বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৮ পি.এম
দেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় মহানগর, আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাসের ভাড়া বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে জারিকৃত এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মহানগর, আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
সহকারী সচিব জসিম উদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী বাসের ক্ষেত্রে যাত্রীপ্রতি প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সার পরিবর্তে ২ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার রুটে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের জন্য যাত্রীপ্রতি প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সার পরিবর্তে ২ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে।
এছাড়া, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী মিনিবাস এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) আওতাধীন জেলার (নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ ও ঢাকা জেলা) অভ্যন্তরে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে যাত্রীপ্রতি প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৪৩ পয়সার পরিবর্তে ২ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়া যথাক্রমে ১০ টাকা এবং ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য বিআরটিএ কর্তৃক অনুমোদিত আসন সংখ্যা কমিয়ে বাস বা মিনিবাসের আসন সংখ্যা পুনর্বিন্যাস করা হলে নির্ধারিত ভাড়া আনুপাতিকভাবে পুনঃনির্ধারিত করতে হবে। এই ক্ষেত্রে রুট পারমিট অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অথবা যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটি থেকে আনুপাতিকভাবে ভাড়ার হার অনুমোদন করিয়ে নিতে হবে।
তবে নতুন নির্ধারিত এই ভাড়ার হার গ্যাসচালিত বাস বা মিনিবাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নতুন ভাড়ার হার প্রতিটি বাস ও মিনিবাসের দৃশ্যমান স্থানে আবশ্যিকভাবে প্রদর্শন করতে হবে। জনস্বার্থে জারিকৃত এই ভাড়ার হার মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) থেকেই কার্যকর হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
১৭ বছর বয়সী কিশোরী নিঝুম খাতুন ১৮ মাস আগে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার পর তার মা মহেশপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
জিডির পর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তদন্তে নামে। তদন্তের ফলে কিশোরী নিঝুম হত্যার ভয়াবহ ঘটনা প্রকাশ পায়।
পুলিশের দাবি, প্রেমের সম্পর্কের কারণে ঝিনাইদহ থেকে পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশী রেলস্টেশন এলাকায় নিঝুমকে নিয়ে যান তার প্রেমিক মাশরিকুল রহমান জিম (২৩)। সেখানে বিয়ের বিষয়ে মতপার্থক্যের কারণে নিঝুমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন প্রেমিক জিম।
পরে অজ্ঞাত মরদেহ হিসেবে উদ্ধার হওয়া কিশোরীর মরদেহ পাবনায় দাফন করা হয়।
পুলিশ জানায়, মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের নিঝুম খাতুন গত বছরের ১৩ মার্চ নিখোঁজ হন।
সেদিনই ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে কথিত প্রেমিক মাশরিকুল রহমান জিম কিশোরী নিঝুমকে পাবনা জেলার ঈশ্বরদীর পাকশী রেলস্টেশনে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে বিয়ের বিষয়ে তর্কের এক পর্যায়ে জিম নিঝুমকে থাপ্পড় মারেন।
এ সময় নিঝুম খাতুন অচেতন হয়ে পড়লে তাকে রেললাইনের পাশে নির্জন জঙ্গলে নিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
গত বছরের ১৭ মার্চ ঈশ্বরদী থানা পুলিশ পাকশী রেলস্টেশন এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে অজ্ঞাত কিশোরীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় ময়নাতদন্ত শেষে পাবনা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সহায়তায় মরদেহটি দাফন করা হয়। ওই ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহের একটি আদালতে কথিত প্রেমিক মাশরিকুল রহমান জিম আদালতে নিঝুম হত্যার বর্ণনা দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার আশিস বিন হাসান বলেন, পুলিশ ও সাইবার ইনভেস্টিগেশন সেলের সমন্বয়ে রহস্য উদঘাটন করে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ইতোমধ্যে ফল প্রস্তুতের কাজ শুরু করেছে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
তিনি উল্লেখ করেন, নভেম্বরের ৭ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে ফল প্রস্তুতির কাজ চলমান রয়েছে।
অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা কিছুটা দেরিতে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ফল প্রস্তুতির কাজে অতিরিক্ত পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশের আশা করা হচ্ছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২ জুলাই এবং শেষ হয় ৮ আগস্ট। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কিছু লিখিত পরীক্ষা স্থগিত হয়। পরে এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়।
চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর দ্রুত ফল প্রস্তুতির কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীদের জন্য সারাদেশে ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্র ছিল।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড থেকে অংশগ্রহণ করেছেন—৩ লাখ ৩৯৩ জন। এছাড়া রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লা বোর্ডে ৯৪ হাজার ৮০২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।
এ ছাড়া ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেটে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশাল বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিশরের ঐতিহ্যবাহী আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য আয়োজন, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও আন্তর্জাতিক সম্প্রীতির আবহে। বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশের শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পাঁচ দিনব্যাপী এই আয়োজন এক বৈচিত্র্যময় আন্তর্জাতিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) শুরু হওয়া এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মিশরে নিযুক্ত বাংলাদেশের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) গৌতম কুমার দে, যিনি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা প্রদান করেন। তার উপস্থিতি বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সঞ্চার করেছে।
নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুজাতিক ও বৈচিত্র্যময় ক্যাম্পাস সংস্কৃতিকে উদযাপন করতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্টগণ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরাও এতে অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী। এতে বাংলাদেশ, ভারত, সৌদি আরব, সিরিয়া, ফিলিস্তিন, দক্ষিণ সুদান ও সুদানসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা নিজেদের দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জীবনধারা তুলে ধরেন।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় দেশের লাল-সবুজের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য বিশেষভাবে উপস্থাপিত হয়। আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজ দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্টুডেন্ট ইউনিয়ন ও ছাত্রসংগঠন বছরজুড়ে তাদের উদ্ভাবন, গবেষণা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন সাফল্যের চিত্র প্রদর্শন করে। এসব আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, দক্ষতা ও বহুমাত্রিক প্রতিভার প্রকাশ ঘটে।
আয়োজনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসরে নিজ দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরার সুযোগ তাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দূতাবাসের ধারাবাহিক সহযোগিতা ও উৎসাহ তাদের শিক্ষাজীবনে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।
আইন শামস বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নবীন বরণ অনুষ্ঠান নতুন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এটি বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয়, সাংস্কৃতিক বিনিময়, সম্প্রীতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়নের রূপনগর এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে এক কিশোরীকে ব্যবহার করে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক ধর্ষণচেষ্টা মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, ভুক্তভোগী পরিবারটিকে তাদের বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের জন্যও অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গুলশাখালী ইউনিয়নের রূপনগর এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় অনেক বাসিন্দাও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী শাহ আলমের মা আনোয়ারা বেগম ও বাবা আব্দুল হাই লিখিত বক্তব্যে জানান, একই এলাকার জিনোয়ারা বেগমের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। এই বিরোধের প্রেক্ষিতে জিনোয়ারা বেগম তার ১২ বছর বয়সী মেয়েকে ব্যবহার করে শাহ আলমের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মিথ্যা ধর্ষণচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। তাদের দাবি, এই বানোয়াট মামলার উদ্দেশ্য হলো শাহ আলমকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় করা এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা।
সংবাদ সম্মেলনে একই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সংরক্ষিত ইউপি সদস্য হাজেরা বেগমও উপস্থিত হয়ে একই ধরনের হয়রানির অভিযোগ করেন। তিনি জানান, জিনোয়ারা বেগম পূর্বে তার বিরুদ্ধে প্রায় ২০টি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। এসব মামলার কারণে তার ৬০ লাখ টাকারও বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। একপর্যায়ে তিনি সহায়-সম্বল হারিয়ে টিকে থাকতে না পেরে নিজের জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্থানীয় এলাকাবাসী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ঘটনাটিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন। তারা এই জঘন্য হয়রানি বন্ধে এবং জমি বিরোধের সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি জানান। একই সঙ্গে, মিথ্যার ভিত্তিতে দায়ের করা মামলাটি সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ