ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাজের আশায় অস্বস্তিকর অন্তরঙ্গ দৃশ্যেও রাজি হতেন লিনা হেডি


কাজের আশায় অস্বস্তিকর অন্তরঙ্গ দৃশ্যেও রাজি হতেন লিনা হেডি

ক্যারিয়ারের প্রথম পর্যায়ে কাজের সুযোগ পাওয়ার জন্য হলিউড অভিনেত্রী লিনা হেডি নগ্নতা, চুম্বন এবং অন্তরঙ্গ দৃশ্যের মতো অস্বস্তিকর পরিস্থিতি মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলেন। তখন তার কাছে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়াই ছিল সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। ফলে, তিনি নিজের অস্বস্তি বা ব্যক্তিগত সীমারেখা নিয়ে খুব বেশি প্রশ্ন তুলতেন না।

সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, লিনা তার অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের অভিজ্ঞতা এবং হলিউডের ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।

‘গেম অব থ্রোনস’ সিরিজে সার্সি ল্যানিস্টার চরিত্রে অভিনয় করে লিনা বিশ্বজুড়ে পরিচিতি অর্জন করেন। সিরিজটির পঞ্চম মৌসুমের শেষের দিকে তার চরিত্রের একটি নগ্ন দৃশ্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সেখানে সার্সিকে অপমানের শাস্তি হিসেবে নগ্ন অবস্থায় জনতার সামনে দিয়ে হাঁটতে বাধ্য করা হয়।

আরও পড়ুন: বিয়ের জন্য এক বছর বিজয়ের পেছনে লেগেছিলেন রাশমিকা

তবে, এই দৃশ্যে লিনার পরিবর্তে একজন বডি ডাবল ব্যবহার করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিশেষ ভিজ্যুয়াল ইফেক্টের মাধ্যমে দুজনের পারফরম্যান্স একত্রিত করা হয়। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিনেত্রী সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছিলেন। কিছু দর্শক বিষয়টিকে প্রতারণা হিসেবে দেখলেও লিনার ব্যাখ্যা ছিল ভিন্ন।

তিনি বলেন, "বিপুলসংখ্যক মানুষের সামনে কয়েক দিন ধরে নগ্ন হয়ে হাঁটার অভিজ্ঞতা চরিত্রের আবেগের পরিবর্তে নিজের আত্মরক্ষার বিষয়টি প্রাধান্য পেতে পারত।" এতে সার্সির মানসিক অবস্থা বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটিয়ে তোলা কঠিন হতো। তাই শুটিংয়ে উপস্থিত থেকে চরিত্রটির আবেগ প্রকাশের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিনা জানান, কাজ পাওয়ার আনন্দে তিনি অনেক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি মেনে নিতেন। তবে বর্তমানে অতীতের দিকে ফিরে তিনি উপলব্ধি করেন, নিজের সীমারেখা স্পষ্টভাবে তুলে ধরার আত্মবিশ্বাস তখন তার মধ্যে যথেষ্ট ছিল না।

হলিউডের ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। তার অভিযোগ, প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিনের অগ্রহণযোগ্য আচরণের প্রতিবাদ করার পর মিরাম্যাক্সের আর কোনো ছবিতে কাজের সুযোগ পাননি তিনি। লিনার ধারণা, ওই প্রযোজকের ইচ্ছার কাছে নতি স্বীকার না করায় পরবর্তী সময়ে বেশ কিছু কাজের সম্ভাবনা হারিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে চরম হেনস্তার শিকার ইমন

লিনার এই অভিজ্ঞতা হলিউডের বিনোদনজগতে ক্ষমতার অপব্যবহার, কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সীমারেখা এবং কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে শিল্পীদের ওপর তৈরি হওয়া চাপের বিষয়গুলোকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রথম ধাপে ৮০০ ইউপিতে ভোট, বিশৃঙ্খলা ও প্রভাব বিস্তারে কঠোর শাস্তির ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০২ পি.এম


প্রথম ধাপে ৮০০ ইউপিতে ভোট, বিশৃঙ্খলা ও প্রভাব বিস্তারে কঠোর শাস্তির ঘোষণা

নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগামী বছরের ২৭ মের মধ্যে পাঁচ ধাপে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রথম ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২১ জানুয়ারি, যেখানে প্রায় ৮০০ ইউপিতে ভোট হবে।

নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা হলে কমিশন তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়েও কমিশন কঠোর অবস্থানে থাকবে। নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে জুডিসিয়াল ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। নির্বাচনি বিধিমালা লঙ্ঘন করলে প্রার্থিতা বাতিলের বিধানও রয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ধাপভিত্তিক নির্বাচনি এলাকা নির্ধারণ করা হবে। প্রথমে জেলা সদরসংলগ্ন এবং পরে উপজেলা সদরের কাছাকাছি ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে জেলা ও উপজেলা পর্যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগানো সহজ হবে। প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা যাবে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, "ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের যে মানদণ্ড, সেই আলোকে অবশ্যই ভালো নির্বাচন করার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে। আমাদের নিজস্ব কোনো মোটিভ নেই। আমরা ভালো নির্বাচন করার জন্যই দায়িত্ব নিয়েছি। ভালো নির্বাচন করার জন্য যা যা প্রয়োজন, সবই আমরা করব। আইন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা থাকবে।"

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। দলগুলোর সহযোগিতা চাওয়া হবে, যাতে সবাই মিলে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারে।

ইউপি নির্বাচনে যেকোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার প্রতিরোধে কমিশনের কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, নির্বাচনে জুডিসিয়াল ও এক্সিকিউটিভ—দুই ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। কেউ নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করলে বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো পক্ষের প্রতি বিশেষ বিবেচনা না করে অপরাধে জড়িত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে মারামারি, বিশৃঙ্খলা বা পেশিশক্তির ব্যবহার বরদাশত করা হবে না। কোনো প্রার্থী এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে।

কমিশনের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র শাস্তি দেওয়া বা নির্বাচন বন্ধ করা নয়, বরং মানুষ যাতে অপরাধ থেকে বিরত থাকে এবং আইন মেনে চলে, সে ধরনের পরিবেশ সৃষ্টি করাই কমিশনের লক্ষ্য।

গত সোমবার কমিশন সভা শেষে পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

ইসির ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রথম ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপ, ২৯ এপ্রিল তৃতীয় ধাপ, ১৩ মে চতুর্থ ধাপ এবং ২৭ মে পঞ্চম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, আনুমানিক ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পূর্ণ হয়েছে। আইন অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ২৭ মের মধ্যে এসব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা। সাধারণত ভোটগ্রহণের প্রায় ৪২ থেকে ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচনি অপরাধে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনিয়ম, ভয়ভীতি প্রদর্শন, বলপ্রয়োগ ও ভোটারদের বাধা দেওয়ার মতো অপরাধ প্রতিরোধে সংশোধিত নির্বাচনি বিধিমালায় শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধিত নির্বাচন বিধিমালার ৮০(ক) বিধি অনুযায়ী, নির্বাচনি দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিকে হুমকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, আঘাত বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বাধা দেওয়া অপরাধ। কমিশন অনুমোদিত গণমাধ্যম প্রতিনিধি বা পর্যবেক্ষকের কাজে বাধা দেওয়া, তাদের শারীরিক ক্ষতি করা কিংবা দায়িত্ব পালনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম নষ্ট করাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এ ছাড়া কোনো ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা, কোনো প্রার্থীকে মনোনয়নপত্র দাখিল থেকে বিরত রাখা কিংবা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারে বাধ্য করার মতো কর্মকাণ্ডও এ বিধির আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে অনধিক দুই বছরের কারাদণ্ড, অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।

সংশোধিত বিধিমালায় প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতাও স্পষ্ট করা হয়েছে। কোনো উৎস থেকে পাওয়া রেকর্ড বা লিখিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হলে যে চেয়ারম্যান বা সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থী বা তার নির্বাচনি এজেন্ট বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন, কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবে।

তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন যদি সন্তুষ্ট হয় যে কোনো প্রার্থী, তার নির্বাচনি এজেন্ট অথবা তার নির্দেশে কিংবা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে অন্য কেউ বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন, তাহলে লিখিত আদেশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে।

নির্বাচনি অনিয়মের কারণে কোনো ভোটকেন্দ্রের ফলাফল চরমভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হলে তা স্থগিত করার ক্ষমতাও কমিশনের রয়েছে। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, বলপ্রয়োগ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কারসাজি বা অন্য কোনো অপকর্মের মাধ্যমে কোনো ভোটকেন্দ্র বা একাধিক কেন্দ্রের ফলাফল প্রভাবিত হয়েছে বলে কমিশনের কাছে প্রতীয়মান হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফলাফল স্থগিত করা যাবে।

কমিশন প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান চালিয়ে ফলাফল প্রকাশের নির্দেশ দিতে পারবে। আর অনুসন্ধানে ন্যায়সংগত মনে হলে সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের নির্বাচন বাতিল করে সেখানে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশও দিতে পারবে।

নির্বাচনি অপরাধ ও আচরণবিধি লঙ্ঘন পর্যবেক্ষণে মনিটরিং কমিটি গঠনের বিধানও রয়েছে সংশোধিত নির্বাচনি বিধিমালায়। তফসিল ঘোষণার পর কমিশন নির্ধারিত সংখ্যক উপযুক্ত কর্মকর্তার সমন্বয়ে প্রয়োজনীয়সংখ্যক মনিটরিং কমিটি গঠন করতে পারবে। এসব কমিটি নির্বাচনি অপরাধ ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করবে।

সব মিলিয়ে, পাঁচ ধাপে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের পাশাপাশি নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। প্রভাব বিস্তার ও পেশিশক্তির ব্যবহার ঠেকাতে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, অপরাধের তাৎক্ষণিক বিচার, প্রার্থিতা বাতিল এবং অনিয়মপূর্ণ কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের বিধান কার্যকরভাবে প্রয়োগের ওপরই সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার বিষয়টি নির্ভর করবে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ সফরের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৫ সদস্যের টেস্ট দল ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


বাংলাদেশ সফরের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৫ সদস্যের টেস্ট দল ঘোষণা

ওয়েস্ট ইন্ডিজ চলতি মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশ সফরে আসছে, যেখানে তারা দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে। এই সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লুআই)। ঘোষিত দলে সাদা বলের অধিনায়ক শাই হোপ এবং পেসার আলজারি জোসেফের নাম নেই।

সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু হবে আগামী ২৮ অক্টোবর ঢাকার মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপর ৫ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট।

শাই হোপকে আসন্ন সিরিজে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কারণ তিনি দারুণ ছন্দে রয়েছেন। অন্যদিকে, চোটের ঝুঁকি এড়াতে টেস্ট দলের বাইরে রাখা হয়েছে পেসার আলজারি জোসেফকে। তার পরিবর্তে দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন অলরাউন্ডার কেমো পল।

এছাড়া, ২৩ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান কেভিন উইকহ্যাম প্রথমবারের মতো ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে তার অভিষেক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ক্যারিবীয়রা বাংলাদেশ সফরে দুই টেস্টে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে চায়। অন্যদিকে, বাংলাদেশ তাদের ঘরের মাঠে সিরিজ জয় করে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার লক্ষ্যে মাঠে নামবে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্ট দল: রোস্টন চেজ (অধিনায়ক), জোমেল ওয়ারিকান (সহ-অধিনায়ক), জশুয়া বিশপ, জন ক্যাম্পবেল, তেজনারায়ণ চন্দরপল, জশুয়া ডা সিলভা (উইকেটকিপার), জাস্টিন গ্রিভস, কাভেম হজ, আমির জাঙ্গু (উইকেটকিপার), শামার জোসেফ, ব্রেন্ডন কিং, কেমো পল, কেমার রোচ, জেইডেন সিলস ও কেভিন উইকহ্যাম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার পর আত্মহত্যা, শোকের ছায়া সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৩ পি.এম


স্ত্রী ও মেয়েকে হত্যার পর আত্মহত্যা, শোকের ছায়া সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগে

যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ কর্মকর্তা তার স্ত্রী ও মেয়েকে গুলি করে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছেন বলে তদন্তকারীরা ধারণা করছেন। নিহত স্ত্রী অ্যান ম্যানিক্স ছিলেন পুলিশের সাবেক উপপ্রধান (ডেপুটি চিফ) এবং কর্মজীবনে তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এই ঘটনায় সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে শহরের উত্তরে মেরিন কাউন্টির একটি আবাসিক এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কেভিন ম্যানিক্স, যিনি ৬৮ বছর বয়সী, তার স্ত্রী অ্যান ম্যানিক্স, যিনি ৬৪ বছর বয়সী, এবং তাদের ২৪ বছর বয়সী মেয়ে ক্যাথরিন এলিজাবেথ ম্যানিক্স।

মেরিন কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানায়, কেভিন প্রথমে তার স্ত্রী ও মেয়েকে গুলি করেন এবং পরে নিজেও গুলি করে আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। জরুরি নম্বরে ফোন পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফোনকারী নিরাপদে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন।

তবে কেন কেভিন এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, তা তদন্তকারীরা এখনও জানাতে পারেননি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) তিনজনেরই ময়নাতদন্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলমান রয়েছে।

এদিকে, সহকর্মীদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ কর্মকর্তা সমিতি। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, সাবেক উপপ্রধান অ্যান ম্যানিক্স, তার মেয়ে কেটি এবং সাবেক সার্জেন্ট কেভিন ম্যানিক্সের মৃত্যু পুরো পুলিশ পরিবারকে গভীর শোকে আচ্ছন্ন করেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার কষ্ট ও প্রশ্নের সহজ কোনো উত্তর নেই বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

কেভিন ম্যানিক্স সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগে ২৭ বছর কাজ করেছেন। তিনি ২০১৮ সালে সার্জেন্ট পদে থাকা অবস্থায় অবসরে যান। তবে পুলিশ বিভাগে অ্যান ম্যানিক্সের অবদান ছিল আরও বিস্তৃত।

অ্যান ম্যানিক্স সান ফ্রান্সিসকোতে জন্ম নেওয়া চতুর্থ প্রজন্মের বাসিন্দা ছিলেন। তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও আগে পুলিশে কাজ করেছেন। ১৯৮৬ সালে তিনি সান ফ্রান্সিসকো পুলিশ বিভাগে যোগ দেন। সে সময় নারীদের টহল পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কার্যক্রম শুরুর এক দশকের কিছু বেশি সময় পেরিয়েছে।

কর্মজীবনে ধাপে ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ২০০৩ সালে লেফটেন্যান্ট, ২০১৫ সালে কমান্ডার এবং ২০১৮ সালে উপপ্রধান হন অ্যান। ২০২১ সালে অবসরে যাওয়ার আগে তিনি মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান বিভাগ পরিচালনা করেন।

পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অ্যান ছিলেন বিভাগের বিশেষ অস্ত্র ও কৌশল দলের প্রথম নারী সদস্য। পরবর্তী সময়ে তিনি দলটির নেতৃত্বও দেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তার এই অর্জন তাকে বিভাগের ইতিহাসে বিশেষ স্থান করে দিয়েছে।

সূত্র: এনবিসি নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর শরীর নিয়ে প্রত্যাশা কখনো শেষ হয় না: রাধিকা মদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:০৪ পি.এম


নারীর শরীর নিয়ে প্রত্যাশা কখনো শেষ হয় না: রাধিকা মদন

মা হওয়ার পর শরীরে পরিবর্তন আসার কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রোলের শিকার হয়েছেন বলিউডের অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। তার চেহারা নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষাপটে এবার ক্যাটরিনার পাশে দাঁড়িয়েছেন অভিনেত্রী রাধিকা মদন। রাধিকার মতে, নারীর শরীর, ওজন ও সৌন্দর্য নিয়ে সমাজের বিচার করার প্রবণতা কখনোই শেষ হয় না। সাধারণ নারী থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত তারকা, কেউই এই মানসিকতার বাইরে নন।

অভিনয়জীবনে নিজের শরীর নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে রাধিকার। ‘পটাখা’ সিনেমার চরিত্রের প্রয়োজনে তিনি প্রায় ১৫ কেজি ওজন বাড়িয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে ‘শিদ্দত’ ও ‘আংরেজি মিডিয়াম’ সিনেমায় অভিনয়ের সময় বাড়তি ওজন কমানোর প্রক্রিয়া শুরু করেন। সে সময় তাকে শুনতে হয়েছিল, অতিরিক্ত ওজন নিয়ে কীভাবে তিনি সিনেমার প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করবেন।

একদিকে পরপর কাজের চাপ, অন্যদিকে দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টা, সব মিলিয়ে একপর্যায়ে অতিরিক্ত রোগা হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। শারীরিক সুস্থতার অবনতি ঘটায় শেষ পর্যন্ত কিছুদিনের জন্য কাজ থেকেও বিরতি নিতে বাধ্য হন তিনি।

রাধিকার উপলব্ধি, ওজন বাড়ালে যেমন সমালোচনা শুনতে হয়, তেমনি ওজন কমিয়ে ফেললেও কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়। অর্থাৎ, অন্যের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে নিজের শরীর যতই পরিবর্তন করা হোক না কেন, সবাইকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব নয়। তাই এখন নির্দিষ্ট কোনো শারীরিক গড়ন অর্জনের চেয়ে সুস্থ থাকাকেই বেশি গুরুত্ব দেন তিনি।

নারীর সৌন্দর্য নিয়ে সমাজের তৈরি করা ধারণা নিয়েও কথা বলেছেন রাধিকা। তার মতে, ছোটবেলা থেকেই মেয়েদের সৌন্দর্যকে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ডের মধ্যে আটকে দেওয়া হয়। ফ্যাশন ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ কিংবা সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য সৌন্দর্যের ধারণার সঙ্গে নিজেদের তুলনা করতে গিয়ে অনেক কিশোরী আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। ভ্রুর আকৃতি, মুখের স্বাভাবিক লোম কিংবা শরীরের অন্যান্য বৈশিষ্ট্য নিয়েও তৈরি হয় হীনম্মন্যতা।

নিজের শৈশবের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রাধিকা জানান, ছোটবেলায় তারও ঘন ভ্রু ও মুখে লোম ছিল। তবে পরিবারের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তাকে নিজের চেহারাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে শিখিয়েছে। অন্যের প্রশংসা কিংবা স্বীকৃতির ওপর নির্ভর না করে নিজেকে ভালোবাসার গুরুত্বও তিনি সেখান থেকেই উপলব্ধি করেছেন।

রাধিকার মতে, নিজেকে গ্রহণ করার পথ সহজ নয়। তবে নিজের শরীর, স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য ও স্বতন্ত্র পরিচয়ের প্রতি সম্মান দেখানোর মধ্য দিয়েই সেই যাত্রা শুরু হয়। অন্যের প্রত্যাশা পূরণের জন্য নয়, বরং নিজের সুস্থতা ও আত্মবিশ্বাসের জন্যই প্রত্যেক নারীর নিজের শরীরকে ভালোবাসতে শেখা জরুরি।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%