বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:০৯ পি.এম
টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় একদল ডাকাত চালককে ধারালো অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মাইক্রোবাস নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছে। এ সময় হাইওয়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি থেকে ৫ থেকে ৭ জন পালিয়ে যায়। পরে গাড়ি থেকে দুটি রামদা ও শাবলযুক্ত একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রোবাসটি গাজীপুরের কোনাবাড়ী থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। চালক মো. খোরশেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে গাড়িটি রিজার্ভ করা হয়। পরে চন্দ্রাসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে পর্যায়ক্রমে ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তি গাড়িতে ওঠেন।
চালকের দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, কিছুদূর যাওয়ার পর ওই ব্যক্তিরা ধারালো অস্ত্রের মুখে তাঁকে জিম্মি করে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেন। পরে তাঁদের নির্দেশ অনুযায়ী গাড়ি চালাতে বাধ্য হন তিনি।
একপর্যায়ে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে প্রায় ২০০ গজ পূর্বে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা গাড়িটিকে দেখতে পান। পুলিশ দেখে চালক ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করে সাহায্য চান।
এ সময় হাইওয়ে পুলিশের দুই কনস্টেবল দ্রুত গাড়িটির দিকে এগিয়ে গেলে গাড়িতে থাকা ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তি নেমে বিভিন্ন দিকে দৌড়ে পালিয়ে যান।
পরে আতঙ্কিত অবস্থায় চালক মো. খোরশেদকে উদ্ধার করে পুলিশ। গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দুটি রামদা ও শাবলযুক্ত একটি লোহার রড উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে মধুপুর (এলেঙ্গা) হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান জানান, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র, মাইক্রোবাস ও চালককে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালিহাতী থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের ১১ জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বৃষ্টির অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ মিয়া পূর্বাভাসে উল্লেখ করেছেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া এবং বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়া, এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ সতর্ক সংকেত বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রাঙামাটিতে দেশের সর্বোচ্চ ৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৪৫ মিনিটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার জন্য কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তারিখে নিচে উল্লেখিত মার্কেট, শপিংমল ও এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, কৃষি মার্কেট, আড়ং, বিআরটিসি মার্কেট, শ্যামলী হল মার্কেট, মুক্তিযোদ্ধা সুপারমার্কেট, মাজার কো-অপারেটিভ মার্কেট, মুক্ত বাংলা শপিং কমপ্লেক্স, শাহ্ আলী সুপারমার্কেট, মিরপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, মৌচাক মার্কেট, আনারকলি মার্কেট, ফরচুন শপিংমল, আয়েশা শপিং কমপ্লেক্স, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি, কনকর্ড টুইন টাওয়ার, ইস্টার্ন প্লাস, সিটি হার্ট, জোনাকি সুপার মার্কেট, গাজী ভবন, পল্টন সুপার মার্কেট, স্টেডিয়াম মার্কেট-১ ও ২, গুলিস্তান কমপ্লেক্স, রমনা ভবন, খদ্দর মার্কেট, পীর ইয়ামেনি মার্কেট, বায়তুল মোকাররম মার্কেট ও সাকুরা মার্কেট।
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে
মোহাম্মদপুর, আদাবর, শ্যামলী, গাবতলী, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, আসাদগেট, ইস্কাটন, মগবাজার, বেইলি রোড, সিদ্ধেশ্বরী, মালিবাগের একাংশ, শাহজাহানপুর, শান্তিনগর, শহীদবাগ, শান্তিবাগ, ফকিরাপুল, পল্টন, মতিঝিল, টিকাটুলী, আরামবাগ, কাকরাইল, বিজয়নগর, সেগুনবাগিচা, হাইকোর্ট ভবন এলাকা ও রমনা শিশুপার্ক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের পাঁচটি জেলার ওপর দিয়ে দুপুরের সময় ঝোড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য প্রদত্ত পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। পূর্বাভাসে স্বাক্ষর করেন আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময়ের মধ্যে এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তীব্র গরমে হাঁটতে বের হলে হাঁপিয়ে ওঠা, শরীর ঘেমে যাওয়া অথবা মাথা ঝিমঝিম করা—এটি এখন অনেকের জন্য একটি সাধারণ অভিজ্ঞতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে গরমজনিত অসুস্থতার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হওয়ার আগেই শরীরকে ঠান্ডা রাখার কিছু সহজ কৌশল জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চিকিৎসকদের মতে, দিনের সবচেয়ে গরম সময় এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং শরীরকে ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করা গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমাতে পারে। ঘরে কিংবা বাইরে—দুই জায়গাতেই কার্যকরী হতে পারে এমন ১৪টি সহজ উপায় রয়েছে।
দিনের গরমের সময়টা আগে থেকেই জেনে নিন।
দিনের কোন সময়ে তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে, তা আগে থেকে জেনে নেওয়া উচিত। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে ঘণ্টাভিত্তিক তাপমাত্রার দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে বাইরে বের হওয়া বা শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা উচিত।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বেরিয়ে যায়। ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার সময় শরীরের তাপও কিছুটা কমে যায়। তাই ঘামের সাথে হারানো পানি পূরণ করা জরুরি।
সাধারণভাবে নারীদের দিনে প্রায় ১১ কাপ এবং পুরুষদের প্রায় ১৫ কাপ তরল গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে প্রচণ্ড গরমে বাইরে থাকলে বা বেশি ঘাম হলে আরও বেশি তরল প্রয়োজন হতে পারে। পানির পাশাপাশি পানি-সমৃদ্ধ খাবারও শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে।
অতিরিক্ত গরমে ঠান্ডা জায়গায় থাকুন
দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে যতটা সম্ভব শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে থাকার চেষ্টা করুন। ঘরে এমন ব্যবস্থা না থাকলে বিপণিবিতান, গণগ্রন্থাগার, প্রেক্ষাগৃহ কিংবা স্থানীয় শীতল আশ্রয়কেন্দ্রে কিছু সময় কাটানো যেতে পারে।
গরমে পাখা ব্যবহারে কৌশলী হোন
পাখার বাতাস শরীরের কাছাকাছি জমে থাকা তাপ সরিয়ে দিতে পারে। তবে আশপাশের বাতাস খুব গরম হলে শুধুমাত্র পাখার বাতাস সবসময় যথেষ্ট নাও হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে পানি দিয়ে শরীর ভিজিয়ে নিয়ে পাখার সামনে বসলে ঘাম দ্রুত শুকাতে সাহায্য করবে। স্প্রে করার বোতল বা ভেজা কাপড় দিয়েও শরীর ভেজানো যেতে পারে।
কাজের মধ্যে বিরতি নিন
গরমের মধ্যে শারীরিক পরিশ্রম করলে বাইরে থেকে আসা তাপের সঙ্গে শরীরের নিজস্ব তাপও যুক্ত হয়। ফলে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই একটানা কাজ না করে অল্প সময় কাজ করে মাঝে মাঝে বিশ্রাম নেওয়া ভালো।
বাইরে বের হলে সঙ্গে রাখুন ঠান্ডা করার সামগ্রী।
বাড়ির বাইরে বের হওয়ার সময় পর্যাপ্ত পানি সঙ্গে রাখা উচিত। সম্ভব হলে হাতপাখা, ভেজা কাপড় বা বরফের প্যাকও সঙ্গে রাখা যেতে পারে। হঠাৎ বেশি গরমে আটকে পড়লে এগুলো শরীর ঠান্ডা রাখতে কাজে আসবে।
ঢিলেঢালা পোশাক পরুন
গরমের সময় হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরা আরামদায়ক। এ ধরনের পোশাকের মধ্য দিয়ে বাতাস সহজে শরীরে পৌঁছাতে পারে। ফলে ঘাম শুকাতে সুবিধা হয় এবং শরীরের তাপ কমতে সাহায্য করে।
পানিতে ঠান্ডা রাখা পোশাক ব্যবহার করতে পারেন।
বর্তমানে এমন কিছু পোশাকও পাওয়া যায়, যেগুলো পানিতে ভিজিয়ে দীর্ঘ সময় শরীর ঠান্ডা রাখতে পারে। বিশেষ ধরনের কাপড় দিয়ে তৈরি এসব পোশাক শরীরের তাপ টেনে নিয়ে দীর্ঘ সময় ভেজা বা ঠান্ডা অবস্থায় থাকতে পারে।
ভেজা তোয়ালে বা কাপড় ব্যবহার করুন
ঘরে থাকা তোয়ালে বা সুতির জামা ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে মাথা, ঘাড় কিংবা শরীরে জড়িয়ে রাখা যেতে পারে। কাপড় শুকিয়ে গেলে আবার পানিতে ভিজিয়ে নেওয়া যায়। এতে শরীরের তাপ কমাতে সহায়তা করবে।
ঠান্ডা পানি বা বরফ খান
ঠান্ডা পানি, বরফের ছোট টুকরা কিংবা বরফজাতীয় খাবার শরীরের পানিশূন্যতা কমাতে এবং শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা কিছুটা কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে খুব দ্রুত বেশি পরিমাণে ঠান্ডা কিছু খাওয়া ঠিক নয়। এতে পেটে অস্বস্তি হতে পারে।
গোসল বা পানিতে শরীর ডুবিয়ে রাখুন
শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে ঠান্ডা পানিতে গোসল করা শরীর ঠান্ডা করতে সাহায্য করতে পারে। পানি একেবারে বরফঠান্ডা হওয়া জরুরি নয়; স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা ঠান্ডা বা কুসুম ঠান্ডা পানিও ব্যবহার করা যায়।
গোসলের পর পাখার সামনে দাঁড়ালে শরীরের পানির বাষ্পীভবনের মাধ্যমে আরও দ্রুত ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
বরফ পানিতে হাত ডুবিয়ে রাখুন
গোসলের সুযোগ না থাকলে হাত, কনুইসহ দুই হাতের নিচের অংশ প্রায় পাঁচ মিনিট বরফ পানিতে ডুবিয়ে রাখা যেতে পারে। এতে হাতের রক্তনালির ভেতর দিয়ে ঠান্ডা রক্ত শরীরের অন্য অংশে চলাচল করতে সাহায্য করে।
শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে বরফের প্যাক দিন।
বড় রক্তনালির কাছাকাছি জায়গায় বরফ বা ঠান্ডা প্যাক ব্যবহার করেও শরীর ঠান্ডা করা যায়। কনুই, বগল, ঘাড় এবং দুই পায়ের মাঝের কুঁচকির কাছাকাছি অংশে ঠান্ডা প্যাক রাখা যেতে পারে।
শরীরের সংকেতকে গুরুত্ব দিন
অনেক চেষ্টা করার পরও শরীর ঠান্ডা না হলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। অতিরিক্ত ঘাম, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান লাগা, ঠান্ডা ও স্যাঁতসেঁতে ত্বক, দ্রুত বা দুর্বল নাড়ির স্পন্দন, প্রচণ্ড ক্লান্তি এবং পেশিতে টান—এসব অতিরিক্ত গরমে শরীর খারাপ হওয়ার লক্ষণ হতে পারে।
এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। অবস্থা গুরুতর হলে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।
কারা বেশি ঝুঁকিতে
বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু ও নবজাতক, গর্ভবতী নারী, অতিরিক্ত গরমে বাইরে কাজ করা মানুষ এবং এমন কিছু ওষুধ সেবনকারী ব্যক্তি যারা সহজে ঘামতে পারেন না—তাদের গরমে বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। হৃদ্রোগসহ কিছু শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও অতিরিক্ত গরমে ঝুঁকি বেশি থাকতে পারে।
তাহলে শুধু নিজের শরীরের দিকেই নজর না দিয়ে আশপাশের বয়স্ক মানুষ, শিশু ও অসুস্থ ব্যক্তিরাও গরমে কেমন আছেন, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।
গরমে অসুস্থ হওয়ার পর ঠান্ডা হওয়ার চেষ্টা না করে আগে থেকেই সতর্ক থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দিনের তীব্র গরম এড়িয়ে চলা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী শরীর ঠান্ডা রাখার ব্যবস্থা করলেই গরমের অস্বস্তি ও ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
সূত্র: হার্ভার্ড
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ