বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০২ পি.এম
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় ক্লাস চলাকালীন সময়ে ২৫ শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলা ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
এই ঘটনা বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার কাঁকড়া পিংলু উচ্চ বিদ্যালয়ে ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলাকালীন বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করে। মুহূর্তের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাব দেখা দিলে একে একে ২৫ জন শিক্ষার্থী পড়ে যায়। এতে বিদ্যালয়ের পুরো প্রাঙ্গণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকেরা দ্রুত অসুস্থ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তরুণ কুমার পাল জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র গরম অথবা সাইকোলজিক্যাল (গণ-মনস্তাত্ত্বিক) কোনো কারণে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে থাকতে পারে। বর্তমানে অধিকাংশ রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে এবং চিকিৎসকেরা সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের কালিহাতী এলাকায় ইয়াবাসহ দুই জুলাই যোদ্ধাকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের সামনে বৃষ্টি হোটেলের কাছ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চিতুলিয়াপাড়ার আজাহার আলীর ছেলে জুলাই যোদ্ধা হাছান আলী (৩৭) এবং একই উপজেলার শালদাইর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে ও গোবিন্দাসী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য জুলাই যোদ্ধা মাহমুদুল হাসান (৩৪)। পুলিশ তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১৫০ পিস করে মোট ৩০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে।
পুলিশের দাবি, জুলাই যোদ্ধা পরিচয় ব্যবহার করে তারা রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় জুলাই যোদ্ধার প্রভাব খাটিয়ে তারা প্রশাসনকে চাপের মধ্যে রাখতেন।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) উপপরিদর্শক রাইজ উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গার একটি হোটেলসংলগ্ন এলাকা থেকে দুই জুলাই যোদ্ধাকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, গাবসারা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে এসে এলেঙ্গায় বিক্রির জন্য ক্রেতার অপেক্ষায় ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সৌর বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক-কর সুবিধা বৃদ্ধি করেছে। নতুন সুবিধার ফলে, এসব উপকরণের আমদানিতে মোট করভার ১৭ শতাংশ থেকে কমে ১ শতাংশে নেমে এসেছে।
এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) জানানো হয় যে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং বিদ্যুৎ ঘাটতির প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে এই সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য ও টেকসই জ্বালানির গুরুত্বপূর্ণ উৎস সৌর বিদ্যুৎ খাতের প্রয়োজনীয় উপকরণ আমদানিতে আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক ও আগাম কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে, এসব পণ্য আমদানিতে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও ২ শতাংশ অগ্রিম আয়করসহ মোট ১৭ শতাংশ করভার প্রযোজ্য ছিল।
এনবিআর জানায়, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সৌর বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস ডিউটি এবং রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আগাম কর ও অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে, এসব পণ্য আমদানিতে এখন মোট করভার হবে ১ শতাংশ। এই সুবিধা প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ১৮০ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
এনবিআর আরও জানায়, পূর্বে বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য সৌর বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে এই সুবিধা প্রযোজ্য ছিল না। বর্তমানে, শর্তসাপেক্ষে বাণিজ্যিক আমদানিকারকরাও এই সুবিধা পাবেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, নতুন এই সুবিধার ফলে সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যয় কমবে, নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে। পাশাপাশি, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও শক্তিশালী হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের লক্ষ্য নিয়ে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) নবনির্বাচিত মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত এম জে এইচ জাবেদ মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের অভিনন্দনপত্র হস্তান্তর করেন। তথ্যবিবরণী অনুযায়ী, মহাসচিব সাক্ষাৎকালে জানান, রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধান না হলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে, যা সবার জন্য মারাত্মক ভোগান্তি বয়ে আনবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান এবং নতুন দায়িত্ব পালনে বাংলাদেশ সরকারের পূর্ণ সমর্থনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় ওআইসি মহাসচিব বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশটির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা নতুন গতি পাবে।
বাংলাদেশের গাজীপুরে অবস্থিত ওআইসির প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ভূমিকা স্মরণ করে মহাসচিব বলেন, ওআইসিভুক্ত দেশগুলোতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে প্রতিষ্ঠানটির অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইইউটির গবেষণা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
মহাসচিব আরও জানান, সফরসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ তার পছন্দের তালিকায় শীর্ষ সারিতে রয়েছে। বৈঠকে উভয় পক্ষ একমত হন যে, প্রাকৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদের ভিন্নতা থাকায় ওআইসিভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে পারে। বিশেষ করে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ (কনট্রাক্ট ফার্মিং), স্বাস্থ্যসেবা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, আতিথেয়তা এবং শিক্ষাসহ বিভিন্ন উৎপাদনশীল খাতে যৌথ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশগুলো ‘উইন-উইন’ ভিত্তিতে এক সঙ্গে কাজ করতে পারে।
বাংলাদেশে জনগণ ও নতুন নেতৃত্বের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদর্শনের জন্য মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাষ্ট্রদূত জাবেদ বলেন, আগামী দিনগুলোতে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক যৌথ ইস্যুতে ওআইসি সচিবালয়ের সাথে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের ইতিহাসে প্রতিদিন ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা মানুষের মনে বিশেষ দাগ ফেলে। অনেক ঘটনা জন্ম নেয়, আবার অনেকের মৃত্যু ঘটে। প্রতিদিনের এই ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থায়ীভাবে স্থান করে নেয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখা যাক তেমন কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
১৬৩০ সালে আমেরিকার বোস্টন শহর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
১৭৮৭ সালে ফিলাডেলফিয়ার পেনিসেলভেনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।
১৮৪৬ সালে সাপ্তাহিক ‘দর্পণ’ প্রকাশিত হয়।
১৮৪৮ সালে সাপ্তাহিক সংবাদপত্র ‘সাপ্তাহিক অরুণোদয়’ প্রকাশিত হয়।
১৮৭১ সালে সুইজারল্যান্ডের মন্ট সেনিস রেলওয়ে টানেল উদ্বোধন করা হয়।
১৯১৪ সালে গ্রিস ও এশিয়া মাইনরে এক ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
১৯২০ সালে প্রবাসে (তাসখন্দে) ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি গঠিত হয়।
১৯২৪ সালে মহাত্মা গান্ধী হিন্দু মুসলমান সম্প্রীতির জন্য অনশন শুরু করেন।
১৯৩৬ সালে ইরান ও তুরস্কের মধ্যে শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়।
১৯৪০ সালে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহের সূচনা হয়।
১৯৪৪ সালে ওস্টল্যান্ড থেকে এস্তোনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ ও ফিলিস্তিন সংকটের বিষয়ে জাতিসংঘের মধ্যস্থতাকারী কেন্ট বার্নাডোট বায়তুল মোকাদ্দাসে ইহুদিবাদীদের হাতে নিহত হন।
১৯৫৭ সালে মালয়েশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৬২ সালে গণবিরোধী হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলায় ছাত্র আন্দোলন ও হরতাল অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৬৩ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে জেনেভা নিরস্ত্রীকরণ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী ১৭টি দেশের একটি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। এই প্রস্তাবে পরমাণু অস্ত্র বা অন্য যে কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র পৃথিবীর কক্ষপথে মোতায়েন না করার আহ্বান জানানো হয়।
১৯৭০ সালে জর্ডান সেনাবাহিনী ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ব্যাপক গণহত্যা অভিযান শুরু করে।
১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি-বিসাউ জাতিসংঘে যোগদান করে।
১৯৮০ সালে নিকারাগুয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট আনাসতোসিও সমোজা দেবাইলি প্যারাগুয়েতে নিহত হন।
১৯৮০ সালে ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শহীদ মোহাম্মাদ আলী রাজাই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে ভাষণে তার দেশের ওপর ইরাকের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিশদ ব্যাখ্যা দেন।
১৯৮২ সালে ইসরায়েলি সেনারা লেবাননের সাবরা ও শাতিলা শরণার্থী শিবিরে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর ব্যাপক গণহত্যা চালায়।
১৯৮৩ সালে ভ্যানেসা উইলিয়াম প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ মিস আমেরিকান হন।
১৯৮৮ সালে সিউলে ১৬০টি দেশের অংশগ্রহণে ২৪তম অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধন হয়।
১৯৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোনিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটে। এই ভূমিকম্পে অনেক সড়ক ও সেতু বিধ্বস্ত হয় এবং কমপক্ষে ২৭১ জনের মৃত্যু হয়, এছাড়া ৫০০ জনেরও বেশি আহত হন।
১৯৯১ সালে উন্মুক্ত সোর্সকোড ভিত্তিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের প্রথম সংস্করণ (0.01 Version) ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়।
১৯৯১ সালে এস্তোনিয়া, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া, মাইক্রোনেশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৯৪ সালে চীনের শিনচিয়াংয়ের চিওহো প্রাচীন নগরে চীনের হ্যান রাজবংশের সমাধি সংগ্রহশালা আবিষ্কৃত হয়।
২০০৫ সালে বাংলাদেশে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি থেকে বাণিজ্যিকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়।
২০০৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
২০২৩ সালে ভারতের বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের তালিকায় স্থান লাভ করে শান্তিনিকেতন।
জন্ম
১৮২৬ সালে বের্নহার্ট রিমান, বিখ্যাত জার্মান গণিতবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৬৭ সালে গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী, শিল্পরসিক এবং মঞ্চাভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৯ সালে পেরিয়র ই. ভি. রামস্বামী, ভারতের তামিলনাড়ুর প্রখ্যাত সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১৫ সালে মকবুল ফিদা হুসেন, অত্যন্ত জনপ্রিয় ভারতীয় চিত্রশিল্পী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১৮ সালে সত্য চৌধুরী, প্রখ্যাত বাঙালি সংগীতশিল্পী ও সুরকার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২২ সালে হরিপদ কাপালী, বাংলাদেশি কৃষক, হরি ধানের উদ্ভাবক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২৩ সালে শোভা সেন, ভারতীয় বাঙালি মঞ্চ ও চলচ্চিত্র অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২৫ সালে প্রেমাংশু বসু, মঞ্চাভিনেতা ও নাট্যকার নির্দেশক জন্মগ্রহণ করেন। পিটার ল্যাডিফোগিড, ইংরেজ-মার্কিনি ভাষাবিজ্ঞানী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৪ সালে বিনয় মজুমদার, বাঙালি কবি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪০ সালে পিটার লিভার, ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৪ সালে বিভু ভট্টাচার্য, বাঙালি অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন। রেইনহোল্ড মেসনার, ইতালিয়ান পর্বতারোহী ও অভিযাত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৫ সালে ভক্তিচারু স্বামী, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের (ইসকন) আধ্যাত্মিক গুরু এবং ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের শিষ্য জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫০ সালে নরেন্দ্র মোদি, ভারতের পঞ্চদশ প্রধানমন্ত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৩ সালে সানায়া ইরানি, ভারতীয় অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৬ সালে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ভারতীয় ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৬ - অমল পরাশর, ভারতীয় অভিনেতা
১৯৯০ - নেহা শর্মা, ভারতীয় অভিনেত্রী
মৃত্যু
১৬৬৫ সালে স্পেনের রাজা চতুর্থ ফিলিপ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৫ সালে চার্লস স্পিয়ারম্যান, ইংরেজ মনোবিজ্ঞানী ও পরিসংখ্যানবিদ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৮ সালে এমিল লুধউইক, জার্মানির খ্যাতনামা জীবনীকার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৪ সালে যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত, বাংলা ভাষার কবি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬১ সালে আদনান মেন্দেরেস, তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৪ সালে নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৬৯ সালে চীনের ছিং রাজবংশের শেষ রাজা ফুই জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৭ সালে উইলিয়াম টলবোট, ইংরেজ উদ্ভাবক ও ফটোগ্রাফির পুরোধা জন্মগ্রহণ করেন।
২০১২ সালে হেনরি ফ্রিডলাডের, জার্মান বংশোদ্ভূত আমেরিকান ইতিহাসবিদ ও লেখক জন্মগ্রহণ করেন।
২০১২ সালে আলেক্সান্দ্র কশক্যন, রাশিয়ান মুষ্টিযোদ্ধা জন্মগ্রহণ করেন।
২০২১ সালে আব্দেল-আজিজ বউটেফ্লিকা, আলজেরীয় সৈনিক, রাজনীতিক ও ৫ম প্রেসিডেন্ট জন্মগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ