সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৪ পি.এম
নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫০ শয্যার অবকাঠামো বিদ্যমান থাকলেও, সেবা কার্যক্রম চলছে ৩১ শয্যার জনবল ও ব্যবস্থাপনায়। দীর্ঘকাল ধরে চলমান জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব এবং প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার কারণে হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এর ফলে, সরকারি এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল উপজেলার প্রায় দেড় লাখ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনকালে চিকিৎসা সেবার এই হতাশাজনক চিত্র দেখা গেছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ফিল্মের সংকটের কারণে এক্স-রে পরীক্ষা প্রায় দেড় মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে অতিরিক্ত খরচে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। একই সঙ্গে প্যাথলজি বিভাগে প্রয়োজনীয় কেমিকেলের অভাব এবং জনবল সংকটের কারণে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষাও ব্যাহত হচ্ছে।
এদিকে, হাসপাতালে জেনারেটর থাকলেও, জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় ভর্তি রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সরেজমিনে হাসপাতালের এক্স-রে কক্ষে গিয়ে দেখা যায়, কক্ষে তালা ঝুলছে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, প্রায় দেড় মাস ধরে এক্স-রে ফিল্মের বরাদ্দ না থাকায় পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শে এক্স-রে করাতে আসা রোগীদের হাসপাতালে বাইরে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা অন্যত্র যেতে হচ্ছে।
হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগেও রয়েছে নানা সংকট। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভাগের একজন দায়িত্বশীল জানান, ৩১ শয্যার জনবল কাঠামো অনুযায়ী প্যাথলজিতে মাত্র দুজন কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। রোগীদের রক্ত, প্রস্রাবসহ বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ, রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং রিপোর্ট প্রস্তুত সব কাজ দুজনকেই করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৪৫ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় চাহিদা অনুযায়ী সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও রক্ত পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কেমিকেলের সংকট রয়েছে।
হাসপাতালের নতুন ভবনের প্রবেশপথে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের বাম পাশে ইটের দেয়াল ঘেঁষে টয়লেটের নোংরা পানি রাস্তায় জমে আছে। এতে ওই এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এবং রোগী, স্বজন ও হাসপাতালের কর্মীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, পরিকল্পিত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী সমাধান করা যাচ্ছে না।
নতুন ভবনের সিঁড়ির নিচে একটি নতুন জেনারেটরের দেখা মেলে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, পরীক্ষামূলকভাবে একদিন জেনারেটরটি চালু করা হয়েছিল। এরপর জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় সেটি আর চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় ভর্তি রোগীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
অন্যদিকে, হাসপাতালের পশ্চিম পাশে গ্যারেজে দুটি অ্যাম্বুলেন্স রাখা দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালকের সংকট দীর্ঘদিনের। বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সরকারি গাড়ির চালক রাকিব একইসঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সও চালাচ্ছেন। ফলে জরুরি প্রয়োজনের সময় অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া ও তাৎক্ষণিকভাবে রোগী পরিবহন নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাশাপাশি লালপুর, আড়ানীসহ পাশবর্তী বিভিন্ন উপজেলার মানুষও চিকিৎসা নিতে আসেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সরকারি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি শেষ ভরসা। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল, চিকিৎসা-সরঞ্জাম ও আনুষঙ্গিক সুবিধার সংকটে কাঙ্ক্ষিত সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের।
ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের মনোয়ারা বেগম। চিকিৎসক তাকে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিলেও, হাসপাতালের প্যাথলজিতে গিয়ে জানতে পারেন, সেখানে এ পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। এতে হতাশ হয়ে তাকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শরণাপন্ন হতে হয়। তিনি বলেন, "ডায়াবেটিসের মতো সাধারণ একটি পরীক্ষাও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করা যায় না। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত খরচের পাশাপাশি অসুস্থ রোগীদের বারবার যাতায়াত করতে হয়, যা বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।"
হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজন উপজেলার গালিমপুর গ্রামের তোসাদ্দেক সরকার বলেন, "চিকিৎসক রোগীকে এক্স-রে করিয়ে আনতে বলেন। পরে জানতে পারি, হাসপাতালে এক্স-রে সেবা চালু নেই। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে ৪০০ টাকা খরচ করে এক্স-রে করাই। রিপোর্ট নিয়ে হাসপাতালে ফিরে আসতে দুপুর পার হয়ে যায়। পরে এসে দেখি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক আর নেই। ফলে রোগীকে নিয়ে আবার পরদিন আসতে হবে।"
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এসব সংকটের বিষয়ে জানতে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সৈকত মো. রেজওয়ানুল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান বলেন, "স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সমস্যাগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে এ বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে। তবে এক্স-রে ফিল্মসহ বিভিন্ন পরীক্ষার সরঞ্জাম অর্থবছরের শুরুতে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রয় করা হয়। এ প্রক্রিয়ার কারণে অর্থবছরের শুরুর দিকে কিছুটা সমস্যা তৈরি হয়। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আশা করছি, দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সরকার ১০০ জন গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই তথ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে গঠিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভায় এই বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মসূচির বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে সোমবার সচিবালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনসহ শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস প্রতি বছর ৫ অক্টোবর পালন করা হয়। এবছর দিবসটি উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্তরের ১০০ জন গুণী শিক্ষককে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী ব্যক্তিরা আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: ডেটাবেইস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর (ইও-এফএভিপি)।
পদসংখ্যা: অনির্ধারিত।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীদের কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে। স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
অভিজ্ঞতা: প্রার্থীদের ৫ থেকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
চাকরির ধরন: ফুলটাইম।
কর্মক্ষেত্র: অফিসে।
প্রার্থীর ধরন: নারী ও পুরুষ উভয়ই আবেদন করতে পারবেন।
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই।
কর্মস্থল: ঢাকা।
বেতন: যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন প্যাকেজ।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী তুন ড. মাহাথির মোহাম্মদের স্ত্রী তুন ড. সিতি হাসমাহ মোহাম্মদ আলী আর বেঁচে নেই। তিনি শতবর্ষ বয়সে মারা গেছেন।
২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে (আইজেএন) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ১০০ বছর।
নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, সিতি হাসমাহর মৃত্যুর খবর তার ছেলে তান শ্রী মোখজানি মাহাথির নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে সংসদে একটি টাউনহল অধিবেশন চলাকালীন তার মৃত্যুর সংবাদ ঘোষণা করা হলে উপস্থিতদের মধ্যে বিস্ময় ছড়িয়ে পড়ে। পরে তার সম্মানে একটি সংক্ষিপ্ত দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
তুন ড. সিতি হাসমাহ মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের দীর্ঘদিনের জীবনসঙ্গী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি চিকিৎসক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিতি হাসমাহর জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হবে। মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ার একটি কবরস্থানে তাকে দাফন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নতুন আইফোনের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় অনেক ব্যবহারকারী পুরোনো বা ব্যবহৃত আইফোন কেনার দিকে ঝুঁকছেন। কম দামে ভালো পারফরম্যান্স পাওয়ার সুযোগ থাকলেও, ব্যবহৃত আইফোন কেনার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যাচাই করা অপরিহার্য। ব্যাটারির অবস্থা, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ফেস আইডি এবং অ্যাক্টিভেশন লক এসব বিষয়গুলোর প্রতি অসতর্ক হলে পরবর্তীতে বাড়তি খরচের সম্মুখীন হতে হতে পারে।
ব্যাটারি হেলথ যাচাই করুন
পুরোনো আইফোন কেনার আগে ব্যাটারির সক্ষমতা পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফোনের সেটিংসে গিয়ে ‘Battery’ এবং ‘Battery Health’ বা সংশ্লিষ্ট ব্যাটারি হেলথ অপশন থেকে ব্যাটারির সর্বোচ্চ সক্ষমতা দেখা সম্ভব। যদি ব্যাটারির সক্ষমতা কমে যায়, তাহলে চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই ফোন কেনার পূর্বে ব্যাটারির অবস্থা যাচাই করে সম্ভাব্য পরিবর্তন খরচ সম্পর্কে ধারণা নেওয়া উচিত।
মডেল ও ডিভাইসের তথ্য মিলিয়ে নিন
আইফোনটি আসলে কোন মডেলের, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সেটিংসের ‘General’ থেকে ‘About’ বিভাগে প্রবেশ করতে হবে। সেখানে মডেলের নাম, মডেল নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর পরীক্ষা করা উচিত। বিক্রেতার দেওয়া তথ্য এবং ডিভাইসের তথ্যের মধ্যে কোনো অসঙ্গতি রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অ্যাপলের অফিসিয়াল সাপোর্টের মাধ্যমে প্রযোজ্য ডিভাইস-সংক্রান্ত তথ্য পরীক্ষা করা যেতে পারে।
ডিসপ্লে ও টাচস্ক্রিন পরীক্ষা করুন
ফোনের স্ক্রিনে ফাটল, দাগ, কালো অংশ বা অস্বাভাবিক রং রয়েছে কি না, তা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করুন। স্ক্রিনের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করে টাচস্ক্রিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা উচিত। ডিসপ্লে যদি আগে পরিবর্তন করা হয়ে থাকে, সেটিও জানা প্রয়োজন। কারণ নিম্নমানের বা ত্রুটিপূর্ণ ডিসপ্লে ফোন ব্যবহারে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
ক্যামেরা, স্পিকার ও মাইক্রোফোন পরীক্ষা করুন
আইফোন কেনার আগে সামনের এবং পেছনের ক্যামেরা দিয়ে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে দেখা প্রয়োজন। ক্যামেরার ফোকাস, ছবির মান এবং লেন্সের অবস্থা যাচাই করা উচিত। পাশাপাশি ভিডিও রেকর্ডিংয়ের শব্দ, ইয়ারপিস, লাউডস্পিকার এবং মাইক্রোফোন পরীক্ষা করা উচিত। এসব ফিচারে সমস্যা থাকলে ফোনের স্বাভাবিক ব্যবহার ব্যাহত হতে পারে।
ফেস আইডি ও সংযোগব্যবস্থা যাচাই করুন
ফেস আইডি-সমর্থিত মডেলে মুখ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা পরীক্ষা করা উচিত। একই সঙ্গে পাওয়ার বাটন, ভলিউম বাটন, চার্জিং পোর্ট, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং জিপিএস পরীক্ষা করা প্রয়োজন। সম্ভব হলে নিজের সিম ব্যবহার করে কল করা এবং চার্জার সংযুক্ত করে চার্জিংয়ের কার্যকারিতাও যাচাই করা উচিত।
অ্যাক্টিভেশন লক সম্পর্কে সতর্ক থাকুন
ব্যবহৃত আইফোন কেনার ক্ষেত্রে অ্যাক্টিভেশন লক একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি আগের মালিকের অ্যাপল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ফোনটি যুক্ত থাকে, তাহলে নতুন ক্রেতা সেটি সক্রিয় করতে সমস্যায় পড়তে পারেন। তাই বিক্রেতার উপস্থিতিতে নিশ্চিত হতে হবে যে ফোনটি আগের মালিকের অ্যাকাউন্ট থেকে সরানো হয়েছে। ফোনটি মুছে নতুন করে সেটআপ করার সময় আগের মালিকের অ্যাকাউন্টের তথ্য চাইছে কি না, সেটিও খেয়াল করতে হবে। প্রয়োজনীয় যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত টাকা পরিশোধ না করাই নিরাপদ।
আইএমইআই ও যন্ত্রাংশের ইতিহাস দেখুন
ফোনের আইএমইআই নম্বর ডিভাইসের তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। সেটিংসের ‘Parts and Service History’ বিভাগে সমর্থিত মডেলগুলোতে যন্ত্রাংশ পরিবর্তন বা মেরামতের তথ্য পাওয়া যেতে পারে। যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ বদলানো হয়ে থাকে, তাহলে সেটির কারণ, ব্যবহৃত যন্ত্রাংশের ধরন এবং মেরামতের ইতিহাস সম্পর্কে বিক্রেতার কাছে জানতে হবে।
সব মিলিয়ে, পুরোনো আইফোন কেনার সময় শুধুমাত্র মডেল বা কম দামকে প্রাধান্য না দিয়ে ফোনের সামগ্রিক অবস্থা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। ব্যাটারি, ডিসপ্লে, ক্যামেরা, ফেস আইডি, সংযোগব্যবস্থা, যন্ত্রাংশের ইতিহাস এবং অ্যাক্টিভেশন লক পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে ত্রুটিপূর্ণ ডিভাইস কেনার ঝুঁকি এবং ভবিষ্যতের বাড়তি খরচ কমানো সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ