রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৩৮ পি.এম
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ চলছে। বর্তমান সরকার এই মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছে।
তিনি বলেন, রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রদত্ত এক বাণীতে এই তথ্য তুলে ধরেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, সরকারের লক্ষ্য হলো পর্যটন খাতকে দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এর জন্য দেশের ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত ‘জাতীয় পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রতিটি জেলার পর্যটন উপযোগিতা বিবেচনা করে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিভিত্তিক পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে, এটি জেনে তিনি আনন্দিত।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পর্যটন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় খাত। কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবনের বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন, সিলেটের চা বাগান, সেন্টমার্টিন দ্বীপ, বান্দরবানের সাজেক ভ্যালি, নীলগিরি, নীলাচল, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক, জাফলংয়ের পাহাড়ি ঝরনা, বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ, হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশি, সবুজ পাহাড়, বৌদ্ধবিহার, অজস্র নদ-নদীর ধারা, সবুজ ফসলের মাঠ, ষড়ঋতুর অপার সৌন্দর্যের সঙ্গে মানুষের উষ্ণ আতিথেয়তা এবং নিজস্ব সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সব মিলিয়ে বাংলাদেশ পর্যটকদের জন্য এক অনন্য গন্তব্য। পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে শক্তিশালী নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
বিশ্বব্যাপী নতুন নতুন উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে পর্যটন খাতও প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আজ বিশ্বব্যাপী পর্যটনের কাঠামো, ব্যবস্থাপনা ও সেবাদানের ধরন বদলে দিচ্ছে। ভ্রমণ পরিকল্পনা, তথ্যপ্রাপ্তি, যাতায়াত, আবাসন থেকে শুরু করে সর্বত্র এর প্রভাব বিস্তৃত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও জানান, জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদ ও আধুনিক পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণের পাশাপাশি ইকো ট্যুরিজম ও কমিউনিটি ট্যুরিজমের বিকাশে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে সরকারের চলমান উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে পর্যটনের ডিজিটাল রূপান্তরও ত্বরান্বিত হবে। অনলাইন বুকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্যসেবা বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোকে আরও সহজলভ্য, নিরাপদ ও আকর্ষণীয় করে তুলবে।
প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সমন্বয়ে পর্যটন শিল্পকে প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে রাষ্ট্রপতি সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রেখে পর্যটন শিল্পের ডিজিটাল ও টেকসই রূপান্তর হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।
সবশেষে বাণীতে রাষ্ট্রপতি ‘বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বান্দরবানে পর্যটন শিল্প এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়নি। সম্ভাবনাময় এই পর্যটন অঞ্চল সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের অভাবে পিছিয়ে পড়ছে। এই শিল্পের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।
পাহাড়, ঝরনা এবং বৈচিত্র্যময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির কারণে বান্দরবান পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সমন্বিত পরিকল্পনার অভাবে এটি কাঙ্ক্ষিত রূপ নিতে পারেনি। স্থানীয় প্রশাসন, পর্যটন করপোরেশন এবং হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের মধ্যে কার্যকর যৌথ রূপরেখার অভাবের কারণে সবকিছু যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে—এমনটাই মনে করছেন পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। বান্দরবানে নীলাচল, নীলগিরি, মেঘলা, শৈলপ্রপাত, চিম্বুক এবং প্রান্তিক লেকসহ সরকারি ও বেসরকারি অসংখ্য পর্যটন স্পট রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার অভাবের কারণে এই খাতের কাঙ্ক্ষিত বিকাশ সম্ভব হচ্ছে না।
ভ্রমণে আসা পর্যটকদের মতে, বান্দরবানে পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এর জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং কার্যকর উদ্যোগের প্রয়োজন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক রূপ ও অপার সৌন্দর্য সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে প্রচুর দেশি-বিদেশি পর্যটক আসবে। তবে বর্তমানে বান্দরবান ভ্রমণ বেশ ব্যয়বহুল এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি সুবিধাজনক নয়। অসাধু ব্যবসায়ীদের একটি মহল এই সুযোগটি নিচ্ছে। আবাসন ব্যবস্থা ও যাতায়াতে আরও স্বচ্ছতা আনা গেলে পর্যটক যেমন বাড়বে, তেমনি সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, পর্যটকদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশের তৎপরতা আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
বান্দরবান ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিশ্বজিৎ দাশ (বাপ্পা) বলেন, "বান্দরবানে বিদেশি পর্যটকদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।" তবে নির্দিষ্ট কয়েকটি স্পট ছাড়া অন্য কোথাও ভ্রমণের অনুমতি না থাকায় বিদেশি পর্যটক সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে একদিনেই ঘোরা শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা এক দিনের বেশি থাকতে চান না।
বান্দরবান হোটেল-মোটেল ও ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, "পর্যটন শহর হিসেবে বাস্তবে বান্দরবানকে সঠিকভাবে সাজানো হয়নি।" জেলা শহরের বর্তমান অবস্থা দেখে পর্যটকরা একদিনের বেশি থাকতে চান না। শহরে ময়লা-আবর্জনা, যত্রতত্র পার্কিং এবং চলাচলের ভালো কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। সন্ধ্যার পরে জেলা শহরে বিনোদনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় পর্যটকরা একদিন থেকেই কক্সবাজারমুখী হয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, "পর্যটকদের মনে আস্থার পরিবেশ তৈরি করা যাচ্ছে না।" পর্যটন দিবস এলেই সভা, সেমিনার ও র্যালির মতো কিছু কর্মসূচির মধ্যেই সব সীমাবদ্ধ থাকে। আবাসিক হোটেল-মোটেল ও পরিবহনের ভাড়ার কোনো নির্দিষ্ট তালিকা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্ধারিত না থাকায় অতিরিক্ত খরচ গুণতে হয়। ঢাকা-কক্সবাজার বাস ভাড়ার চেয়ে ঢাকা-বান্দরবান বাস ভাড়া অনেক বেশি নেওয়ার কারণে ভ্রমণ ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। তাছাড়া দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা এবং বর্ষায় ধসের কারণে যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ। পাহাড়ে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক ও জাতিগত অস্থিরতায় পর্যটক আগমন ব্যাহত হলেও বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক স্বাভাবিক রয়েছে। তবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার পাশাপাশি বিকল্প বিনোদনের সুযোগ না থাকায় পর্যটক সীমিত হয়ে পড়ছে। এসব বিষয়ে সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে দেশি-বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বহুগুণ বাড়বে।
বান্দরবান ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান বলেন, "এখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেকটাই স্বাভাবিক রয়েছে।" বর্তমানে পর্যটকদের জন্য একটি নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ তৈরি করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। বিশ্ব পর্যটন দিবসে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তায় পর্যটন স্পটগুলোতে বিশেষ পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল টিমও নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে জয়ী হয়ে ফিরেছে স্পেন। নেশন্স লিগের একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচে ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডকে ৩-২ গোলে পরাজিত করেছে লা রোহা।
ম্যাচের শুরুতেই স্পেন এগিয়ে যায়। দ্বিতীয় মিনিটে মার্ক গেহির ভুলের সুযোগ নিয়ে বল কেড়ে নেন লামিন ইয়ামাল। এরপর তিনি ঠান্ডা মাথায় লক্ষ্যভেদ করে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য প্রথম গোলটি করেন।
তবে ইংল্যান্ড দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে। ৩৬ মিনিটে জুড বেলিংহামের পাস থেকে গোল করে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান অ্যান্থনি গর্ডন। মাত্র চার মিনিট পর নিকো ও’রাইলির ক্রস থেকে হেডে গোল করে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
দ্বিতীয়ার্ধে ইংল্যান্ড আক্রমণাত্মক ফুটবল ধরে রাখে। ৫৩ মিনিটে বেলিংহামকে ফাউল করার পর ভিএআর পর্যালোচনার মাধ্যমে ইংল্যান্ডকে পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু কেইন স্পটকিক থেকে ব্যবধান বাড়াতে ব্যর্থ হন। তার নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
পেনাল্টি মিসের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বদলে যায়। ৬০ মিনিটে দানি ওলমোর পাস থেকে বদলি হিসেবে মাঠে নামা অ্যালেক্স বায়েনা গোল করে স্পেনকে ২-২ সমতায় ফেরান।
এরপর দুই দলই জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত ৭৪ মিনিটে বায়েনার নিচু পাস কাজে লাগিয়ে গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। তার গোলে স্পেন ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
শেষ ১৬ মিনিটে সমতা ফেরানোর চেষ্টা করেও সফল হয়নি ইংল্যান্ড। ফলে ওয়েম্বলিতে পাঁচ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন।
এই জয়ের মাধ্যমে ২০২৬-২৭ নেশন্স লিগের অভিযান জয় দিয়ে শুরু করল স্পেন। অন্যদিকে, বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া ইংল্যান্ড ঘরের মাঠে নতুন আসরের শুরুতে হারের মুখ দেখল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমানকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
নিয়োগ পাওয়ার পূর্বে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিনি যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চার বছরের জন্য এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সবসময় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করার ক্ষমতা রাখেন।
জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আপত্তিকর অবস্থায় আটক হওয়া সেই প্রেমিক যুগলকে পরিবারের জিম্মায় মুক্তি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে আলোচনা শেষে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ে এ বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি এবং সহকারী প্রক্টররা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন একটি মেসের পাশে কাঁঠালবাগান থেকে স্থানীয়রা ওই দুই শিক্ষার্থীকে আটক করে প্রক্টরিয়াল বডির কাছে হস্তান্তর করেন। পরে উভয় পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানানো হয়।
তবে পরবর্তীতে উভয় পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। আলোচনা শেষে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান মন্তব্য করেন, ‘উভয় পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে দুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ছেলে-মেয়ে দুজনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও আচরণবিধির আওতায় পর্যালোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ