বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫২ পি.এম
চট্টগ্রামের রাউজানে একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করার সময় পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে, যা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।
এ ঘটনায় ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদার হোসেন (৩৭) নামে একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দিলদারের হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি আগ্নেয়াস্ত্র, ১১৯ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান। অভিযানের ঘটনা ঘটে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায়।
পুলিশের দাবি, ২৫ সেপ্টেম্বর আবু বক্কর চৌধুরী নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করা হয়। এরপর জানে আলমের বসতঘরের সামনে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘরের ভেতর থেকে জানে আলম, আজিজ বস, দিলদার হোসেন, মো. রুবেল (২৭), মো. মামুন-অর-রশিদ ওরফে মামুন (৩৫) এবং মো. বাঁচা (৪৫) সহ কয়েকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন।
পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। অভিযানের একপর্যায়ে দিলদার হোসেনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ৭ম আন্তঃবিভাগ ভলিবল প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ, ধূপখোলায় এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপাচার্য মন্তব্য করেন, "পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা প্রয়োজন।
এই প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮টি বিভাগের সবগুলো থেকে ছেলেদের দল অংশগ্রহণ করছে। পাশাপাশি ২২টি বিভাগের মেয়েদের দলও এতে অংশ নিচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের সফল সমাপ্তি কামনা করা হয়। একই সঙ্গে, প্রতিযোগিতাটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৫ অক্টোবর প্রতিযোগিতার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে পারে।
উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের বিভাগের হয়ে অংশ নিয়ে ক্রীড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে মাঠে নামছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেট থেকে প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি আয়োজন করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)। সংগঠনটি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রাজনৈতিক বা মতাদর্শিক পরিচয়ের পরিবর্তে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট চত্বরে এ কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়।
চাকসুর নেতাদের দাবি, সরকার ৪৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত নিয়োগের গেজেট প্রকাশ করেছে। এই গেজেটে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হলেও প্রথম স্থান অধিকারীসহ মোট ৫৭ জন প্রার্থী চূড়ান্ত গেজেট থেকে বাদ পড়েছেন। এ কারণে তাঁরা এই কর্মসূচির আয়োজন করেছেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়, যেমন ‘চাকরির ভেরিফিকেশনে মতাদর্শের পরিচয় কেন?’, ‘মতের ভিন্নতা বেকারত্ব?’ এবং ‘দলীয় পরিচয় নয়, মেধার সঠিক মূল্যায়ন চাই’ ইত্যাদি।
কর্মসূচিতে চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব অভিযোগ করেন, সরকার একদলীয় শাসন কায়েমের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদী হাসিনা যেভাবে নানা পরিচয় ও কোটার মাধ্যমে ফ্যাসিস্টদের পদায়ন করেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ঠিক একই পথে হাঁটছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যোগ্যতার পরিবর্তে কেবল বিএনপির নেতা হওয়ার কারণে অযোগ্য ব্যক্তিদের সচিব পদমর্যাদা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি-সেক্রেটারি এবং এনটিআরসিএর নিয়োগ কমিটিতে বসানো হয়েছে। নিয়োগে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধি করা হয়েছে নিজেদের লোক বসানোর জন্য। এমনকি ক্ষমতাহীন প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদেরও মতাদর্শের ভিত্তিতে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিসিএসে পাস করা ছেলেদেরও ভেরিফিকেশনের নাম দিয়ে গেজেট ও চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সরকারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
সাঈদ বিন হাবিব বলেন, "আমরা বলতে চাই, ২০০০ শহীদের রক্ত ও ৩০ হাজার আহতের বিনিময়ে পাওয়া এই বাংলাদেশে আপনারা ফ্যাসিস্ট হতে দিয়েন না। ক্যাম্পাসগুলো উত্তপ্ত করবেন না। বিসিএস থেকে শুরু করে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির প্রতিটি নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রেখে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিন।"
কর্মসূচি থেকে চাকসু নেতারা বাদ পড়া প্রার্থীদের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা এবং সরকারি চাকরির নিয়োগ ও ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ৬৮ জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে দুজনকে পূর্বের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া, ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে, বুধবার জেলার বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ১১ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং অন্য নয়জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় ২১ জন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় পাঁচজন, চরজব্বর থানায় ছয়জন, চাটখিল থানায় আটজন এবং কবিরহাট থানায় ছয়জনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১১ জনের মধ্যে ছয়জনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও জানান, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কিশোরদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতামূলক ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদনকারী বিদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইল যাচাই করার সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এই সিদ্ধান্ত ১ অক্টোবর বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ১৮ সেপ্টেম্বর এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ১ অক্টোবর থেকে ‘আই’ ভিসার আবেদনকারীদের জন্য এই নীতি প্রযোজ্য হবে। যুক্তরাষ্ট্রে পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য আগ্রহী বিদেশি সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ‘আই’ ভিসা প্রদান করা হয়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, যাচাই প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য আই, টিডি ও টিএন নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রোফাইলের প্রাইভেসি সেটিং ‘পাবলিক’ বা ‘ওপেন’ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়ার সময় বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামাজিকমাধ্যমের প্রোফাইল উন্মুক্ত বা দৃশ্যমান রাখতে হবে।
তবে আবেদনকারীদের কতদিন আগের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হবে, কতদিন প্রোফাইল 'পাবলিক' রাখতে হবে বা কোন ধরনের অনলাইন কনটেন্ট দেখা হবে—এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু বলা হয়নি।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০১৯ সাল থেকে অধিকাংশ ভিসাপ্রার্থীর কাছ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া আইডির তথ্য নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে। নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে আই, টিডি এবং টিএন নন-ইমিগ্রান্ট ভিসা আবেদনকারীদেরও এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হলো।
টিএন ভিসা মূলত ‘ইউনাইটেড স্টেটস-মেক্সিকো-কানাডা অ্যাগ্রিমেন্টের’ অধীনে সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী কানাডা ও মেক্সিকোর পেশাজীবীদের জন্য এবং টিডি ভিসা তাদের স্ত্রী বা নির্ভরশীল সন্তানদের দেওয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ