মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩১ পি.এম
রিয়াল মাদ্রিদ গত রাতে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে পরাজিত হয়েছে। এই ম্যাচে রেফারিং সিদ্ধান্তগুলো নিজেদের বিরুদ্ধে গেছে বলে দাবি করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ কোচ জোসে মরিনিও। তিনি মনে করেন, প্রথমার্ধের দুটি সিদ্ধান্ত ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ওই দুই ফাউলের একটি প্রিন্ট করে নিয়ে এসেছেন।
মরিনিও প্রথম যে ঘটনার কথা উল্লেখ করেন, তা ঘটে ৩৭ মিনিটে। রিয়ালের জুড বেলিংহ্যাম এবং আতলেতিকোর ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর মধ্যে বল দখলের লড়াইয়ে সংঘর্ষ ঘটে। এই ঘটনায় বেলিংহ্যামকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়।
মরিনিও তখন রোমেরোকে বিপজ্জনক ফাউলের জন্য লাল কার্ড দেখানোর অনুরোধ করেছিলেন। কারণ রিপ্লেতে দেখা যায়, রোমেরো বেলিংহ্যামের হাঁটুতে স্টাড দিয়ে আঘাত করেন। ভিএআর পর্যালোচনার পর বেলিংহ্যামের হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করা হয় এবং রোমেরোকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়।
দ্বিতীয় ঘটনাটি ছিল ফেদে ভালভের্দের ওপর আতলেতিকোর কাং-ইন লির ফাউল নিয়ে। মরিনিও মনে করেন, এই ফাউলে সরাসরি লাল কার্ড হওয়া উচিত ছিল। তিনি ম্যাচ পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, "এসব সিদ্ধান্ত ইচ্ছাকৃত নয়, বরং ভুল বলেই আমি বিশ্বাস করতে চাই।"
মরিনিও জানান, হারলেও খেলোয়াড়দের নিবেদন নিয়ে তার কোনো অভিযোগ নেই। বিশেষ করে প্রথমার্ধে তাদের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন তিনি।
তিনি বলেন, "দল হিসেবে আমার দলকে আমার ভালো লেগেছে। প্রথমার্ধেও তাদের আমার সত্যিই ভালো লেগেছে। দ্বিতীয়ার্ধে বল দখলে রাখা এবং আতলেতিকোর বল দখল থামানো স্বাভাবিকভাবেই খুব কঠিন ছিল। তাদের গর্ব আমার ভালো লেগেছে, তাদের দৃঢ়সংকল্প আমার ভালো লেগেছে। আমার খেলোয়াড়দের নিয়ে হতাশ না হওয়াটা আমার জন্য ভালো একটা অনুভূতি।"
ডিন হাউসেনের বহিষ্কারের প্রসঙ্গেও কথা বলেন মরিনিও। এই ঘটনার সুবাদে আতলেতিকো পেনাল্টি পায়। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, এখনো ভিএআরের রিপ্লে দেখা হয়নি।
এই হারের পর লিগ টেবিলে রিয়াল মাদ্রিদ চতুর্থ স্থানে নেমে গেছে। অন্যদিকে, শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে আতলেতিকো।
তবে মরিনিও জোর দিয়ে বলেন, মৌসুমের এখনো অনেকটা পথ বাকি আছে। তিনি বলেন, "স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে, বিষয়টি কীভাবে শুরু হলো তা নিয়ে নয়, বরং কীভাবে শেষ হলো সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) মাত্র ১২ দিনের মধ্যে তিন শিক্ষার্থীকে হারিয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, ক্যানসার ও নদীতে ডুবে তাদের মৃত্যু ঘটেছে।
সর্বশেষ, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদী থেকে চবির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজিদ শাহারিয়ার সানমের (২৪) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকালে নরসিংদী ও ঢাকা থেকে ৯ জনের একটি পর্যটক দল কাপ্তাইয়ে পৌঁছায়। এরপর তারা স্থানীয় গাইডের সঙ্গে সীতা পাহাড়ে ট্র্যাকিংয়ে চলে যায়। পাহাড় ভ্রমণের পর দুপুরের দিকে সীতা ঘাটের পাথরঘাটা এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে হাত-মুখ ধোয়ার সময় স্রোতের টানে সানম পানিতে তলিয়ে যান।
পরে কাপ্তাই থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে পাথরঘাটা এলাকা থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
সানম নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ওই উপজেলার নাছির উদ্দীনের ছেলে।
এর এক দিন আগে, শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে চাঁদপুরে নিজ বাড়িতে মারা যান চবির শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অনিক চন্দ্র দাস (২৪)।
জানা গেছে, অনিক দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা শেষে সম্প্রতি দেশে ফিরে চাঁদপুরের নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শনিবার রাতের দিকে তার মৃত্যু ঘটে।
এর আগে, গত ৮ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুর রব হলের সামনে ব্যানার টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম মারা যান।
পরপর তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
নিহত শিক্ষার্থীদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল্-ফোরকান, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আল-আমীন এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. সফিকুল ইসলাম।
চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আল-আমীন মন্তব্য করেন, "পরপর তরুণ প্রাণগুলো একসঙ্গে হারানো একটা অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। তারা যেন পরকালে ভালো থাকে।"
চবি উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আল-ফোরকান বলেন, "মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন মেধাবী শিক্ষার্থী হারিয়েছি। আমরা খুবই শোকাহত, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকার একটি তিন মাসব্যাপী বিশেষ ডিজিটাল সচেতনতা ক্যাম্পেইন শুরু করেছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচালিত এই ক্যাম্পেইনে সাধারণ নাগরিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক বার্তায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত সাধারণ মানুষ, তরুণ প্রজন্ম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার জন্য আহ্বান করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম কিংবা মশা নিয়ন্ত্রণে কীটনাশক ব্যবহার করে ডেঙ্গু সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এজন্য ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের পর্যায়েও সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।
মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক মানুষের কাছে দ্রুত তথ্য পৌঁছানো সম্ভব। তাই সঠিক সময়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই প্ল্যাটফর্মকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
বিশেষ করে তরুণদের পাশাপাশি কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ইনফ্লুয়েন্সারদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের বিভিন্ন উপায় নিয়ে ভিডিও, রিলস, স্টোরি, ইনফোগ্রাফিক ও অন্যান্য সচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর এই প্রচারণায় যুক্ত হয়েছেন বলেও তিনি জানান।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে পৌঁছে দিতে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। সৃজনশীল ভিডিও, ছবি, ইনফোগ্রাফিক ও পোস্টের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রয়োজনীয় বার্তা দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে নাগরিকদের নিজেদের বাড়ি, আঙিনা ও কর্মস্থল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সচেতনতামূলক তথ্য অনলাইনে শেয়ার করে অন্যদের সতর্ক করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক জন র্যাটক্লিফ মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকটি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কায়রো, মিসরের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়।
র্যাটক্লিফের এই বিরল সফরে উপস্থিত ছিলেন মিসরের গোয়েন্দাপ্রধান হাসান রাশাদ। তবে, হঠাৎ করে এই বৈঠকের কারণ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মিসরের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে যে, বৈঠকে ইরান, গাজা ও সুদানের যুদ্ধ পরিস্থিতি, উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে সিসি আঞ্চলিক সংকটগুলোর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিসি আঞ্চলিক সংকট নিরসনে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
এর একদিন আগে, শনিবার, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণের বিষয়ে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করে। সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতিদের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দপ্তরটি সতর্ক করে বলেছিল যে, এই সামরিক সংঘাত দ্রুত আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে।
র্যাটক্লিফের কায়রো সফরের কয়েক দিন আগে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান মিসর সফর করেন। সিসির সঙ্গে বৈঠকে তারা ইয়েমেনের হুথিদের আকস্মিক অভিযানে দেশটির উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন নৌ চলাচল নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে মিসর পরিচিত। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার অন্যতম বড় গ্রহীতা। অস্থিতিশীল এই অঞ্চলে নিজেদের স্থিতিশীলতা আনার শক্তি হিসেবে কায়রোকে তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে ইসরাইল, হামাস ও ইরানসহ পরস্পরবিরোধী পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের পথও খোলা রেখেছে দেশটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মসজিদুল হারামের প্রবীণ মুয়াজ্জিন শায়খ ইবরাহিম বিন আদেল আল-মাদানি মারা গেছেন। তার মৃত্যুর খবরটি হারামাইন শরিফাইনের সামাজিক মাধ্যম এক্স অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ফজরের সময় মক্কা নগরীতে মৃত্যুবরণ করেন।
শায়খ ইবরাহিম মাদানি মসজিদুল হারামের মুকাব্বিরিয়ার একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। মুকাব্বিরিয়ায় দায়িত্ব পালনকারী মুয়াজ্জিনরা আজান দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী ইমামের তাকবির মুসল্লিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। পবিত্র মসজিদুল হারামে মোট ২৪ জন নিয়মিত মুয়াজ্জিন রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রতিদিন ছয়জন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আজান এবং ফজরের প্রথম আজান দেওয়ার দায়িত্বে থাকেন। শায়খ ইবরাহিম মাদানি বিশেষভাবে ফজরের আজান ও তাকবির দেওয়ার জন্য পরিচিত ছিলেন।
জানা যায়, মসজিদুল হারামে তার সর্বশেষ আজান ছিল গত ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি। আজান, হজ ও ঈদের তাকবিরসহ তার কণ্ঠের বিভিন্ন রেকর্ডও রয়েছে।
শায়খ ইবরাহিম আল-মাদানি ১৩৯৭ হিজরিতে মদিনা মুনাওয়ারায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পারিবারিকভাবে পবিত্র কুরআন হিফজ করেন।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে মদিনার একটি স্থানীয় মসজিদে আজান দেওয়ার মাধ্যমে তার মুয়াজ্জিন জীবনের সূচনা হয়। ১৪২৮ হিজরিতে তিনি মদিনার মসজিদ আল-মাদ্দাহতে আজানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৪৩৯ হিজরিতে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মদিনায় বেড়ে ওঠার কারণে শায়খ ইবরাহিম আল-মাদানি আজানের মাদানি রীতি ও সুরের সঙ্গে গভীরভাবে পরিচিত ছিলেন। একই সঙ্গে তার বাবা তাকে মক্কায় নিয়ে গেলে তিনি মক্কি আজানের স্বতন্ত্র ধারার সঙ্গেও পরিচিত হন। মক্কায় অবস্থানকালে তিনি মসজিদুল হারামের সাবেক মুয়াজ্জিন শায়খ আবদুল লতিফ মুল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ফলে শায়খ ইবরাহিম মক্কি ও মাদানি-দুই ধারার আজানের বৈশিষ্ট্য কাছ থেকে শেখার সুযোগ পান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ