গে বর্তমান সময়ের তুলনা করে, তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতে অনেক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত চেয়ার-বেঞ্চ এবং উপযুক্ত অবকাঠামো ছিল না। বর্তমানে বিদ্যালয়ের পরিবেশ এবং সুযোগ-সুবিধায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।

শিশুদের বেড়ে ওঠায় পরিবারের ভূমিকা তুলে ধরে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘মায়েরা স্নেহ ও ভালোবাসা দিয়ে সন্তানদের বড় করে তোলেন। শিশুদের দেখাশোনা, কুসঙ্গ থেকে দূরে রাখা এবং পড়াশোনায় সম্পৃক্ত রাখার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের দায়িত্ব রয়েছে।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর উপস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে, মন্ত্রী একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। সেখানে পাঁচ-ছয়জন শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১৩ জন।

শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

কারিগরি শিক্ষার প্রসঙ্গে আসাদুল হাবিব দুলু জানান, আগামী বছর কারিগরি শিক্ষাকে আরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে কারিগরি শিক্ষার সুযোগ চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মমুখী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে, যা তাদের কর্মজীবনে সহায়ক হবে।

অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি চাকরিজীবীরা অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:০৫ পি.এম


সরকারি চাকরিজীবীরা অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া আগামীকাল সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

নতুন কাঠামোর আওতায় বেতন নির্ধারণ সম্পন্ন হলে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেতন এবং প্রায় তিন মাসের বকেয়া একসঙ্গে পাবেন। তবে, বকেয়ার পরিমাণ নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর গ্রেড, মূল বেতন এবং বেতন কার্যকরের তারিখের ওপর।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ করা হবে আইবাস প্লাস প্লাসের পে ফিক্সেশন মডিউল ব্যবহার করে। এর জন্য চাকরিজীবীদের অনলাইনে নিজেদের চাকরিসংক্রান্ত তথ্য প্রদান করতে হবে। সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় এসব তথ্য ও প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করার পর বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হবে।

যেসব তথ্য দিতে হবে

পে ফিক্সেশনের জন্য চাকরিজীবীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বর্তমান মূল বেতনের তথ্য প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, আগের বেতন নির্ধারণের তথ্যও যাচাই করতে হবে।

যদি কোনো কর্মচারীর পদোন্নতি, বদলি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার ইতিহাস থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট তথ্য ও অফিস আদেশ প্রস্তুত রাখতে হবে। নাম, এনআইডি, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড ও বেতনসংক্রান্ত তথ্যে ভুল থাকলে বেতন নির্ধারণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এজন্য আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরও প্রয়োজন হবে।

ধাপে ধাপে কার্যকর হবে নতুন বেতন

সরকার ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত ১৯ সেপ্টেম্বর একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ধাপে ধাপে নতুন বেতন-ভাতা কার্যকর হবে। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রচলিত মূল বেতনের ভিত্তিতে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ করা হবে।

নতুন ও পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্যের ৪০ শতাংশ চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এবং ৭০ শতাংশ ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পুরো নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী ভাতা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে দুই ধাপে মূল বেতনের বর্ধিত অংশ পরিশোধের জন্য ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তথ্য যাচাই করবে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়

অনলাইনে তথ্য জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয় তা যাচাই করবে। তথ্য ও নথিপত্রে অসংগতি থাকলে সংশোধন করতে হতে পারে। তাই শুধুমাত্র অনলাইনে তথ্য পূরণ করলেই প্রক্রিয়া শেষ হবে না; চাকরির ইতিহাস ও আগের বেতন নির্ধারণের তথ্যের সঙ্গে নতুন তথ্যের সামঞ্জস্য থাকতে হবে।

বেতন নির্ধারণ চূড়ান্ত হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন বিল তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে বকেয়া পাওনার হিসাবও চূড়ান্ত হবে। অনলাইনে তথ্য দিতে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়া যাবে।

এদিকে, বেতন নির্ধারণের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের জন্য অনলাইন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। অর্থ বিভাগের ‘সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালীকরণ কর্মসূচি’ (এসপিএফএমএস) এর আওতায় আইবাস প্লাস প্লাসে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে। এতে প্রধান হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা, বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রক, জেলা হিসাব ও অর্থ কর্মকর্তা এবং উপজেলা হিসাব কর্মকর্তার কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নিচ্ছেন।

উচ্চতর গ্রেড নিয়ে জটিলতা

নতুন বেতন আদেশ অনুযায়ী, কোনো স্থায়ী কর্মচারী যদি পদোন্নতি ছাড়াই একই পদে আট বছর পূর্ণ করেন এবং তাঁর চাকরি সন্তোষজনক হয়, তাহলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ থাকবে। প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর একই পদে আরও ছয় বছর চাকরি করলে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেডও পাওয়া যেতে পারে।

তবে, আগের বেতন কাঠামোয় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন কাঠামোয় বেতন নির্ধারণ নিয়ে কিছু জটিলতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা। এসব জটিলতা নিরসনে কাজ চলছে।

অর্থ বিভাগের আদেশ অনুযায়ী, আগের কাঠামোয় একই পদে দুই বা ততোধিক সিলেকশন গ্রেড, টাইম স্কেল বা উচ্চতর গ্রেড পেয়ে থাকলে নতুন কাঠামোয় ওই পদে আর উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ নেই। অন্যদিকে, ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত একই পদে একটিমাত্র উচ্চতর স্কেল বা গ্রেড পাওয়া থাকলে পরবর্তী ছয় বছর পূর্ণ হওয়ার পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে।

অর্থ বিভাগের সূত্রগুলোর মতে, ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে বেতন নির্ধারণের সময় বর্তমান বেতনের পাশাপাশি আগের পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড এবং বেতন নির্ধারণের ইতিহাসও যাচাই করা হবে। এসব তথ্য সঠিকভাবে যাচাই ও নির্ধারণ সম্পন্ন হলেই সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন এবং বকেয়া পাওনার হিসাব চূড়ান্ত করা সম্ভব হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%