শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৪২ পি.এম
খুলনায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে বিএনপি নেতা মঞ্জুরুল আলমের বাড়ির দিকে গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি দাবি করেছেন, মিছিলকারীরা তার বাড়িতে ইটপাটকেলও নিক্ষেপ করেছেন।
মঞ্জুরুল আলম খুলনা সিটি করপোরেশনের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে নগরীর টুটপাড়া মওলা বাড়ির সামনে ইসলামীয়া রোডে এ ঘটনা ঘটে।
মঞ্জুরুল আলম বলেছেন, ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন। বাইরে থেকে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুনে তিনি ঘর থেকে বের হয়ে মিছিলটি দেখতে যান। তখন মিছিল থেকে একজন তাকে সরে যেতে বলেন। পরে, যখন তিনি বাসার ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন, তখন মিছিল থেকে তার বাড়ির দিকে গুলি ছোড়া হয়।
তিনি অভিযোগ করেছেন, মিছিলকারীরা তার বাড়িতে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছেন। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হননি।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানিয়েছেন, ২০ থেকে ২৫ জনের একটি গ্রুপ হঠাৎ করে মিছিল বের করেছিল। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে চার থেকে পাঁচটি ছোট ছোট শিশা উদ্ধার করা হয়েছে, যা ছররা গুলির অংশ হতে পারে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা মামলা করার পরিকল্পনা করছেন বলেও তিনি জানান।
এর আগে, শুক্রবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটের দিকে নগরীর খালিশপুরে জুমার নামাজ চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী ঝটিকা মিছিল বের করেন। খুলনা-যশোর মহাসড়কের আনসার উদ্দিন সড়কের মুখে এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের ধাওয়ায় মিছিলকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর বিভাগ) সুদর্শন কুমার রায় বলেছেন, ‘পুলিশের সক্রিয় ভূমিকার কারণে মিছিলকারীরা মিছিল সম্পন্ন করতে পারেননি। মিছিলকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
[[KEEP_1]]
[[KEEP_2]]
[[KEEP_3]]
[[KEEP_4]]
[[KEEP_5]]
[[KEEP_6]]
[[KEEP_7]]
[[KEEP_8]]
[[KEEP_9]]
[[KEEP_10]]
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া, যা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কলম্বিয়ার এই পদক্ষেপকে লাতিন আমেরিকার মধ্যে ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কলম্বিয়া সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, তারা ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক চুকিয়ে ফেলেছে।
কলম্বিয়ার নতুন ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা গত ৭ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই দেশের পররাষ্ট্রনীতি ও বৈদেশিক জোটে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনতে শুরু করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি সমর্থনের ভিত্তিতে ক্ষমতায় আসা দে লা এসপ্রিয়েলা পূর্বে আঞ্চলিক কূটনীতিতে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
কলম্বিয়া সরকার জানায়, ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদের এই সিদ্ধান্ত মূলত গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। বোগোতার ভাষ্যমতে, এই নীতিনির্ধারণী পদক্ষেপটি 'গোলার্ধীয় জাতীয় নিরাপত্তা' সুসংহত করার উদ্দেশ্যে গ্রহণ করা হয়েছে।
তেহরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বোগোতা জানায়, ইরান সরকারের কিছু 'মাদক-সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর' সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে, যা সরাসরি কলম্বিয়ার সার্বভৌমত্ব ও সুরক্ষার জন্য হুমকি। তবে কলম্বিয়া সরকার এই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপন করেনি।
এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইরান কর্তৃক নৌ চলাচলে বাধা দেওয়া এবং প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশে হামলা চালানোর বিষয়টির তীব্র সমালোচনা করেছে কলম্বিয়া। তবে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক যোগাযোগ বন্ধ করার পরেও ইরানে কনস্যুলার সেবা ও সম্পর্ক বজায় রাখার নিশ্চয়তা দিয়েছে দেশটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানের ফলে ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন মাদক মামলার আসামি রয়েছেন, একজন নিয়মিত মামলার তদন্তে প্রাপ্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য এবং অপরজন চুরি মামলার আসামি।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কলারোয়ার তুলসীডাঙ্গার মৃত হাজী আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. বজলুর রহমান, যিনি বাপ্পী নামেই পরিচিত (৩৬)। এছাড়া ঝিকরার মৃত আমির চাঁদ গাজীর ছেলে মো. আহসান উল্লাহ (৪৩), যিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য। অপর আসামি হলেন গয়ড়ার শহিদুল ইসলামের ছেলে মো. আমিরুল ইসলাম (৩০), যিনি চুরি মামলার আসামি।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযানের সময় ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কলারোয়া থানা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান মাদক ও অপরাধ দমনের জন্য অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তার তিন আসামিকে ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের দক্ষিণ দিল্লির আস্থা কুঞ্জ পার্কে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকে পুলিশ পরিচয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে ছুরি দেখিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, যা ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্টে (এফআইআর) উঠে এসেছে। পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এফআইআরের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার কিশোরীর জন্মদিনে বান্ধবীর সঙ্গে কালকাজি মন্দিরে পূজা দিতে গিয়েছিল। পূজা শেষে বিকাল পৌনে ছয়টার দিকে তারা ইসকন মন্দিরে যাওয়ার আগে আস্থা কুঞ্জ পার্কের একটি বেঞ্চে বসে ছিল।
রাত সাতটার দিকে ৩০ থেকে ৩৫ বছর বয়সী তিন ব্যক্তি হঠাৎ করে তাদের ওপর আক্রমণ করে। তারা নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে পার্কটি ফাঁকা করতে বলে। কিশোরীর বর্ণনা অনুযায়ী, তাদের একজন তার বন্ধুকে পার্কের অন্য কোনায় নিয়ে যায়। একা পেয়ে কিশোরীটি আকুতি জানিয়ে তার মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে, আসিফ নামের এক অভিযুক্তের উদ্দেশ্যে অন্য একজন বলে, ‘আসিফ ভাই, বন্দুক বের করো।’
কিশোরী পুলিশকে দেওয়া জবানবন্দিতে জানায়, আসিফ তাকে একটি কালো রঙের বন্দুক দেখিয়ে আবার পকেটে রেখে দেয়। এরপর দুজনই ছুরি বের করে তাকে একটি অন্ধকার জায়গায় নিয়ে যায়। পার্কের বেঞ্চে আসিফ তার গলায় ছুরি ধরে প্রথমে ধর্ষণ করে এবং হেমু নামের অপর অভিযুক্তকে পাহারা দিতে বলে। পরে পর্যায়ক্রমে হেমন্ত ও মুকেশ নামের অন্য দুই অভিযুক্তও তাকে ধর্ষণ করে।
অভিযুক্তদের আসল নাম আসিফ, হেমন্ত (হেমু) ও মুকেশ (দিপু)। হেমন্ত ও মুকেশ দুই ভাই। ধর্ষণের পর কিশোরী ও তার বন্ধুকে হত্যার হুমকি দিয়ে তাদের মোবাইল ফোন ফেরত দেয় এবং পরে পার্ক থেকে বের করে দেয়। পার্ক থেকে বেরিয়ে বন্ধুকে পুরো ঘটনা জানালে সে জরুরি সেবা নম্বরে (পিসিআর) কল করে এবং পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে।
ঘটনার পর আসিফ ওখলা সবজি বাজারে গিয়ে নিজের মোবাইল বন্ধ করে বাইকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মঙ্গলবার এক বন্দুকযুদ্ধের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। অন্যদিকে হেমন্ত ও মুকেশ প্রমাণ মেটাতে নিজেদের পোশাক ধুয়ে ফেলে এবং পরবর্তী সময়ে শ্রীনিবাসপুরীর বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের বিশ্বাস করাতে ‘জনাব’-এর মতো পুলিশি শব্দ ব্যবহার করেছিল।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে জুমার নামাজের সময় সেজদারত অবস্থায় নাহিদ ইসলাম (২৪) নামক এক যুবককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সময় তাকে রক্ষা করতে গিয়ে তার বাবা সাইফুর রহমানও (৫৫) আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) শান্তিগঞ্জ উপজেলার বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে। আহত নাহিদ ও তার বাবা সাইফুর রহমান বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
নাহিদের ভাই আবু বক্কর সিদ্দিক হিরু অভিযোগ করেছেন, মসজিদে নামাজরত অবস্থায় নাহিদ ও তার বাবার ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি দাবি করেন, হামলার সময় জুবায়ের মেম্বার দাঁড়িয়ে থেকে হামলা করান। হামলায় রেজাউল, আফজল, জুনেল, সেবির, সুবাদসহ আরও ৭-৮ জন উপস্থিত ছিলেন বলেও তিনি জানান।
তবে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাহিদ ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জুবায়েরের মধ্যে পূর্ব থেকেই বিরোধ ছিল।
বীরগাঁও গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হোসাইন জানান, পূর্ববিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন। তার মতে, প্রথমে নাহিদের ওপর হামলা হয়। পরে ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন।
পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রুজেল আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জুবায়ের ও নাহিদের মধ্যে পূর্ব থেকেই বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের কারণে নাহিদ প্রায় দেড় থেকে দুই মাস কারাভোগ করে সম্প্রতি মুক্ত হয়েছেন।
রুজেল আহমেদ জানান, আজ নাহিদ জুমার নামাজ পড়তে বীরগাঁও পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদে যান। সেখানে সেজদারত অবস্থায় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এ সময় তার বাবা সাইফুর রহমানও আহত হন।
অভিযুক্ত পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য জুবায়ের আহমেদ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আমি ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিলাম না। ইঞ্জিনিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে একটি ব্রিজ পরিদর্শনে ছিলাম। বেশ কিছুদিন আগে এই নাহিদ একজনকে গুরুতর আঘাত করেছে। এরপরেও সে বুক ফুলিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করে এসব সহ্য হয়নি বলে এই হামলা হয়েছে বলে খবর পেয়েছি।
শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিল্লোল চাকমা জানান, পূর্বের বিরোধের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে। যারা আহত হয়েছেন তাদের এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ