ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যাদের দোয়া আল্লাহর কাছে কবুল না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাদের জানুন কারণ


যাদের দোয়া আল্লাহর কাছে কবুল না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাদের জানুন কারণ

মানুষের চাওয়ার কোনো শেষ নেই। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত, মানুষ তার প্রয়োজন, আশা ও আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে। বান্দার সেই চাওয়া পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো দোয়া। নতচিত্তে ও অবনত মাথায় রবের কাছে করা দোয়া মুমিনের জন্য অন্যতম বড় আশ্রয়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আমি দোয়া কবুল করি, যখন সে আমার কাছে দোয়া করে।’ (সুরা বাকারা: ১৮৬)।

নবীজি (সা.) দোয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেছেন, ‘দোয়া সব ইবাদতের মূল।’ (তিরমিজি)। তবে দোয়া কবুল হওয়ার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো হারাম উপার্জন, হারাম খাদ্য ও পানীয় থেকে নিজেকে বিরত রাখা। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে রাসুলগণ, তোমরা পবিত্র বস্তু (হালাল) হতে ভক্ষণ করো এবং নেক কাজ করো।’ (সুরা মুমিন: ৫১)।

অন্য আয়াতে, তিনি মুমিনদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘হে মুমিনগণ, আমি তোমাদেরকে যে হালাল রিজিক দিয়েছি তা থেকে আহার কর এবং আল্লাহর জন্য শোকর কর, যদি তোমরা শুধু তারই ইবাদাত কর।’ (সুরা বাকারা: ১৭২)।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ: সিস্টার ডেইজির জীবনের গল্প

ওলামায়ে কেরাম এসব আয়াতের ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেন যে, হারাম উপার্জন ও হারাম খাদ্য-পানীয় মানুষের দোয়া কবুলের পথে বড় বাধা। অর্থাৎ, বান্দা যতই দোয়া করুক, তার জীবন ও উপার্জনে হারামের সংমিশ্রণ থাকলে, সেই দোয়া কবুল না হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

হাদিসে কিছু শ্রেণির মানুষের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যাদের দোয়া কখনোই কবুল হয় না। চলুন জেনে নিই, তারা কারা।

হারাম খাওয়া থেকে বিরত

হারাম খাবার খাওয়া ব্যক্তির দোয়া আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। রাসুল (সা.) বলেছেন, হারাম খাবার, পানীয় ও বস্ত্র অর্থাৎ হারাম উপার্জনে যাপিত জীবন দোয়া কবুলের অন্তরায়। যে ব্যক্তি হারাম পরিহার করতে পারে না, তার দোয়া কবুল হওয়ার আশা করা যায় না। বিপরীতে, যার জীবিকা পবিত্র, তার দোয়া কবুল হওয়ার কথা জানিয়েছেন নবীজি (সা.)। তিনি (সা.) একদিন সাদকে (রা.) বলেন, হে সাদ, তোমার খাদ্য পবিত্র করো, তাহলে মুস্তাজাবুদ দাওয়াত (যার দোয়া কবুল হয়) হতে পারবে। (আল মুজামুল আওসাত: ৬৪৯৫)

আরও পড়ুন: শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা পুত্রবধূর জন্য বাধ্যতামূলক নয়, জানুন ইসলামের বিধান

নিরাশ না হওয়া ব্যক্তি

যে ব্যক্তি দোয়া করে হতাশ হয়ে যায়, তার দোয়াও আল্লাহুর দরবারে কবুল হয় না। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেন, তোমাদের প্রত্যেক ব্যক্তির দোয়া কবুল হয়ে থাকে; যদি-না সে তাড়াহুড়ো করে আর বলে, আমি দোয়া করলাম, কিন্তু আমার দোয়া তো কবুল হলো না। (বোখারি: ৬৩৪০)

তাহলে রাসুল (সা.) বলেছেন, দোয়ার পর আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে যে, আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করবেন।

আল্লাহ প্রদত্ত দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া

আরও পড়ুন: অন্যের গোপন তথ্য ফাঁসের শাস্তি ঘোষণা করলেন আল্লাহ

হুজাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেন, সেই সত্তার শপথ, যার হাতে আমার প্রাণ। নিশ্চয়ই তোমরা সৎ কাজের জন্য আদেশ করবে এবং অন্যায় কাজের প্রতিরোধ করবে। তা না হলে আল্লাহ তায়ালা শিগগির তোমাদের ওপর তার শাস্তি অবতীর্ণ করবেন। তোমরা তখন তার কাছে দোয়া করলেও তিনি তোমাদের সেই দোয়া গ্রহণ করবেন না (তিরমিজি: ২১৬৯)। তাই আল্লাহ যেসব কাজের আদেশ দিয়েছেন তা যথাযথভাবে পালন না করলে, ওই ব্যক্তির দোয়া কবুল হয় না।

আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট না করা

হাদিসে আছে, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে না। যে ব্যক্তি আত্মীয়তার সম্পর্ক নষ্ট করে, সে এই পাপের শাস্তি দুনিয়া ও আখিরাত উভয় জায়গায়ই ভোগ করতে হবে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘কোনো মুসলিম দোয়া করার সময় কোনো গোনাহের অথবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নের দোয়া না করলে অবশ্যই আল্লাহ তাকে এ তিনটির কোনো একটি দান করবেন—হয়তো তাকে তার কাঙ্ক্ষিত সুপারিশ দুনিয়ায় দান করবেন, অথবা তা তার পরকালের জন্য জমা রাখেন, কিংবা অথবা তার কোনো অকল্যাণ বা বিপদ থেকে তাকে রক্ষা করবেন।

এ কথা শুনে সাহাবিরা বলেন, তাহলে তো আমরা অনেক বেশি লাভ করব। তিনি (রাসুল সা.) বলেন, আল্লাহ এর চেয়েও বেশি দেন। (আত-তারগীব: ১৬৩৩)

আরও পড়ুন: স্ত্রীকে ‘বোন’ বা স্বামীকে ‘ভাই’ ডাকলে কি বিয়ে ভেঙে যায়?

এই হাদিসের আলোকে ইসলামি স্কলাররা বলেন, রক্তের বন্ধন ছিন্নকারীর (শরয়ি করণ ছাড়া) দোয়া কখনোই কবুল হয় না, যতক্ষণ না তারা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসেন।

এ ছাড়া অবচেতন মনের দোয়া আল্লাহ গ্রহণ করেন না বলেও হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। এ ব্যাপারে রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা কবুল হওয়ার পূর্ণ আস্থা নিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করো। জেনে রেখো, আল্লাহ অমনোযোগী ও অসাড় মনের দোয়া কবুল করেন না। (তিরমিজি: ৩৪৭৯)

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোসল ফরজ অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানো কি বৈধ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০২ পি.এম


গোসল ফরজ অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানো কি বৈধ?

মায়ের বুকের দুধ আল্লাহ তাআলার একটি বিশেষ নেয়ামত, যা শিশু সন্তানের জন্য অপরিহার্য। শিশুর জন্মের পর, মায়ের বুকের দুধই শিশুর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত খাবার হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে, সন্তানের জন্মের পর মায়ের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো শিশুকে বুকের দুধ পান করানো। ইসলামের দৃষ্টিতে, নবজাতক শিশুর জন্য মায়ের দুধ একটি জন্মগত অধিকার।

তবে, বিভিন্ন কারণে একজন নারীর ওপর গোসল ফরজ হতে পারে। এই অবস্থায় অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, তিনি কি সন্তানকে বুকের দুধ পান করাতে পারবেন? মায়ের অপবিত্রতা কি শিশুকে দুধ পান করানোর ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করে? এ অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানো শরিয়তসম্মত কি না, তা নিয়ে অনেকের মধ্যে দ্বিধা রয়েছে।

ইসলামি শরিয়তে পবিত্রতা ও অপবিত্রতার বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নামাজ, তাওয়াফসহ বিভিন্ন ইবাদতের ক্ষেত্রে পবিত্রতা অর্জন করা জরুরি। তবে, শরিয়তের প্রতিটি কাজের জন্য একই ধরনের পবিত্রতার বিধান প্রযোজ্য নয়। তাই, কোনো নারীর ওপর গোসল ফরজ হওয়া মানেই তার সব ধরনের দৈনন্দিন কাজ নিষিদ্ধ হয়ে যাবে, এমনটি নয়।

রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালামের ফতোয়া বিভাগের প্রধান মুফতি আব্দুর রহমান হোসাইনী বলেন, "গোসল ফরজ অবস্থায়ও মা তার সন্তানকে দুধ পান করাতে পারবেন। এ জন্য মায়ের পবিত্র থাকা শর্ত নয়। অপবিত্র অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানো নাজায়েজ বা হারাম নয়।"

তবে, যদি কোনো নারী এ অবস্থায় দুধ পান করানো থেকে বিরত থেকে পবিত্র অবস্থায় সন্তানকে দুধ পান করানোর প্রতি যত্নশীল হন, তবে তা পরহেজগারি ও তাকওয়ার একটি আমল হিসেবে গণ্য হবে। এর নূর, বরকত, ভালো প্রভাব ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সন্তানের মধ্যেও প্রকাশ পাবে ইনশাআল্লাহ। (ফতহুল বারি: ১/৩৯১, দারুল ফিকর প্রকাশনী; ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া: ১৪৪২০৩২০১২৫৮)

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিমাগার, ডেইরি ও পোল্ট্রিতে ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশাল অঙ্কের ঋণ বিতরণের লক্ষ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


হিমাগার, ডেইরি ও পোল্ট্রিতে ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশাল অঙ্কের ঋণ বিতরণের লক্ষ্য

দেশের কৃষি খাতের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহতকরণ এবং পল্লী অঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে হিমাগার নির্মাণ, ডেইরি ও পোল্ট্রি খাতের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালার আওতায় দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে এই অর্থ ছাড় করা হবে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মোসা. ফরিদা ইয়াসমিনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরো বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য দেশের কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬০ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই ঋণের আওতায় পোল্ট্রি ফার্ম, ডেইরি ফার্ম প্রতিষ্ঠা এবং গুদামজাত বা হিমাগারকৃত কৃষি পণ্যের বিপরীতে ব্যাংকগুলো নিয়ম মেনে ঋণ সুবিধা প্রদান করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, দেশের উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। গত ৬ জুলাই জারি করা এসিডি-১ সার্কুলার নম্বর-২ এর মাধ্যমে ৩ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিলের আওতায় আধুনিক ও পরিবেশ-বান্ধব হিমাগার নির্মাণসহ শস্য-ফসল, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, কৃষি ও সেচ যন্ত্রপাতি খাত এবং আয় উৎসারী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সার্বিক কৃষি মূল্য শৃঙ্খলে ঋণ প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

এছাড়া, দেশের সামগ্রিক কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পল্লী অঞ্চলে অর্থনৈতিক গতিশীলতা তৈরির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, গত ৮ জুন জারি করা এসিডি সার্কুলার নম্বর-০১ এর মাধ্যমে গঠিত ১০ হাজার কোটি টাকার অপর একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ব্যাংকিং খাতের মাধ্যমে পল্লী ঋণের অর্থ ছাড় অব্যাহত রয়েছে। সরকার মনে করছে, এই তহবিলের সঠিক ব্যবহার গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশের সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সুসংহত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুবিতে ‘একাডেমিক মেন্টরশিপ ও রিসার্চ অ্যাবস্ট্রাক্ট ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


খুবিতে ‘একাডেমিক মেন্টরশিপ ও রিসার্চ অ্যাবস্ট্রাক্ট ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা দক্ষতা উন্নয়নের উদ্দেশ্যে ‘রিসার্চ অ্যাবস্ট্রাক্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড একাডেমিক মেন্টরশিপ’ (Research Abstract Development and Academic Mentorship) শীর্ষক একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় গবেষণাগারের কনফারেন্স রুমে এই কর্মশালার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

এ কর্মশালাটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা (এমসিজে) ডিসিপ্লিন এবং কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এডুকেটরস নেটওয়ার্ক (সিজেএন) বাংলাদেশ যৌথভাবে আয়োজন করে। জার্মান কোঅপারেশনের ডয়চে ভেলে (ডিডব্লিউ) একাডেমি এই কর্মশালায় সার্বিক সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব প্রদান করে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক সারা মনামী হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সহকারী অধ্যাপক মো. মাহদী আল মুহতাসিম নিবিড়ের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিজেএন নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও ইউল্যাবের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক জুড উইলিয়াম হেনিলো, ডয়চে ভেলে (ডিডব্লিউ) একাডেমির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর জিমি আমির এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন অধ্যাপক শেখ শরাফত হোসেন।

দিনব্যাপী এই কর্মশালায় দুটি পৃথক টেকনিক্যাল সেশনে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রথম সেশনে ‘গুণগত গবেষণার দর্শন ও উপাত্ত বিশ্লেষণ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার চন্দ। দ্বিতীয় সেশনে ‘পরিমাণগত গবেষণা: উপাত্ত সংগ্রহ থেকে পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন অধ্যাপক ড. জিয়াউল হায়দার।

কর্মশালায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং নর্দান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. মুজিবুর বিশ্ব এন্ডোডন্টিক কংগ্রেসে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০৩ পি.এম


বাংলাদেশের প্রতিনিধি অধ্যাপক ডা. মুজিবুর বিশ্ব এন্ডোডন্টিক কংগ্রেসে

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম IFEA World Endodontic Congress 2026-এ বাংলাদেশের Country Representative Speaker হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) এবং কনজারভেটিভ ডেন্টিস্ট্রি অ্যান্ড এন্ডোডন্টিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।

এ তথ্য শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৭ থেকে ৩০ আগস্ট সিডনির International Convention Centre Sydney (ICC Sydney)-তে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক কংগ্রেসে বিশ্বের ৫৬টি দেশের ৯৯৪ জন খ্যাতনামা এন্ডোডন্টিক বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং ডেন্টাল পেশাজীবী অংশ নেন। কংগ্রেসে সমসাময়িক এন্ডোডন্টিক চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং গবেষণা নিয়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক অধিবেশন, আলোচনা ও উপস্থাপনা অনুষ্ঠিত হয়।

অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ২৮ আগস্ট বাংলাদেশের Country Presentation সেশনে ‘Impact of Trauma in Endodontic Outcome’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক উপস্থাপনা করেন। চার দিনব্যাপী এই আয়োজনে এন্ডোডন্টিক চিকিৎসার আধুনিক প্রযুক্তি, ক্লিনিক্যাল ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদারের এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের এন্ডোডন্টিক শিক্ষা, চিকিৎসা এবং গবেষণার আন্তর্জাতিক পরিসরে প্রতিনিধিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%