সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৯ পি.এম
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও চলমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিত অ্যাকশন প্ল্যান করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি উল্লেখ করেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে একত্রে কাজ করতে হবে। মাঠপর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা আবশ্যক। রোগের চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধের কার্যক্রম বেশি কার্যকর—এটি মাথায় রেখে প্রতিরোধমূলক উদ্যোগগুলোকে জোরদার করতে হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাস ডেঙ্গুর পিক পিরিয়ড হওয়ায়, সামনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। বর্তমানে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা কম হলেও এতে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই।
তিনি আরও জানান, দুই দিন আগে প্রধানমন্ত্রী তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন যাতে ডেঙ্গু সারাদেশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। ৬৪ জেলায় একযোগে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করছেন এবং সমাজ পরিবর্তনে অংশীদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, আমরা চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধকে শ্রেয় বিবেচনায় নিয়ে কাজ করব। যদি আমরা ডেঙ্গুকে প্রতিরোধ করতে পারি, তাহলে এটি হয়ে যাওয়ার পরে নিরাময়ের চেয়ে অনেক বেশি সহজ হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ইতোমধ্যে দেশব্যাপী সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জনগণকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
ডেঙ্গুর দীর্ঘ ইতিহাস তুলে ধরে ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ডেঙ্গু নতুন কোনো রোগ নয়। প্রায় দুই হাজার বছর ধরে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এ রোগের সঙ্গে লড়াই করছে।
তিনি বলেন, ইতিহাসগুলো বলছি এই কারণে যে আমরা আজকে যখন অ্যাকশন প্ল্যান করার কথা চিন্তা করছি, এই ইতিহাসগুলো যদি আমরা সঠিকভাবে পর্যালোচনা করি, তাহলে অতীত অভিজ্ঞতা আমাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা কার্যকর করবে। তাই রোগটির ইতিহাস, পরিবেশ ও মশার বিস্তারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো মাথায় রেখে আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি স্থানীয় বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতাকেও কাজে লাগাতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকাস্থ অফিসের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার ইফ্ফাত মাহমুদ।
কর্মশালায় স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা ছাড়াও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, আইসিডিডিআরবি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, নিপসম, আবহাওয়া অধিদপ্তর, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের মালিবাগ ক্যাম্পাসের বহুতল ভবন থেকে পড়ে গুরুতর আহত অমিত ঘোষ আর বেঁচে নেই। সোমবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। অমিত ঘোষ ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে ইংরেজি ভার্সনের ‘আইসোটোপ’ সেকশনের শিক্ষার্থী।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে অমিত কলেজের ৬ নম্বর ভবনের ১১ তলা থেকে পড়ে যায়। এই দুর্ঘটনায় সে গুরুতর আহত হয়। দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে শ্যামলীর একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিল অমিত। সোমবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, সোমবার সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের মালিবাগ শাখার বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য শিক্ষকরা একটি বার্তা পাঠিয়েছেন। বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী অমিত ঘোষ আর আমাদের মাঝে নেই। আজ সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে অমিত ঘোষ ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোকে পাড়ি জমিয়েছে। অমিতের অকাল প্রয়াণে সাউথ পয়েন্ট পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।’
এদিকে, রামপুরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনার বিষয়ে থানায় এখনও কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছেন রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর।
তিনি বলেন, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার দাবি করা হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ মে পাকিস্তানের জ্যাকোবাবাদে শাহবাজ বিমানঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানবাহিনী হামলা চালায়। হামলার লক্ষ্য ছিল সেখানে অবস্থিত চারটি হ্যাঙ্গার। এসব হ্যাঙ্গারে যুদ্ধবিমান, এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল বিমান এবং ড্রোন সংরক্ষিত ছিল।
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে যে, এই হামলায় পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। একই অভিযানে একটি এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল বিমান এবং কয়েকটি ড্রোনও ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া, পাকিস্তানের সারগোধা ও রহিম ইয়ার খান বিমানঘাঁটির রানওয়েতেও ক্ষয়ক্ষতির দাবি করা হয়েছে। ভারত চাকলালা ও মুরিদের কমান্ড সেন্টারেও হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে।
যদিও এই দাবি নতুন, তবে এর আগেও ভারতের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের আগস্টে ভারতীয় বিমানবাহিনী প্রধান এপি সিং বলেছিলেন, অপারেশন সিন্দুরের অধীনে অন্তত পাঁচটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান এবং একটি বড় আকারের বিমান ধ্বংস করা হয়েছিল। তিনি জ্যাকোবাবাদে থাকা পাকিস্তানের এফ-১৬ ধ্বংসের কথাও উল্লেখ করেছিলেন।
পাকিস্তানের পক্ষ থেকে এই দাবির বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি, ফলে এফ-১৬ ধ্বংস বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি ভারতের দাবি হিসেবেই উপস্থাপন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, ‘অপারেশন সিন্দুর’ ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাত শুরু হয় ৭ মে ২০২৫ এবং ১০ মে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এই নতুন দাবি যুদ্ধবিরতির প্রায় ১৬ মাস পর সামনে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, শিল্প-কারখানাগুলোতে মঙ্গলবার রাত থেকে সংকট শুরুর পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিয়ে। এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের ২১টি শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভাটি প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলেছিল। সভার পর ব্যবসায়ী নেতারা গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন।
ফজলুল হক মন্তব্য করেন, ‘সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ জ্বালানি সমস্যায় কিছুটা হলেও ভুগছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট হওয়ার আগে যে অবস্থায় ছিল, আগামীকাল রাত থেকে সেই অবস্থায় ফিরে যেতে পারবেন।’
সভায় দেশের বিদ্যুৎ ও গ্যাস উৎপাদনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা একটি পরিষ্কার রূপরেখা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান এফবিসিসিআই প্রশাসক। তার মতে, এই পরিকল্পনার মাধ্যমে চলমান সংকট সমাধান করা সম্ভব হবে এবং শিল্পের বিকাশ ও বিনিয়োগের চাহিদাও পূরণ করা যাবে। জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের কার্যকর বাস্তবায়ন পরিকল্পনা নিয়েও ব্যবসায়ীরা আশ্বস্ত হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, সভায় কর্মসংস্থান, শিল্পায়ন, বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ক্ষেত্রে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে তিনটি এবং পরে আরও দুটি; মোট পাঁচটি এফএসআরইউ প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে সরকার। ২০২৮ সালের আগে তৃতীয় এফএসআরইউ-এর কাজ শুরু করার চেষ্টা চলছে, যাতে গ্যাসের সমস্যার সমাধান করা যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাগুরায় আলোচিত ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে হাইকোর্ট পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।
এর আগে ৩১ আগস্ট বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার রায় প্রদান করে। আসামির ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) গ্রহণ করে, তার আপিল খারিজ ও জেল আপিল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেওয়া হয়।
এদিকে, আসামির ফাঁসির রায় বহাল রাখায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শিশুটির মা। তিনি এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যসহ এলাকাবাসী রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনসংক্রান্ত ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও বিবিধ বিষয় হাইকোর্টে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি করার জন্য ১০ জুন প্রধান বিচারপতি একটি সুনির্দিষ্ট বেঞ্চ গঠন করেন। ওই বেঞ্চ ১৪ জুন থেকে কার্যক্রম শুরু করে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মামলার শুনানি ১১ আগস্ট শুরু হয়। রাষ্ট্রপক্ষ পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) থেকে উপস্থাপনের মাধ্যমে ১১ আগস্ট এ মামলার শুনানি শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় ২৩ ও ২৪ আগস্ট শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তিন কার্যদিবস শুনানি শেষে ২৫ আগস্ট আদালত রায়ের জন্য সোমবার (৩১ আগস্ট) দিন ধার্য করেন, এরপর ওইদিনের রায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের মার্চের শুরুর দিকে আছিয়া তার বড় বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। এরপর ৬ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে অচেতন অবস্থায় মাগুরার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। ৭ দিন পর ১৩ মার্চ ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু ঘটে। ৮ মার্চ শিশুটির মা মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মাগুরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলাউদ্দিন গত বছরের ১৩ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে গত বছরের ১৭ এপ্রিল মামলাটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয় এবং গত বছরের ২০ এপ্রিল অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়। গত বছরের ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। গত বছরের ৬ মার্চ ঘটনার দিন থেকে গণনা করলে ৭৩ দিনের মাথায় রায় ঘোষণা করেন বিচারিক আদালত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ