ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৩ দিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফারিয়ার মরদেহ পাওয়া গেল


৩ দিন পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফারিয়ার মরদেহ পাওয়া গেল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারিয়ার মরদেহ স্থানীয়দের দ্বারা উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে চাতলপাড়ের মেঘনার তীরে শিশু ফারিয়ার মরদেহ ভেসে ওঠে।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে ফারিয়া তার বাড়ির পাশের মেঘনা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ফারিয়া চাতলপাড় ইউনিয়নের কাঁঠালকান্দি গ্রামের সাখাওয়াত মিয়ার কন্যা এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে ফারিয়া তার চাচাতো ভাই-বোনদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে গোসল করতে যায়। হঠাৎ করে সে স্রোতের পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা শিশুরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করে, কিন্তু তারা বয়সে ছোট হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করতে পারেনি।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধনের পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

একপর্যায়ে, ফারিয়ার সঙ্গে থাকা শিশুরা বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়। পরে স্বজন ও এলাকাবাসী নদীতে নেমে শিশুটিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম সারাদিন চেষ্টা চালালেও মরদেহ উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে চাতলপাড়রের ফকিরদিয়া নামক স্থানে তার মরদেহ ভেসে ওঠে।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানসিক চাপ কমাতে ইসলামের শিক্ষা ও বিশ্রামের গুরুত্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


মানসিক চাপ কমাতে ইসলামের শিক্ষা ও বিশ্রামের গুরুত্ব

জীবন মানেই চাপের বিভিন্ন রূপ। পড়াশোনা, চাকরি, পরিবার এবং প্রতিদিনের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে গিয়ে মানসিক অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তায় ভোগেন অনেকেই। প্রস্তুতি যতই ভালো হোক না কেন, জীবনের প্রতিটি পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সহজ নয়।

এটি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বিষয় নয়। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় সব বয়সের মানুষের মধ্যে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে মানসিক সুস্থতা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে।

একজন মুসলিম হিসেবে প্রশ্ন জাগতে পারে, এই দুশ্চিন্তাপূর্ণ জীবনে প্রশান্তি খুঁজে পাওয়ার কোনো পথ কি ইসলামে রয়েছে? জীবনের ব্যস্ততা, কর্মক্ষেত্রে উন্নতির প্রতিযোগিতা কিংবা ভালো ফলাফল অর্জনের চাপের মধ্যেও কি ধর্মীয় বিশ্বাস ও দৈনন্দিন আমলের মাধ্যমে মানসিক শান্তি পাওয়া সম্ভব?

বাস্তবতা হলো, কোনো ধর্মই জীবনের সব ধরনের চাপ পুরোপুরি দূর করার প্রতিশ্রুতি দেয় না। ইসলামের উদ্দেশ্যও তা নয়। মানসিক চাপ জীবনের স্বাভাবিক অভিজ্ঞতার একটি অংশ। অনেক সময় প্রতিকূলতা মানুষকে আরও দৃঢ় হতে, নিজের সক্ষমতা বাড়াতে এবং কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে।

ধর্ম মানুষকে জীবনের মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে সাহায্য করে। আমরা কেন পৃথিবীতে এসেছি, জীবনের উদ্দেশ্য কী এবং কীভাবে জীবন পরিচালনা করা উচিত এসব প্রশ্নের দিকনির্দেশনা দেয় ধর্ম। ইসলাম মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এমন একটি সুশৃঙ্খল ছন্দ তৈরি করে, যা অনুসরণ করলে জীবনে ভারসাম্য ও প্রশান্তি প্রতিষ্ঠা করা সহজ হয়।

ইসলামের সেই জীবনব্যবস্থা অনুসরণ করে মানসিক চাপ কমানো এবং দৈনন্দিন জীবনে ভারসাম্য আনার দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় তুলে ধরা হলো।

১. সময়মতো নামাজ আদায় করুন, দিন সাজান নামাজের সময় ধরে

এটি খুব সাধারণ মনে হতে পারে। কারণ, নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। কিন্তু বর্তমান ব্যস্ত জীবনে সময়মতো নামাজ আদায় করাই অনেক মুসলিমের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ, নামাজের জন্য সময় বের করতে হয়। আর আজকের পৃথিবীতে সময়কে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

মসজিদে অনেক সময় শোনা যায়, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে প্রতিবার মাত্র কয়েক মিনিট লাগে। ইসলাম সহজ, নামাজও সহজ। কিন্তু যাঁরা অবসর জীবন কাটাচ্ছেন কিংবা যাঁদের নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার বাধ্যবাধকতা নেই, তাঁদের জন্য বিষয়টি সহজ মনে হলেও ব্যস্ত মানুষের বাস্তবতা ভিন্ন হতে পারে।

একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর কথা ভাবুন, যার সামনে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। কিংবা এমন একজন কর্মজীবীর কথা, যাঁকে অফিসের কাজ শেষ করতে হবে, সন্তানকে স্কুল থেকে আনতে হবে, বাজার করতে হবে, গাড়ি মেরামতের ব্যবস্থা করতে হবে এবং এর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সভায়ও অংশ নিতে হবে।

এমন পরিস্থিতিতে নামাজের সময় বের করা কঠিন মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে এ সমস্যার সমাধানে দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনা করার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা যেতে পারে। দিনের অন্যান্য কাজের আগে নামাজের সময়গুলোকে গুরুত্ব দিন। এরপর নামাজের সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাকি কাজগুলো সাজিয়ে নিন।

যেমন, আসরের পর সন্তানকে স্কুল থেকে আনা কিংবা মাগরিবের পর বাজার করার পরিকল্পনা করা যেতে পারে। অর্থাৎ, কাজের চাপে নামাজের সময় পার হয়ে যাওয়ার অপেক্ষা না করে আগেই নামাজকে পরিকল্পনার অংশ করে নিন।

এভাবে নামাজের সময়কে কেন্দ্র করে দিনের কাজ সাজালে সময় ব্যবস্থাপনা সহজ হবে। একই সঙ্গে তৈরি হবে সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের অভ্যাস। এতে একদিকে যেমন ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ফরজ বিধান পালন করা সম্ভব হবে, অন্যদিকে দৈনন্দিন কাজের চাপও আরও গোছানোভাবে সামলানো যাবে।

২. মানসিক প্রশান্তির জন্য বিশ্রাম নিন, এটিও ইসলামের শিক্ষা

ইসলাম নিয়ে আলোচনা হলে অনেক সময় আমরা কী কী করা উচিত, সেদিকেই বেশি মনোযোগ দিই। যেমন, আরও বেশি দান করা, মসজিদে যাওয়া কিংবা মা-বাবার সঙ্গে আরও ভালো আচরণ করা। কিন্তু জীবনের ব্যস্ততার মধ্যে মানসিক প্রশান্তির জন্য সময় বের করাও গুরুত্বপূর্ণ। এটি ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জীবন ছিল আল্লাহর ইবাদত ও ইসলামের প্রচারে নিবেদিত। তা সত্ত্বেও তিনি বিশ্রাম, বিনোদন এবং আনন্দের জন্য সময় দিয়েছেন। অন্যদেরও বৈধ আনন্দ উপভোগ করতে বাধা দেননি।

সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহার ঘরে প্রবেশ করে দেখলেন, সেখানে দুজন মেয়ে গান গাইছে এবং দফ বাজাচ্ছে। এ সময় আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহা এসে তাদের এভাবে গান গাওয়ার জন্য ভর্ৎসনা করেন। কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে তাদের ছেড়ে দিতে বলেন।

একই বর্ণনায় আরও এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি আবিসিনিয়ার লোকদের ঢাল ও বর্শা নিয়ে ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন দেখতে চান কি না। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা সম্মতি দিলে তাঁরা দুজন তা দেখতে থাকেন। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা নিজে চলে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা পর্যন্ত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সঙ্গে সেখানে অবস্থান করেন।

এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়, বৈধ বিনোদন, আনন্দ উপভোগ এবং অবসরের জন্য সময় রাখারও ইসলামে গুরুত্ব রয়েছে। দান-সদকা করা কিংবা মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালনের মতোই মানুষের স্বাভাবিক চাহিদা ও সামর্থ্যের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা জরুরি। এ ছাড়া বিভিন্ন হাদিসে শরীরচর্চা, খেলাধুলা এবং শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতিও উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।

তাহলে যখন মনে হবে, কাজের চাপ আর সামলানো যাচ্ছে না, তখন অল্প সময়ের জন্য বিরতি নিন। নিজের শরীর ও মনের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিন। বৈধ ও ইতিবাচক কোনো কাজে সময় কাটান, পরিবারের সঙ্গে সময় দিন কিংবা শরীরচর্চা করুন।

মনে রাখতে হবে, বিশ্রাম নেওয়া মানে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়। বরং দায়িত্ব পালনের শক্তি ও মনোযোগ ফিরে পেতে যথাযথ বিশ্রাম সহায়ক হতে পারে।

আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ একেবারে দূর করে দেওয়া ইসলামের উদ্দেশ্য নয়। বরং ইসলাম মানুষকে এসব পরিস্থিতির মধ্যেও সঠিকভাবে জীবন পরিচালনার দিকনির্দেশনা দেয়।

জীবনে কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কোন দায়িত্বগুলো আগে পালন করা প্রয়োজন এবং নিজের শরীর ও মনের যত্ন কীভাবে নিতে হবে এসব বিষয়ে ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে ইসলাম সাহায্য করে। তাই দৈনন্দিন জীবনে নামাজকে অগ্রাধিকার দিন, কাজের সুশৃঙ্খল পরিকল্পনা করুন এবং প্রয়োজনীয় বিশ্রামের জন্যও সময় রাখুন। সব দায়িত্ব একসঙ্গে সামলানোর চেষ্টা না করে সেগুলোকে গুরুত্ব অনুযায়ী সাজিয়ে নিন।

মনে রাখবেন, জীবনের প্রতিটি কাজ গুরুত্বপূর্ণ হলেও সব কাজের গুরুত্ব সমান নয়। ইবাদত, পরিবার, কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত সুস্থতার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই ব্যস্ত জীবনে প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া সহজ হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজায় বিএনপির সাফল্য দাবি করলেন নাছির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজায় বিএনপির সাফল্য দাবি করলেন নাছির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন মন্তব্য করেছেন যে, ফ্যাসিস্ট শাসনামলসহ সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এ বছর সারা দেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইল থেকে একটি পোস্টে এই বিষয়ে আলোচনা করেন।

নাছির বলেন, "কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়া নির্বাচিত বিএনপি সরকারের একটি উল্লেখযোগ্য বড় সাফল্য।"

তিনি প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ সরেজমিনে পরিদর্শনের মাধ্যমে তিনি ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও সকল সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার প্রতি তার অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।

এছাড়া, উৎসবের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরলস দায়িত্ব পালন ও সতর্ক নজরদারি প্রশংসার দাবি রাখে বলেও জানান নাছির।

তিনি বলেন, "দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া তথ্য এবং ব্যক্তিগতভাবে নোয়াখালীর সদর ও সুবর্ণচরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা থেকে আমার পর্যবেক্ষণ—এবারের দুর্গাপূজা শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।"

তিনি আরও বলেন, "ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়েই গড়ে উঠুক একটি গণতান্ত্রিক, মানবিক ও সম্প্রীতিময় বাংলাদেশ।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাভাবিপ্রবি দিবসে থাকছে দিনব্যাপী নানা আয়োজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


মাভাবিপ্রবি দিবসে থাকছে দিনব্যাপী নানা আয়োজন

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ‘মাভাবিপ্রবি দিবস-২০২৬’ উদযাপনের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিনব্যাপী একটি বর্ণাঢ্য কর্মসূচি আয়োজন করা হয়েছে। এবারের আয়োজনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা-গবেষণার উৎকর্ষ, উদ্ভাবন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া।

২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় দিবসের কর্মসূচি শুরু হবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও কেক কাটার মাধ্যমে। এরপর সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে ‘মাভাবিপ্রবি ক্যারিয়ার অ্যান্ড জব ফেয়ার-২০২৬’-এর উদ্বোধন করা হবে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।

দিবসের দ্বিতীয় পর্বে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও প্রযুক্তি সংস্থার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর, গবেষণা পুরস্কার প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এ পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম।

দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের মতবিনিময় এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এসব আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনের প্রস্তুতি, গবেষণার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবনী উদ্যোগের বিকাশ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দিবসটি সফলভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিমকে সদস্য-সচিব করে একটি মূল কমিটি ও ১৫টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম মূল কমিটি ও উপকমিটিগুলোর সঙ্গে নিয়মিত সভা করে আয়োজনের সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা করছেন।

উল্লেখ্য, মাভাবিপ্রবি দিবস ১৬ অক্টোবর হলেও পূজার ছুটির কারণে ২৭ অক্টোবর দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। এবারের আয়োজনে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের অগ্রযাত্রার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করে ভারত গড়ল রেকর্ড জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করে ভারত গড়ল রেকর্ড জয়

ভারতের জন্য জিততে হলে রেকর্ড গড়ার প্রয়োজন ছিল। কখনও ২১০-এর বেশি রান তাড়া করে জয়ী না হওয়া ভারতকে আজ নিউজিল্যান্ড ২২৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে। স্যাঞ্জু স্যামসন ও নামান ধীরের ব্যাটিংয়ে টিম ইন্ডিয়া রেকর্ড গড়তে সক্ষম হয়েছে।

ভারত ২ বল হাতে রেখেই ২৩০ রান করে জয়লাভ করেছে, যেখানে স্যামসন ৩৩ বলে ৬৭ রান এবং ধীর ১৫ বলে ৪২ রান করেন। তারা ৪ উইকেটে জয় নিশ্চিত করে। এর আগে, টিম ইন্ডিয়া ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এবং ২০২৬ সালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ২০৯ রান তাড়া করে জয়ী হয়েছিল।

ক্রাইস্টচার্চে গ্লেন ফিলিপসের ৪০ বলে ৮২ রানের ইনিংসে নিউজিল্যান্ড ২২৫ রান সংগ্রহ করে। ভারতকে লক্ষ্য পূরণের জন্য বিস্ফোরক শুরু প্রয়োজন ছিল। স্যামসন ও অভিষেক শর্মা সেই শুরু এনে দেন। স্যামসন ২৯ রানে আউট হলেও, ৭ ওভারের মধ্যে ভারত এক উইকেটে একশ ছাড়িয়ে যায়।

পরে, মিচেল স্যান্টনারের জোড়া আঘাত ও মাইকেল ব্রেসওয়েলের এক উইকেট শিকারের ফলে ভারত চাপের মধ্যে পড়ে। স্যামসন ৬৭, তিলক বার্মা ৬ এবং ইশান কিশান ১ রান করে বিদায় নেন। তবে শ্রেয়াস আইয়ার ৪২ ও অক্ষর প্যাটেল ২৪ রান করে চাপ সামাল দেন। শেষদিকে, নামান ধীরের তাণ্ডব ভারতকে সহজেই জয় এনে দেয়।

এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ভারত ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল। একই মাঠে পরবর্তী ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৪ অক্টোবর।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%